Home Blog Page 3

মায়ের ক’ষ্ট ও পরিশ্রমকে সার্থক করে অন্ধ ছেলে সুজন পেয়েছেন ৩৫টির বেশি জাতীয় পুরষ্কার

0

তাসলিমা বেগমের ছেলে সুজন রহমান কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন। সুজন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী। নিজে গান লেখার পাশাপাশি সুরও করেন। দিয়েছেন সিনেমার গানে কণ্ঠ। গেয়েছেন মৌলিক গান। সুজনের অর্জনের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৩৫টির বেশি জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার।

সুজন দৃষ্টিপ্রতিব’ন্ধী। সুজন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, কুষ্টিয়ার জে’লা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। সুজনের এ কঠিন পথচলাকে সহজ করেছেন তাঁর মা তাসলিমা। সুজন বললেন, ‘আমি আজ যা কিছু অর্জন করেছি, তা সব করেছি আমার মায়ের চেষ্টায়।’

গত বছর রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় প্রতিব’ন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে ২৮তম আন্তর্জাতিক প্রতিব’ন্ধী দিবস ও ২১তম জাতীয় প্রতিব’ন্ধী দিবসের উদ্বোধ’নী অনুষ্ঠানে ‘প্রতিব’ন্ধী ব্যক্তিদের সফল পিতা–মাতা’ ক্যাটাগরিতে সুজনের মা তাসলিমা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেছেন।

তাসলিমা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। তারপর তাঁর বিয়ে। আর স্কুলমুখো হওয়ার সুযোগ পাননি। বিয়ের তিন বছরের মাথায় তাসলিমার কোল আলো করে জ’ন্মান সুজন। মাত্র দেড় বছর ব’য়সে ডায়রিয়ায় সুজনের চোখের দৃষ্টি হঠাৎ করে কমে যায়। নিজ জে’লা ছাড়িয়েও যে যেখানে চিকিৎসকের সন্ধান দিয়েছেন, তাসলিমা ছেলেকে নিয়ে ছুটে গেছেন। কিন্তু ছেলের চোখের দৃষ্টি ফেরানো যায়নি।

সুজনকে স্কুলে ভর্তি থেকে শুরু করে প্রতি পদে পদে সংগ্রাম করেছেন বা করছেন তাসলিমা। স্কুলে, শিল্পকলা একাডেমি, শি’শু একাডেমি, গানের শিক্ষক, স্টেজ, স্টুডিও থেকে শুরু করে চাকরি—সব জায়গায় সুজনের স’ঙ্গে তাসলিমা ছিলেন ছায়া হয়ে। সারা দিনের সংসারের কাজের ফাঁকে সুজনকে নিজে পড়ে শোনাতেন। সুজন ব্রেইল পদ্ধতিতে তা লিখে নিতেন।

তাসলিমা বললেন, ‘আমার তো মনে হয়, সুজন আমার চোখ দিয়েই বিশ্ব দেখে। আমি দুচোখে যা দেখি, যেভাবে দেখি, ঠিক সেভাবেই পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা করতে থাকি। একবার সুজনকে নিয়ে লঞ্চে যাচ্ছি। সুজন জানতে চাইল, মা লঞ্চ কেমন? আমি পুরো লঞ্চের সামনে থেকে পেছন পর্যন্ত কোথায় কী আছে বললাম। বাড়ি ফিরে শ’ক্ত কাগজ কে’টে কুটে সে একটা লঞ্চের আকৃতি দিয়ে ফেলল।’

হাসতে হাসতে তাসলিমা বললেন, ‘দুই স’ন্তানের বাবা হয়েছে, অথচ এখনো সুজন বাইরে যাওয়ার সময় জানতে চায়, মা দেখো তো এই জামাটাতে মানাচ্ছে নাকি অন্যটা পরব?’

তাসলিমার স্বা’মী মতিয়ার রহমান একটি কোম্পানিতে মৌসুমি কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। বছরের চার থেকে পাঁচ মাস কাজ করতেন অফিসে, বাকি সময় কাজ না থাকায় বসে থাকতে হতো। তাই সেই অর্থে কখনোই সচ্ছলতার মুখ দেখা হয়নি তাসলিমার। বললেন, ‘এমনও হয়েছে, সুজনকে নিয়ে ঢাকা গেছি সকালে, কুষ্টিয়া ফিরেছি মধ্যরাতে। সেলাই করে, সংসারের কাজ গুছিয়ে আবার পরদিন ঢাকা রওনা দিয়েছি। যত ক’ষ্টই হোক, সুজনের গান বা লেখাপড়ার ক্ষ’তি হতে দিইনি। ছোট মে’য়েটার যত্ন কম নিতে পারলেও মে’য়েকেও স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়িয়েছি। ৫৫ বছরের এই জীবনে মনে হয়, ক’ষ্টটা হয়তো বিফলে যায়নি।’

টেলিফোনেও তাসলিমার খুশির কা’ন্নার রেশ বোঝা যাচ্ছিল। বললেন, ‘কলকাতা থেকে সুজনের এক ভক্ত শুধু কে সুজনের মা, তা দেখার জন্য কুষ্টিয়ায় চলে এসেছিলেন। অনেকেই আমাকে যখন দেখতে চান, কথা বলেন, মনে হয় আমি সত্যিকারের সফল মা। এটাই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে এ যু’দ্ধে জেতার জন্য পেছন থেকে রসদ জুগিয়েছেন স্বা’মী, আমার মা আর ছোট মে’য়ে মৌ।’

ক’রোনায় বাংলাদেশি গবে’ষণা: দুই ও’ষুধে সেরে উঠছেন ব’য়স্ক রো’গী

0

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক : কো’ভিড-১৯ চিকিৎসায় সফলতা আনতে পারে বাংলাদেশের অ্যালার্জি অ্যাজমা এন্ড এনভায়রমেন্টাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (প্রাইভেট) প্রধান বিজ্ঞানী এবং সভাপতি ডা. এম এ হাসানের গবে’ষণা।

তার গবে’ষণায় দেখা যায়, টেনোফোভির এবং ফ্যাভিপিরাভির একত্রে ব্যবহারের ফলে ৫০ থেকে ৭০ বছর ব’য়স্ক রো’গীরা সর্বোচ্চ ৯ দিন সময়ের ব্যবধানে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এছাড়াও চার পাঁচ দিনের মধ্যে ২৫ থেকে ৫৫ বছর ব’য়স্ক রো’গীরা ঐ ও’ষুধে সেরে উঠেছেন।

বিশিষ্ট অ্যাজমা ও ইমার্জিং ডিজিজ গবেষক ডা. এম এ হাসান জানান, পৃথিবীর আরো অনেক চিকিৎসা বিজ্ঞানীর মত ক’রোনা ম’হামা’রির শুরু থেকেই এর চিকিৎসা নিয়ে গবে’ষণা করছেন তিনি। এর চিকিৎসা ও ভাই’রাস প্রতিরোধে সার্স, মার্স এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার ও’ষুধ নিয়েও গবে’ষণা চালান তিনি। কো’ভিড-১৯ প্রতিরোধে কার্যকর ভ্যাকসিন পাওয়ার আগে মার্চের শেষের দিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাস করা এবং বেশি ঝুঁ’কিতে থাকা সম্ভাব্য তথা আ’ক্রান্ত রো’গীদের জন্য আরো কিছু অ্যান্টিভাইরাল ও’ষুধ বাছাই করা হয়। ওই ও’ষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে রিবাভিরিন, অসেল্টামিভির এবং ফ্যাভিপিরাভির। এছাড়া বিশেষ বিবেচনায় টেনোফোভির নামক একটি ও’ষুধকে নির্বাচন করা হয়।

এমন গবে’ষণায় এইচআইভি ও বি হেপাটাইটিসে আ’ক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে কো’ভিড-১৯ এর খুব কম সং’ক্র’মণ লক্ষ্য করেন এইচআইভি ও সার্স সংক্রান্ত গবে’ষণায় অভিজ্ঞ ডা. এম এ হাসান। এ প্রেক্ষিতে গত এপ্রিলের শুরু থেকে এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস বি রো’গীদের জন্য ব্যবহৃত অ্যান্টিভাইরাল ও’ষুধ টেনোফোভির নিয়ে পরীক্ষা চালান ডা. এম এ হাসান।

নিয়মিত টেনোফোভির পাচ্ছে এমন কিছু ছোট গ্রুপের মাঝে দেখা যায় ওই ও’ষুধ নেয়া কোনো রো’গীই ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হয়নি। টেনোফোভির ও’ষুধটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস বি রো’গীদের চিকিৎসার জন্য আগেই অনুমোদন দিয়েছে।

গবেষক ডা. এম এ হাসান ক’রোনা রো’গীদের চিকিৎসায় টেনোফোভির ও ফ্যভিপিরাভির এবং টেনোফোভির ও রিভাভিরিন-এই দুই যুগল ও’ষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবে’ষণা শুরু করেন। ওই গবে’ষণায় দেখা যায়, দুটো অ্যান্টিভাইরাল যুগলভাবে ক’রোনা রো’গীদের চিকিৎসায় বেশী কার্যকর হচ্ছে।

ডা. এম এ হাসানের গবে’ষণায় দেখা যায়, টেনোফোভির এবং ফ্যভিপিরাভির অথবা টেনোফোভির এবং রিবাভিরিন একত্রে ব্যবহারের ফলে চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ২৫ থেকে ৫০ বছর ব’য়স্ক রো’গীরা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ ছাড়া ৫০ থেকে ৭০ বছর ব’য়স পর্যন্ত রো’গীদের ওই ও’ষুধে ক’রোনা থেকে সেরে উঠতে ৯-১০ দিন সময় লেগেছে।

২০০২-০৪ সালে এইচআইভি ও সার্স নিয়ে কাজ করেছেন ডা. হাসান। তার কাজ পর্যালোচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের এনআইএআইডি’র প্রধান ড. অ্যানথনি ফাউসি।

ডা. এম এ হাসানের গবে’ষণাটি আরো পরীক্ষা ও পর্যালোচনার জন্য ২৫ এপ্রিল ২০২০-এ নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থায় পাঠানো হয়।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. ডেভিড ক্লার্ক এবং স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় নিয়োজিত গবেষক দল এর ফলাফলের বি’ষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মন্তব্য পেশ করেছেন।

গত ১৩ জুলাই লিখিতভাবে তারা ডা. এম এ হাসানকে জানিয়েছেন টেনোফোভির কো’ভিড -১৯ এর সম্ভাব্য চিকিৎসা হিসেবে ভাল তবে এর অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসার ভূমিকা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

এতে এই আবি’ষ্কারে বাংলাদেশী চিকিৎসক ও বিজ্ঞানির অগ্রণী তথা মৌলিক অবদান প্রমাণিত হয়েছে।

টেনোফোভির ৩০০ মি.গ্রাম. ট্যাবলেট বা পাউডার যা যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যারেড (Viread) নামে এবং বাংলাদেশে জাইলোভির নামে পরিচিত।

ডা. এম এ হাসান জানান, দীর্ঘমেয়াদে টেনোফোভির নিরাপদ হলেও এটি ভ্যাকসিনের বিকল্প নয়। তবে ভ্যাকসিন কার্যকর হবার আগে এটি রো’গ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বিশেষ করে হাইরিস্ক গ্রুপের মধ্যে।

ক্র’সফা’য়ার বাণিজ্যে ওসি প্রদীপের দুই সিন্ডিকেট

0

টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ক্র’সফা’য়ার বাণিজ্যের স’ঙ্গে জ’ড়িত দুটি সিন্ডিকে’টের সন্ধান পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানায়, ইয়াবার তকমা দিয়ে ক্র’সফা’য়ারের ভ’য় দেখিয়ে টাকা আদায় করতে ও দু’র্বলদের ক্র’সফা’য়ার দিতে থানায় নিজের ঘনিষ্ঠ একটি সিন্ডিকেট এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেন প্রদীপ।

তার জন্য দেনদরবার করতেন টেকনাফের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী। তাঁদের মধ্যে রয়েছে টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা ও সাবেক এমপি আব্দুর বদির ফুফা হায়দার আলী, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু সৈয়দ এবং পৌর এলাকার জুয়েলারি ব্যবসায়ী সজল। তাঁরা তিনজনই সাবেক এমপি বদির আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠজন।

কোনো ব্যক্তিকে আ’টক করলে ওই তিন ব্যক্তির যেকোনো একজন যোগাযোগ করতেন আ’টক ব্যক্তির পরিবারের স’ঙ্গে। তাঁরা মো’টা অঙ্কের টাকার লেনদেন করে আ’টক ব্যক্তিকে পাঠানো হতো জে’লে। তাঁরা বড় বড় ইয়াবা কারবারিকেও টাকার বিনিময়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতেন। এঁদের মধ্যে হায়দার আলীর এক ছেলে প্রথম দফায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

বদির ব্যবসায়িক অংশীদার আবু সৈয়দ ও তাঁর ছেলে মোহাম্ম’দ আব্দুল্লাহর বি’রুদ্ধেও রয়েছে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ। জানতে চাইলে গতকাল অভিযোগ অস্বীকার করে আবু সৈয়দ বলেন, ‘ভালো লোকজন ধরলে আমি যাইতাম। তবে কোনো কারবার করি নাই।’

পু’লিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, থানায় ওসি প্রদীপের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে বহাল আছেন এএসআই ফকরুল জামান, এসআই জামসেদ, এসআই সুজিত, কনস্টেবল নাজমুল (ওসির বডিগার্ড), এসআই মশিউর রহমান, এএসআই আমির হোসেন, এএসআই মিসকাত উদ্দিন, কনস্টেবল রুবেল দাশ (‘ক্র’সফা’য়ারে’ সবচেয়ে বেশি গু’লি ছু’ড়েছেন), কনস্টেবল মো. মহিউদ্দিন খান, কনস্টেবল আবদুল আজিজ, এসআই দীপক বিশ্বাস, এএসআই সঞ্জিব দত্ত, কনস্টেবল বাহার উদ্দিন, এএসআই মিঠুন চ’ক্রবর্তী (ওসি প্রদীপের ভাগ্নে), কনস্টেবল সাগর দেব, এএসআই কাজী সাইফ মাহমুদ এবং টেকনাফ পৌর কমিউনিটি পু’লিশিংয়ের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসাইন। তাঁরা ক্র’সফা’য়ারের নামে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করেছেন বলে অভিযোগ ভু’ক্তভোগীদের।

টেকনাফের ডেইলপাড়ার বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, ‘ওসি প্রদীপের সহযোগীরা নিরপরাধ লোকদের মা’দক কারবারি বানিয়েছে। তারা অ’ভিযানে গেলে স’ঙ্গে থাকত একটি করে নোয়া গাড়ি। এসব গাড়ি নিয়ে তারা টেকনাফের আনাচকানাচ চষে বেড়াত এবং লোকজনকে আ’টক করে রাতে থানায় নিয়ে যেত। কেউ দাবি করা টাকা না দিলে তার ভাগ্যে জুটত বু’লেট।’

পু’লিশ ও গো’য়েন্দা সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা জানান, আত্মীয়-স্বজনের নামে কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে জমি কিনে বাড়ি করেছেন প্রদীপ। রয়েছে গাড়ি। তাঁর স্ত্রী চুমকীর নামে চট্টগ্রাম মহানগরে ছয়তলা বাড়ি, প্লট, ফ্ল্যাট, একাধিক গাড়ি ও অন্যান্য সম্পদের ত’থ্যও পেয়েছেন গো’য়েন্দারা। এরই মধ্যে তাঁদের অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দু’র্নীতি দ’মন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম কার্যালয়। একাধিক সূত্র দাবি করেছে, ভারতের আসামের রাজধানী গুয়াহাটি শহরের পল্টন স্টেশনের পাশে প্রদীপের দুটি অভিজাত বাড়ি রয়েছে।

১৯৯৫ সালে জোট স’রকারের আমলে কক্সবাজারের শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদের ঘনিষ্ঠ কর্মী বলে পরিচিত প্রদীপ পু’লিশে উপপরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সময় ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। স’রকার বদলের স’ঙ্গে স’ঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের আস্থাভাজন বনে যান প্রদীপ। ২০১৮ সালের মহেশখালী থানার ওসি থাকা অবস্থায় নিজেকে আওয়ামী লীগের মতাদর্শী প্রমাণে উপজে’লা কমিটির সভায় নিয়মিত হাজির হতেন প্রদীপ। বি’ষয়টি নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ছিলেন বিব্রত। তবে ক্ষ’মতাধর প্রদীপের ভ’য়ে কেউ আপত্তি জানাতে সাহস পাননি। সূত্র : কালের কণ্ঠ

স্বা’মী পরিত্যক্তা না’রীকে গণধ’র্ষণ, আ’টক ৪

0

স্বা’মী পরিত্যক্তা না’রীকে গণধ’র্ষণের পর রেললাইনের ও’পরে ফে’লে রেখে গিয়েছিল ধ’র্ষকরা। এক পথচারী দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পু’লিশে খবর দেন। এরপর পু’লিশ ওই না’রীকে উ’দ্ধার এবং ধ’র্ষণে জ’ড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আ’টক করেছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) যশোরের ঝিকরগাছায় রাতে এ ধ’র্ষণের ঘ’টনা ঘটে। পরে শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে ঘ’টনায় জ’ড়িত চারজনকে আ’টক করা হয়। আ’টকদের বিকেলে আ’দালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আ’টকরা হলেন- ঝিকরগাছা উপজে’লার পুরন্দপুর গ্রামের মৃ’ত সাইফুল ইসলামের ছেলে আব্দুল জলিল (২৩), একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে জাকির হোসেন (২০), আব্দুল গাজীর ছেলে আলম হোসেন (৩০) ও ফজর আলীর ছেলে হাসানুর রহমান (২০)।

ঝিকরগাছা থানা পু’লিশের ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুরন্দপুর গ্রামের স্বা’মী পরিত্যক্তা ওই না’রী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে রাস্তার পাশে আব্দুর রাজ্জাকের ঘাসের ক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধ’র্ষণের পর রেললাইনের ও’পর ফে’লে রেখে যায় তারা। অ’চেতন অবস্থায় এক পথচারী ওই না’রীকে দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। ফোনের সূত্র ধরে সেখান থেকে ভি’কটিমকে উ’দ্ধার করা হয়। পরে জ্ঞান ফিরলে তিনি ধ’র্ষণে জ’ড়িত দুজনের পরিচয় জানান। শুক্রবার সকালে বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে আ’টক করা হয়।

ওসি আরও জানান, আ’টকরা ধ’র্ষণে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তারা সবাই মাছ ধরার জাল টানার কাজ করেন।স্বী’কারোক্তিমূ’লক জবানব’ন্দি গ্রহণে বিকেলে তাদেরকে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ওই না’রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রাস্তার পাশে পড়ে ছিল মানুষের কা’টা পা

0

রাস্তার পাশে পড়েময়মনসিংহের নান্দাইলে আত্মীয়ের বাড়িতে যাবার পথে শামীম ভূঁইয়া (৩৮) নামে এক যুবকের পা কে’টে নেয়ার চারদিন পর উ’দ্ধার করা হয়েছে। ঈশ্বরগঞ্জ উপজে’লার মাইজবাগ ইউনিয়নের ভাসা গোকূলনগর এলাকা থেকে শুক্রবার (৭ আগষ্ট) সকালে সেই বিচ্ছিন্ন পা উ’দ্ধার করে পু’লিশ। শামীম ভূঁইয়া পার্শ্ববর্তী নান্দাইল উপজে’লার কানুরামপুর গ্রামের নূরুল ইসলাম ভূঁইয়ার ছেলে।

পু’লিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের ঈশ্বরগঞ্জের মাইজবাগ ইউনিয়নের ভাসা গোকূলনগর এলাকার রাস্তার পাশে বিচ্ছিন্ন পা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন।

পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পু’লিশের টিম ঘ’টনাস্থলে গিয়ে বিচ্ছিন্ন পা উ’দ্ধার করে। পরে পু’লিশ নিশ্চিত হয়েছেন গত সোমবার (৩ আগষ্ট) রাতে শামীম ভুঁইয়ার পা কে’টে নেয়া হয়েছিল।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে প্রবাসফেরত শামীম ভূঁইয়ার ভাই রুবেলকে নিয়ে গত সোমবার (৩ আগষ্ট) সন্ধ্যার দিকে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে তাদের বহন করা সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি কানুরামপুর পশ্চিম বাস স্টপেজে থামে।

ওই সময় ১০-১২ জন দু’র্বৃত্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি ঘেরাও করে দুই ভাইকে মা’রধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শামীমকে সিএনজি থেকে টেনে হিঁছড়ে নামিয়ে সড়কের ও’পর ফে’লে ধা’রালো অ’স্ত্র দিয়ে কো’পাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে চা’পাতি দিয়ে কু’পিয়ে শামীমের ডান পা কে’টে নেওয়া হয়। বা পায়েও কু’পিয়ে জ’খম করা হয়।

ওই ঘ’টনায় শামীমের ভাই রুবেল ভুঁইয়া বাদি হয়ে গত মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) ২৬ জনকে আ’সামি করে নান্দাইল মডেল থানায় মা’মলা করেন। ওই মা’মলায় জান্নাত উল্লাহ (২৮) নামে এক আ’সামিকে পু’লিশ ইতোমধ্যে গ্রে’প্তার করে কা’রাগারে পাঠিয়েছে।

শামীম ভূঁইয়ার ভাই রুবেল ভুঁইয়া বলেন, নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন মোর্শেদ আলী। গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারী রাতে কানুরামপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে বাড়িতে যাবার পথে প্রতিপক্ষের হাতে খু’ন হন মোর্শেদ আলী।

পরে হ’ত্যা মা’মলার আ’সামি হয়ে শামীম ভূঁইয়া জা’মিনে ছিলেন। এইজন্যই প্রতিপক্ষের লোকজন দুই ভাইয়ের ও’পর হা’মলা চা’লিয়েছে বলে অভিযোগ তার।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) সাখের হোসেন সিদ্দিকী বলেন, পা কে’টে নেয়ার ঘ’টনায় থানায় মা’মলা হয়েছে। এক আ’সামিকে পু’লিশ গ্রে’প্তার করে কা’রাগারে পাঠিয়েছে। বিশজন আ’সামি আ’দালত থেকে জা’মিন নিয়েছেন। ছিল মানুষের কা’টা পা

গল্প সাজান এসপি, ফাঁস হলো সেদিনের ফোনালাপ

0

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহাকে গুলি করে হত্যার পর বন্দুকযুদ্ধের গল্প সাজিয়ে দিয়েছিলেন কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম মাসুদ হোসেন। এসপি-ওসি-পরিদর্শকের ফোনালাপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তাদের ফোনালাপের কয়েকটি রেকর্ড বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে এসেছে। ঘটনাস্থল থেকে এ সম্পর্কিত নির্দেশনা গ্রহণ ও নিশ্চয়তা প্রদানই ছিল ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু। তাদের কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হলো—

প্রদীপ : আদাব স্যার।

মাসুদ : কী আপনি, এমন কী হইছে বলেন।

প্রদীপ : স্যার লিয়াকত গুলি করছে নাকি স্যার, আমি যাচ্ছি ওখানে।

মাসুদ : কে? প্রদীপ : ঐ যে স্যার লিয়াকত। স্যার ইয়াতে, চেকপোস্টে একটা গাড়িকে সিগন্যাল দিছে, সিগন্যাল দেওয়ার পর গাড়ি থেকে তাকে পিস্তল দিয়ে গুলি করছে। ঐ সময় আমি তাকে বললাম, তুমিও তাড়াতাড়ি ওকে গুলি করো। সেও নাকি তাকে গুলি করছে স্যার। আমি যাচ্ছি স্যার, ওখানে স্যার।

মাসুদ : যান, যান।

যদিও ওসির বক্তব্যের সঙ্গে মিল নেই লিয়াকতের। লিয়াকত বলেন, মেজর সিনহা পিস্তল তাক করায় তিনি তাকে গুলি করেন। এসপির সঙ্গে লিয়াকতের কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হলো—

লিয়াকত : আসসালামু আলাইকুম স্যার, স্যার।

মাসুদ : বলো।

লিয়াকত : এখানে একটা প্রাইভেট কার আসে স্যার, ঢাকা মেট্রো লেখা। আর্মির পোশাক টোশাক পরা। সে ঐ বোরখা খুলে ফেলছে। পরে যখন তাকে চার্জ করছি সে মেজর পরিচয় দিয়ে গাড়িতে চলে যেতে চাইছিল। পরে অস্ত্র তাক করছিল। আমি গুলি করছি স্যার। একজন ডাউন করছি। আরেক জনকে ধরে ফেলছি স্যার। স্যার, আমি কী করব স্যার। আমাকে পিস্তল তাক করছে, পিস্তল পাইছি তো স্যার।

মাসুদ : আচ্ছা ঠিক আছে। তোমাকে গুলি করছে, তোমার গায়ে লাগে নাই। তুই যেইটা করছ সেটা তার লাগছে।

লিয়াকত : রাইট স্যার। লাগছে স্যার, লাগছে স্যার।

মাসুদ : হ্যাঁ।

পুলিশ আটক করার পর সিফাত যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানেও দুই পক্ষের অস্ত্র তাক করার তথ্য নেই। প্রকাশ পাওয়া সিফাতের একটি জবানবন্দিতে দেখা গেছে, তিনি বলেছেন, পথ আটকানোর কারণে সিনহা রাশেদ রেগে যান। তবে তিনি অস্ত্র নিয়ে গুলি করা তো দূরের কথা গুলি তাকও করেননি। সিফাত বলেন, ‘লিয়াকত সাহেবের সঙ্গে ডিবির দুই লোক ছিল। বাকিরা ইউনিফর্মে। পুলিশ রাগারাগি করে সিনহা ভাইকে গুলি করে। তখন আমরা সামনের দিকে যাচ্ছিলাম।’ অডিওতে শোনা যাচ্ছে, ওসি প্রদীপ এসপি মাসুদকে বলেন, সিনহা রাশেদ গুলি করায় তাঁর নির্দেশে লিয়াকত গুলি করেন। তবে লিয়াকত এসপিকে বলেন, সিনহা রাশেদ গুলি তাক করেছিলেন। এসপি মাসুদ তখন ওসি প্রদীপের সুরে লিয়াকতকে বলেন, ‘তোমারে গুলি করছে, তোমার গায়ে লাগেনি, তুমি যেটা করছ সেটা তার গায়ে লাগছে!’ এর মাধ্যমে ওসির সাজানো মামলায় এসপি সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নতুন করে যা জানালো আবহাওয়া অধিদফতর

0

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ সারাদেশে ঝড়বৃষ্টি তুলনামূ’লক কম হতে পারে। ঢাকাতে দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃ’দ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা সামান্য বৃ’দ্ধি পেতে পারে। এছাড়া দেশে ঝড়বৃষ্টি তুলনামূ’লক কম হতে পারে। পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ঢাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে সেই সাথে দুই এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃ’দ্ধি পেতে পারে। আজ ভোর ৬ টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫ মিলিমিটার।

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, বগুড়া, সিলেট, খুলনা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টাঙ্গাইল অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ইম’রানের সাবেক স্ত্রী’’ বললেন- আমা’র তো দিল্লিও চাই

0

পা’কিস্তানের নতুন মানচিত্র নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইম’রান খানের সাবেক স্ত্রী’’। গত মঙ্গলবার নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ইম’রান খান প্রকাশ করে। তাতে জম্মু-কা’শ্মীর, লাদাখের পাশাপাশি গুজরাটের জুনাগঢ়কেও পা’কিস্তানের নতুন রাজনৈতিক ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

টেলিভিশন সঞ্চালিকা রেহম খান বিদ্রূপের সুরে বলেছেন, আরে পা’কিস্তান কেবল কা’শ্মীরেই থেমে গেল কেন! … আমি তো এর স’ঙ্গে দিল্লিও চেয়েছিলাম। ইম’রান খান দাবি করেন, পা’কিস্তানের সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে নতুন ম্যাপে। তা মা’থায় রেখেই এই কটাক্ষ করেছেন রেহম।

প্রস’ঙ্গত, ২০১৫ সালে ইম’রান খানের স’ঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সাংবাদিক রেহম খানের। কিন্তু, বছর না ঘুরতেই বিচ্ছেদের ঘণ্টা বাজে। ওই বছরের ৩০ অক্টোবর রেহমের স’ঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন স্বয়ং ইম’রান খান।

বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে রেহম পরে জানান, মানুষ হিসেবে ইম’রান আর তিনি দু’জন সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর। তিনি কথা বলতে ভালোবাসেন, গল্প করতে ভালোবাসেন আর ইম’রান সম্পূর্ণ উল্টো।

বিছানায় ইম’রান খানের স’ঙ্গে একান্ত মুহূর্তেও কোনো সিনেমা নিয়ে কথা বলা যেত না, পর্দার রং নিয়েও কথা বলা যেত না। শুধু রাজনৈতিক বি’ষয় নিয়ে কথা বলা যেত। ইম’রানের পরিবার সবসময় চেয়েছে, তিনি শুধু রান্না আর ঘর-সংসার নিয়েই থাকুন। বাইরে গিয়ে তার কাজ করাও পছন্দ ছিল না খান পরিবারের। পেশওয়ারের পথশি’শুদের নিয়ে কাজ করাও তাদের পছন্দ ছিল না।

গত মঙ্গলবার বি’তর্কি’ত মানচিqqত্রের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করে ইম’রান খান বলেন, আম’রা পা’কিস্তানের নতুন ম্যাপ বিশ্বের সামনে এনেছি। পা’কিস্তানের মন্ত্রীসভা ছাড়াও বি’রোধী দল এমনকি কা’শ্মীরি নেতৃত্বেরও এতে সম’র্থন রয়েছে। নতুন মানচিত্র পা’কিস্তানের মানুষের আশা ও বিশ্বা’সকে সম’র্থন করে।

নতুন এই মানচিত্রকে পা’কিস্তানের স’রকারি মানচিত্র হিসেবে উল্লেখ করে ইম’রান খান বলেন, কা’শ্মীর ও পা’কিস্তানের মানুষের অসম্পূর্ণ ই’চ্ছা সম্পূর্ণ করবে এই মানচিত্র। কা’শ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা প্রত্যাহার করে ভা’রত গত বছরের ৫ আগস্ট যে অ’বৈধ পদক্ষেপ নিয়েছে, পা’কিস্তানের নতুন মানচিত্র তা বাতিল করে দেয়।

স্ত্রীর মাথা নিয়ে থানায় যুবক

0

ভারতের বিহারের বক্সারে স্ত্রীর কা’টা মাথা নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন এক ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না।

পু’লিশ জানিয়েছে, বক্সারের ব্রহ্মপুর থানা এলাকার ব্রহ্মপুর শিবমন্দিরের কাছে শুক্রবার এই ঘ’টনা ঘটে। ওই যুবকের নাম আলগু যাদব। ৪৮ বছরের আলগুর স্ত্রীর নাম চাঁদনি দেবী। এদিন সকালে চাঁদনি দেবী যেখানে কাজ করেন সেখানে পৌঁছায় আলগু। তারপর হাতের ধারাল অ’স্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় গ’লা কে’টে তাকে খু’ন করেন।

পু’লিশ সূত্রে খবর, আলগু যখন চাঁদনিকে আ’ক্রমণ করেন তখন সেখানে উপস্থিত জনতা তাকে আ’টকানোর জন্য পাথর ছুড়তে থাকেন। কিন্তু চাঁদনিকে কো’পানো থামাননি আলগু। ঘ’টনাস্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়। তারপরে স্ত্রীর কা’টা মুণ্ডু নিয়ে সোজা থানায় চলে যান আলগু। সেখানে গিয়ে নিজের অ’পরাধের কথা স্বীকার করেন তিনি। তাকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে বিয়ে হয়েছিল আলগু ও চাঁদনির। ঝাড়খণ্ডের পাকুর জে’লায় বাড়ি চাঁদনির। তাদের সংসারে একটি মে’য়েও আছে। বিয়ের কয়েক বছর পর থেকে সংসারে অশান্তি বাড়তে থাকে। একটা সময়ের পর তারা সি’দ্ধান্ত নেন আলাদা থাকবেন। সেইমতো আলাদাই থাকছিলেন তারা। আ’দালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মা’মলা চলছিল।

পু’লিশ আরো জানিয়েছে, একটি শপিং মলে কাজ করতেন চাঁদনি। আলগু বারবার তাকে চা’প দিচ্ছিল যাতে তিনি আ’দালত থেকে বিবাহ বিচ্ছেদের মা’মলা তুলে নেন। সেইস’ঙ্গে তাকে ফিরে আসারও প্রস্তাব দেন তিনি। কিন্তু তাতে রাজি হননি চাঁদনি। উল্টো আলগুর কাছে খোরপোষের দাবি জানান চাঁদনি। তারপরেই নাকি চাঁদনিকে মা’রার পরিকল্পনা করেন আলগু।

ওসি প্রদীপকে ঘ’টনা সাজানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন যিনি

0

গত ৩১ জুলাই পু’লিশের গু’লিতে নি’হত হয়েছেন সে’নাবা’হিনীর অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান। সে’নাবা’হিনীর সাবেক এই মেজরকে গু’লি করার কারণ হিসেবে পু’লিশ দাবি করেছিলো যে সিনহা মা’দক ব্যবসার সাথে জ’ড়িত এবং তাদের গু’লি করার চেষ্টা করেছিলো। আর এবার গণমাধ্যমের কাছে আসা দুটি ফোনকলের রেকর্ড থেকে জানা গিয়েছে কার নির্দেশে এই ঘ’টনা সাজানো হয়।

প্রা’প্ত ফোন রেকর্ড দুুটির একটি ওসি প্রদীপ এবং এসপি এ বি এম মাসুদের মধ্যকার আর অপরটি এসআই লিয়াকত এবং এসপি এ বি এম মাসুদের মধ্যকার।

এর মধ্যে প্রথম ফোনকলটি ওসি প্রদীপ ৯.৩০ মিনিটে এসপি এ বি এম মাসুদকে দেন। প্রদীপ বলেন, ‘স্যার, লিয়াকত নাকি গু’লি করেছে, আমি যাচ্ছি সেখানে। এই যে স্যার লিয়াকত চেকপোস্টে একটি গাড়িকে সিগন্যাল দিছে। গাড়ি থেকে তাকে পি’স্তল দিয়ে গু’লি করছে। আমি বললাম, তুমি তাড়াতাড়ি ওকে গু’লি করো। সেও নাকি গু’লি করছে স্যার। আমি যাচ্ছি ওখানে স্যার।’ তখন এসপি মাসুদ বলেন, ‘যান যান।’ এরপর রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে লিয়াকতও এসপিকে ফোন করেন। লিয়াকত বলেন, ‘স্যার,

এখানে একটা প্রাইভেট কার ঢাকা মেট্রো লেখা। আ’র্মির পোশাকটোশাক পরা। সে ওই বোরকা খুলে ফেলছে। পরে তাকে যখন চার্জ করছি, মেজর পরিচয় দিয়ে গাড়িতে চলে যেতে চাইছিল। পরে অ’স্ত্র তাক করেছিল, আমি গু’লি করছি স্যার। একজন ডাউন করছি, আরেকজন ধরে ফেলছি স্যার। আমি কী করব স্যার? আমাকে পি’স্তল তাক করছে? পি’স্তল পাইছি তো স্যার।’ পরিদর্শক লিয়াকতের এই বক্তব্যের পর পর এসপি মাসুদ বলেন, ‘আচ্ছা ঠিক আছে। তোমারে গু’লি করছে, তোমার গায়ে লাগেনি, তুমি যেটা করছ সেটা তার গায়ে লাগছে।’ তখন লিয়াকত বলেন, ‘রাইট স্যার।’

এই তিনজনের কথায়ই অ’স্ত্রের কথা বলা হলেও কোথাও মা’দকের কথা ছিলোনা। এর মাঝে ওসি বলেছিলেন সিনহা লিয়াকতকে গু’লি করেছিলেন আর লিয়াকত বলেছেন সিনহা পি’স্তল তাক করেছিলেন। জানা গেছে, মূ’লত ওসি প্রদীপের কথামতো জে’লা পু’লিশ সুপার (এসপি) এ বি এম মাসুদ হোসেন ঘ’টনাটি সাজানোর পরামর্শ দেন।

এদিকে অভিযোগের বি’ষয়ে জানার জন্য এসপি এ বি এম মাসুদ হোসেনের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এর আগে জানিয়েছিলেন এই ঘ’টনায় তাঁর কোনো দায় নেই এবং যেভাবে জেনেছেন সেভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন।

আর গতকাল স্ব’রা’ষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, মেজর সিনহা নি’হত হওয়ার ঘ’টনায় ত’দন্ত কমিটির রিপোর্টে কক্সবাজারের এসপির বি’রুদ্ধে কোনো বি’ষয় থাকলে এসপির বি’রুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রস’ঙ্গত, এর আগে ওসি প্রদীপের বি’রুদ্ধে স্থানীয়রা ক্র’সফা’য়ারের ভ’য় দেখিয়ে টাকা আদা’য়ের অভিযোগ তুলেছিলেন।

রিলেটেড নিউজ :