| news | Page 397
Home Blog Page 397

ভারতে মু’সলিম ছেলের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর মে’য়ের প্রেম-বিয়ে নিয়ে হইচই!

0

ভারতীয় রাজ্য কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাইবিজায়নের মে’য়ে বীণা টির সাথে বিয়ে হয়েছে সিপিআই(এম) নেতা পি এ মোহাম্ম’দ রিয়াজের। যেহেতু বীণা হিন্দু আর রিয়াজ মু’সলিম, তাই এ বিয়ে নিয়ে দক্ষিণ ভারতের সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে। ক’রোনা সংক্রান্ত বিধিনি’ষেধের কারণে এখনো বিয়ের অনুষ্ঠান জাঁকজমক করে করা যাচ্ছে না।

ফলে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই সারতে হচ্ছে কেরলের মু্খ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের মেয়ের বীণার বিয়ে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ের বিয়ে বলে কথা! তাই দক্ষিণ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিয়ের ছিমছাম অনুষ্ঠান নিয়েও জো’র চর্চা শুরু হয়েছে।

পেশায় ত’থ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ বীণার সঙ্গে সিপিআইএম-এরই যুবনেতা মোহাম্ম’দ রিয়াজের বিয়ে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

আগামী ১৫ জুন অতিথি আপ্যায়ণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিয়ে নিয়ে নানা রকম আলোচনাই এখন কেরলের সোশ্যাল মিডিয়াতে হট টপিক। জানা গেছে বীণা ও রিয়াজের রেজিস্ট্রি বিয়ে ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।

তিরুঅনন্তপুরমে সেই উপলক্ষে একটি ছিমছাম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ক’রোনা সংক্রান্ত যাবতীয় বিধিনি’ষেধ মেনেই দুই পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন বাছাই করা অতিথিকে এই অনু্ষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ত’থ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওরাকেল-এ কাজ করার পর আর পি টেকসফট নামে একটি সংস্থার সিইও ছিলেন বীণা। ছ’ বছর আগে নিজের একটি সংস্থা খোলেন তিনি। যার সদর দফতর ছিল বেঙ্গালুরুতে।

মূলত মোবিলিটি এবং ক্লাউড সলিউশন পরিষেবা দেয়ার কাজ করত এই সংস্থা।তবে বীণার এই সংস্থা বিতর্কেও জড়িয়েছে। কংগ্রেস নেতা পি টি টমাস কিছু দিন আগে অভিযোগ করেছিলেন,

বীণার সংস্থার ওয়েবসাইট আচমকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পিছনে আমেরিকার Sprinklr সংস্থার সঙ্গে কেরল স’রকারের একটি চুক্তি রয়েছে। অভিযোগ উঠেছিল, কেরল স’রকার ক’রোনা রো’গীদের সংক্রান্ত ত’থ্য রাখার জন্য Sprinklr-এর সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল।

তবে বীণার এটি দ্বিতীয় বিয়ে বলেই জানা গিয়েছে। এর আগে তিরুঅনন্তপুরমের বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী সুনীশ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। তাদের দশ বছরের একটি স’ন্তানও রয়েছে।

কিন্তু সুনীশের সঙ্গে বীণার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এর পরই রিয়াজের সঙ্গে বীণার প্রেমের স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ছাত্র রাজনীতি করে উঠে আসা রিয়াজ ২০১৭ সালে সিপিএম-এর যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই-এর সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে কোঝিকোড় কেন্দ্র থেকে সিপিএম-এর প্রার্থী হিসেবে লড়ে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন রিয়াজ। তবে রিয়াজেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথমপক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে তার দু’টি স’ন্তান রয়েছে।

যেহেতু রিয়াজ মু’সলিম এবং বীণা হিন্দু, স্বভাবতই কেরলে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বি’ষয়টি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে যেমন নবদম্পতিকে ট্রোল করছেন, সেরকমই প্রচুর সংখ্যক মানুষ বীণা ও রিয়াজকে নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

0

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচা’প অবস্থান করছে। ওই লঘুচা’পের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং এর আশেপাশের এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও, বায়ু চা’পের আধিক্য বিরাজ করছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ও’পর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা ও এর পাশ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। একইসঙ্গে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিন ও দক্ষিন-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। যা বেড়ে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। সমগ্র দিনের তাপমাত্রায় ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তারতম্য হতে পারে।

জরুরি পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ জাতীয় কমিটির

0

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ক‌রোনাভাইরা‌সের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য পূর্ণ লকডাউন প্রয়োজন ব‌লে অ‌ভিমত ব্যক্ত ক‌রে‌ছেন কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির বি‌শেষজ্ঞরা।

জীবন ও জীবিকার সামঞ্জস্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সারাদেশে আ’ক্রান্ত ও ঝুঁ’কির মাত্রার ভিত্তিতে যতটা বড় এলাকায় সম্ভব জরুরিভাবে লকডাউনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেছে এই কমিটি।

ক’রোনাভা’ইরাসেের চ্যালেঞ্জ মো’কাবিলায় স’রকারের গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নবম সভা শেষে থেকে বুধবার (১০ জুন) এমন সুপারিশ আসে। সভায় হাসপাতালের সেবার পরিধি বাড়ানোসহ পাঁচটি সুপারিশ করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে ১৭ সদস্যের এই কমিটি।

কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্ম’দ সহিদ উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক বিচ্ছিন্নকরণ নিশ্চিত করতে ‘পূর্ণ লকডাউন’ প্রয়োজন।

এর আগে অত্যন্ত জরুরিভিত্তিতে সব হাসপাতালে হাই-ফ্লো অক্সিজেন থেরাপির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে তা চালু করার পরামর্শ দিয়েছিল কমিটি। এবারের বৈঠকেও কমিটি হাই-ফ্লো অক্সিজেন থেরাপি সব হাসপাতালে চালু ও সম্প্রসারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা ব্যাপকহারে ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ায় উ’দ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে কমিটির সভায়। চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে না পারলে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কার কথাও বলেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য দ্রুত আলাদা হাসপাতাল চালুর পরামর্শ এসেছে সভা থেকে।

এর আগে সব হাসপাতালে কোভিড ও নন-কোভিড রো’গীদের আলাদা চিকিৎসা দেওয়ার সি’দ্ধান্ত দিয়েছিল জাতীয় কমিটি। যেসব হাসপাতালে সে সি’দ্ধান্ত এখনো বাস্তবায়ন হয়নি, সেখানে তা কার্যকর করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে সভায়।

কমিটি বলেছে, পরীক্ষার মান্নোয়ন ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যতদিন সময় কমানো সম্ভব না হয়, পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা না করে স’ন্দেহজনক রো’গীর চিকিৎসা বা আইসোলেশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

ক’রোনা থেকে বাঁচার ও’ষুধ পেয়ে গেছেন রাম’দেব

0

প্রতিদিন ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে মৃ’ত্যুর মিছিল।

কিন্তু এই মারণ ভাই’রাসের ও’ষুধের সন্ধানে হাতড়াচ্ছে গোটা বিশ্ব। দেশে দেশে এ নিয়ে গ’বেষ’ণা চললেও এখনও পর্যন্ত কোনও খুশির খবর দিতে পারেননি বিজ্ঞানিরা। যদিও হার না মানা সংকল্প নিয়ে দিনরাত এক করে গ’বেষ’ণা চা’লিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ক’রোনার ও’ষুধের সন্ধান করতে গিয়ে বিশ্ব যখন প্রায় নাজেহাল তখন এক বি’স্ফোরক মন্তব্য করলেন ভারতের যোগগুরু রাম’দেব। এ রো’গের প্রতিরোধের উপায় তার জানা আছে বলে দাবি করেছেন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা।

সম্পূর্ণ ভেষজ উপায়ে ক’রোনাকে জ’ব্দ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি। ক’রোনার বি’রুদ্ধে লড়াইয়ে স’ক্ষম ঔষধির নামও উল্লেখ করেছেন তিনি। এর আগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের পক্ষ থেকে এই দাবি করা হয়েছিল।

ক’রোনাকে রুখে দেওয়ার মতো গুণ আছে পরিচিত দুই ঔষধি গুলঞ্চ (Giloy) এবং অশ্বগন্ধা (Ashwagandha)। রাম’দেবের দাবি অনুসারে, ভাই’রাস দেহে প্রবেশের পরে সামগ্রিকভাবে শা’রীরিক ব্যবস্থার ও’পর আ’ঘাত হানে।

ফলে রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা কমতে থাকে। শ’রীর দু’র্বল হয়। এরপর ভাই’রাসের সং’ক্র’মণে আ’ক্রান্ত দেহকোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। দেহকোষে সং’ক্র’মণের এই শৃঙ্খল ভে’ঙে দেওয়ার ক্ষ’মতা গুলঞ্চের আছে বলে দাবি করেছেন পতঞ্জলী আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা।

রাম’দেব আরো জানান, ইতোমধ্যে ক’রোনা আ’ক্রান্তদের পরীক্ষামূলকভাবে গুলঞ্চ এবং অশ্বগন্ধা দেওয়া হয়েছিল। সুস্থতার হার ১০০ শতাংশ। এমনকি কোনো মৃ’ত্যুর ঘ’টনাও ঘটেনি। যদিও ক্লিনিক্ল্য়াল টেস্ট এখনও সম্পূর্ণ হয়নি বলে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এটি সম্পন্ন হলেই পতঞ্জলির পক্ষ থেকে বৈজ্ঞানিক গ’বেষ’ণাপত্র গোটা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। শুধু ক’রোনার চিকিৎসা নয়, ক’রোনাকে সমূলে উপড়ে ফেলার ক্ষ’মতা ভারতীয় আয়ুর্বেদের আছে বলে রাম’দেবের দাবি।

ক’রোনার চিকিৎসায় আয়ুর্বেদিক ও’ষুধের উপকারিতা নিয়ে ইতোমধ্যে গ’বেষ’ণা শুরু করে দিয়েছেন দিল্লি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একদল বিজ্ঞানী।

জাপানের সংস্থা এআইএসটি এর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁ’ধে এই গ’বেষ’ণা চালাচ্ছেন তারা। এই যৌথ গবেষক দলের মতে, ক’রোনার বি’রুদ্ধে লড়াই করার মতো সম্ভাবনা অশ্বগন্ধার আছে। যদিও পুরো গ’বেষ’ণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। ক’রোনার বি’রুদ্ধে আয়ুর্বেদ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে, এমন চূড়ান্ত সি’দ্ধান্তে এখনও পৌঁছতে পারেননি তারা।

সূত্র: এই সময়

দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে দোকানপাট

0

স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মানুষের উদাসীন জীবন-যাপনে খুলনায় ঊর্ধ্বমুখী হারে বাড়ছে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা। শপিং মল-দোকানপাটে ভিড় ও বহিরাগতদের অবাধ চলাচলে সং’ক্র’মণ এখন অনেকটা নিয়’ন্ত্রণের বাইরে।

উ’দ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ক’রোনা সং’ক্র’মণের লাগাম টেনে ধরতে টানা দুই সপ্তাহ দোকানপাট বন্ধসহ সাত দফা ক’ঠোর নির্দেশনা দিয়েছে জে’লা প্রশাসন।

প্রতীকী ছবি

খুলনা জে’লা ক’রোনা ভাই’রাস সং’ক্র’মণ রোধে গঠিত কমিটির সভায় এসব সি’দ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জে’লা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্ম’দ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (০৯ জুন) দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সভায় উপিস্থত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা।

এছাড়া সভায় ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হন খুলনা ক’রোনা ভাই’রাস প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রা’প্ত ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের স’চিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন।

এদিকে গতকাল গণবিজ্ঞপ্তি জারির পরই অ্যা’কশনে নেমেছে পু’লিশ। নগরীর জিরো পয়েন্ট ও গল্লামারী এলাকায় চেক পয়েন্ট বসিয়ে শহরের মধ্যে ইজিবাইক প্রবেশে বা’ধা দেওয়া হচ্ছে।

মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় অ’ভিযান শুরু করেছে ভ্রাম্যমাণ আ’দালত। শহরের ভিতর থেকে দূরপাল্লার বাস সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছোট পরিবহন মাহেন্দ্র-ইজিবাইকে দুজনের বেশি যাত্রী পরিবহনেও বা’ধা দেওয়া হচ্ছে।

খুলনা জে’লা প্রশাসক মোহাম্ম’দ হেলাল হোসেন বলেন, ঈদ-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতায় ক’রোনা পরিস্থিতি নিয়’ন্ত্রণ হারাচ্ছে। এ কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচাবাজার, মৌসুমি ফলের দোকান ও ফার্মেসি ব্যতীত দোকানপাট শপিং মল, ফুটপাথের দোকান বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। তবে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাইরে অবস্থান করা যাবে না।

তিনি বলেন, ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে হবে। সড়কে মাস্ক ব্যবহার না করলে জে’ল-জরিমানার ক’ঠোর সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে ১১-২৫ জুন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আ’দালতের কার্যক্রম বাড়ানো হবে। এদিকে নির্দেশনা অনুযায়ী, চালক ব্যতীত মোটরসাইকেলে অন্য কোনো আরোহী উঠতে পারবে না। তবে পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে তা শিথিলযোগ্য।

বাসস্ট্যান্ড ছাড়া অন্য কোথাও থেকে দূরপাল্লার বাস আসা-যাওয়া করতে পারবে না। জানা যায়, ক’রোনা প্রতিরোধে জে’লা কমিটির জরুরি সভায় এসব সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্যবিধি ল’ঙ্ঘন ও অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদা’য়ের কারণে ভ্রাম্যমাণ আ’দালতে গতকাল সাড়ে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সড়কে চলাচলে বা বাজারে কেনাকা’টায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি না মানা, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিপণিবিতান বন্ধ না করা ও যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় এসব জরিমানা করা হয়।

ম’র্মান্তিক, হৃদয়বিদারক

0

তীব্র শ্বাসক’ষ্টে ভুগতে থাকা আইয়ুব আলীকে রাঙ্গুনিয়া থেকে চট্টগ্রাম শহরের হাসপাতালে ভর্তির জন্য এনছিলেন তার স্ত্রী। কিন্তু কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরেও তাকে ভর্তি করাতে পারেননি।

নিরুপায় হয়ে তাকে নিয়ে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে যান চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে। জরুরি বিভাগের সামনে অপেক্ষা করতে থাকেন ভর্তি করানোর জন্য। কিন্তু ভর্তি করানোর আগেই স্ত্রীর সামনেই মা’রা যান আইয়ুব আলী।

স্বজনরা বলছেন, সময়মতো আইয়ুব আলীকে যদি অক্সিজেন সরবরাহ করা যেত তাহলে তাকে বাঁচানো যেত। রো’গীর অবস্থা সং’কটাপন্ন হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেননি।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে ফের যে সি’দ্ধান্তের কথা জানাল ম’ন্ত্রণালয়

0

ম’হামা’রী ক’রোনার কারণে থমকে গেছে গোটা পৃথিবী। বাংলাদেশে ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে অফিস আ’দালত খুললেও এখনও বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত যা বন্ধই থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্ম’দ আবুল খায়ের গণমাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।

আবুল খায়ের বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে দেশের কিছু মানুষ বুঝে হোক আর না বুঝেই হোক একটি বক্তব্য ফেসবুকে প্রচার করছেন।’

শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে যে বক্তব্য ফেসবুকে প্রচার হচ্ছে তা হলো, ‘স’ন্তান ১ বছর লেখাপড়া না করলে মূর্খ হবে না, কিন্তু ম’হামা’রী ক’রোনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে গেলে অনেক মায়ের কোল খালি হবে।’

খায়ের আরও বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী বরাবরই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন- আমাদের মুক্তিযু’দ্ধের সময়ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় মাস বন্ধ ছিল।

সেটাও আমরা উৎরে উঠেছি। এখনও সে রকম একটি অবস্থা বিরাজ করছে। আশা করি এটাও আমরা উৎরে উঠতে পারবো।

শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে বন্ধ সেটাও বলা যাবে না। সং’সদ টিভি ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রম চা’লিয়ে যাচ্ছে।

সেখানেও ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক লাভবান হচ্ছে। যখনই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখনই শিক্ষাপ্রপ্তিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আমরা বি’পদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না।’

ফেসবুক লাইভে আরও যা বলেন ডা. ফেরদৌস

0

ফেসবুক লাইভে ফেরদৌস বলেন, কেমন আছেন আপনারা, আমি ডা. ফেরদৌস খন্দকার। আজকে আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে বলছি। গতকাল বিকেলে এসেছিলাম এক বুক আশা নিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াবো বলে। আসার পর এয়ারপোর্টে বুঝতে পারলাম যে কিছু দুষ্ট মানুষ আমার পেছনে লেগে গেছে। যেহেতু আমার নামের পেছনে খন্দকার আছে সেহেতু তারা প্রচার করতে চেয়েছে আমি খু’নি মোস্তাকের আত্মীয়, বলতে চেয়েছে খন্দকার রশিদেরও আত্মীয়। এসব নিয়ে খুব বেশি আমি চিন্তা করতে চাই না। তারপরেও আমি আসছি এরপরেও, আমি পরে কথা বলবো। আপনারা ভালো আছেন দেশবাসী? যুক্তরাষ্ট্রেও বাঙালি কমিউনিটির পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। যদিও ডিফিকাল্টি ছিল প্রথমে। আমি আপনাদের পাশে থাকবো, আপনারা আমায় গ্রহণ করবেন তো। আপনাদের পাশে আছি এই ক্রান্তি কালে।

ডা. ফেরদৌস সকালে বলেন, ‘আমি ৮ টি স্যুটকেস নিয়ে এসেছিলাম। বেশকিছু মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই ইত্যাদি সামগ্রী ডাক্তার নার্স-দের দেবো বলে। কিন্তু এয়ারপোর্টে আ’টকে দিলো। ট্যাক্লস নাকি দিতে হবে। রেখেই দিলো। আনতে পারিনি। আপনাদের কেউ যদি থাকেন ছাড়াতে পারবেন। ছাড়িয়ে নিয়ে যান। ফ্রনটালাইনের যে কাউকে দিতে পারেন। আমার কোনো দাবি, আমি এসেছি আপনাদের পাশে, আমি কাজটুকু করতে চাই। আপনাদের মধ্যে যদি কেউ পারেন ছাড়িয়ে সেসব যে কোনো একটি হাসপাতালে দিয়ে দিতে পারেন। আমার কোনো দাবি নেই।’

ফেরদৌস বলেন, ‘আমি পরশুদিন থেকে রিয়েল ক’রোনা নিয়ে কথা বলবো। আমার পরিবার নিয়ে কথা উঠেছে। দুটো কথা না বললেই নয়। আমার দাদা ১৯৪৯ সনে কলকাতায় মৃ’ত্যবরণ করেন। তখন আমার বাবার বয়স খুবই কম, মাত্র ৪। আমার বাবারও আমার দাদার স্মৃ’তি মনে নেই। আমার দাদা এক ছিলেন, উনার দাদাও এক ছেলে ছিলেন রিয়াজ উদ্দিন খন্দকার। আমরা কুমিল্লার দেবিদ্বারের খুবই ছোট একটি গ্রামে থাকতাম। আমার নানী আমার বাবাকে উনার মে’য়ের সাথে বিয়ে দেন। আব্বা এয়ারফোর্সে ঢোকেন। আমাদের পরিবারে আমি আর আমার ছোট দুটি বোন। আমরা শহরে চলে আসি। পরে আমরা আমেরিকা চলে যাই।’

নানার পরিবার স’ম্পর্কে বলেন, আমার মায়ের গ্রাম মুরাদনগরে। আমার নানা ছিলেন, কৃষ্ণপুর গ্রাম। আমার নানা ছিলেন সা’মরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে। উনার ছয় ছেলে এক মে’য়ে। আমার মা হচ্ছেন। উনার ছেলে (ফেরদৌসের মামা) ওখানকার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। আমারিকাতে সেটেল্ড। দ্বিতীয় ভাই উনার মরহুম রেজা। খুব নামকরা মুক্তিযোদ্ধা। ঢাকারে বনানীতে। বাকি চার মামা আমেরিকা থাকে। আমার চার নম্বর মামার নাম মোস্তাক আহমেদ। তিনি জীবিত আছেন। বয়স ৫৩। এই মোস্তাকের সঙ্গে কিছু দুষ্ট লোক আমাদের খন্দকার যুক্ত করে দিয়েছে। একই সাথে আবার খু’নি রশিদের সাথে নাম যুক্ত করে দিয়েছে। মানুষ যার যা যা ইচ্ছা বলতে পারে। কালিমা লাগাতে চেষ্টা করে। আমার মন্ত্রী এমপি হবার ইচ্ছে নেই।

ডা. ফেরদৌস বলেন, আমাকে যারা চেনেন, যারা জানেন আমি অনেক ছোটবেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবী কাজ করি। যাই হোক, খন্দকার নাম হলেই সেটা মোস্তাকের ফ্যামিলি, অথচ লক্ষ লক্ষ লোক বাংলাদেশে আছে। তাই না? এটি কি ঠজিক বলুন আপনারা? এরকম একটি অভিযোগ দিয়ে আমি ঘরের মধ্যে ব’ন্দি। আমি আজীবন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। তার মানে আমি বি’রোধী মতের সমালোচনাতে আ’টকে যাইনি। আমি শুধু মুখেই বলিনি, আমি আমার পরিবারকে পেছনে ফে’লে, নিজের জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে দেশে এসেছি। আমি কিন্তু জানিও না, বাংলাদেশে চলে এসেছি। কবে প্লেন খুলবে জানি না। শুধু আপনাদের টানে এসেছি।

অকালে পু’রুষত্ব ন’ষ্ট হতে পারে যে ৮টি অভ্যাসে

0

সুস্থ থাকার জন্য চাই স্বাস্থ্যকর জীবনপদ্ধতি। লিঙ্গ সুস্থ রাখতেও তাই ত্যাগ করতে হবে বদভ্যাস। সঠিক না জেনে, উড়ো কথায় কান দিয়ে অনেকেই মনে করেন, ‘আমার হয়ত সমস্যা আছে’।

সমস্যা কী, আদৌ সমস্যা আছে কিনা সে বি’ষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতেও বিব্রত বোধ করেন।

সমস্যা যদি মনেই হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। তবে বাজে অভ্যাসের কারণেও পু’রুষের জননেন্দ্রিয়ের কর্মক্ষ’মতার ক্ষ’তি হতে পারে। এসব বদভ্যাস প্রতিনিয়ত করতে থাকলে পৌরষত্বের ধার কমতেই থাকবে।

চিকিৎসাশাস্ত্র ও বিভিন্ন গ’বেষ’ণা অনুসারে স্বাস্থ্যবি’ষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বদভ্যাসগুলোর একটা তালিকা নিচে দেয়া হল।

১.বসে বসে সময় কা’টানো: গ’বেষ’ণা বলে, যারা নিয়মিত শা’রীরিক পরিশ্রম করেন তাদের যৌ’নস্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর যারা আজীবনই কুঁড়েমি করেছেন কিংবা আগে পরিশ্রমি ছিলেন এখন অলস সময় পার করছেন তাদের মধ্যে যৌ’ন অক্ষ’মতা দেখা দেয়ার আ’শঙ্কা বেশি।

২. ধূমপান: বিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি’তে প্রকাশিত ৮ সপ্তাহে ধূমপান ছাড়ার এক গ’বেষ’ণায় বলা হয়, অংশগ্রহণকারীদের ২০ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা পু’রুষাঙ্গ দৃঢ় হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। ধূমপান ছাড়ার পর এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই যৌ’নক্ষ’মতা বেড়েছে, পু’রুষাঙ্গ হয়েছে দৃঢ়।

৩.দাঁতের অপরিচ্ছন্নতা: শুনতে আজব মনে হলেও গ’বেষ’ণা মতে, যার পু’রুষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা আছে, তার মাড়ির সমস্যা থাকার আ’শঙ্কা সাধারণের তুলনায় সাতগুন বেশি। এর কারণ হল মুখের ব্যাকটেরিয়া সারা শ’রীরে প্রবাহিত হয় এবং তা পু’রুষাঙ্গের ধমনির উপর ক্ষ’তিকর প্রভাব ফে’লে।

৪.অপ’র্যাপ্ত ঘুম: শ’রীরের ঘুমের চাহিদা পূরণ না হলে ‘টেস্টোস্টেরন’য়ের মাত্রা কমে যায়। ফলে অবসাদ হয়। যা থেকে পেশি ও হাড়ের ঘনত্বও কমে যেতে পারে। দুইটি প্রভাবই পু’রুষাঙ্গের জন্য ক্ষ’তিকর।

৫.অপ’র্যাপ্ত স’ঙ্গম: স’ঙ্গমের পরিমাণ দম্পতিভেদে বিভিন্ন। তবে ‘আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন’য়ের একটি গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার স’ঙ্গমে লি’প্ত না হলে পু’রুষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে তিনবার স’ঙ্গম হল আদর্শ।

৬.তরমুজ: ‘সিট্রুলাইন-আর্জিনাইন’ নামক উপাদানের ভালো উৎস তরমুজ। এর কাজই হল শ’রীরের যৌ’নক্ষ’মতার উন্নতিসাধ’ন। উপাদানটি শ’রীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ায় এবং পু’রুষাঙ্গ দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা সারাতে স’ক্ষম। তাই প্রতিদিন তরমুজ খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে পারলে ভালো।

৭.ট্রান্স ফ্যাট: শ’রীর প্রচুর ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণ করলে শুক্রাণুর মান খা’রাপ হতে থাকে। তাই শুক্রাণুর সুস্বাস্থ্য ধর রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে।

৮.অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা: ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’য়ের করা একটি গ’বেষ’ণায় দেখা দেখা গেছে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি সময় টেলিভিশন দেখা পু’রুষের শুক্রাণুর মাত্রা ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

যে অভ্যাসের কারণে গোপননাঙ্গ ছোট হয় বলছে গবেষকরা ছেলেরা অবশ্যই পড়বেন কাজে লাগবে ..

0

পু’রুষদের জন্য সতর্কতা।একেবারে ধূমপান করবেন না। না, এটা কোনও জ্ঞান দেওয়া নয়। ধূমপান করলে আর ফুসফুস কিংবা হা’র্টের বারোটা বাজবে না। বরং আরও ভ’য়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে। যেটা শুনলে হয়তো একবার হলেও সিগারেট ছাড়া কথা ভাবাবে যে কোনও পু’রুষদের। গ’বেষ’ণা বলছে, নি’য়মিত ধূমপানে ক্রমশ ছোট হতে পারে পু’রুষাঙ্গ।

অবাক শুনতে লাগলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি বোস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন এমনটাই গ’বেষ’ণা ত’থ্য প্রকাশ করেছে।ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকর একথা জানেন না এমন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারণ, সিগারেটের প্যাকে’টের গায়েই লেখা থাকে সতর্কীকরণ ‘স্মোকিং কিলস’।

ধূমপায়ী২০০ পু’রুষের ও’পর টানা কিছু দিন ধরে গ’বেষ’ণার পর, রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা গিয়েছে ধূমপায়ী প্রত্যেক পু’রুষের কাছ থেকে পাওয়া ফিডব্যাক এক-ই। প্রত্যেকেই একবাক্যে স্বীকার করেছেন পু’রুষাঙ্গা ছোট হয়ে যাওয়ার কথা।

ছোট মানে, স্বাভাবিক অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের যে মাপ, তা ছোট হয়ে যাওয়ার কথা বলছেন না গবেষকরা। কিন্তু, যৌ’ন উ’ত্তেজনায় পু’রুষাঙ্গ যতটা দীর্ঘ আগে হত, ক্রমে তা আর হবে না। ক্রমে পু’রুষাঙ্গ সঙ্কুচিত হয়ে পড়বে।

এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গবেষকরা। পু’রুষাঙ্গ হচ্ছে ইলাস্টিকের মতো। উ’ত্তেজনায় স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কয়েকগুণ বাড়ে। এবং, বাড়টা নির্ভর করে পু’রুষাঙ্গ -এ র’ক্তসঞ্চালনের ও’পর।

ধূমপানে হা’র্টের যেমন ক্ষ’তি হয়, তেমনি ক্ষ’তি হয়-এর র’ক্তসংঞ্চালন পথের। ফলে, র’ক্তসঞ্চালনের পথে বা’ধা সৃষ্টি হয়। যে কারণে, যৌ’ন উ’ত্তেজনাতেও আগের মতো পু’রুষাঙ্গ আর বাড়ে না

ওই পরীক্ষাতে দেখা গিয়েছে, সকলেই বলছেন সে’ক্সের সেরা সময় ৪০। আজ্ঞে হ্যাঁ। আরও স্পষ্ট করে বললে, ৪৬ বছর। এই বছরেই সপ্তাহে একদিন করে সে’ক্স করেন দম্পতিরা। আমেরিকা সিঙ্গল ও বিবা’হিতরা মাসে ২ থেকে ৩ বার সে’ক্স করেন। এটাও সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ‌যে দম্পতিরা নিয়মিত সে’ক্স করেন তাঁরা জীবনে খুশি। সমীক্ষায় ৫০ শতাংশ মানুষই জানিয়েছেন, ৪৬ বছর বয়সেই পার্টনারের সঙ্গে সেরা সময় কাটিয়েছেন তাঁরা। ‌যৌবনের ঝড় উঠেছে ওই বয়সেই।

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, ৪০ বছর বয়সে অনেকেই ভাবেন, শেষবার জীবনটা উপভোগ করে নি। কমবয়সে কেরিয়ার নিয়ে নানা চিন্তা থাকে। তবে ৪০ বছরে সেটা থাকে না। পাশাপাশি অ’ভিজ্ঞতাও বেশি থাকে। সেই অ’ভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই উদ্দাম সে’ক্সে ডুবে ‌যান দম্পতিরা।