Home Blog Page 228

স’হবা’সের পুর্বে কী খাবেন,জেনে নিন কি খেলে আপনার উ’ত্তেজনা চ’রমে পোঁছাবে।সারা রাত করতে পারবেন মি’লন

0

স’হবা’সের পুর্বে কী খাবেন,জেনে নিন কি খেলে আপনার উ’ত্তেজনা চ’রমে পোঁছাবে।সারা রাত করতে পারবেন মি’লন।
শ’রীর বুঝে সব। কিন্তু কখনও ভেবেছেন কি, সে’ক্স-এর আগে কী খাওয়া উচিত, আর কী নয়? শ’রীরগতিকের সেই তত্ত্ব জেনে নিন এবার।

১. প্লেন টোস্ট চলতে পারে। খুব বেশি হলে একটু মাখন। পাঁউরুটির অন্য কিছু নয়।২. ডিমের সাদা অংশ চলতে পারে। সসেজ বা সালামি একেবারেই নয়।৩. কফি ভু’লে যান। লিকার চা হতে পারে স’ঙ্গী।৪. রাতে মাছ বা চিকেন চলতে পারে। অন্য কোনও মাংস নয়।

৫. ব্রোকোলি, ফুলকপি, বাঁ’ধাকপি নয়, গ্রিন সালাড, শশা, মাশরুম বা টোম্যাটো খান।৬. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়। আলু খেতে হলে সিদ্ধই ভাল।৭. এগ, চিকেন, মাটন— রোল, বিরিয়ানি কিছুই চলবে না। মাংস খেলে একেবারে হালকা করে খান।৮. ওয়াইন ভাল। টেকিলা চলবে। কিন্তু সুরা-গোত্রের আর কিছু নয়।৯. পিৎজা নয়, পাস্তা।১০. সে’ক্স-এর আগে পপ কর্ন খাওয়া ভাল।

১১. মুখের জন্য চিউইং গাম নৈব নৈব চ। মাউথওয়াশ হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বিকল্প।

দেহের স্পর্শকাতর গো’পন অঙ্গ কোনগুলো? বগল, দুই থাইয়ের মধ্যবর্তী স্থান, প্রজনন অঙ্গ, হিপ, কোম’রের ভাঁজ ইত্যাদি অঞ্চলে কালো দাগ খুবই স্বাভাবিক একটি ঘ’টনা। পোশাকের ঘর্ষণ থেকে শুরু করে লোম পরিষ্কার, নানা কারণে এসব অঙ্গে হয় কালো দাগ। যাদের ওজন একটু বেশী, তাঁদেরকে অনেক বেশী মুখোমুখি হতে হয় এই সমস্যার। কী করবেন? যেহেতু এসব অঙ্গের যত্ন নিয়ে কেউ পার্লারে যেতে চান না এবং এখানে সব ধরণের পণ্য ব্যবহার করা যায় না, তাই জেনে নিন ৫টি দারুণ ঘরোয়া উপায়। অল্প সময়েই চলে যাবে স্পর্শকাতর অঙ্গের কালো দাগ!
শসার রস:শসার রস যে কোন স্পর্শকাতর অঙ্গের দাগ দূর করার জন্য দারুণ উপকারী। এতে ত্বকের ক্ষ’তির কোন সম্ভাবনাই থাকে না। শসার রস লাগিয়ে রাখু’ন ২০/২৫ মিনিট। তারপর ধুয়ে ফেলুন। কয়েকদিন ব্যবহারেই উপকার পাবেন।

পিছিয়ে থাকবে না আলুও:আলু রস লাগানো একটু ঝামেলার হলেই এটি উপকারী শসার রসের চাইতেও বেশী। আ’ক্রান্ত স্থানে আলুর রস লাগিয়ে রাখু’ন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটাও ত্বকের কোন ক্ষ’তি করে না।

লেবুর রস:লেবুর রস হচ্ছে প্রাকৃতিক ব্লিচ। কিন্তু এটি সরাসরি স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার না করাই উচিত, ত্বকে হতে পারে জ্বলুনি ও র‍্যাশ। লেবুর রসের সাথে শসার রস ও এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে নিন। তারপর একে লাগান আ’ক্রান্ত স্থানে। লেবুর ও হলুদ দাগছোপ দূর করবে আর শসা রক্ষা করবে ত্বককে। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার সময় সাবান দেবেন না।

দু’ধ ও মুলতানি মাটি:কাঁচা দু’ধের সাথে মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এই মিশ্রণ ত্বকে লাগিয়ে রাখু’ন, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মুখেও ব্যবহার করতে পারেন।

দই ও হলুদ:দইয়ের সাথে এক চিমটি হলুদ, সামান্য লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি স্ক্রাবের মত ঘষে ঘষে লাগান, তবে খুব হালকা হাতে। তারপর রেখে দিন ২০ মিনিট। ধুয়ে ফেলুন ঠাণ্ডা পানি দিয়ে।

টিপস-যে কোন প্যাক লাগাবার পরই স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার করবেন খুব ভালো কোন ময়েশ্চারাইজার-এসব অঙ্গে নানান রকম রঙ ফর্সা করার ক্রিম মাখতে যাবেন না কখনোই।খুব মাইলড পণ্য ব্যবহার করুন এসব অঙ্গে। বডি স্পত্রে বা ডিওডোরেন্ট কখনোই সরাসরি স্প্রে করবেন না।-নিয়মিত গোসল করুন এবং সেই সময়ে পরিষ্কার করুন।-এবং ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগান প্রতিদিন।

মাত্রাতিরিক্ত যৌ’নমি’লনে লি’প্ত হওয়ার ক্ষ’তিকর দিকগুলো জানেন কি?

0

প্রতিটি মানুষের জীবনে যৌ’ন তৃ’প্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। একজন মানুষ বিয়ে করবে, তার একটি সুন্দর সংসার থাকবে, ছেলেমে’য়ে হবে এটিই তো স্বাভাবিক। কিন্তু একজন মানুষ যখন অস্বাভাবিক যৌ’নমি’লনে লি’প্ত হয় তখন সেটি তার জন্যে ের বদলে বেদনা বা আ’তঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এটি পু’রুষ ও না’রী উভ’য়ের বেলায়ই ঘটতে পারে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে মাত্রাতিরিক্ত যৌ’নমি’লনের ফলে সৃষ্ট ক্ষ’তিকর দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। আসুন এই পরিস্থিতির কয়েকটি ক্ষ’তিকর দিক স’ম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

* যৌ’নাঙ্গ ভগ্ন হওয়া
কথাটি শুনলে হয়তো হাস্যকর মনে হতে পারে যে, পু’রুষাঙ্গে তো কোনও হাড় নেই তাহলে পু’রুষাঙ্গ আবার ভে’ঙে যায় কেমনে। আসলে বি’ষয় হচ্ছে পু’রুষাঙ্গের উপর দিয়ে অতিরিক্ত চা’প গেলে পু’রুষাঙ্গ বেঁকে যায়। এছাড়া পু’রুষাঙ্গ দিয়ে র’ক্ত আসে ও প্রস্রাবে জ্বা’লাপোড়া করে।

* যৌ’নাঙ্গে চুলকানি
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঘন ঘন যৌ’নমি’লন ও যৌ’নমি’লনের সময় না’রীদের যৌ’নাঙ্গ শুষ্ক থাকলে এ সমস্যা হয়। এ কারণে যৌ’নাঙ্গে চুলকানি সমস্যা দেখা দেয়। এতে না’রীরা যৌ’নমি’লনের সময় কোনও অনুভব করে না। তারা মা’নসিকভাবে অস্বস্তিতে থাকে।

* যৌ’নাঙ্গে র’ক্তপাত
যৌ’নাঙ্গে র’ক্তপাত সমস্যাটি দেখা দিতে পারে সদ্য বিবা’হিত না’রীদের। না’রীরা প্রথম যখন যৌ’নমি’লন করে তখন তাদের যৌ’নাঙ্গ দিয়ে র’ক্ত বের হতে পারে। এক্ষেত্রে পু’রুষদের একটু সচেতন থাকতে হয়। যদি বেশি সমস্যা হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

* প্রস্রাব নালীতে সমস্যা
অতিরিক্ত ও অসচেতন সে’ক্সের কারণে প্রস্রাবের নালী, কিডনি ও যৌ’নাঙ্গে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

যৌ’নমি’লন মানুষের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সবার এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে শুধু পাওয়ার উদ্দেশ্যেই যৌ’নমি’লন করলে হবে না। বিভিন্ন সমস্যার কথা আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে

মি’লনের সময় স্ত্রীর বী’র্যপাত হলে কিভাবে বুঝবেন?

0

বেশি পরিমাণ প্রা’ণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌ’নজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দু’ধ, দু’ধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শ’রীরে সে’ক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগু’লিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক

আপনার যৌ’নজীবন ময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃ’দ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌ’ন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌ’নজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস

আপনার যৌ’ন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শ’রীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগু’লি খাওয়া উচিত। যৌ’নতার ক্ষেত্রে সবসময় ফি’ট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।
কলিজা

অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌ’ন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শ’রীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শ’রীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌ’নতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শ’রীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মা’নসিক চা’প কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখু’ন। এতে আপনার শ’রীর শক্তি পাবে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা (testosterone) বৃ’দ্ধি পাবে।

রঙিন ফল

যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখু’ন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গ’বেষ’ণা অনুযায়ী একজন পু’রুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শ’রীরে যৌ’ন উদ্দীপনা বৃ’দ্ধি করে। তারা যৌ’ন উদ্দীপক ও’ষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সে’ক্স’ ফুড। আপনার শ’রীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ না’রীদের যো’নি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সে’ক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।
কফি

কফি আপনার যৌ’ন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌ’নতার মুড ঠিক রাখে।

ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেটে আছে ফেনিলেথ্যালামাইন নামক একটি উপাদান যা শ’রীরে বাড়তি যৌ’ন উদ্দীপনা তৈরী করে। গ’বেষ’ণায় জানা গেছে যে ডার্ক চকোলেট খেলে স’ঙ্গীর প্রতি আকর্ষণবোধও বেড়ে যায়। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই প্রতিদিন শতকরা ৭০ ভাগ কোকোযুক্ত ডার্ক চকোলেটের ২ ইঞ্চির একটি টুকরো খেয়ে নিন। মাত্র ১০০ ক্যালরী আছে এই আকৃতির একটি টুকরোতে যা আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ট্রাফল (এক ধরনের ছত্রাক)
ট্রাফলে পু’রুষের যৌ’ন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, না’রীদের পু’রুষের প্রতি লিবিডো বা যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা বৃ’দ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।

জয়ফল

ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং র’ক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌ’ন ইচ্ছা বৃ’দ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শ’রীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শ’রীরের র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌ’ন ক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি পায়।
গরুর মাংস

কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌ’ন জীবনকে আরো ময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।
অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে না’রী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আ’কর্ষণী’য় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌ’ন ইচ্ছা এবংযৌ’ন সামর্থ্য বৃ’দ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নি’ষিদ্ধ করেছিল।
ওটমীল

ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌ’ন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।
পালং শাক ও অন্যান্য সবজি

পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বৃ’দ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শ’রীরে র’ক্ত চলাচল বাড়লে যৌ’ন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁ’ধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌ’ন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান।
বাদাম ও বিভিন্ন বীজ

কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শ’রীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শ’রীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সে’ক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌ’ন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌ’ন ইচ্ছা এবং যৌ’ন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌ’ন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর শিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে। চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শ’রীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বী’র্য তৈরি হয়।

যারা খাদ্যের মাধ্যমে শ’রীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বী’র্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়। ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌ’ন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে। কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের (Testosterone)মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌ’ন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

মেয়েদের বী’র্য বলে কিছু নেই। এক প্রকার তরল নির্গত হয় (ছেলেদেরও হয়)।
মেয়েদের বেলায় একে ভেজিনাল ফ্লুইড বলে।

এটা নিঃসরণ বন্ধ হলেই বুঝবেন আপনার স্ত্রীর অ’র্গাজম হয়ে গেছে।
এখন কীভাবে বুঝবেন যে ফ্লুইড নির্গমন বন্ধ হয়েছে তার কোনো নিয়ম নেই,

মি’লন অধিকক্ষণ স্থায়ী করতে কিছু দরকারী টিপস..জেনে রাখু’ন

0

আজকাল অধিকাংশ পু’রুষ দীর্ঘক্ষণ যৌ’ন মি’লন করা তো দুরের কথা যেটুকু সময় তার আ’নন্দ দিতে প্রয়োজন সে সময়টুকুও তারা মি’লনে স্থায়ী করতে পারেন না।

যদিও এর পেছনে রয়েছে বহুবিধ কারণ। তবে যৌ’ন মি’লন নিয়ে যারা মা’নসিক ভাবে দু’র্বলতায় ভুগেন তারা নিম্নলিখিত টিপসগুলো অনুসরন করে লাভবান হতে পারেন যদি অন্য কোন যৌ’ন সমস্যায় আ’ক্রান্ত না হয়ে থাকেন।স’হবা’স বা যৌ’ন

মি’লনের আগে করণীয়:-

যৌ’ন মি’লন শুরু করার আগে মন শান্ত করতে হবে৷ মনে কোন প্রকার নেগেটিভ ভাবনা আনা যাবে না ৷ একটি বি’ষয় অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে – স্বল্পস্থায়ী যৌ’নতার একমাত্র কারণ হল তাদের শা’রীরিক ও মা’নসিক অস্থিরতা ৷

নিজেকে শা’রীরিক মিলেনর জন্য শা’রীরিক এবং মা’নসিক ভাবে তৈরি করুন৷ সকল প্রকার মা’নসিক চা’প, উ’দ্বেগ কমিয়ে আনুন ৷
স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে যৌ’ন মি’লন থেকে বিরত থাকুন ৷ স্ত্রী সাথে আপনার মনের ভাবনা গু’লি শেয়ার করুন যে আপনার শা’রীরিক ও মা’নসিক পরিস্থিতি সরল করতে সাহায্য করবে ৷

ক’নডম ব্যবহার করতে পারেন৷তবে অনেক পু’রুষরাই অভিযোগ করছেন যে ক’নডম ব্যবহারের ফলে তাদের যৌ’ন আকাঙ্খা হ্রাস হচ্ছে৷ তবে এটি মনের ভু’ল ছাড়া আর কিছুই নয় ৷

তামাক, ম’দ ও অন্যান্য ও’ষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌ’নতার ক্ষেত্রে বা’ধা সৃষ্টি করে৷ এইগু’লি পরিহার করে চলা উচিত।
স’হবা’স বা যৌ’নমি’লনের সময় করণীয় :-
যৌ’নমি’লনের আগে কোন মতেই ফোর প্লে বাদ দেবেন না ৷ দরকার হলে অধিক সময় নিয়ে ফোর প্লে করুন।
আসন পরিবর্তন করুন৷ নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে৷ স’ঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন৷
স’হবা’সের সময় স’ঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোন কারণ নেই ৷

ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে ফলে শ’রীর দীর্ঘক্ষণ যৌ’নমি’লনের জন্য উপযুক্ত থাকবে ৷

যৌ’ন উত্তেজক ও’ষুধ খেয়ে মৃ’ত্যু

নতুন বান্ধবীকে খুশি করতে যৌ’ন উত্তেজক ও’ষুধ সেবন করেছিলেন তিন স’ন্তানের জনক এক নাইজেরিয়ান। কিন্তু ও’ষুধ খাওয়ার পর ‘টানা লিঙ্গোত্থান এবং বী’র্যপাত না হওয়ার চা’প’ সইতে না পেরে মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন! স্যামসন নামে ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে দেশটির ডেল্টা স্টেটের একটি হোটেল কক্ষে মৃ’ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নাইজেরিয়ান গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো মতে, স্যামসন ম্যানপাওয়ার নামের একটি ও’ষুধ সেবন করেছিলেন। ও’ষুধটি ভায়াগ্রার মতোই প্রভাব ফে’লে।
পাঞ্চ নামের একটি নিউজ ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বান্ধবীর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে স’ঙ্গম করার পর তিনি বী’র্যপাত ঘটাতে ও লিঙ্গোত্থান থামাতে পারছিলেন না। আর এই টানা লিঙ্গোত্থানের চা’প সামলাতে না পেরেই তার মৃ’ত্যু হয়।

‘তিনি ও’ষুধটির ক্ষ’মতায় পরাভুত হয়েছিলেন। আর এই প্রথম তিনি এ ধরনের ও’ষুধ সেবন করেন। ‘

এর আগে তিনি মাস ধরে তিনি ওই বান্ধবীকে বিছানায় নেওয়ার জন্য পটানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। ঘ’টনার দিন ওই বান্ধবীকে হোটেল কক্ষে নিয়ে যাওয়ার আগে তারা দুজন একটি বিয়ার পার্লারে বসে

ক’রোনারোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করছে অ্যাস্ট্রা জেনিকা

0

ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টার পাশাপাশি শক্তিশালী ক’রোনারোধী অ্যান্টিবডি তৈরি করছে অ্যাস্ট্রা জেনিকা ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রতিষেধকটির উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।

প্রথম দু’টি ‘হিউম্যান ট্রায়াল’-এ অভূতপূর্ব সাফল্যের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রতিষেধক ChAdOx1 nCoV-19-এর চূড়ান্ত পর্বের সাফল্যের বি’ষয়ে যথেষ্ট আশাবা’দী ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’।

তবে শুধু ক’রোনা প্রতিষেধকের আগাম উৎপাদন শুরু করেই থেমে নেই ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’র বিজ্ঞানীরা। ক’রোনার রুখতে স’ক্ষম অ্যান্টিবডি আবি’ষ্কার করতে চলেছেন তারা। ক’রোনার বি’রুদ্ধে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি আবি’ষ্কারের প্রায় দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’র বিজ্ঞানীরা।

রবিবার এ কথা একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সংস্থার কার্যনির্বাহী প্রধান পাস্কাল সরিওট।

সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানান, ক’রোনা আ’ক্রান্ত ব্যক্তিকে সং’ক্র’মণের প্রাথমিক পর্যায়ে এই অ্যান্টিবডি দেওয়া গেলে ভাই’রাসের বি’রুদ্ধে সবচেয়ে ভাল ফল মিলবে। দুটি অ্যান্টিবডির সমন্বয় ই’নজেকশনের মাধ্যমে আ’ক্রান্তের শ’রীরে প্রবেশ করানোর কথা ভাবছেন বিজ্ঞানীরা।

তাদের দাবি, এর ফলে একটি অ্যান্টিবডির বি’রুদ্ধে ভাই’রাসের পাল্টা প্রতিরোধ ক্ষ’মতা গড়ে ওঠার সম্ভাবনা অন্য অ্যান্টিবডির মাধ্যমে প্রতিহত করা যাবে।

ক্রমশ ভ’য়াবহ হতে থাকা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি টিকা উৎপাদনের কাজ প্রাথমমিক ভাবে শুরু করে দিয়েছে সংস্থা। পরে জুলাই মাসে চূড়ান্ত পর্বের ফলফল জানার পর টিকার উৎপাদন বাড়ানো হবে। সংস্থা জানিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই এই প্রতিষেধকের অন্তত ২০০ কোটি ডোজ বিশ্ব বাজারে আনার লক্ষমাত্রা সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

এদিকে ক’রোনা-রোধী এই অ্যান্টিবডির বি’ষয়ে ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’ জানিয়েছে, আগামী বছরের গোড়াতেই হয়তো এটি পাওয়া যাবে। তবে প্রতিষেধক বা ও’ষুধের তুলনায় অ্যান্টিবডির মাধ্যমে ক’রোনার চিকিৎসা অনেকটাই ব্যয়বহুল হবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

ঢাকায় আসার পর কিছু দুষ্ট মানুষ আমার পেছনে লেগেছে : ডা. ফেরদৌস

0

যুক্তরাষ্ট্রে নভেল করোনাভাই’রাসের চিকিৎসায় বিশেষ অবদান রাখা ডা. ফেরদৌস খন্দকার ফেসবুক লাইভে এসে নিজের স’ম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন। বিশেষ ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি।

আজ সোমবার ডা. ফেরদৌস বলেন, ‘কেমন আছেন আপনারা? আমি ডা. ফেরদৌস খন্দকার। আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে বলছি। গতকাল বিকেলে এসেছিলাম এক বুক আশা নিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াব বলে। আসার পর এয়ারপোর্টে বুঝতে পারলাম যে কিছু দুষ্ট মানুষ আমার পেছনে লেগে গেছে। যেহেতু আমার নামের পেছনে খন্দকার আছে সেহেতু তারা প্রচার করতে চেয়েছে আমি খু’নি মোস্তাকের আত্মীয়, বলতে চেয়েছে খন্দকার রশিদেরও আত্মীয়। এসব নিয়ে খুব বেশি আমি চিন্তা করতে চাই না। তারপরও আমি আসছি। এরপরও আমি কথা বলব। আপনারা ভালো আছেন দেশবাসী? যুক্তরাষ্ট্রেও বাঙালি কমিউনিটির পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। যদিও ডিফিকাল্টি ছিল প্রথমে। আমি আপনাদের পাশে থাকব, আপনারা আমায় গ্রহণ করবেন তো। আপনাদের পাশে আছি এই ক্রান্তি কালে। ’

ক’রোনা চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রে সুনাম অর্জনকারী ডা. ফেরদৌস বাংলাদেশে পৌঁছালেও তাঁর আটটি স্যুটকেস এয়ারপোর্টে আ’টকে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোতে রয়েছে মাস্ক, গ্লাভস ও পিপিই। এসব তিনি এনেছিলেন ক’রোনার সম্মুখযোদ্ধাদের দিতে। কিন্তু এসবের জন্য ট্যাক্স দিতে হবে, না হলে ছাড়া হবে না বলে এয়ারপোর্টে জানানো হয়েছে।

বি’ষয়টি নিয়ে ফেসবুক লাইভে কথা বলেছেন ডা. ফেরদৌস। তিনি সোমবার সকালে বলেন, ‘আমি আটটি স্যুটকেস নিয়ে এসেছিলাম। বেশকিছু মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই ইত্যাদি সামগ্রী ডাক্তার নার্সদের দেব বলে। কিন্তু এয়ারপোর্টে আ’টকে দিল। ট্যাক্স নাকি দিতে হবে। রেখেই দিল। আনতে পারিনি। আপনাদের কেউ যদি থাকেন ছাড়াতে পারবেন। ছাড়িয়ে নিয়ে যান। ফ্রন্টলাইনের যে কাউকে দিতে পারেন। আমার কোনো দাবি নেই, আমি এসেছি আপনাদের পাশে, আমি কাজটুকু করতে চাই। আপনাদের মধ্যে যদি কেউ পারেন ছাড়িয়ে সেসব যেকোনো একটি হাসপাতালে দিয়ে দিতে পারেন। আমার কোনো দাবি নেই।’

ফেরদৌস বলেন, ‘আমি পরশুদিন থেকে রিয়েল ক’রোনা নিয়ে কথা বলব। আমার পরিবার নিয়ে কথা উঠেছে। দুটো কথা না বললেই নয়। আমার দাদা ১৯৪৯ সনে কলকাতায় মৃ’ত্যুবরণ করেন। তখন আমার বাবার বয়স খুবই কম, মাত্র চার। আমার বাবারও আমার দাদার স্মৃ’তি মনে নেই। আমার দাদা এক স’ন্তান ছিলেন, উনার দাদাও এক ছেলে ছিলেন, (নাম) রিয়াজ উদ্দিন খন্দকার। আমরা কুমিল্লার দেবিদ্বারের খুবই ছোট একটি গ্রামে থাকতাম। আমার নানী আমার বাবাকে উনার মে’য়ের সঙ্গে বিয়ে দেন। বাবা এয়ারফোর্সে ঢোকেন। আমাদের পরিবারে আমি আর আমার ছোট দুটি বোন। আমরা শহরে চলে আসি। পরে আমরা আমেরিকা চলে যাই।’

নানার পরিবার স’ম্পর্কে ডা. ফেরদৌস বলেন, ‘আমার মায়ের গ্রাম মুরাদনগরে। আমার নানা ছিলেন, কৃষ্ণপুর গ্রামের। আমার নানা ছিলেন সা’মরিক বাহিনীতে অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্টে। উনার ছয় ছেলে, এক মে’য়ে। উনার ছেলে (ফেরদৌসের মামা) ওখানকার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। পরে ফার্মাসিস্ট হয়ে বিদেশে চলে গিয়েছেন। আমেরিকাতে সেটেল্ড। দ্বিতীয় ভাই উনার মরহুম রেজা। খুব নামকরা মুক্তিযোদ্ধা। ঢাকারে বনানীতে। বাকি চার মামা আমেরিকা থাকেন। আমার চার নম্বর মামার নাম মোস্তাক আহমেদ। তিনি জীবিত আছেন। বয়স ৫৩। এই মোস্তাকের সঙ্গে কিছু দুষ্ট লোক আমাদের খন্দকার যুক্ত করে দিয়েছে। একই সঙ্গে আবার খু’নি রশিদের সঙ্গে নাম যুক্ত করে দিয়েছে। মানুষ যার যা যা ইচ্ছা বলতে পারে। কালিমা লাগাতে চেষ্টা করে। আমার মন্ত্রী, এমপি হওয়ার ইচ্ছে নেই।’

ডা. ফেরদৌস বলেন, ‘আমাকে যাঁরা চেনেন, যাঁরা জানেন, আমি অনেক ছোটবেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবী কাজ করি। যাই হোক, খন্দকার নাম হলেই সেটা মোস্তাকের ফ্যামিলি, অথচ লাখ লাখ লোক বাংলাদেশে আছে। তাই না? এটি কী লজিক বলুন আপনারা? এরকম একটি অভিযোগ দিয়ে আমি ঘরের মধ্যে ব’ন্দি। আমি আজীবন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। তার মানে আমি বি’রোধী মতের সমালোচনাতে আ’টকে যাইনি। আমি শুধু মুখেই বলিনি, আমি আমার পরিবারকে পেছনে ফে’লে, নিজের জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে দেশে এসেছি। আমি কিন্তু জানিও না, বাংলাদেশে চলে এসেছি। কবে প্লেন খুলবে জানি না। শুধু আপনাদের টানে এসেছি।’

কোয়ারেন্টিনে রাখা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার ব্লাড টেস্টে এসেছে অ্যান্ডিবডি পজিটিভ, আমার কিন্তু কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন নেই। আমি কাকে বোঝাব বলুন। এই ল্যান্ডের হয়তো এটাই নিয়ম, আমি শুধু বলব আমি এসেছি। আমি এসেছি, আমার মতো এই দুটি হাত না থাকলেও হয়তো কিছু হবে না। এরকম অজস্র হাজার সহস্র ফেরদৌস খন্দকার আপনাদের মাটিতে আছে। তাও বুকের ভেতর সে ভালোবাসা নিয়ে আমি এসেছি। আমাকে ভালোবাসা না দেন, ধিক্কার না দেন। আমি একজন মানবদরদী, ডাক্তার হয়ে, মানুষ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্ত করব। বিরুদ্ধচারণ হচ্ছে, আমি এই ভূখণ্ডে থেকে ফাইট করব, আপনাদের পাশে দাঁড়াব, আমৃ’ত্যু আপনাদের সঙ্গে আছি। আশা করি আপনারাও আমাকে গ্রহণ করবেন সেভাবে।’

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রা’প্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ডা. ফেরদৌস খন্দকারকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। তিনি বর্তমানে মহাখালীতে ব্র্যাক ট্রেনিং সেন্টারে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন।’

ক’রোনার চিকিৎসায় আশা জাগাচ্ছে ব্লাড ক্যানসারের ও’ষুধ

0

খ্যাতনামা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নভেল ক’রোনাভা’ইরাসেের ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিন বানাচ্ছে ব্রিটিশ-সুইডিশ ও’ষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রজেনেকা। পাশাপাশি,ক’রোনাজনিত কোভিড-১৯ চিকিৎসায় নানা রকম ও’ষুধের পরীক্ষাও চালাচ্ছে এ জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব উদ্যোগে ব্লাড ক্যানসারের ও’ষুধ কোভিড-১৯ রো’গীদের ও’পর পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রাথমিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল ইতিবাচক বলে দাবি করেছে অ্যাস্ট্রজেনেকা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল এ খবর জানিয়েছে।

অ্যাস্ট্রজেনেকার ট্রায়ালের প্রতিবেদন ‘সায়েন্স ইমিউনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত হয় গত শুক্রবার। অ্যাস্ট্রজেনেকার গবেষকরা জানিয়েছেন, ব্লাড ক্যানসারের ও’ষুধ ‘ক্যালকুয়েন্স’ দেওয়া হয়েছিল কোভিড-১৯ রো’গীদের। তাঁদের মধ্যে ১১ জনই ছিলেন ভেন্টিলেটর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যবস্থা) সাপোর্টে। অ্যাস্ট্রজেনেকার দাবি, ‘ক্যালকুয়েন্স’ ও’ষুধ দেওয়ার পরে দেখা যায়, সং’কটাপন্ন রো’গীদের শ’রীরে নভেল ক’রোনাভা’ইরাসে সং’ক্র’মণজনিত শ্বাসক’ষ্ট ও তীব্র প্রদাহ ধীরে ধীরে কমেছে। ক’রোনায় আ’ক্রান্ত ১১ জনের মধ্যে ৯ জন রো’গীই নাকি সং’ক্র’মণ থেকে সেরে উঠেছেন এবং তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে।

অ্যাস্ট্রজেনেকার রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার রয়েছে কেমব্রিজে। তা ছাড়া মেরিল্যান্ড ও সুইডেনেও অ্যাস্ট্রজেনেকার রিসার্চ ইউনিট আছে। ক্যানসার, কার্ডিওভাস্কুলার রো’গ, খাদ্যনালীর সং’ক্র’মণ, নিউরোসায়েন্স, ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহজনিত রো’গ নিয়ে গ’বেষ’ণা করে এ বায়োটেক কোম্পানি। কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন নিয়ে অক্সফোর্ডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অনেকদিন ধরেই গ’বেষ’ণা চালাচ্ছে এ সংস্থা। কোভিড-১৯ সং’ক্র’মণে রো’গীদের মধ্যে যে ধরনের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তার মধ্যে বেশিরভাগের শ’রীরেই ‘সাইটোকাইন স্টর্ম’ বা তীব্র প্রদাহজনিত রো’গ দেখা গেছে। সং’কটাপন্ন ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা রো’গীদের মধ্যে এ প্রদাহ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। অ্যাস্ট্রজেনেকা জানিয়েছিল, এ ধরনের রো’গ সারাতে ব্লাড ক্যানসারের ও’ষুধ কাজে আসতে পারে। গত ১০-১৪ দিনের ডোজে সে ও’ষুধেরই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাচ্ছিল তারা।

ক্যালকুয়েন্সের জেনেরিক নাম হল অ্যাকালাব্রুটিনিব। এ ও’ষুধটি আসলে ‘কাইনেজ ইনহিবিটর’। ক্যানসার কোষে এ কাইনেজ এনজাইমের পরিমাণ বাড়তে থাকে। একে আ’টকাতে এ ও’ষুধ ব্যবহার করা হয়।

গবেষকদের দাবি ‘অ্যাকালাব্রুটিনিব’ ও’ষুধ সাইটোকাইন স্টর্ম আ’টকাতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সার্স-কোভ-২ ভাই’রাসের সং’ক্র’মণে শ’রীরে যে অধিক প্রদাহ তৈরি হয়, তার কারণ হল ‘সাইটোকাইন’ নামক প্রোটিনের অধিক ক্ষরণ। এ প্রোটিনের কাজ হলো বাইরে থেকে কোনো সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া, ভাই’রাস বা প্যাথোজেন ঢুকলে শ’রীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষে সে বি’পদ সংকেত পৌঁছে দেওয়া। অজানা সংক্রামক প্রোটিন দেখলেই ঝড়ের গতিতে কোষে কোষে বি’পদবার্তা পৌঁছে দেয় এ সাইটোকাইন প্রোটিন। এ প্রোটিন ক্ষরণেরও একটা নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। যদি দেখা যায় সাইটোকাইন ক্ষরণ বেশি হচ্ছে বা কম হচ্ছে, তাহলে শ’রীরের ভারসাম্য ক্ষ’তিগ্রস্ত যায়। কোভিড-১৯ সং’ক্র’মণ হলে এ সাইটোকাইনের ক্ষরণ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হয়। এত বেশি প্রোটিন নিসৃত হয় যে বি’পদবার্তা পৌঁছে দেওয়ার বদলে সে নিজেই কোষের ক্ষ’তি করে ফে’লে। এ ঘটনাকে বলা হয় ‘সাইটোকাইন ঝড়’। যার কারণে রো’গীর শ’রীরে অ্যাকিউট রেসপিরেটারি ডিস্ট্রে’স সিন্ড্রোম দেখা দেয়। তীব্র শ্বাসক’ষ্ট শুরু হয়। রো’গীকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখার দরকার পড়ে।

অ্যাস্ট্রজেনেকার গবেষকরা বলছেন, অ্যাকালাব্রুটিনিব ও’ষুধের নির্দিষ্ট ডোজে এ সাইটোকাইনের বেশি ক্ষরণ আ’টকানো সম্ভব। বিশেষত, সাইটোকাইনের বেশি ক্ষরণের জন্য দায়ী এনজাইম ‘ব্রুটন’স টাইরোসিন কাইনেজ’কে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে এ ও’ষুধ। গবেষকরা দাবি করছেন, যে কোভিড-১৯ পজিটিভ রো’গীদের এ ও’ষুধ দেওয়া হয়েছিল, তাঁরা অল্প দিনেই ভেন্টিলেটর সাপোর্ট থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। স্বাভাবিক বাতাসে শ্বাসও নিতে পেরেছেন। তবে প্রাথমিক ট্রায়ালের ভিত্তিতেই কোনো সি’দ্ধান্তে আসতে রাজি নয় অ্যাস্ট্রজেনেকা। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ২০০ জন কোভিড-১৯ রো’গীর শ’রীরে এ ও’ষুধ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। সে ট্রায়ালের ফলাফল সন্তোষজনক হলেই কোভিড-১৯ চিকিৎসায় এ ও’ষুধের ব্যবহার নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিনকে এই বাড়ি উপহার দিবেন প্রধানমন্ত্রী

0

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- নিজের সঞ্চিত ১০ হাজার টাকা শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের হাতে’ ক’রোনা ভাই’রাস ক্ষ’তিগ্রস্থ অ’সহায়, কর্মহীন ঘরে থাকা মানুষের খাদ্য সহায়তা তহবিলে দান করা দানবীর ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিন (৮০) কে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাকা বাড়ি করে দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ঝিনাইগাতি উপজে’লার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামে তৈরি হচ্ছে নাজিম উদ্দিনের জন্য বিশাল পাকাঘর। পাঁচ শতাংশ জমির উপর এ ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। চলছে পলেস্তারার কাজ। প্রত্যন্ত পল্লী গারো পাহাড়ের এ গ্রামে নাজিমকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ঘর দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় প্রতিদিন আসছে লোকজন।

পাকা বাড়ি পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘‘৮০ বছর বয়স অইলো। আইজ পর্যন্ত পাক্কা গরে থাহি নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে পাক্কা ঘর কইরা দিতাছে। স্বপ্নেও ভাবি নাই আমার মত ভিখারি দালান ঘরে থাকমু। খুব ভাল লাগতাছে। আল্লাহ মাবুদ শেখ হাসিনারে বাঁচায়া রাখুক, সুখি করুক। আর দেশরে করুনামুক্ত করুক। এইডাই আমার চাওয়া। ”

স্থানীয় এমপি প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সত্যিকার অর্থেই মানবতার মা। তিনি প্রত্যন্ত গ্রামের একজন ভিখারির দানকে গ্রহণ করে তাকে সম্মানিত করেছেন। দেশকে সম্মানিত করেছেন। এজন্যই শেখ হাসিনাকে জননেত্রী বলা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজে’লার ভিক্ষুক নাজিম উদ্দিন তার জমানো ১০ হাজার টাকার পুরোটাই স’রকারি ত্রাণ তহবিলে দান করে দেন। এ ঘটনায় তার উদার মা’নসিকতার প্রশংসায় মাতে সারাদেশ। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে ওই ভিক্ষুকের মহানুভবতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

২৭ এপ্রিল রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জে’লা প্রশাসকদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলার সময় শেখ হাসিনা বলেন, “একজন ভিক্ষুক হয়েও তিনি আমাদের সামনে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি একজন কৃষক ছিলেন। কিন্তু পা ক্ষ’তিগ্রস্ত হওয়ায় তিনি ভিক্ষার পথ বেছে নিতে বা’ধ্য হন। এতো ক’ষ্টের পরও তিনি তার জমানো ১০ হাজার টাকা ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন।“

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি মনে করি সমগ্র বিশ্বের জন্যই তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অনেক সময় সময় ধ’নী লোকেরাও এমন মানবতা দেখাতে পারে না।“

শেখ হাসিনা বলেন, “এই ঘটনাই প্রমাণ করে বাংলাদেশের মানুষ কতোটা উদার মা’নসিকতার। কিন্তু এমন উদার মনোভাব ধ’নীদের মাঝে দেখা যাচ্ছে না। তারা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত আছে।“

রেড জোন : ঢাকার যে ২৩ এলাকায় ক’রোনা রো’গী বেশি

0

ক’রোনাভা’ইরাসেের (কোভিড-১৯) সং’ক্র’মণের ব্যাপকতা বিবেচনায় নিয়ে রাজধানীসহ দেশের কিছু এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউন করে দেবে স’রকার। রেড জোন ঘোষণার ক্ষেত্রে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি সং’ক্র’মণ ছড়ানোর মাপকাঠিতে উপরের দিকে রয়েছে উত্তরা, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডি, কাকরাইল, মুগদা, মগবাজারের মতো এলাকা। রাজধানীতে এখন পর্যন্ত এমন ২৩টি এলাকা রয়েছে, যেখানে ক’রোনায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা একশ’র বেশি।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ ম’ন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, আগামীকাল রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার কিছু স্থানে জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হবে। রেড জোনে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে, একান্ত প্রয়োজন না থাকলে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। বেশি আ’ক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আ’ক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আ’ক্রান্ত বা আ’ক্রান্তমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সং’ক্র’মণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রো’গতত্ত্ব, রো’গ নিয়ন্ত্রণ ও গ’বেষ’ণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ঢাকা জে’লায় ২০ হাজার ৭০৭ জন ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্ত রো’গী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে আ’ক্রান্ত ১৯ হাজার ৩২৭ জন। নগরীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক’রোনা সংক্রমিত রো’গী পাওয়া গেছে মিরপুর এলাকায়। সেখানে ৯৬৯ ক’রোনায় আ’ক্রান্ত রো’গী শনাক্ত হয়েছেন।

এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আ’ক্রান্ত রো’গী পাওয়া গেছে মহাখালীতে। সেখানে এখন পর্যন্ত আ’ক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৫৭ জন। আ’ক্রান্তের তালিকায় এর পরে আছে উত্তরা, মুগদা ও মোহাম্মদপুর। এ তিন এলাকায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৩৩, ৪২৮ ও ৩৯৪।

বাকি যেসব এলাকায় সংক্রমিত রো’গী বেশি, সেসব এলাকা হলো- যাত্রাবাড়ী (৩৮৭ জন), কাকরাইল (৩০০ জন), ধানমন্ডি (২৯৪ জন), মগবাজার (২৫৫ জন), তেজগাঁও (২৫১ জন), রাজারবাগ (২২১ জন), খিলগাঁও (২১৯ জন), লালবাগ (২০৬ জন), রামপুরা (১৯৭ জন), বাড্ডা (১৯৫ জন), মালিবাগ (১৬৪ জন), গুলশান (১৬৩ জন), বাবুবাজার (১৬২ জন), গেন্ডারিয়া (১৪২ জন), ওয়ারী (১২৪ জন), বাসাবো (১২২ জন), বংশাল (১০৯ জন) এবং আগারগাঁও (১০৮ জন)।

ঢাকার বাইরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আ’ক্রান্ত রো’গী শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও কক্সবাজারে। আইইডিসিআরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, এ পাঁচ জে’লায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ২৮৭৫, ২৪৬০, ১১৭৩, ১১৫০ ও ৯৬৯। এসব জে’লায়ও সং’ক্র’মণের শীর্ষ এলাকা ধরে চিহ্নিত হতে পারে রেড জোন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ শনিবারের (৬ জুন) বু’লেটিন অনুসারে, দেশে এ পর্যন্ত ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ২৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই আ’ক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৩৫ জন। আ’ক্রান্তদের মধ্যে মা’রা গেছেন ৮৪৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায়ই মা’রা গেছেন ৩৫ জন।

গত ক’দিনে সং’ক্র’মণ ও মৃ’ত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে বাংলাদেশ এখন ক’রোনায় সংক্রমিত দেশগুলোর তালিকায় ২০ নম্বরে উঠে গেছে। এর মধ্যেই স’রকারের পক্ষ থেকে এলাকাভিত্তিক রেড জোন চিহ্নিত করার বক্তব্য এলো।

৮ মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা ইতি খানম এখন যাবেন কোথায়

0

আট মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ইতি খানমকে (২০) নি’র্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বি’রুদ্ধে। খবর ইউএনবি’র।

রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকার খবর পেয়ে তাকে উ’দ্ধার করে লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করে পু’লিশ। তবে, গত পাঁচদিনে ধরে হাসপাতালে থাকলেও স্বজনদের কেউ তাকে দেখতে আসেনি।

জানা গেছে, নড়াইলের লোহাগড়া উপজে’লার ইতনা গ্রামে হারুন অর রশিদের মেয়ে ইতি খানমের সাথে একই গ্রামের মামাতো ভাই তিতাস কাজীর সাথে প্রায় দুই বছর আগে বিয়ে হয়। তিতাস কাজী সিরাজগঞ্জে একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন।

এর আগে তিতাস কাজী তিনটি বিয়ে করেছিলেন। নি’র্যাতনের শি’কার হয়ে দুই স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যায় আবং অপর স্ত্রী মা’রা যায়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর ধরে ইতিকে তার স্বামী প্রায়ই নি’র্যাতন করে। গত ১ জুন তালাক দেয়ার জন্য তার স্বামী বাড়িতে ম্যারেজ রেজিষ্ট্রারকে ডেকে নেয়। তালাকে স্বাক্ষর না করায় সারাদিন মা’রধর করে বিকালে বাড়ি থেকে বের করে দিলে পার্শ্ববর্তী আতশপাড়া নামক স্থানে পৌচ্ছে জ্ঞান হা’রিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকে। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন প্রভাবশালী হওয়ায় দুই বছর আগে জো’র করে তাকে বিয়ে করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন উপজে’লা নির্বাহী অফিসার ও ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জানালে লোহাগড়া থানা পু’লিশ সন্ধ্যায় তাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ইতির পিতা হারুন অর রশিদ জানান, তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুবই খা’রাপ। হাসপাতালে দেখতে গেলে এবং খোঁজ-খবর নিলে আমাদের ও’পর চা’প দেবে যা সহ্য করার ক্ষ’মতা আমাদের নেই। তাই মেয়েটির খোঁজ নিতে যায়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইতি খানম বলেন, ‘আমি এখন আট মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা। আমার বাবার বাড়ি থেকে তাকে তালাক দিতে বলে। আমি এতে রাজি না হওয়ায় বাবার বাড়ি থেকে আমার খোঁজ নিচ্ছে না। শ্বশুর বাড়ি থেকেও তালাক দিতে চায়। কিন্তু আমি স্বামীর সংসার করতে চাই।’

হাসপাতালে আসার পর কোনো আত্মীয়-স্বজন খোঁজ নেয়নি অভিযোগ করে অ’সহায় এ না’রী প্রশ্নে রেখে বলেন, ‘আমি এখন কোথায় আশ্রয় পাবো?’

তবে এ ব্যাপারে অ’ভিযুক্ত স্বামী তিতাস কাজীর মুঠোফোন কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, ‘তাকে (ইতি খানম) আমরা হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এ ঘটনার পর তার শ্বশুড়বাড়ির লোকজন পা’লিয়ে আছে।’