Home Blog Page 3

রাতে ছাত্রীর মায়ের ঘরে গৃহশিক্ষক, তালা লাগিয়ে স্বা’মীর চি’ৎকার

0

বগুড়ার আদম’দীঘিতে ছাত্রীর মায়ের স’ঙ্গে প’রকীয়া করতে এসে স্বা’মীর হাতে ধরা খেয়েছেন এক গৃহশিক্ষক। বুধবার দুপুরে উপজে’লার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে
তিন লাখ টাকার বিনিময়ে বি’ষয়টি রফাদফা করেন ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হক আবু।অ’ভিযুক্ত গৃহশিক্ষক হাসান ছাতিয়ানগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয়রা জানান, এলাকার এক তরকারি ব্যবসায়ীর নবম শ্রেণি পড়ুয়া মে’য়েকে বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন হাসান।
এরপর থেকে ছাত্রীর মায়ের স’ঙ্গে প’রকীয়া সম্প’র্ক গড়ে ওঠে তার। এ বি’ষয়টি ছাত্রীর বাবা জানতে পেরে গৃহশিক্ষকের ও’পর নজর রাখেন।

মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) পর’কীয়ার টানে রাতে ওই ছাত্রীর মার ঘরে ঢোকেন গৃহশিক্ষক হাসান। তখন ঘরের বাইর থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে চি’ৎকার শুরু করেন স্বা’মী।এ ঘ’টনার খবর পেয়ে পু’লিশ রাতেই দুজনকে আ’টক করে। এরপর তাদের স’ঙ্গে কথা বলে ঘ’টনাস্থল থেকে চলে যান।

বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হক আবুর নেতৃত্বে দুপুরে গৃহশিক্ষক হাসানকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আনা হয়।
চেয়ারম্যান শালিস করে শিক্ষককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই স’ঙ্গে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।

তবে এ ব্যাপারে ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টাকা লেনদেনের বি’ষয়টি অ’স্বীকার করে বলেন, শিক্ষককে ফাঁ’সাতে ছাত্রীর পরিবারের এটি একটি চ’ক্রান্ত।

শালিসের মাধ্যমে বি’ষয়টি সমাধান করা হয়েছে।আদম’দীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন বলেন, ঘ’টনার পর খবর পেয়ে ঘ’টনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

তবে ওই ছাত্রীর পরিবারের কেউ অভিযোগ না দেয়াতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।
হাতে ৫ টাকার নোট বা কয়েন থাকলেই হতে পারেন লক্ষ টাকার মালিক

ওয়েবসাইটে পুরানো জিনিস বিক্রি করে আপনি প্রায়শই লোককে কোটিপতি হতে দেখেছেন। কারণ জিনিসগু’লি যখন পুরানো হয়ে যায়,
তখন এইসব জিনিস এন্টিক বিভাগে পড়ে। আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের উচ্চ চা’হিদা রয়েছে।আজকাল ই-কমার্স ওয়েবসাইটে একই ধরণের সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

যাতে আপনি বৈষ্ণো দেবীর ছবি (ওল্ড কয়েন নিলাম) সমেত একটি পুরানো কয়েন রেখে 10 লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
সম্প্রতি খবরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এমন এক ব্যক্তির নামও প্রকাশিত হয়েছে, যে ১০০ টাকার পুরনো নোট বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করেছে।

আপনি যদি পুরানো জিনিস সংগ্রহের অনুরাগী হন, তাহলে আপনার এই শখটি আপনাকে কোটিপতিও বানাতে পারে।
যাদের কাছে মুদ্রার ও’পরে বৈষ্ণো দেবীর ছবি খোদাই করা ৫ টাকার মুদ্রা আছে, তারা বিড করার জন্য এটি রাখতে পারেন।

আজকাল এটি দুর্দান্ত ট্রেন্ডে রয়েছে। পুরানো জিনিসগু’লির সন্ধানকারী লোকেরা এটি সন্ধান করছে। ২০০২ সালে স’রকার এই মুদ্রা জারি করেছিল। এই মুদ্রাগু’লি ৫ এবং ১০ টাকার হয়। যেহেতু এই মুদ্রাগু’লিতে দেবী বৈষ্ণো দেবীর ছবি রয়েছে, সেগু’লি খুব শুভ বলে মনে করা হয়। এ কারণেই প্রত্যেকে এটি তাদের সাথে রাখতে চায়।

আমার স্ত্রী প্রাইমারি স্কুলের টিচার, একদিন রাতে ডিনারের শেষে

0

দেখছিলো। খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে করে উঠেছে

আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!! আমার মিসেস বললো.. ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। “my wish”

–তো কাঁদার কি হলো!! .সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে। –তো?–একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো।–আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি।মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো…..আমার ই’চ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো।

আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না।যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন স’ঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় স’ঙ্গে করে নিয়ে যায় না।

ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গিয়ে ফোন ধরে। কিন্তু আমি কা’ন্না করলেও আমার কাছে আসে না মা।আমার বাবা স্মার্টফোনে গেম খেলে। কিন্তু আমার সাথে খেলে না। আমি বাবাকে বলি আমায় একটু কোলে নাও না বাবা। কিন্তু বাবা আমায় কোলে নেয় না

স্মার্টফোনটাই সব সময় বাবার কোলে থাকে। মা কে গিয়ে বলি, মা মা চলো না আমার সাথে একটু খেলবে। কিন্তু আমার মা আমার উপর রেগে গিয়ে বলে, দেখতে পাচ্ছিস না আমি এখন তোর মামার সাথে চ্যাটে কথা বলছি।

আমার বাবা মা রোজ স্মার্টফোন টাকে যত্ন করে মোছামুছি করে। কিন্তু আমায় একটুও আদর করে না। আমার মা যখন বাবার সাথে ফোনে কথা বলে তখন মা স্মার্টফোনে বাবাকে পাপ্পি দেয়। কিন্তু আমায় একদিনও পাপ্পি দেয়নি মা।

আমার বাবা মাথার কাছে স্মার্টফোন নিয়ে ঘুমায়। কিন্তু আমায় কোনোদিনও জড়িয়ে ধরে ঘুমায় না। আমার মা রোজ চার পাঁচবার স্মার্টফোন টিকে চার্জ দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আমায় খাবার দিতে ভু’লে যায় মা। কিন্তু স্মার্টফোন টিকে চার্জ দিতে ভু’লে না আমার মা। তাই আমি স্মার্টফোন হবো।

আমার ই’চ্ছা স্মার্টফোন হয়ে বাবা মায়ের সাথে সবসময় থাকতে চাই।স্ত্রীর মুখে লেখাটি শোনার পর আমি খুব ইমোশনাল হয়ে স্ত্রী’কে জিজ্ঞেস করলাম..–কে লিখেছে এই রচনাটি ?

–আমাদের স’ন্তান।আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষন। অনেক কিছুই ভেবে চলেছি। আমার আর আমার স্ত্রীর চোখে তখন জলের ধারা নামতে শুরু করেছে!

মনের মধ্যে যে ৮ ই’চ্ছার কথা গো’পন রাখেন না’রীরা

0

প্রত্যেক মানুষের কিছু গো’পন ই’চ্ছা, চাওয়া–পাওয়া থাকে। তবে এগুলো প্রকাশ করে না।

বিশেষ করে মেয়েরা এই কাজে ওস্তাদ। কিছু কিছু জিনিস আছে, যেগুলো একজন না’রী সবার অগোচরে চা’হিদা করেন কিন্তু মুখে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলেন। চলুন,

জেনে নিই না’রীদের এমন ৮টি গো’পন ই’চ্ছার কথা, যেগুলো তাঁরা প্রকাশ করেন না কাউকে কিন্তু মনে মনে খুব চান। চলুন জেনে নিই না’রীদের ৮টি ই’চ্ছার কথা

ভালোলাগা: না’রীরা সাধারণত যদি কাউকে ভালোবাসেন তবে তা কখনোই মুখে স্বীকার করতে চান না। তবে অনেক ধরনের অস্পষ্ট কথা দিয়ে আপনাকে তা বোঝানোর চেষ্টা করবেন। সুন্দরী: প্রত্যেক না’রীই চান বান্ধবীর থেকে তাকে সবচেয়ে সুন্দরী ও আ’কর্ষণীয় হয়ে উঠতে।তবে হ্যাঁ, অবশ্যই মনে মনে।

গায়ের রং ফর্সা: জাতের মে’য়ে কালো ভালো, নদীর পানি ঘোলা ভালো। কিন্তু অধিকাংশ না’রীরা চান গা ফর্সা রঙের অধিকারী হতে। কিন্তু মুখে স্বীকার করতে চান না। ওজন: অনেক না’রীকে বলতে শোনা যায় ওজন নিয়ে মা’থা ঘামাই না।কিন্তু মনে মনে তিনি ঠিকই চান স্লিম থাকতে। সুন্দর ফিগা’রের অধিকারী হত

ব’য়স: না’রীরা সব সময় ব’য়স লুকাতে পছন্দ করেন।পুরু’ষরা ব’য়স নিয়ে মা’থা না ঘামালেও প্রায় প্রত্যেক না’রী এটাই চান যে তার চেহারায় ব’য়সের ছাপ কখনো না পড়ুক। প্রতিষ্ঠিত স্বা’মী: প্রত্যেক না’রীই এমন স্বা’মী বা বয়ফ্রেন্ড কামনা করেন, যাকে সবার সামনে গর্বভরে পরিচয় করে দেয়া যায়।কিন্তু কখনোই মুখে স্বীকার করবেন না।

ঈর্ষাকাতর: না’রীরা বরাবরই ঈর্ষাপরায়ণ।অন্য মে’য়েদের জীবনের অর্জন দেখে মনে মনে সেটা চান প্রায় সব না’রীই। স্ত্রী’ হবেন স্বা’মীর মনের রানী: প্রত্যেক না’রী চান পছন্দের পুরু’ষটি তার সব কথা শুনুক, তাকে ছাড়া কিছু চিন্তা করতে না পারুক।তার পৃথিবীতে সে ছাড়া অন্য কেউ তাকবে না।

সকালে কাজটি করলেই মিলবে কঠিনতম রো’গের সমাধান

0

সকালবেলার মন এবং শ’রীর দুই ভাল রাখে৷ খবর শুনে ভ্রুঁ কোঁ’চকাচ্ছেন নিশ্চয়ই? গ’বেষণার মাধ্যমেই উঠে এসেছে এমন ত’থ্য৷ লন্ডনের বেলফাস্টের টুইন্স ইউনির্ভাসিটির এক গবে’ষণায় এই ত’থ্য প্রমাণিত গবে’ষণায় জানা গেছে, সপ্তাহে অ’ন্তত তিনদিন যদি ভো’রবেলা স’হবাস করা যায় তবে হৃ’দরো’গে আক্রা’ন্ত হওয়ার সম্ভবনা অ’র্ধেক করে দেয়৷

আরও পড়ুন : ‘হৃদয়ের কথা’ ছবির একটি গানে প্রথমবার আমার স’ঙ্গে তিনা পারফর্ম করেছিল। নাচের একটা দৃশ্য ছিল এমন, তিনা ঘুরে বসেছে এবং তার হাতটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে; আমি তাকে হাত ধরে টেনে তুলি।

টেনে তোলার সময় আমি তার দিকে তাকিয়ে আছি। বলে রাখা ভালো, ওটা ছিল লাইভ পারফর্মেন্স। অনেক শ্রোতা দেখছিলেন। তখন তিনার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। ওই সময়ে তিনাকে দেখে কেন জানি আমার মনের ভায়োলিন বেজে উঠেছিল।

এরপর আমরা পারফর্মেন্সটা শেষ করি। পরে বাসায় ফিরে মনে মনে তিনাকে খুঁজছিলাম। যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, তাদের আমি বলি- কী ব্যাপার? যে মে’য়েটা আমার সাথে নাচল, সে তো পরে আমাকে আর কিছুই বলল না।

পরে তিনা আমাকে ফোন করে বলেছিল, ভাইয়া কেমন হয়েছে আমাদের পারফর্মেন্স? আমি তখন বলি, খুব ভালো হয়েছে। আমি তখন ইচ্ছে করে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন রেখে দেই।এরপর একটা কাজের জন্য তিনা আমাকে ফোন করে একদিন। আমি তাকে বলি, কাজটা করো না। না করাই তোমার জন্য ভালো হবে। এভাবে দু-দিন,

একদিন করতে করতে তিনার স’ঙ্গে আমার পরিচয় মজবুত হতে থাকে।তিনার স’ঙ্গে প্রচুর ফোনে কথা বলতাম। সারাদিন শুটিং শেষে রাতে বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে, খেয়ে ফোনে কথা বলতাম তিনার স’ঙ্গে।

ওর নিজস্ব ফোন ছিলনা তখন। ওদের বাসার ল্যান্ডফোনে কথা হতো। রাত ১২ টায় ফোনে কথা বলা শুরু করতাম কখন যে রাত গড়িয়ে আযান দিত, টেরই পেতাম না।

সারাদিন শুটিংয়ের পর তিনার স’ঙ্গে কথা বলার সময় এত এনার্জি কোথা থেকে আসত আমি নিজেই বুঝতাম না। আযান যখন দিত, তখন ফোন রেখে দিতে চাইতাম। তখন একটা মজার ঘ’টনা ঘটত।

কে ফোন আগে রেখে দেবে এটা নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি লাগতো। আমি নাকি তিনা, কে ফোন রাখবে এটা ঠিক করতেই আরো এক ঘণ্টা চলে যেত। মাঝে মধ্যে আমি আগে ফোন করতাম।

তিনার মা ফোন ধরতো। আমি বলতাম, আন্টি তিনার স’ঙ্গে কাজের ব্যাপারে কথা ছিল। তখন ওর মা তাকে ডেকে দিত। তখনও আমরা কেউ কাউকে ‘লাভ ইউ’ কথাটা কিন্তু বলিনি।

একবার একটি শোতে অংশ নিতে তিনা চীনে যাচ্ছিল। বেশ লম্বা ট্যুর ছিল, ২০-২২ দিনের ট্যুর। এই ট্যুরে যেতে আমি তাকে সায় দিলাম বটে, কিন্তু ওই সময়টায় আবার আমি ভাবলাম, তিনা চীনে যাচ্ছে; ওর সাথে কথা হবে না ২০ দিন!

এটা ভাবতেই আমি ওকে কেন জানি ‘মিস’ করতে শুরু করলাম।সত্যি কথা বলতে যেটা এর আগে কাউকে করিনি। ওই সময় আমি তার স’ঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনা তখন জানায়, সে এয়ারপোর্টে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই চীনে উড়াল দেবে। ওই সময়টা আমি তাকে বলে ফেলি, তিনা আমি তোমাকে খুব মিস করছি। আমি মনে হয় তোমাকে ভালোবেসে ফে’লেছি, অ্যান্ড আই লাভ ইউ।

পরে তিনার কাছ থেকে শুনেছি, এটা শুনে নাকি সে এয়ারপোর্টে হা করে দাঁড়িয়েছিল। একেবারে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছিল! সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমি তাকে ভালোবাসি এটা বলার পরে সে হ্যাঁ, না কিছুই বলেনি।

চীন থেকে ফিরে সে আমাকে হ্যাঁ বলেছিল। এরমধ্যে ২০ দিন তিনার স’ঙ্গে কথা হয়নি। আমি তখন খুব চিন্তায় থাকতাম। তিনা ওখানে ভাল আছে কিনা, কিভাবে ঘুরছে, কি খাচ্ছে।

এসব কথা সবসময় মনে পড়তো। এরপর তিনা ঢাকায় ফিরে এয়ারপোর্টে নেমে ওর বাবাকে ফোন করার আগেই আমাকে ফোন করেছিল। ওই সময়টা তিনার খুব ঠাণ্ডা, জ্বর ছিল।দেশে ফিরার পরে তিনার স’ঙ্গে ওইদিন বিকেলে দেখা করি।

ওইদিন আমার শুটিং ছিল। শ’রীর খা’রাপের ছুতো দেখিয়ে শুটিং ক্যানসেল করি(হাহাহা…)। তিনা আমার জন্য চীন থেকে একটা গোল্ডেন ব্যাংক নিয়ে এসেছে।

ওটাই ছিল তিনার থেকে পাওয়া আমার প্রথম উপহার। আমার হাতে উপহারটি দিয়ে তিনা বলেছিল, এটা আমার ব্যাংক রাজকুমারের জন্য উপহার।
সেদিন তিশা লাভ ইউ ঠু বলেছিল। এরপর অনেক কিছু ম্যানেজ করে তিনার স’ঙ্গে দেখা করতাম। তিনাকে দেখার জন্য ধানমন্ডিতে অফিস নেই।

ওর বাসার বিপরীত পাশে অফিস নেয়া হয়েছিল। জানালা দিয়ে তিনার বাসা দেখা যেত না বলে আমি বা’থরুমে উঁকি দিয়ে ওকে দেখতাম। ফোন করে বলতাম তুমি বারান্দায় আসো। এছাড়া বাইরে দেখা করা খুব টাফ ছিল।

কারণ মানুষ দেখলে ভিড় করত। সিনেমার গল্পেও এমনটা কম দেখা যায়। এরপর তিনার বাসায় বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠাই। প্রথমেই তারা নাখোশ। কোনোভাবেই আমার স’ঙ্গে তিনাকে বিয়ে দেবেনা।

এই শর্ত ওই শর্ত জুড়ে দিচ্ছিল। তখন মনে হয়েছিল গু’লি মারি প্রেমের, হাহাহা…। এরপর পরিবার অমত বলেই ছয় মাস আমাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না।

ছয় মাস পরে তিনা একদিন ফোন করে আমার সাথে দেখা করতে চাইল। আমি ঢাকায় ছিলাম না। উড়ে চলে আসি। তারপর আবার আমাদের প্রেম জোড়া লাগে। প্রায় দেড় বছর অনেক কাঠখড় পু’ড়িয়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০০৭ সালে ১৮ ডিসেম্বর আমরা বিয়ে করি।

বিয়ের পর তিনার প্রতি আমার ভালোবাসাটা আরো বেড়ে গেছে। এটা কেন হয়েছে আমার জানা নেই। আমরা দুজনেই যখন একস’ঙ্গে থাকি, আমরা দুজনেই সময়টাকে এনজয় করি।

মাঝেমধ্যে ঝ’গড়া লাগলে আমরা ভাববাচ্যে কথা বলি। যেমন, কারো কিছু লাগলে বলুক, বাসায় ফেরার সময় নিয়ে আসবো। কিংবা তিনা আমাকে বলেন, কারো খিদে লাগলে খেয়ে নিক!

আমাদের খুব সিলি বি’ষয় নিয়ে ঝ’গড়া হয়। কিন্তু ২৪ ঘন্টার বেশি স্থায়ী হয়না। যার দোষ বেশি থাকে, সে আগে এসে সরি বলে। তখন আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।

সমব’য়সী বিয়ে করলে কী হয়

0

বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যে একটি বন্ধ’ন, যা সারাজীবনের জন্য অটুট থাকবে।আর তার জন্য নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকা’টা বড় বি’ষয়। ভালোবেসে বিয়ে হোক আর পরিবারগতভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান।

দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহ’জ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না।

তবে, সমব’য়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই। পাত্রীর চেয়ে পাত্রের ব’য়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত।ব্যতিক্রম ঘ’টনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না।

ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমব’য়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সু’খী।জীবনের সর্বাঙ্গীণ সু’খ-দুঃখ, হাসি-আ’নন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। তাই সমব’য়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।

একইস’ঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁ’ধা।সমব’য়সী স্ত্রী’’র স’ঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বি’ষয়গুলো তার স’ঙ্গে মিলে যায় সহ’জেই।

বি’ষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অ’ভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমব’য়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আম’রা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বি’ষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনে।

অনেক সময় দেখা যায়, সমব’য়সী পুরু’ষ না’রীর কাছে মা’নসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরু’ষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব।
যেহেতু না’রীটি ওই পুরু’ষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সং’ঘাত।

আবার এমনো হয়, যু’ক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মে’য়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মা’নসিকতা থাকে না পুরু’ষটির। মে’য়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষ’মতা একটু বেশি।

ছে’লেটির তুলনায় মে’য়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অ’পরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে স’ম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

তবে এই সং’ঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই ব’য়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। না’রীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক স’ঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। স’ন্তান ধারণের ক্ষ’মতা হারায়, স্বা’মীর ই’চ্ছার বি’রুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইস’ঙ্গে চলে মা’নসিক সমস্যা।

এসবে তা ভ’য়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বি’ষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় না’রীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফে’লে।

গাড়ি কেনার টাকা দিয়ে মসজিদ বানালেন পৌরসভার মেয়র

0

বরগুনার বেতাগী পৌরসভা’র মেয়র আলহাজ্ব এবিএম গো’লাম কবির নিজের ব্যবহারের জন্য গাড়ি কিনতে ম’ন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া সমস্ত অর্থ দিয়ে ম’সজিদ বানালেন। পৌরসভা কার্যালয়ের পাশে তিনি এই ম’সজিদ নির্মাণ করেছেন।

মেয়রের এ কাজ সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। পৌরসভা অফিস থেকে জানা গেছে, পৌর ম’সজিদের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে আগামী এক মাসের মধ্যে এর উদ্ধোধ’ন করা হবে।

জানা গেছে, বরগুনার বেতাগী প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় পল্লী উন্নয়ন ও স্থানীয় স’রকার মন্ত্রনালয় থেকে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে মেয়রের গাড়ি কেনার জন্য ১৫ লাখ ৫১ হাজার ১৩১ টাকা বরাদ্দ দেয়। মেয়র ওই বরাদ্দের টাকা দিয়ে গাড়ি না কিনে পৌরসভা কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে একটি ম’সজিদ নির্মাণ করছেন।

পৌরসভা’র ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাংবাদিক আকন্দ শফিকুল ইস’লাম বলেন, ‘পৌর মেয়রের এমন মহতি উদ্যোগে অ’ভিবাদন জানাচ্ছি।’ বেতাগী প্রেসক্লাবের আহবায়ক সাইদুল ইস’লাম মন্টু বলেন,’অনেক জনপ্রতিনিধিকে দেখেছি কিন্তু মেয়র গাড়ি কেনার টাকা দিয়ে ম’সজিদ নির্মাণ করায় তিনি সকলের প্রশংসায় সিক্ত হলেন।’

মেয়র আলহাজ্ব এবিএম গো’লাম কবির বলেন, ‘পৌর এলাকায় সড়ক প্রস্তকরণ ও পূর্ননির্মাণ, পরিক’ল্পিত ড্রেনেজ ব্যাবস্থা, সড়কে বৈদ্যুতিক বাতি, বঙ্গবন্ধু পৌর অডিটোরিয়াম,

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল স্টেশন, আল্লাহ রাসুলের নামে দৃষ্টি নন্দন ‘বন্ধু চত্বর ভাস্কর্য নির্মাণ। এছাড়াও পৌর এলাকায় ম’সজিদ ও মন্দিরের ব্যাপক উন্নয়নমূ’লক কাজ করেছি।’

দিহান খুবই ধার্মিক, নিয়মিত ইবাদত করতো, বিয়ের আগের সম্প’র্ককে ঘৃ‘ণা করতো সে: আমিনুল

0

কলাবাগান এলাকায় ডলফিন গু’লির যে ঘ’টনাটি সেটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে সেইসাথে আনুশকা নূর আমীনের যে-প্রে’মিক ফারদিন তার পরিবারকে নিয়েও কথা হচ্ছে নানানভাবে এবং ক্ষ’মতার দাপট এবং
অর্থ-বিত্তশালী হওয়ার কারণে তারা বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা করতেন বলে জানিয়েছে অনেকেই দিহান নামের যেই ছেলেটা একটা জলজ্যান্ত মে’য়ে’কে না ফেরার দেশে পাঠিয়েছে;

আমি এই ছেলেটার ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে আজ ঘণ্টা দুয়েক সময় পর্যবেক্ষণ করেছি।ইন্টার্ভিউ এবং অবজারবেশন আমা’র কাজের মাঝে’ই পরে। এই দুই প’দ্ধতি ব্যাব’হার করে’ই আমি আমা’র যাব’তীয় গবে’ষণার ত’থ্য কিংবা ডাটা সংগ্রহ করেছি সব সময়।

তবে,এই ছেলের প্রোফাইলে মাত্র দুই ঘণ্টা কাটিয়ে তো আর সায়েন্টিফিক অবজারবেশন করা সম্ভব নয়। এরপরও চে’ষ্টা করেছি এই ছেলেটা আসলে কেমন, সে কোন পরিবেশ থেকে উঠে এসছে ই’ত্যাদি বুঝার।অবাক হয়ে আবি’ষ্কার

]

করলাম- ২০১৪ সালে সে দিব্যি গাড়ি চা’লিয়ে বেড়িয়েছে। ফেসবুকে সেই ছবি আপলোডও করেছে। এই ছেলের বর্তমান বয়েস যদি ২২ হয়; তাহলে ২০১৫ সালে তো তাঁর বয়েস ছিল ১৫ বছর।

১৫ বছর বয়েসে কি গাড়ি চালনোর লাইসেন্স পাওয়া যায়?তাঁর বাবা-মা কি জানত না; সে দিব্যি গাড়ি চা’লিয়ে বেড়াচ্ছে?অতি অবশ্য’ই জানত। মাঝে মাঝে গাড়ি’র ছবি আপলোড দিয়েছে। নানান রঙের গাড়ির ছবি আপলোড দিয়েছে।কখনো মটর বাইকের ছবি আপলোড দিয়েছে; সেই স’ঙ্গে নিজের ছবি।

এই সব ছবি সে আপলোড দিয়ে নানান সব নীতিকথাও ক্যাপশনে লিখেছে।এই ছেলে বিয়ের আগে ’”যৌ’”’/”ন”/তা”’কে শুধু অ’পছন্দ’ই করতো না; রীতিমত ঘৃণা করতো! এই বি’ষয় সে ফেসবুকেও লিখে জানিয়েছে।এগু’লো সে রীতিমত ঘৃণা করতো। দোষিদের বিচারও সে দাবী করেছে।

এছাড়া জাগতিক সকল কিছুতে সে নিজেকে সৃ’ষ্টিক’র্তা আল্লাহ’র কাছে সমর’্পণ করেছে সব সময়। তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে মনে হলো- সে ফেসবুকে নিয়মিত ইবাদত করতো।

খুবই ধার্মিক; যে কিনা বিবাহ বহির্ভূ’ত সম্প’র্ক’কে ঘৃণা করে ই’ত্যাদি।এই সব দেখছিলাম আর ভাবছিলাম- আমা’র কাছে বি’ষয় গু’লো খুব পরিচিত মনে হচ্ছে।

কারন আমি নিজের জীবনে এমন দুই-একজন মানুষ’কে দেখেছি। এই শহরেই দেখেছি। এদের কথা শুনলে মনে হবে- বিরাট ধার্মিক।
বিবাহ বহির্ভূ’ত সম্প’র্ক তো দূরের কথা; ব্যাংক থেকে ঋ’ণ নেয়া কিংবা ব্যাংকে টাকা জমা রাখা’কেও এরা হারাম মনে করে। এরা রাস্তা দিয়ে বের হলে ভাই’রা মিলে নানান সব গাড়ি পর্যালোচনা করে। কোন গাড়ি কোন ব্র্যান্ডের ই’ত্যাদি।

নানান সময় নানান সব ধ’র্মীয় বই কিংবা নীতিবাক্য সেয়ার করে।দেখে মনে হবে- আহা, কতো’ই না ভালো মানুষ। কতো নীতিবান!বলছি না- এইসব খা’রাপ কিছু। এইসব অতি অবশ্য’ই ভালো।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে- এরা কি আদৌ বাস্তবে
এমন? বাস্তবে এরা ’”ম”?দ খায়। সিগারেট- টানে! শুধু কি তাই?এদের সাথে আমা’র যে অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে; সেটা বর্ণনা করলে মনে হয় কঠিন হৃদয়ের মানুষেরও বুক কেঁপে উঠবে।

অবিবা’হিতদের জন্য নি’ষেধ, শুধুমাত্র বিবা’হিতরা মনোযোগ দিয়ে পড়বেন

0

প’ছন্দের মানুষের মন জয় করতে নিজেকে আ’কর্ষণীয় করে তুলুন। প্র’থমে ভালোবাসার মানুষটির চোখকে আ’কৃষ্ট করুন। তারপর নিজের ব্য’ক্তিত্ব দিয়ে তার মন জয় করুন।

অপর কোনো ব্য’ক্তিকে আপনি তখনই ভালোবাসতে পারবেন যখন আপনি নিজে স’ম্পূর্ণ ভালোবাসতে পারবেন। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের মতো করে সময় কা’টান। ব’ন্ধুদের স’ঙ্গে ঘুরতে যান। ভালোবাসার মানুষটিকে গু’রুত্ব অ’বশ্যই দিন। কিন্তু তাকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলবেন না।তাই এই প্র’তিবেদনে এমনকিছু টিপস রইল যা আপনার স’ঙ্গীর আপনার প্রতি আ’কর্ষণ বাড়াবে এবং আপনি নি’জস্বতাও হারাবেন না।

আক’র্ষনীয় হয়ে উঠুন: মন এবং শ’রীর, উভ’য় মিলেই মানুষ। মনের স’ঙ্গে শ’রীরকেও প্রাধান্য দিন। নিজেকে ফি’ট রাখু’ন। নিজেকে আরো আ’কর্ষণীয় করে তোলার চে’ষ্টা করুন। নিজের সাজ-পোশাক এবং ব্য’ক্তিত্বের ও’পর নজর রাখু’ন। পু’রুষকে না’রীর সৌ’ন্দর্য প্রাথমিকভাবে ‘আকর্ষণ করে।

মানুষকে নিজের প্রতি আ’কর্ষিত করার তেমন কোনো রু’লবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভি’ন্ন ভাবনার হন।তাদের পছন্দ অ’পছন্দের তালিকাও হয় ভিন্ন। কিন্তু পু’রুষের কিছু সহজাত ভালোলাগা এরপরেও থেকে যায়।

আর তার ভিত্তিতেই মন জয় করা যায় পু’রুষের কী সেই উপায়? হাজার রকম উপায় বাতলে দেওয়া যায় বটে এসব ক্ষেত্রে। কি’ন্তু এমন কোনো উপায় অ’বলম্বন করবে না যাতে আপনার স’ঙ্গীকে খুশি করতে গিয়ে নিজেদের সেই প্র’ক্রিয়ায় হারিয়ে ফে’লেন। অন্য মানুষের স’ঙ্গেও মে’লামেশা করুন। সামাজিকতা বজায় রাখলে আপনার নিজস্বতাও বজায় থাকবে।

স’ম্পর্কের গুরুত্ব বুঝে নিন : এবার ভেবে দেখু’ন যাকে মনে ধরেছে তাকে কেমনভাবে চান নিজের জীবনে? তার প্রতি যদি আপনার চ’রম দু’র্বলতা থাকে তবুও তাকে নিয়ে অধিক ভাববেন না। নিজের জীবন, কাজ ই’ত্যাদিকেও প্রাধান্য দিন। মনে রাখবেন পুরু’ষরা স্বাধীনচেতা ম’হিলাদের বিশেষ স’ম্মানের চোখে দেখেন।

তাই মনের মানুষটির স’ঙ্গে যদি কথা হয়, তাও বোঝাবেন না যে আপনি তার স’ঙ্গেই নিজের ভবি’ষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। সাধারণ বন্ধুত্ব বজায় রাখু’ন। তাকে নিজের অ’নুভূতি আসতে আসতে বোঝান। কিন্তু নিজের ভালোলাগা তার উপর চা’পিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা করবেন না।

নিজেকে ভালোবাসুন : একটা কথা মনে রাখবেন যদি ভালোবাসা শাশ্বত হয়, তবে অ’বশ্যই প্রয়োজনে ভালোবাসার মানুষের জন্য সাগর পাড়ি দিন। কি’ন্তু যদি সেই ভালোলাগা কয়েকটি ডেটের জন্য সী’মাবদ্ধ হয়, তবে ভেবে দেখু’ন অ’কারণ খাটবেন কি না।

প্র’তারকের স’ঙ্গে ডাক্তার না’রীর তিন রাত !

0

সুইমিং পুল। সাঁতার কাটছেন দু’জন। স্বল্পবসনা তরুণী। স্লিম, লম্বা, শ্যাম বর্ণের মে’য়েটির আ’নন্দের শেষ নেই। প্রে’মিকের স’ঙ্গে বেড়াতে এসেছেন। ঢাকা থেকে সিলেটে। শাহজালাল উপ-শহর এলাকার একটি তারকা হোটেলে ওঠেছেন দু’জন। প্রে’মিক ছেলেটির নাম জুয়েল মাহবুব। দেখতে লম্বা না হলেও বেশ সুদর্শন।

অনেকটা বোম্বের হিরোদের মতো। তরুণী মে’য়েটির নাম তাহমিনা তাবাসসুম। একটি প্রাইভেট মেডিকেলের ডাক্তার। জুয়েল বারবার পুল থেকে ওঠে ছবি, ভিডিও ধারণ করছে। কখনও সেলফি। ক্যা’মেরা তাক করে বুকের স’ঙ্গে জ’ড়িয়ে ধরছে ডাক্তার তাহমিনাকে। ভেজা কাপড়ে তখন চ’রম আবেদনময়ী তিনি।

এখানেই শেষ না। চা বাগানে, ইকোপার্কেও ধারণ করা হয়েছে অসংখ্য ছবি। তাহমিনা অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছেন কয়েকবার, তুমি এতো ছবি, ভিডিও পা’গল কেন? জুয়েলের সহজ উত্তর, তোমার স’ঙ্গে ছবি, ভিডিও তুলতে ভালো লাগে। যখন পাশে থাকবে না তখন এগুলো দেখবো।

ওই হোটেলে থাকাকালে যে ভিডিও ধারণ করা হয় তা প’র্নোমু’ভি’র চেয়েও কম না। শেষ পর্যন্ত ওই ডাক্তার মে’য়েটির অ’ভিযোগের প্রে’ক্ষিতে মিরপুর থেকে গ্রে’প্তার করা হয় জুয়েল মাহবুবকে। উ’দ্ধার করা হয় হাজার হাজার ছবি ও কয়েকটি ভিডিও ক্লি’প। পু’লিশের জি’জ্ঞাসাবাদে পুরো বর্ণনা দিয়েছে জুয়েল।

প্রথম দেখাতেই সিলেটে বেড়াতে গিয়েছিলেন জুয়েল-তাহমিনা। তিন রাত ছিলেন ওই তারকা হোটেলে। সেখানেই প’র্নো স্টা’ইলে বিভিন্ন ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিওগুলোর বেশিরভাগই গো’পন ক্যা’মেরায় ধারণকৃত। অবশ্য দু’জনের দেখা হওয়ার আগেই প’র্নো বি’ষয়ে জুয়েল বেশ শিখিয়েছে তাহমিনাকে। ভার্চুয়াল শিক্ষা।

চ্যাট করতো রাতভর। কথা হতো অডিও, ভিডিও কলে। তারপর দুপুর পর্যন্ত ঘুম। হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে প’র্নোভি’ডিও পাঠাতো জুয়েল। পাঠাতো এ ধরণের ছবি। শুরুতে তাহমিনা বকা দিতেন খুব। তবুও থামতো না জুয়েল। যদিও কৌ’তূহল ছিলো তাহমিনারও। এভাবেই প্রশিক্ষিত হয়ে ওঠেন এই ডাক্তার।

দেখা না হলেও ততদিনে তাদের সম্প’র্ক বেশ গভীর। কথায় কথায় উ’ত্তেজনা সৃষ্টি করতো জুয়েল। পরিচয়টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বেশ কয়েক বছর আগে। ফেসবুকের ছবি দেখইে একে-অন্যকে পছন্দ করেন।

ঢাকার ইন্দিরা রোডের এক ধ’নাঢ্য পরিবারের স’ন্তান জুয়েল। ব্যবসায়িক সুবিধার কারণে পরিবারের স’ঙ্গে থাকেন উত্তরা। সেখানে গাড়ির ব্যবসা রয়েছে তার। প্রায়ই ছুটে যান বিভিন্ন দেশে। এই ব্যস্ততার মধ্যেই যত করে সময় দেন তাহমিনাকে। এমনটিই জানতেন ডাক্তার তাহমিনা।

তাহমিনা তখন ধানমন্ডি এলাকার একটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম। চুটিয়ে প্রেম বা লং ড্রাইভ সবকিছুতেই দু’জনের প্রচন্ড আ’গ্রহ।

কিন্তু শর্ত দিয়ে দেন জুয়েল। প্রথম দেখাতেই স্বা’মী-স্ত্রীর মতো সময় কা’টাবেন। একদম হানিমুন বলা যায়। সেটা ঢাকার বাইরে কোথাও। তারপরও অন্যকিছু।

আমতা আমতা করছিলেন তাহমিনা। এটা কিভাবে সম্ভব। চতুর জুয়েল বুঝিয়ে সম্মতি আদায় করেন। ঘ’টনাটি ২০১৯ সালের শুরুর দিকে। কথানুসারেই দেখা হয় এক সকালে। দু’জনের স’ঙ্গে দুটি ব্যাগ।

রেস্টুরেন্টে সকালের নাস্তা সেরে সোজা বিমানবন্দর। তারপর পৌঁছে যান সিলেটে। সেখানে হোটেল কক্ষে যাওয়ার পর ফ্রেশ হওয়ার আগেই শুরু হয় জুয়েলের ভালোবাসার অ’ত্যাচার।

অবশ্য তার আগেই মাথায় হাত রেখে জুয়েলের প্রতিশ্রুতি নেন তাহমিনা। শিগরিই বিয়ে করবেন তারা। কখনও একে-অন্যকে ছেড়ে যাবেন না ইত্যাদি। তাহমিনা যেনো স্বপ্নের রাজ্যে। উদার মনে নিজেকে উজাড় করে দেন। এভাবে একে একে তিন রাত। ফিরে যাবেন তারা। এরমধ্যেই ঘটে ঘ’টনাটি।

জুয়েল তখন ওয়াশ রুমে। সময় কম। দ্রু’ত বিমানবন্দর যেতে হবে। আজই ফিরতে হবে ঢাকায়। জুয়েলের ফোনটি বাজছিলো বেশ কয়েকবার। এর আগেও এরকম অনেকবার কল এসেছে কিন্তু তাহমিনা রিসিভ করেননি।

এবার আনমনেই কলটি রিসিভ করেন। ওই প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে একটি না’রী কণ্ঠ। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি জুয়েলের স্ত্রী বলছি। আপনি কে?

ডাক্তার তাহমিনা হতভম্ব। যেনো মাথার ও’পর আকাশটা ভে;ঙ্গে পড়ছে। আর সহ্য করা সম্ভব হয়নি। লাইন কে’টে দেন চিকিৎসক তরুণী। যদিও তখন বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মধ্যেই ছিলেন তিনি।

মনে হচ্ছিলো কেউ হয়তো মজা করছে। জুয়েলের কোন বান্ধবী হতে পারে। তবুও বি’ম’র্ষ চে’হারা, দ’গ্ধ মন নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। পথে, বিমানে বারবার জুয়েল জানতে চেয়েছে কি হলো? নিশ্চুপ তাহমিনা।

বিমানে ওঠার আগে জুয়েলের ফোনটি বারবার বাজছিলো কিন্তু রিসিভ করেনি। এতে তাহমিনা নিশ্চিত হয়ে যান তিনি এক প্র’তার’কের খপ্প’ড়ে প’ড়েছেন। বি’ষয়টি আরও যাচাই করতে ঢাকায় ফিরে জুয়েলের এক বন্ধুকে মেসেঞ্জারে কল দেন। যার স’ঙ্গে এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই পরিচয়। স’ন্দে’হের সত্যতা পান তরুণী। তার প্রে’মিক বিবা’হিত এবং দুই স’ন্তানের জনক। মিথ্যা পরিচয়েই প্রেমের সম্প’র্ক গড়ে ওঠেছিলো তাদের।

চিকিৎসক তরুণী বেশ কয়েকদিন ফোন বন্ধ করে বাসায় ব’ন্দি জীবন কা’টান। ফোনটি খো’লার পর প্রে’মিকের কল। তিনি সম্প’র্ক রাখতে চান। বিয়ের দরকার নেই।

তরুণী জানিয়ে দেন, কোনোভাবেই তার স’ঙ্গে সম্প’র্ক রাখা সম্ভব না।তারপর থেকেই হু’ম’কি-ধ’মকি দিতে থাকে ছে’লেটি। ফোনে, মে’সেঞ্জারে একই হুম’কি।

সম্প’র্ক না রাখলে অ’ন্তর’ঙ্গ মুহূর্তের ছবি, ভি’ডিওগুলো ফেসবুকে, ই’উটিউবে ছড়িয়ে দেয়া হবে। ফোন, ফেসবুক বন্ধ রাখেন। ডাক্তার তাহমিনা ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে যান। সেখানেও শান্তি নেই। স্বস্তি নেই। ঠিকানা সংগ্রহ করে হাজির হয় জুয়েল। যে কোনোভাবে এই তরুণীকে তার চাই।

শেষ পর্যন্ত সিটিটিসি’র সাই’বার ক্রা’ইম ইউ’নিটের সহযোগিতা নেন এই তরুণী। ত’থ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই ত’রুণের অবস্থান শনা’ক্ত করে গ্রে’প্তার করা হয় তাকে।

জ’ব্দ করা হয় ছবি, ভিডিও। ত’দন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রতা’রক এরকম বেশ কয়েক তরুণীর স’ঙ্গে প্রতা’রণা করেছে। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সম্প’র্কে জড়িয়ে জি’ম্মি করে ভোগ করতো। কারও কারও কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করতো।

সিটিটিসি’র সাইবার ক্রা’ইম ইউনিটের উপ-পু’লিশ কমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, এরকম অনেক ঘ’টনা রয়েছে। আ’সা’মিকে গ্রে’প্তার ও ভি’কটিমকে সুরক্ষা দিয়ে ত’দন্ত করেছি।

আমরা মা’ম’লা ছাড়াও অনেককে সহযোগিতা করি। অভিযোগকারীদের মধ্যে মা’ম’লা করতে চান খুবই কম। তাদের হার ৩০ ভাগের বেশি না বলে জানান তিনি।

অবশেষে সত্যটা প্রকাশ পেল, নিজ মুখেই বলে দিলেন বুবলি

0

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন বছরের জানুয়ারি—এই দশ মাসে কোথাও দেখা যায়নি চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীকে। সর্বশেষ কাজী হায়াত পরিচালিত ‘বীর’ ও সৈকত নাসির পরিচালিত ‘ক্যা’সিনো’ ছবির শু’টিংয়ে অংশ নেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ‘ক্যা’সিনো’ ছবির একটি গানের শু’টিংয়ের পরই উধাও হোন ঢাকাই ছবির এ নায়িকা। দশ মাস পর আবার ফি’রছেন জা’নিয়ে কথা বললেন। জা’নালেন, স’ন্তানের মা হওয়ার গু’ঞ্জন আড়ালের থাকার কারণ।

প্রথমেই আড়ালে যাওয়ার বি’ষষে তার জন্য কমন ব্যাপার জা’নিয়ে বুবলী বলেন, আ’ড়ালে থাকা যদি হয় তবে বরাবরই এটা আমা’র জন্য খুবই কমন ব্যাপার। তবে কাজে যখন ব্যস্ত থাকি সবসময় সি’নসিয়ার থাকি।

কিন্তু কাজে’র চা’প না থাকলে অবসর পেলে ওই সময়টা একেবারে নিজে’র মতো থাকি। সবারই ব্য’ক্তিগত জীবন, পরিবার রয়েছে। অবসর সময়টা ব্য’ক্তিগত ও পরিবারের জন্য রাখি।

আর ফোনে পাওয়া না যাওয়ার কারণ আমা’র কাজে’র উদ্দেশে ব্যবহৃত ফোন নাম্বারটি কয়েকমাস ব্যবহার করিনি। তবে হোয়াটসঅ্যাপে আমা’র অনেকের স’ঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকজন নি’র্মাতার স’ঙ্গে কাজ নিয়েও কথা হয়েছে।

সংবাদক’র্মী ভাই ব’ন্ধুসহ চলচ্চিত্রের সহক’র্মী দের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ, কাজে’র পারপাস ছাড়াও এ সময়টা অনেকেই আমি নি’রাপদে সু’স্থ আছি কিনা জা’নার খোঁ’জখবর নিয়েছেন। নিজে’র মতো থাকার কারণে সবার স’ঙ্গে হয়তো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি এজন্য দুঃখিত।

এ সমযটা কোথায় ছিলেন আপনি? জানতে চাইলে উত্তরে বুবলী বলেন, ২০১৯ সাল থেকে আমা’র প’রিকল্পনা ছিল যখন একটু অবসর পাবো তখন নিজেকে আরো পরিপূর্ণ করে তৈরি করার জন্য নতুন কিছু শিখবো।

যেহেতু ফিল্মে কাজ করি, তাই শেখার কোনো শেষ নেই। কিন্তু কবে যাবো এ নিয়ে একটু কনফিউশন ছিলো । তাই ‘বীর’, ‘ক্যা’সিনো’ দুটি সিনেমা শেষ করে আমি ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে আ’মেরিকার নিউ ইয়র্ক যাই।

সেখানে ফিল্ম স’স্পর্কিত একটি কোর্স সম্পন্ন করেছি নিউ ইয়র্ক ফিল্ম একাডেমি থেকে। তিনমাসের কোর্স থাকলেও কোডিভ-১৯ আসায় সম্ভব হয়নি, একমাসে শেষ ক’রতে হয়েছে। লকডাউনের আগে সরাসরি ক্লাস ক’রতে হয়েছে।

এরপর অনলাইনেই ক্লাস করেছি। আমা’র দেশে ফেরার কথা ছিল অনেক আগেই। কিন্তু লকডাউন থাকায় আসতে পারিনি। ২০২০ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দেশে আসতে পেরেছি।

তা কি শিখলেন এই কোর্স থেকে? উত্তরে বুবলী বলেন, অল্প সময়ে অনেক কিছু শিখেছি। কারণ, তারা অনেক বেশি প্রফেশনাল ও নিয়মকে’ন্দ্রিক। এ জিনিসটা নতুন করে নিজে’র মধ্যে গেঁথে নিয়েছি।

মনে হয়, আগামীতে নিজে’র কাজে অনেককিছু নতুন সংযোজন ক’রতে পারবো। যেমন- নিউ মিডিয়া, ডিজিটাল বা সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে অনেক কিছু শিখেছি।

স্ক্রিপ্টে মনোলোগ বলে একটা ব্যাপার রয়েছে, যেটা অনেক বিজ্ঞরা ভালো বুঝবেন। সেটা নিয়েও পড়ালেখা করেছি। এছাড়া টেক্সট ইন অ্যা’কশন , পারফরমেন্স এনালাইসিস, চিত্রনাট্যের ভাষা,

ফিল্মে অ’ভিনয় সবকিছু নিয়ে নানান কিছু জানলাম। ইচ্ছে আছে আগামীতে আরও কোর্সের মাধ্যমে শেখার চেষ্টা করবো। কারণ, মানুষের জা’নার শেখার কোনো শেষ নেই।

বুবলীর স’ন্তানের মা হয়েছেন। এমন গু’ঞ্জন বছর ব্যাপী মিডিয়া পাড়ায় চর্চিত ছিলো। বি’ষয়টি নিয়ে আপনার মুখ থেকেই জা’না দরকার। এমন প্রশ্নের মূখে বুবলী বলেন, ব্য’ক্তিগত কোনো কিছুই আমি কখনই রিভিল করিনা।

তবে দর্শকদের যে পর্দার শিল্পীদের ব্য’ক্তিগত জীবন নিয়ে আ’গ্রহ রয়েছে, তাদের সেই আ’গ্রহকে আমি রেসপেক্ট করি। আর থাক না কিছু বি’ষয় ব্য’ক্তিগত।

ধীরে ধীরে আমা’র মুখ থেকেই সবাই সবকিছু জানতে পারবেন। সব একসাথে বলে দিলে তো ওই আ’গ্রহের জায়গাটা নাও থাকতে পারে। তবে কথা দিচ্ছি সঠিক সময়ে সব জানবেন তারা।

আমি অবশ্যই জা’নাবো। কিন্তু এই জিনিসগুলো খুবই স্প’র্শকাতর। দর্শকদের বলবো, আমা’র কাছ থেকে না জা’না পর্যন্ত এসবে কান না দিতে