Home Blog Page 91

মৃ’ত’দে’হের স’ঙ্গে যৌ’ন স’ম্পর্ক, ‘জেগে’ উঠলেন তরুণী, ও’তপর

0

দ্য শট কা’র্টস’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে সম্প্রতি একটি শর্ট ফিলমের ভিডিও আপলোড করা হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি ম’র্গে’র মধ্যে এক তরুণীর দেহ আনা হয়েছে। আর ওই ম’র্গে’ই সদ্য কাজে যোগ দিয়েছেন এক যুবক।ম’র্গে’র এক চিকিৎসক ওই যুবককে তরুণীর দেহের অংশ কা’টতে বলেন পরীক্ষার জন্য।

কিন্তু সেই কথা শুনে ওই যুবক ভ’য়ে কাঁ’পতে থাকেন। যুবকের ওই অবস্থা দেখে হাসিঠাট্টায় মাতেন ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই যুবককে ওখানে রেখে বাইরে চলে যান চিকিৎসক-সহ ম’র্গে’র বাকি কর্মীরা।একা ঘরে সামনে আসে ওই যুবকের ‘বি’কৃ’ত রুচি’। ঘরে একা ওই যুবতীর মৃ’ত’দেহ দেখেই যৌ’ন মি’লন করতে যায় যুবক।

কিন্তু তখনই ঘটে বি’পত্তি। আ’চমকাই দেহটি ‘জেগে’ ওঠে। গ’লা টি’পে ধরে যুবকের। বিপাকে পড়ে ওই যুবক চি’ৎকার করে ওঠেন। শব্দ শুনে বাকি কর্মীরা ঘ’টনাস্থলে এসে দেখেন ওই যুবক প্র’লাপ করছেন। দেহটি অবশ্য তখনও নিজের জায়গাতেই রয়েছে।১১ মিনিটের এই শর্ট ফিলমটিই এখন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।

আরো পরুন না’রীরা কোন বয়সে যৌ’ন মি’লনে বেশি তৃ’প্তি পায় ও অধিক আ’গ্রহ দেখায় শা’রীরিক স’ম্পর্কের মধ্যে সন্তুষ্টি খুবই মুখ্য একটি বি’ষয়। গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, না’রীদের মি,লনের প্রতি সন্তুষ্টি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃ’দ্ধি
পায়।বয়স ৪০-এ গড়ানোর পর থেকেই না’রীদের শা’রীরিক স’ম্পর্কে ক্রমশ সন্তুষ্টি বাড়তে থাকে।সম্প্রতি ৪০ বছর থেকে ১০০ বছর বয়সী
না’রীদের নিয়ে একটি গ’বেষ’ণা করা হয়। এ গ’বেষ’ণায় প্রায় দেড় হাজার না’রী অংশগ্রহণ করেন। যেখানে দেখা যায়, বয়স বেশি হওয়া সত্ত্বেও
অর্ধেকের বেশি না’রী তাদের শা,রীরিক স’ম্পর্কে বেশ সক্রিয়।

এমনকি মি’লনের সময় প্রচুর উ’ত্তেজিত হতে স’ক্ষম।পরবর্তীতে দেখা যায়, যাদের বয়স ৫৫ বছরের কম কিংবা ৮০ বছরের বেশি তারাও মি’লনে
সর্বাধিক সন্তুষ্টি পান বলে সাক্ষাৎকারে জানান।অংশগ্রহণকারী না’রীদের ও’পর যৌ,ন সং’ক্র’মণ ও যৌ,ন জীবনে হ,রমোন থে,রাপির প্রভাবকে
কেন্দ্রে রেখে এ গ’বেষ’ণা করা হয়। গ’বেষ’ণার ফলাফলটি গত জানুয়ারিতে আমেরিকান জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশ করা হয়।

এক সাক্ষাৎকারে গবেষক এলিজাবেথ ব্যারেট-কনর বলেন, ‘আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি যখন জানলাম ৮০ বছরের বেশি বয়স হওয়া সত্ত্বেও
না’রীরা মি,লনে সর্বাধিক স,ন্তুষ্টি পান।’তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে না’রীদের যৌ,ন কা,র্যকলাপ কমে যাওয়াতে মি’লনের প্রতি
অপেক্ষাকৃত ঝোঁ,ক কম দেখা যায়। অধিকতর বয়স্ক না’রীরাও কিন্তু যৌ,নতার দিক দিয়ে নিয়মিত সক্রিয় নন।

তবে যৌ,ন কা,র্যকলাপে ঠিকই স্বা,চ্ছন্দ্যবোধ করেন। আর এ ধরনের বয়স্ক না’রীরা সো,হাগপূর্ণ স্পর্শে, দী,র্ঘকালীন ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে অন্তর
,ঙ্গতার বিনিময়েও স,ন্তুষ্টি পান।’গ’বেষ’ণায় আরও দেখা যায়, কোন ধরনের শা,রীরিক স’ম্পর্ক না করেও সুস্বাস্থ্যবান আছেন কিছু না’রী।
৬৫ বছরের কম বয়সী না,রীরা মি,লনের দিক দিয়ে সক্রিয়।তবে গবেষকরা এখনও স্পষ্ট নন যে, নিয়মিত যৌ,ন কার্যকলাপের মাধ্যমেই

কি সন্তুষ্টি বাড়ে নাকি কাছাকাছি অন্য কোনো উপায়ে।অন্যদিকে যৌ,ন রো,গের অধিকাংশ গ’বেষ’ণায় দেখা যায়, অল্পবয়সীদের প্রধান
অভিযোগ হলো, নিয়মিত যৌ’নতাতে খুব কম আ’গ্রহ পান তারা। বয়স্ক না’রীরাও যে কেবল শা’রীরিক স’ম্পর্কে আ’গ্রহী তেমন কিন্তু নয়।
তবে অল্পবয়সীদের তুলনা তারা মি’লন ব্যতীত যৌ,ন কার্যকলাপের মাধ্যমে স,ন্তুষ্টি অর্জনে বেশি স্বা,চ্ছন্দ্যবোধ করেন।

অনেকের কাছে মি’লনের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি মানেই চমৎকার যৌ,ন স’ম্পর্ক। আবার অনেকেই ভাবেন যৌ,ন কার্যকালাপ কমে যাওয়ার কারণেই
মি,লনের প্রতি আ’গ্রহ কমে গেছে।তবে গ’বেষ’ণাটির পেছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে, অনেকেই মনে করেন বয়স বাড়ার সঙ্গে
সঙ্গে শা,রীরিক স’ম্পর্কের প্রতি তৃ’প্তি বা ঝোঁক কমে যায়। তাদের এই ভ্রা,ন্ত ধারণা দূর করতেই এখানে বলা হয়েছে, ব’য়স্ক দম্পতিদের জন্য
আগামীতে সন্তো,ষজনক স’ম্পর্ক অপেক্ষা করছে।

আরো পরুন মানুষ দিন দিন কত নিচে নেমে যাচ্ছে তা বর্ণনা দিয়ে বোঝানো হয়তো সম্ভব নয়। টানা দু’বছর ধরে এক নাবালিকা ধ’র্ষণ হয়ে আসছে। সঙ্গে রয়েছে শা’রীরিক ও মা’নসিক অ’ত্যাচার। ঘ’টনাটি ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোডা জে’লায়।নাবালিকা জানায়, দু’‌বছর আগে তার মা-বাবা গাড়ি দুর্ঘ’টনায় মা’রা যায়। এরপর সেই নাবালিকা এবং তার দুই ভাইকে দেখাশোনা করার জন্য তার দাদী তাদের সঙ্গে এসে থাকতে শুরু করেন।

আর কিছুদিন পরে মাত্র চার হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে সুরিন্দর নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়। কিন্তু দিল্লি আনার পর সুরিন্দরের আসল চরিত্র জানতে পারে সে। দিন-রাত যৌ’ন নি’র্যাতন করা হয় তাকে। মুখে কাপড় গুঁজে, হাত-পা বেঁ’ধে চলত ধ’র্ষণ।কিছুদিন পর মে’য়েটিকে নিজেরই এক বন্ধু মণি মিশ্রর বাড়িতে কাজে পাঠায় সুরিন্দর।

আর সেখানেই শুরু হয় নতুন করে অ’ত্যাচার।সে বলেছে,মিশ্র নামে সেই ব্যক্তি রান্নাঘরেই আমাকে ধ’র্ষণ করতে থাকে। আমাকে থাকতেও হত রান্নাঘরের এক কোণে। সেই ব্যক্তির স্ত্রী’ এবং স’ন্তানরা রান্নাঘরের বাইরে থাকলেই মণি তাকে ধ’র্ষণ করত।

এমনকি চলত পাশবিক অ’ত্যাচার। সুরিন্দরের চেয়েও বেশি অ’ত্যাচার করা হত আমাকে।এরপর সেখান থেকে সে কোনোমতে পালাতে স’ক্ষম হয়। পরে দুই যুবক তাকে উ’দ্ধার করে পু’লিশের হাতে তুলে দেয়। আ’ক্রান্তের মুখে এই জবানব’ন্দি শুনে রীতিমতো শিউরে উঠেছেন পু’লিশ কর্মক’র্তারা। ইতিমধ্যে প’লাতক অ’ভিযুক্তদের ধরতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ দলও।‌‌

আরো পরুন স্বা’মীকে হ’ত্যার পর পুঁতে তার ও’পর স্ত্রী’র রান্নার চুলা পর’কী’য়া স’ন্দেহে আইনজীবী স্বা’মীকে হ’ত্যা করে রান্নাঘরে স্ল্যাবের নিচে স্বা’মীর লা’শ পুঁতে তার ও’পরই স্ত্রী’ তৈরি করেন চুলা! সেই চুলায় রান্না চলে প্রায় এক মাস। তবে শেষ রক্ষা হয়নি স্ত্রী’র।পু’লিশের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে সব ত’থ্য। রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে লা’শ উ’দ্ধার করা হয়েছে।

পাঠানো হয়েছে ময়নাত’দন্তে।সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশের অনুপ্পুর জে’লার রোমহর্ষক এ খু’নের ঘ’টনা ঘটেছে।অ’ভিযুক্ত স্ত্রী’কে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। ঘ’টনায় নি’হতের স্ত্রী’ ছাড়া আর কেউ জড়িত কিনা, সে ত’থ্য পেতে জি’জ্ঞাসাবাদ চলছে।পু’লিশ জানিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে নি’খোঁজ হন মহেশ বানওয়াল (৩৫)। বি’ষয়টি থানায় অ’ভিযোগ করেন তার স্ত্রী’ প্রমিলা (৩২)।ত’দন্তে পু’লিশ কার্যত কোনও সূত্রই খুঁজে পায়নি।

কিন্তু ২১ নভেম্বর ঘ’টনা মোড় নেয় অন্যদিকে।ওই দিন থানায় গিয়ে মহেশের দাদা জানান, নি’খোঁজের ঘ’টনায় মহেশের স্ত্রী’র হাত থাকতে পারে।এই সূত্র পেয়েই সক্রিয় হয় পু’লিশ। সরাসরি হা’না দেয় মহেশের বাড়িতে। বাড়ি ঢুকেই দুর্গন্ধ পান পু’লিশকর্মীরা। কিন্তু সারা ঘর তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোথাও কোনও সূত্র পাচ্ছিলেন না। তবে বেশ কিছু ক্ষণ ধরে পর্যবেক্ষণের পর রান্নাঘরে ওই গন্ধের উৎস খুঁজে বের করেন তারা।

পুত্রবধূকে প্রায়ই ধ’র্ষণ করতেন শ্বশুর, অবশেষে হাতেনাতে ধরা

0

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে পুত্রবধূকে ধ’র্ষণের অভিযোগে আমাজাদ হোসেন ভোলা (৫৫) নামের শ্বশুরকে আ’টক করে পু’লিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয়া। গতকাল সোমবার সকালে এ ঘ’টনা ঘটে।

জানা যায়, ধ’র্ষণের শি’কার ওই না’রী বা’দী হয়ে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালীগঞ্জ থানায় মা’মলাটি করেন। আমাজাদ হোসেন পেশায় ভ্যানচালক।

পু’লিশ ও স্থানীয়রা জানান, আমাজাদ হোসেন ভোলার ছেলের সঙ্গে প্রায় ৮ মাস আগে বিয়ে হয় শা’রীরিক প্রতিব’ন্ধী ওই না’রীর। বিয়ের পর থেকেই সে শ্বশুর বাড়িতে থাকলেও তার স্বা’মী কাজ করতেন পঞ্চগড়ে।

মা’মলার এজাহারে বলা হয়, স্বা’মীর অনুপস্থিতির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রায়ই ওই না’রীকে ধ’র্ষণ করতেন তার শ্বশুর। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমজাদ হোসেন তার ছেলের বউকে ধ’র্ষণ করেন। পরে তার চি’ৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে শ্বশুরকে হাতেনাতে আ’টক। পরে পু’লিশ এসে তাকে আ’টক করে থানায় নিয়ে যায়।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রা’প্ত (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘ’টনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয়রা খবর দিলে ঘ’টনাস্থল থেকে শ্বশুর আমজাদ হোসেনকে আ’টক করা হয়েছে। পরে রাতে ওই পুত্রবধূ শ্বশুরের বি’রুদ্ধে থানায় মা’মলা দা’য়ের করেন।

বুকের দু’ধ বিক্রি করে এই মে’য়ে কোটিপতি!

0

বিশ্বা’সকে পুঁজি করেই সাইপ্রাসের এক না’রী সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়,

রাফেলা ল্যাম্পরুউ নামের সাইপ্রাসের ওই না’রী মাত্র ৭ মাসেই বুকের দু’ধ বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে গেছেন। যা কিনেছে বডি বিল্ডারেরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাফেলা ল্যাম্পরুউ গত ৭ মাস আগে এক পুত্র স’ন্তানের জন্ম দেন।

স’ন্তান হওয়ার পর নিয়মিত বুকের দু’ধ পান করাচ্ছিলেন তিনি। তবে এটাও লক্ষ্য করেন যে, স’ন্তানকে খাওয়ানোর পরও দু’ধ যথেষ্ট ন’ষ্ট হচ্ছে।

তাই ঠিক করেন বাড়তি দু’ধ তিনি বিক্রি করবেন। অবশ্য বাড়তি দু’ধ তিনি

অন্য শি’শুদের কাছে বিক্রি করতে চেয়েছিলেন। যাদের মায়েদের বুকের দু’ধ তৈরি হয় না।

কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে রাফেলার হয় অন্য অ’ভিজ্ঞতা। দেখলেন, শি’শুর মায়েদের চাইতে ব্যায়াম বীরদের দু’ধের প্রতি বেশি আ’গ্রহ।

শুরুতে পর পর কয়েকজন বডি বিল্ডার তার কাছে বুকের দু’ধ কেনার জন্য যান।

তারাই জানান, পেশী শক্তি বাড়ানোর জন্য বুকের দু’ধের কার্যকারিতা নাকি সবচেয়ে বেশি।

সেই কারণেই নানা রকম রাসায়নিক সম্পূরক খাদ্যের চাইতে বুকের দু’ধ তাদের বেশি পছন্দ।

চাহিদা মোতাবেক তাই এদের কাছেই প্যাকে’টে বুকের দু’ধ বিক্রি করা শুরু করেন রাফেলা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এরই মধ্যে তিনি নাকি প্রায় ৫ কোটি টাকা রোজগার করে ফে’লেছেন।

বি’ষয়টি যাতে প্রচার পায় সেজন্য ২৪ বছরের ওই না’রী নিজের একটি ওয়েবসাইটও তৈরি করেছেন। দু’ধ বিক্রির ব্যবসা নিয়ে দুই স’ন্তানের জননী রাফেলা স্বা’মী অ্যালেক্স’কে নিয়ে নাকি সুখেই সংসার করছেন।

সম্পত্তি লিখে না দেয়ায় মায়ের ন’গ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিল ছেলে

0

পৈতিক সম্পত্তির মালিকানা পাওয়া নিয়ে বি’বাদ। সেই কারণে মায়ের ন’গ্ন ছবি আত্মীয় স্বজনের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিল ছে’লে।

এই অ’ভিযোগে ৫০ বছরের এক ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। খবর বাজারের।

সম্প্রতি এই ঘ’টনা ঘটেছে ভা’রতের রাজস্থানে। ঘ’টনার কথা সোমবার জানানো হয়েছে পু’লিশের তরফে।

মায়ের ন’গ্ন ছবি ছড়ানোয় অ’ভিযু’ক্ত ওই ব্যক্তির নাম দীপক তিওয়ারি (৫০)।

আ’দালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। খবর বাজার পত্রিকার।

পু’লিশ জানিয়েছে, ২০ দিন আগে মা’রা গিয়েছেন ওই ব্যক্তির বাবা। তার পরই মায়ের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বি’বাদ।

ছে’লের ইচ্ছা, বাবার সম্পত্তি তার নামে লিখে দিন মা। কিন্তু মা রাজি না হওয়ায় আত্মীয় স্বজনের কাছে মায়ের বদনাম করার

মতলব এঁটেছিলেন দীপক। সেই মতো মায়ের ন’গ্ন ছবি ছড়িয়ে মাকে ব্ল্যাকমেল করে সব সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

পু’লিশে করা অ’ভিযোগে দীপকের মা ৭৫ বছরের ওই বৃ’দ্ধা জানিয়েছেন, ১৩ মে তিনি যখন তার স্বা’মীর পারলৌকিক কাজ করছিলেন, তখন ছে’লে এসে কোনও বস্তু তার গায়ে স্প্রে করে দেয়। তাঁর সারা গা চুলকাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বাথরুমে গিয়ে স্নান করেন। সে সময়ই লুকিয়ে তার ন’গ্ন ছবি তুলেছিল ছে’লে।

পরে সেই ছবি দীপক পাঠিয়ে দেয় আত্মীয় স্বজনের কাছে। আত্মীয়দের কাছে ন’গ্ন ছবির ব্যাপারে জানতে পেরে পু’লিশের দ্বারস্থ হন ৭৫ বছরের ওই বৃ’দ্ধা। অ’ভিযোগ পেয়ে শনিবার দীপককে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ। তাঁর বি’রুদ্ধে ত’থ্যপ্রযু’ক্তি ও ভা’রতীয় দ’ণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় মা’মলা দা’য়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পু’লিশ।

ভারতে মু’সলিম ছেলের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর মে’য়ের প্রেম-বিয়ে নিয়ে হইচই!

0

ভারতীয় রাজ্য কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাইবিজায়নের মে’য়ে বীণা টির সাথে বিয়ে হয়েছে সিপিআই(এম) নেতা পি এ মোহাম্ম’দ রিয়াজের। যেহেতু বীণা হিন্দু আর রিয়াজ মু’সলিম, তাই এ বিয়ে নিয়ে দক্ষিণ ভারতের সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। ক’রোনা সংক্রান্ত বিধিনি’ষেধের কারণে এখনো বিয়ের অনুষ্ঠান জাঁকজমক করে করা যাচ্ছে না।

ফলে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই সারতে হচ্ছে কেরলের মু্খ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের মেয়ের বীণার বিয়ে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের বিয়ে বলে কথা! তাই দক্ষিণ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিয়ের ছিমছাম অনুষ্ঠান নিয়েও জো’র চর্চা শুরু হয়েছে।

পেশায় ত’থ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বীণার সঙ্গে সিপিআইএম-এরই যুবনেতা মোহাম্ম’দ রিয়াজের বিয়ে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

আগামী ১৫ জুন অতিথি আপ্যায়ণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিয়ে নিয়ে নানা রকম আলোচনাই এখন কেরলের সোশ্যাল মিডিয়াতে হট টপিক। জানা গেছে বীণা ও রিয়াজের রেজিস্ট্রি বিয়ে ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।

তিরুঅনন্তপুরমে সেই উপলক্ষে একটি ছিমছাম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ক’রোনা সংক্রান্ত যাবতীয় বিধিনি’ষেধ মেনেই দুই পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন বাছাই করা অতিথিকে এই অনু্ষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ত’থ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওরাকেল-এ কাজ করার পর আর পি টেকসফট নামে একটি সংস্থার সিইও ছিলেন বীণা। ছ’ বছর আগে নিজের একটি সংস্থা খোলেন তিনি। যার সদর দফতর ছিল বেঙ্গালুরুতে।

মূলত মোবিলিটি এবং ক্লাউড সলিউশন পরিষেবা দেয়ার কাজ করত এই সংস্থা।তবে বীণার এই সংস্থা বিতর্কেও জড়িয়েছে। কংগ্রেস নেতা পি টি টমাস কিছু দিন আগে অভিযোগ করেছিলেন,

বীণার সংস্থার ওয়েবসাইট আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পিছনে আমেরিকার Sprinklr সংস্থার সঙ্গে কেরল স’রকারের একটি চুক্তি রয়েছে। অভিযোগ উঠেছিল, কেরল স’রকার ক’রোনা রো’গীদের সংক্রান্ত ত’থ্য রাখার জন্য Sprinklr-এর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল।

তবে বীণার এটি দ্বিতীয় বিয়ে বলেই জানা গিয়েছে। এর আগে তিরুঅনন্তপুরমের বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী সুনীশ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তাদের দশ বছরের একটি স’ন্তানও রয়েছে।

কিন্তু সুনীশের সঙ্গে বীণার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এর পরই রিয়াজের সঙ্গে বীণার প্রেমের স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ছাত্র রাজনীতি করে উঠে আসা রিয়াজ ২০১৭ সালে সিপিএম-এর যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই-এর সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে কোঝিকোড় কেন্দ্র থেকে সিপিএম-এর প্রার্থী হিসেবে লড়ে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন রিয়াজ। তবে রিয়াজেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথমপক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে তার দু’টি স’ন্তান রয়েছে।

যেহেতু রিয়াজ মু’সলিম এবং বীণা হিন্দু, স্বভাবতই কেরলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বি’ষয়টি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে যেমন নবদম্পতিকে ট্রোল করছেন, সেরকমই প্রচুর সংখ্যক মানুষ বীণা ও রিয়াজকে নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

0

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচা’প অবস্থান করছে। ওই লঘুচা’পের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং এর আশেপাশের এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও, বায়ু চা’পের আধিক্য বিরাজ করছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ও’পর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও এর পাশ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। একইসঙ্গে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিন ও দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। যা বেড়ে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। সমগ্র দিনের তাপমাত্রায় ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তারতম্য হতে পারে।

জরুরি পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ জাতীয় কমিটির

0

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ক‌রোনাভাইরা‌সের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য পূর্ণ লকডাউন প্রয়োজন ব‌লে অ‌ভিমত ব্যক্ত ক‌রে‌ছেন কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির বি‌শেষজ্ঞরা।

জীবন ও জীবিকার সামঞ্জস্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সারাদেশে আ’ক্রান্ত ও ঝুঁ’কির মাত্রার ভিত্তিতে যতটা বড় এলাকায় সম্ভব জরুরিভাবে লকডাউনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেছে এই কমিটি।

ক’রোনাভা’ইরাসেের চ্যালেঞ্জ মো’কাবিলায় স’রকারের গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নবম সভা শেষে থেকে বুধবার (১০ জুন) এমন সুপারিশ আসে। সভায় হাসপাতালের সেবার পরিধি বাড়ানোসহ পাঁচটি সুপারিশ করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে ১৭ সদস্যের এই কমিটি।

কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্ম’দ সহিদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণ নিশ্চিত করতে ‘পূর্ণ লকডাউন’ প্রয়োজন।

এর আগে অত্যন্ত জরুরিভিত্তিতে সব হাসপাতালে হাই-ফ্লো অক্সিজেন থেরাপির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে তা চালু করার পরামর্শ দিয়েছিল কমিটি। এবারের বৈঠকেও কমিটি হাই-ফ্লো অক্সিজেন থেরাপি সব হাসপাতালে চালু ও সম্প্রসারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা ব্যাপকহারে ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ায় উ’দ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে কমিটির সভায়। চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে না পারলে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কার কথাও বলেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য দ্রুত আলাদা হাসপাতাল চালুর পরামর্শ এসেছে সভা থেকে।

এর আগে সব হাসপাতালে কোভিড ও নন-কোভিড রো’গীদের আলাদা চিকিৎসা দেওয়ার সি’দ্ধান্ত দিয়েছিল জাতীয় কমিটি। যেসব হাসপাতালে সে সি’দ্ধান্ত এখনো বাস্তবায়ন হয়নি, সেখানে তা কার্যকর করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে সভায়।

কমিটি বলেছে, পরীক্ষার মান্নোয়ন ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যতদিন সময় কমানো সম্ভব না হয়, পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা না করে স’ন্দেহজনক রো’গীর চিকিৎসা বা আইসোলেশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

ক’রোনা থেকে বাঁচার ও’ষুধ পেয়ে গেছেন রাম’দেব

0

প্রতিদিন ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে মৃ’ত্যুর মিছিল।

কিন্তু এই মারণ ভাই’রাসের ও’ষুধের সন্ধানে হাতড়াচ্ছে গোটা বিশ্ব। দেশে দেশে এ নিয়ে গ’বেষ’ণা চললেও এখনও পর্যন্ত কোনও খুশির খবর দিতে পারেননি বিজ্ঞানিরা। যদিও হার না মানা সংকল্প নিয়ে দিনরাত এক করে গ’বেষ’ণা চা’লিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ক’রোনার ও’ষুধের সন্ধান করতে গিয়ে বিশ্ব যখন প্রায় নাজেহাল তখন এক বি’স্ফোরক মন্তব্য করলেন ভারতের যোগগুরু রাম’দেব। এ রো’গের প্রতিরোধের উপায় তার জানা আছে বলে দাবি করেছেন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা।

সম্পূর্ণ ভেষজ উপায়ে ক’রোনাকে জ’ব্দ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি। ক’রোনার বি’রুদ্ধে লড়াইয়ে স’ক্ষম ঔষধির নামও উল্লেখ করেছেন তিনি। এর আগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়েছিল।

ক’রোনাকে রুখে দেওয়ার মতো গুণ আছে পরিচিত দুই ঔষধি গুলঞ্চ (Giloy) এবং অশ্বগন্ধা (Ashwagandha)। রাম’দেবের দাবি অনুসারে, ভাই’রাস দেহে প্রবেশের পরে সামগ্রিকভাবে শা’রীরিক ব্যবস্থার ও’পর আ’ঘাত হানে।

ফলে রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা কমতে থাকে। শ’রীর দু’র্বল হয়। এরপর ভাই’রাসের সং’ক্র’মণে আ’ক্রান্ত দেহকোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। দেহকোষে সং’ক্র’মণের এই শৃঙ্খল ভে’ঙে দেওয়ার ক্ষ’মতা গুলঞ্চের আছে বলে দাবি করেছেন পতঞ্জলী আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা।

রাম’দেব আরো জানান, ইতোমধ্যে ক’রোনা আ’ক্রান্তদের পরীক্ষামূলকভাবে গুলঞ্চ এবং অশ্বগন্ধা দেওয়া হয়েছিল। সুস্থতার হার ১০০ শতাংশ। এমনকি কোনো মৃ’ত্যুর ঘ’টনাও ঘটেনি। যদিও ক্লিনিক্ল্য়াল টেস্ট এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বলে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এটি সম্পন্ন হলেই পতঞ্জলির পক্ষ থেকে বৈজ্ঞানিক গ’বেষ’ণাপত্র গোটা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুধু ক’রোনার চিকিৎসা নয়, ক’রোনাকে সমূলে উপড়ে ফেলার ক্ষ’মতা ভারতীয় আয়ুর্বেদের আছে বলে রাম’দেবের দাবি।

ক’রোনার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদিক ও’ষুধের উপকারিতা নিয়ে ইতোমধ্যে গ’বেষ’ণা শুরু করে দিয়েছেন দিল্লি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একদল বিজ্ঞানী।

জাপানের সংস্থা এআইএসটি এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁ’ধে এই গ’বেষ’ণা চালাচ্ছেন তারা। এই যৌথ গবেষক দলের মতে, ক’রোনার বি’রুদ্ধে লড়াই করার মতো সম্ভাবনা অশ্বগন্ধার আছে। যদিও পুরো গ’বেষ’ণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। ক’রোনার বি’রুদ্ধে আয়ুর্বেদ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে, এমন চূড়ান্ত সি’দ্ধান্তে এখনও পৌঁছতে পারেননি তারা।

সূত্র: এই সময়

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে দোকানপাট

0

স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মানুষের উদাসীন জীবন-যাপনে খুলনায় ঊর্ধ্বমুখী হারে বাড়ছে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা। শপিং মল-দোকানপাটে ভিড় ও বহিরাগতদের অবাধ চলাচলে সং’ক্র’মণ এখন অনেকটা নিয়’ন্ত্রণের বাইরে।

উ’দ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ক’রোনা সং’ক্র’মণের লাগাম টেনে ধরতে টানা দুই সপ্তাহ দোকানপাট বন্ধসহ সাত দফা ক’ঠোর নির্দেশনা দিয়েছে জে’লা প্রশাসন।

প্রতীকী ছবি

খুলনা জে’লা ক’রোনা ভাই’রাস সং’ক্র’মণ রোধে গঠিত কমিটির সভায় এসব সি’দ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জে’লা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্ম’দ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (০৯ জুন) দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সভায় উপিস্থত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা।

এছাড়া সভায় ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হন খুলনা ক’রোনা ভাই’রাস প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রা’প্ত ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের স’চিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন।

এদিকে গতকাল গণবিজ্ঞপ্তি জারির পরই অ্যা’কশনে নেমেছে পু’লিশ। নগরীর জিরো পয়েন্ট ও গল্লামারী এলাকায় চেক পয়েন্ট বসিয়ে শহরের মধ্যে ইজিবাইক প্রবেশে বা’ধা দেওয়া হচ্ছে।

মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় অ’ভিযান শুরু করেছে ভ্রাম্যমাণ আ’দালত। শহরের ভিতর থেকে দূরপাল্লার বাস সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছোট পরিবহন মাহেন্দ্র-ইজিবাইকে দুজনের বেশি যাত্রী পরিবহনেও বা’ধা দেওয়া হচ্ছে।

খুলনা জে’লা প্রশাসক মোহাম্ম’দ হেলাল হোসেন বলেন, ঈদ-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতায় ক’রোনা পরিস্থিতি নিয়’ন্ত্রণ হারাচ্ছে। এ কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচাবাজার, মৌসুমি ফলের দোকান ও ফার্মেসি ব্যতীত দোকানপাট শপিং মল, ফুটপাথের দোকান বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। তবে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাইরে অবস্থান করা যাবে না।

তিনি বলেন, ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে হবে। সড়কে মাস্ক ব্যবহার না করলে জে’ল-জরিমানার ক’ঠোর সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে ১১-২৫ জুন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আ’দালতের কার্যক্রম বাড়ানো হবে। এদিকে নির্দেশনা অনুযায়ী, চালক ব্যতীত মোটরসাইকেলে অন্য কোনো আরোহী উঠতে পারবে না। তবে পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে তা শিথিলযোগ্য।

বাসস্ট্যান্ড ছাড়া অন্য কোথাও থেকে দূরপাল্লার বাস আসা-যাওয়া করতে পারবে না। জানা যায়, ক’রোনা প্রতিরোধে জে’লা কমিটির জরুরি সভায় এসব সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্যবিধি ল’ঙ্ঘন ও অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদা’য়ের কারণে ভ্রাম্যমাণ আ’দালতে গতকাল সাড়ে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সড়কে চলাচলে বা বাজারে কেনাকা’টায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানা, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিপণিবিতান বন্ধ না করা ও যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় এসব জরিমানা করা হয়।

ম’র্মান্তিক, হৃদয়বিদারক

0

তীব্র শ্বাসক’ষ্টে ভুগতে থাকা আইয়ুব আলীকে রাঙ্গুনিয়া থেকে চট্টগ্রাম শহরের হাসপাতালে ভর্তির জন্য এনছিলেন তার স্ত্রী। কিন্তু কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরেও তাকে ভর্তি করাতে পারেননি।

নিরুপায় হয়ে তাকে নিয়ে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে যান চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে। জরুরি বিভাগের সামনে অপেক্ষা করতে থাকেন ভর্তি করানোর জন্য। কিন্তু ভর্তি করানোর আগেই স্ত্রীর সামনেই মা’রা যান আইয়ুব আলী।

স্বজনরা বলছেন, সময়মতো আইয়ুব আলীকে যদি অক্সিজেন সরবরাহ করা যেত তাহলে তাকে বাঁচানো যেত। রো’গীর অবস্থা সং’কটাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেননি।