| news | Page 332
Home Blog Page 332

রেড জোন চিহ্নিত করে রোববার থেকে ঢাকায় লকডাউন

0

ক’রোনাভা’ইরাস (কোভিড-১৯) সং’ক্র’মণের মাত্রার ও’পর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারা দেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে এ বি’ষয়ে কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে স’রকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল রোববার (৭ জুন) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বেশি ক’রোনা আ’ক্রান্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে তা লকডাউন করে দেয়া হবে। ক’রোনা মো’কাবিলায় আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে জোনিং ব্যবস্থা পুরোদমে বাস্তবায়ন করবে স’রকার।

এজন্য একটি অ্যাপও তৈরি করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে এ সব ত’থ্য জানা গেছে। ক’রোনাভা’ইরাস সং’ক্র’মণের ক্রম অ’বনতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ১ জুন স’চিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্বা’স্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্ব’রা’ষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মন্ত্রিপরিষদ স’চিবসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় বসেন।

Advertisements
ওই সভা শেষে স্বা’স্থ্যমন্ত্রী ক’রোনা সং’ক্র’মণের ও’পর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার কথা জানান। স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে- বেশি আ’ক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আ’ক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আ’ক্রান্ত বা মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়েলো জোনে যেন আর সং’ক্র’মণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

এ বি’ষয়ে স্বা’স্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত স’চিব (প্রশাসন) ও ক’রোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘ক’রোনাভা’ইরাস সং’ক্র’মণের মাত্রার ও’পর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকা রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার জন্য অ্যাপ করা হয়েছে। আগামীকাল (রোববার) নাগাদ ঢাকা শহরের একাধিক জায়গার রেড জোনে লকডাউনের মাধ্যমে পাইলটিং শুরু হবে। আর প্রত্যাশা করছি, সারা দেশে আগামী বুধবারের মধ্যে জোনিং করে কাজ শুরু করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘একটি এলাকা চিহ্নিত করে সেখানকার প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে কতজন মানুষ আ’ক্রান্ত রয়েছে, সেই অনুযায়ী রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে সেটি পড়বে।’ অতিরিক্ত স’চিব বলেন, ‘যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘খুব বড় এলাকায় হয়তো এটা করা যাবে না।

শহরে ওয়ার্ড বা মহল্লাভিত্তিক রেড জোন ঘোষণা করে তা ব্লক করে দেয়া হবে। তাই ঢাকায় হয়তো বেশি আ’ক্রান্ত থাকা অনেকগুলো এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে।’ হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘গ্রামে হয়তো জোনিং বাস্তবায়ন কঠিন হবে না, সেখানে মানুষ কম। তবে এটি সফল করতে হলে কমিউনিটির সাপোর্ট লাগবে। স্থানীয় প্রশাসনগুলো কমিউনিটির সহায়তা নিয়েই এটা বাস্তবায়ন করবে।’

রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনের মধ্যে কোন কোন এলাকা পড়ছে তা মানুষ কীভাবে জানবে- এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত স’চিব বলেন, ‘অ্যাপ নিয়ে যারা কাজ করছে, তারা জোনিংটা ইতিমধ্যে করে ফে’লেছে, তবে তা প্রকাশ করা হয়নি। পরে হয়তো মিডিয়ায় যাবে,

আর যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেখানে মাইকিং হবে, বিভিন্নভাবে প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে জানানো হবে।’ স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সি’দ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকায় প্রতি এক লাখে যদি ৩০ জন বা এর বেশি মানুষ ক’রোনায় আ’ক্রান্ত থাকে তবে সেটাকে রেড জোন বলা হবে। ৩ জনের বেশি কিন্তু ৩০ জনের কম থাকলে তবে সেই এলাকাকে ইয়েলো জোন বলা হবে। এক বা দু’জন বা কেউ না থাকলে সেটাকে গ্রিন জোন বলা হবে।

তবে জোন ঘোষণার ক্ষেত্রে আ’ক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। রেড জোন ঘোষণার ক্ষেত্রে এক লাখে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ২০, ৩০ ও ৪০- তিন ধরনেরই মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে আরও জানা গেছে,

অ্যাপের মাধ্যমে চিহ্নিত করা থাকবে কোন এলাকা রেড জোন, কোন এলাকা ইয়েলো জোন এবং কোনটি গ্রিন জোন। আ’ক্রান্তরা সুস্থ হয়ে গেলে, রোড জোন পর্যায়ক্রমে ইয়েলো ও গ্রিন হবে। প্রযুক্তিগত সহায়তার কাজটি করছে ত’থ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও এটুআই। আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বা’স্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআর (রো’গতত্ত্ব, রো’গ নিয়ন্ত্রণ ও গ’বেষ’ণা প্রতিষ্ঠান) ত’থ্য সরবরাহ করবে।

ক’রোনা সং’ক্র’মণের ঝুঁ’কি মধ্যেই টানা ৬৬ দিনের ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশনা মানার সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে স’রকারি-বেস’রকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বা’স্থ্যবিধি মেনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ, ট্রেন) চালু হয়। কিন্তু ক’রোনা পরিস্থিতির উন্নতি নেই।

মুশফিকের জন্য যে সুখবর দিল বিসিবি

0

ক’রোনাকালে খেলা বন্ধ থাকায় শোবার ঘরকেই অনুশীলন কক্ষ বানিয়ে ফে’লেছেন জাতীয় দলের মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম।

যদিও এতে শতভাগ অনুশীলন হচ্ছে না তার। যে কারণে মিরপুর স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনুশীলনের অনুমতি চেয়ে বিসিবির কাছে বার বার অনুরোধ করেছেন মুশি।

তবে এতোদিন মুশফিকের সেই অনুরোধ রাখেনি বিসিবি। শেষ পর্যন্ত এবার মুশফিককে হতাশ না করে সুখবর শোনাতে যাচ্ছে বিসিবি কর্তৃপক্ষ।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছেন, বিসিবি ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনুশীলন করার সুযোগ দিতে চাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষেই এই সুযোগ পাবে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শা’রীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই ক্রিকেটাররা অনুশীলন করতে পারবেন।

ঢাকা, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জাতীয় মাঠ এজন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য এটা সুসংবাদ হলেও মুশফিকের জন্য একটু বেশিই বটে। কেননা ঘরব’ন্দি অবস্থায় ভালোভাবে অনুশীলনের জন্য মরিয়া হয়ে আছেন জাতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

লকডাউন নিয়ে স’রকারের নতুন পরিকল্পনা, কাল সি’দ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী

0

সং’ক্র’মণের মাত্রা বাড়লেও আর সাধারণ ছুটির সি’দ্ধান্তে ফিরছে না স’রকার। জোন ভাগ করে এলাকাভিত্তিক লকডাউন করার কথা জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। রোববার (৭ জুন) থেকেই রাজধানীতে জোন ভাগের কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি। তিনটি জোনে ভাগ করে এলাকাভিত্তিক ম্যাপও প্রস্তুত হয়েছে। কাল এ বি’ষয়ে চূড়ান্ত সি’দ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, সং’ক্র’মণের এলাকা ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করে তার সঙ্গে কিছু সুপারিশ ও প্রস্তাব তৈরি করেছে জনপ্রশাসন ম’ন্ত্রণালয়। আজকের মধ্যে সেই তালিকা ও প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে ম’ন্ত্রণালয়। কাল সার্বিক বি’ষয় বিবেচনা করে সি’দ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

কাল প্রধানমন্ত্রীর সি’দ্ধান্তের পরই কিছু এলাকায় লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে। জনপ্রশাসন ম’ন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেড জোন পুরোপুরি কঠোর লকডাউনের আওতায় থাকবে। এ জোনের মধ্যে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রামসহ যেসব জে’লায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেশি সেখানে এলাকাভিত্তিক লকডাউন করা হবে।

আর ইয়োলো ও গ্রিন জোনে বিভিন্ন বি’ষয় বিবেচনা করে তালিকাভুক্ত করা হবে। মূলত সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিদিন আ’ক্রান্ত ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর চিহ্নিত করে ক’রোনা মানচিত্র আপডেট করা হবে। আ’ক্রান্তের ঘনত্ব অনুযায়ী এই মানচিত্র হবে তিন ধরনের- রেড, ইয়েলো ও গ্রিন। এ পরিস্থিতিতে শনিবারও দফায় দফায় বৈঠক করেছে স্বাস্থ্য, স্ব’রা’ষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও আইসিটি ম’ন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর।

বৈঠক শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, আর পুরো দেশে ছুটি ঘোষণার চিন্তা নেই স’রকারের। ঝুঁ’কি বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার দিকেই এগুচ্ছেন তারা। স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইইডিসিআর, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইসিটি ম’ন্ত্রণালয়ের সহায়তা নিয়ে রোববার থেকেই ঢাকায় জোন ভাগের কাজ শুরু হবে।

অতিরিক্ত স্বাস্থ্য স’চিব হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঢাকার একাধিক জায়গায় কালকেই (রোববার) ভাগ করার একটি প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছে। রেড জোনগুলোতে সব কিছুই বন্ধ করা হবে।’ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সারাদেশে লকডাউন আর হবে না। তবে জোনগুলো আলাদা করে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি।’ তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরো দু’মাস আগেই শুরু করা উচিৎ ছিলো জোন ভাগের কাজ।

‘হয়তো আমি কিংবদন্তি হতে পারিনি, কিন্তু যোগ্য সম্মানটা তো আমার প্রাপ্য’

0

২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকেই মাশরাফি বিন মর্তুজার অবসর নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ মাধ্যম, সমর্থক এমনকি খোদ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) মাশরাফিকে আকারে-ইঙ্গিতে অবসর নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর না নিলেও ওয়ানডে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এতদিন এসব নিয়ে চুপ থাকলেও অবশেষে মুখ খুললেন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল এই দলনেতা।

‘ক্রিকবাজ’ কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেন, ‘সত্যি বলতে কি, মনে হচ্ছে সবার মধ্যে আমাকে বিদায় করে দেওয়ার তাড়া দেখা যাচ্ছে এবং এটা খুব যন্ত্রণাদায়ক। আমাকে বিদায় জানানোর জন্য তাদের একটা বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন করা উচিত ছিল এবং এটা কোনো সাধারণ ম্যাচ নয়- সাধারণ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এক ব্যাপার এবং তাড়াহুড়ো করে একটা বিশেষ ম্যাচ আয়োজন আলাদা ব্যাপার। বিসিবি বিশেষ একটি ম্যাচের জন্য ২ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তুতি নিয়েছিল।

এইদিক থেকে এটাকে সঠিক সিদ্ধান্ত বলা যায় না, কারণ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের খেলোয়াড়রা যথেষ্ট বেতন পায় না। সেখানে আমার জন্য একটি ম্যাচের জন্য ২ কোটি টাকা ব্যয় শোভনীয় নয়।’ মাশরাফি জানান, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। তখন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বিসিবি প্রধানও তাতে সম্মতি জানিয়েছিলেন।

আলোচনা সেখানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ওই আলোচনায় উপস্থিত না থাকা অনেকে মিডিয়াতে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করেন। মাশরাফি বলেন, ‘তারা আমার বেতন নিয়ে কথা বলেছে, তাদের প্রশ্ন কোনো রিটার্ন ছাড়াই কেন বোর্ড আমাকে বেতন দেবে? আমি কি তাহলে ১৮ বছর শুধু টাকার চিন্তা করে খেলেছি?

আমি যদি টাকার কথা চিন্তা করতাম, তাহলে আমার হাতে তখন অনেক সুযোগ ছিল। আমি টাকার জন্য ক্রিকেট খেলিনি। শুধু তাই না, তারা গুজব ছড়ায় বিশ্বকাপে নাকি বাংলাদেশ দল সাড়ে ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলেছে। আপনার কি মনে হয়, এটা আমার প্রাপ্য?’ মাশরাফি আরও বলেন,

‘হঠাৎ করেই আমাকে বিদায় করে দেওয়ার তাড়া শুরু হয়ে গেল। আমি শুধু এটাই জানি আমি ক্রিকেটের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি, যদিও আমার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছিল এবং হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। টাকাই যদি সব হতো, আমি অনেক কিছুই করতে পারতাম, যখন ইনজুরির কারণে আমার ক্যারিয়ার শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল। এমনকি আমি ইন্ডিয়ান সুপার লিগেও (আইসিএল) খেলতে যাইনি, অথচ সেখানে খেলার জন্য ৮ কোটি টাকা অফার করা হয়েছিল। আমি তা করিনি। আমি জীবন দিয়ে ক্রিকেট খেলেছি এবং হয়তো আমি কিংবদন্তি খেলোয়াড় হতে পারিনি, কিন্তু যোগ্য সম্মানটা তো আমার প্রাপ্য।’

রোববার থেকেই ঢাকায় জোনভিত্তিক লকডাউন

0

ক’রোনাভা’ইরাসে (কোভিড-১৯) সং’ক্র’মণের মাত্রার ও’পর ভিত্তি করে রাজধানীসহ সারাদেশকে তিনটি জোন- রেড, ইয়েলো ও গ্রিন ভাগে ভাগ করে কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে স’রকার। শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে এ ত’থ্য জানা গেছে। রোববারই (৭ জুন) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বেশি ক’রোনা আ’ক্রান্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে তা লকডাউন করে দেয়া হবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, সং’ক্র’মণের মাত্রা বাড়লেও আর সাধারণ ছুটির সি’দ্ধান্তে ফিরছে না স’রকার। জোন ভাগ করে এলাকাভিত্তিক লকডাউন করা হবে। রোববার থেকেই রাজধানীতে জোন ভাগের কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জোনভিত্তিক লকডাউনে দেরির চড়া মাশুল গুণতে হবে।

দেশে গত দু’সপ্তাহে আ’শঙ্কাজনকহারে বেড়েছে ক’রোনা আ’ক্রান্ত ও মৃ’তের সংখ্যা।

এ পরিস্থিতিতে শনিবারও দফায় দফায় বৈঠক করেছে স্বাস্থ্য, স্ব’রা’ষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও আইসিটি ম’ন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর। বৈঠক শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, আর পুরো দেশে ছুটি ঘোষণার চিন্তা নেই স’রকারের। ঝুঁ’কি বিবেচনায় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার দিকেই এগুচ্ছেন তারা।

স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইইডিসিআর, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইসিটি ম’ন্ত্রণালয়ের সহায়তা নিয়ে রোববার থেকেই ঢাকায় জোন ভাগের কাজ শুরু হবে।

অতিরিক্ত স্বাস্থ্য স’চিব হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকার একাধিক জায়গায় কালকেই (রোববার) ভাগ করার একটি প্রচেষ্টা হাতে নেয়া হয়েছে। রেড জোনগুলোতে সব কিছুই বন্ধ করা হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরো দু’মাস আগেই শুরু করা উচিৎ ছিলো জোন ভাগের কাজ। ডা. রিদওয়ান বলেন, আজকে করলে এটা কতটুকু সুফল পাওয়া যাবে তা নিশ্চিত নই। এটা দুমাস আগে করলে অনেক ভাল ফল পাওয়া যেত।

জানা গেছে, ক’রোনা মো’কাবিলায় বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে জোনিং ব্যবস্থা পুরোদমে বাস্তবায়ন করবে স’রকার। এজন্য একটি অ্যাপও তৈরি করা হয়েছে।
ক’রোনাভা’ইরাসে সং’ক্র’মণের ক্রম অবনতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ১ জুন স’চিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্ব’রা’ষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মন্ত্রিপরিষদ স’চিবসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় বসেন। ওই সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক’রোনা সং’ক্র’মণের ও’পর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার কথা জানান।

স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে- বেশি আ’ক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আ’ক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আ’ক্রান্ত বা মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়েলো জোনে যেন আর সং’ক্র’মণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনের মধ্যে কোন কোন এলাকা পড়ছে তা মানুষ কীভাবে জানবে- এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত স’চিব বলেন, ‘অ্যাপ নিয়ে যারা কাজ করছে, তারা জোনিংটা ইতিমধ্যে করে ফে’লেছে, তবে তা প্রকাশ করা হয়নি। পরে হয়তো মিডিয়ায় যাবে, আর যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেখানে মাইকিং হবে, বিভিন্নভাবে প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে জানানো হবে।

স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত সি’দ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকায় প্রতি এক লাখে যদি ৩০ জন বা এর বেশি মানুষ ক’রোনায় আ’ক্রান্ত থাকে তবে সেটাকে রেড জোন বলা হবে। ৩ জনের বেশি কিন্তু ৩০ জনের কম থাকলে তবে সেই এলাকাকে ইয়েলো জোন বলা হবে। এক বা দু’জন বা কেউ না থাকলে সেটাকে গ্রিন জোন বলা হবে।

তবে জোন ঘোষণার ক্ষেত্রে আ’ক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। রেড জোন ঘোষণার ক্ষেত্রে এক লাখে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ২০, ৩০ ও ৪০- তিন ধরনেরই মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় থেকে আরও জানা গেছে, অ্যাপের মাধ্যমে চিহ্নিত করা থাকবে কোন এলাকা রেড জোন, কোন এলাকা ইয়েলো জোন এবং কোনটি গ্রিন জোন। আ’ক্রান্তরা সুস্থ হয়ে গেলে, রোড জোন পর্যায়ক্রমে ইয়েলো ও গ্রিন হবে। প্রযুক্তিগত সহায়তার কাজটি করছে ত’থ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও এটুআই। আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআর (রো’গতত্ত্ব, রো’গ নিয়ন্ত্রণ ও গ’বেষ’ণা প্রতিষ্ঠান) ত’থ্য সরবরাহ করবে।

ক’রোনা সং’ক্র’মণের ঝুঁ’কির মধ্যেই টানা ৬৬ দিনের ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশনা মানার সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে স’রকারি-বেস’রকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ, ট্রেন) চালু হয়। কিন্তু ক’রোনা পরিস্থিতির উন্নতি নেই।

দেশে নতুন করে আরও ২ হাজার ৬৩৫ জনের শ’রীরে ক’রোনাভা’ইরাসেের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মা’রা গেছেন ৩৫ জন। ক’রোনাভা’ইরাসে নিয়ে নিয়মিত অনলাইন বু’লেটিনে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে এ ত’থ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বু’লেটিনে সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৯০৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৪৮৬টি। এখন পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে গেল ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬৩৫ জন এবং মোট শনাক্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত শনাক্তকৃতদের মধ্যে ৭১ শতাংশ পু’রুষ এবং বাকী ২৯ শতাংশ না’রী। শনাক্তদের মধ্যে গেল ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫২১ জন এবং এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৩২৫ জন। বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মা’রা গেছেন ৩৫ জন এবং এখন পর্যন্ত মা’রা গেছেন ৮৪৬ জন। নতুন মা’রা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ২৮ জন পু’রুষ এবং ৭ জন না’রী।

এর আগে শুক্রবার ২ হাজার ৮২৮ জনের আ’ক্রান্ত ও ৩০ জনের মৃ’ত্যুর ত’থ্য দেয় অধিদপ্তর। এই সংখ্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ শনাক্তের সংখ্যা বিবেচনায় বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে ঢুকে পড়ে।

দাফনের ৩ দিন পর লা’শ তুলে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর

0

মঈনুল হাসান রতন, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আ’দালতের আদেশে কবর থেকে লা’শ উত্তোলনের পর শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জের খোয়াই নদীতে উ’দ্ধার টিটন শীল জন্টু (৪০) নামে যুবকের ম’রদেহ ‘বিএসএফ’এর কাছে হস্তান্তর করেছে ‘বিজিবি’। ‘বিজিবি’-৫৫ ব্যাটালিয়ান কমান্ডার লে. কর্ণেল সামিউন্নবী চৌধুরী এ ত’থ্য নিশ্চিত করেছেন। এসময় চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর উপজে’লার লস্করপুর ইউনিয়নের খোয়াই নদী থেকে অ’জ্ঞাত ব্যক্তির ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ম’র্গে প্রেরণ করে পু’লিশ। এ সময় তার প্যান্টের পকে’টে পাওয়া যায় ভারতীয় ১০ রূপির ১ একটি নোট ও একটি চাবির ছড়া। বুধবার সকালে ম’রদেহটি হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর কবর স্থানে অ’জ্ঞাত হিসেবে দাফন করে আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম।

এদিকে, খোয়াই জে’লার সিনিয়র সাংবাদিক আশিষ চ’ক্রবর্তীর মাধ্যমে খবর পেয়ে টিটন শীলের পরিবার লা’শ শনাক্ত করে এবং খোয়াই পু’লিশকে জানায়। পরে ভারতীয় পু’লিশ ‘বিএসএফ’ এর মাধ্যমে হবিগঞ্জ থানায় যোগাযোগ করে এবং ছবি দিয়ে লা’শ শনাক্ত করে। এ নিয়ে ‘বিএসএফ-বিজিবি’র মধ্যে অনলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্বে দেন বাল্লা ‘বিজিবি’ কমান্ডার মোঃ সেলিম আহমেদ ও ভারতের ত্রিপুরার সিংগিছড়া ‘বিএসএফ’ ক্যাম্পের কমান্ডার আত্রেবা শর্মা।

এ বি’ষয়ে বাল্লা ‘বিজিবি’ কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোঃ সেলিম আহমেদ জানিয়েছেন, ‘বিজিবি’ ৫৫ ব্যা’টালিয়নের অধিনায়কের সি’দ্ধান্ত মোতাবেক আইনী প্রক্রিয়া শেষে লা’শ হস্তান্তর করা হয়।

খোয়াই জে’লার সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ চ’ক্রবর্তী জানান, গত ২৯ মে রাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই থানার পশ্চিম সোনাতলা গ্রামের মৃ’ত যতি মোহন শীলের ছেলে টিটন শীল জন্টু বাড়ি ফেরার জন্য খোয়াই নদী পাড় হতে গিয়ে পানির স্রোতে ভেসে যায়। এরপর থেকে সে নি’খোঁজ ছিল।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি মাসুক আলী জানান, ‘বিজিবি’র মাধ্যমে লা’শটি ভারতীয় নাগরিকের বলে শনাক্ত হয়েছে। আ’দালতের আদেশে আজ শুক্রবার (৪ জুন) বিকেলে কবর থেকে লা’শ উত্তোলন করে ‘বিজিবি’র সহযোগীতায় ভারতীয় পু’লিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জে’লা ম্যা’জিস্ট্রেট উম্মে ইসরাত জানান, পু’লিশের কাছ থেকে লা’শ উত্তোলনের চিঠি পাওয়ার পর সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাসুদ রানাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।