Home Blog Page 2

গো’পনে ম’হিলার গোসলের ভিডিও করে টাকা দাবী করে ওরা

0

মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম থেকে: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মোবাইল ফোনে গো’পনে ম’হিলার গোসলের ভিডিও চিত্র ধারন করে টাকা দাবীর অ’পরাধে অ’ভিযুক্ত ৩ জনকে আ’টক করেছে পু’লিশ।

পু’লিশ এবং স্থানীয়রা জানান, নাগেশ্বরী উপজে’লার চামটারপাড় এলাকায় ২ আগষ্ট দুপুরে জনৈক এক না’রী বা’থরুমে গোসল করতে গেলে বাড়ির পূর্ব পাশের টিনের ছোট ছিদ্র দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তা ভিডিও ধারণ করেন অ’ভিযুক্তরা। পরে তারা ওই না’রীকে ফোন করে টাকার দাবি করে আসছিল। টাকা না দিলে তার ভিডিও চিত্র ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে সর্বত্র ছড়িয়ে দেবে বলে বিভিন্ন ভ’য়-ভীতি ও হু’মকি প্রদর্শন করে।

পরে রোববার (৯ আগষ্ট) দুপুরে ওই না’রী বা’দী হয়ে অ’ভিযুক্তদের বি’রুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পু’লিশ অ’ভিযান চা’লিয়ে আইনুল হক (৩১), মানিক মিয়া (৩০) এবং জমিলা বেগম (বা’দীর সৎ মা ) কে আ’টক করে পু’লিশ। আ’টককৃতরা নাগেশ্বরীর চামটারপার এলাকার বাসিন্দা।

নাগেশ্বরী থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) রওশন কবীর জানান, মোবাইল ফোন ও মোবাইলের ভিডিও উ’দ্ধার করা হয়েছে। এ বি’ষয়ে থানায় প’র্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মা’মলা দা’য়ের করা হয়েছে।

পু’লিশ সুপার মোহাম্ম’দ মহিবুল ইসলাম খান (বিপিএম) জানান, কারো ব্যক্তিগত ভিডিও ধারন ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়া আইনত দন্ডনীয় অ’পরাধ। প’র্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে জে’লা জুড়ে অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এআইআ/এইচি

ঋ’ণ পুনর্গঠনের সময় বাড়ল বাংলাদেশ ব্যাংক

0

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের ঋ’ণ পুনর্গঠনের সময় বৃ’দ্ধি করলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ঋ’ণ পুনর্গঠনে আগের তুলনায় দ্বিগুণ সময় পাবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল গ্ৰাহক।

আজ রবিবার (০৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বাংলাদেশে কার্যরত সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়, বিদ্যমান কো’ভিড-১৯ বাস্তবতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে গ্রাহকের আর্থিক স’ঙ্গতি বিশ্লেষণ করে স্বীয় বিবেচনায় পুনর্গঠনের সি’দ্ধান্তে উপনীত হতে পারে সে লক্ষ্যে ‘ঋ’ণ/লিজ সুবিধার মেয়াদ বৃ’দ্ধির সময়সীমা অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে’। পূর্বে এই সময়সীমা ছিল ২৫ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পূর্বে যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৮ বছর মেয়াদী কোন ঋ’ণ পুনর্গঠনের জন্য হাতে সময় পেত দুই বছর, এখন থেকে তারা একই ঋ’ণ পুনর্গঠনের সময় পাবেন চার বছর।

জেএসসিতে পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ!

0

ম’হামা’রি ক’রোনা ভাই’রাসের জন্য চলতি বছর জুনিয়র স্কুল-সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিলসহ ৬টি বিকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়েছে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়কে। আর এ প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু)। প্রস্তাবে শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি সংকোচন এবং বি’ষয় কমিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে ক’রোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পরীক্ষা ছাড়াই নবম শ্রেণিতে উঠবে শিক্ষার্থীরা।

বেডু’র দেয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের স’চিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, সব দিক দেখেই এ বি’ষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বেডু প্রস্তাবে যা বলা হয়েছে

১) বেডু প্রথম প্রস্তাবে বলা হয়েছে- শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি সংকোচন করে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। তারা বলছে, সংকুচিত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে আগের মতোই ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব।

২) সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্তও ক’রোনা সং’ক্র’মণের বাস্তবতা ধরে নিয়ে। এ ক্ষেত্রে পাঠ্যসূচি সংকোচন করে ডিসেম্বরে শুধু বহু নির্বাচনী প্রশ্নের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় এক ঘণ্টার পরীক্ষায় প্রতিটি বি’ষয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হবে।

৩) পরীক্ষার মোট বি’ষয়ের সংখ্যা কমানোর কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তারা বলছে, জেএসসি পরীক্ষা চালুর আগে অষ্টম শ্রেণিতে যে বৃত্তি পরীক্ষা হতো তাতে কেবল বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বি’ষয়ে পরীক্ষা হতো।

৪) সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে প্রশ্নপত্র ছাপার ক্ষেত্রে যে দীর্ঘ সময় লাগে, সেটা কমবে। এ ছাড়া সব বোর্ডের ফলাফলেও সাম্যতা আসবে।

৫) সংকুচিত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচির আলোকে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলা হয়েছে। যদি নভেম্বর থেকে এক মাসের জন্য পরিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে থাকে তাহলে এটি করা যাবে। বিদ্যালয় কেন্দ্রিক এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে শুধু অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষার ফল শিক্ষা বোর্ডগুলোতে পাঠাতে হবে। এখানেও আসন বিন্যাসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভিন্ন সেটে প্রতিদিন দুই পালায় পরীক্ষায় নেয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ নম্বরধারী ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষার জন্য মনোনয়ন দেয়া যেতে পারে।

৬) চলতি বছর বিদ্যালয়ে যদি শ্রেণি কার্যক্রম আদৌ চালু করা সম্ভব না হয় তাহলে কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। এ জন্য একটি শিক্ষাবর্ষকে বাতিল না করে শিক্ষাক্রমের অবশিষ্ট অংশকে পরবর্তী শ্রেণিতে সমন্বয় করা যেতে পারে।

প্রস’ঙ্গত, ক’রোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফায় ছুটি বাড়িয়ে এখন তা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। ছুটির কারণে এইচএসসি পরীক্ষাও নেয়া যায়নি। গত এপ্রিলে এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ক’রোনা পরিস্থিতি নি’য়ন্ত্রণে আসার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগবে এই পরীক্ষা শুরু হবে। এইচএসসিতে এবার পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ।

অবশেষে মেজর সিনহা প্রস’ঙ্গে মুখ খুললেন ইলিয়াস কোবরা

0

সে’নাবা’হিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর সিনহা গেল ৩১ জুলাই হ’ত্যাকাণ্ডের শি’কার হন। আর এই হ’ত্যাকাণ্ডে অন্যতম আ’সামি ওসি প্রদীপ কুমারের জি’জ্ঞাসাবাদ চলছে। জি’জ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকার ত’থ্য। এই ম’র্মান্তিক ঘ’টনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে চলচ্চিত্রের খলনায়ক ইলিয়াস কোবরার দিকে। তবে তিনি বি’ষয়টি একেবারে গুজব, ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন বেস’রকারি একটি টিভি চ্যানেলের কাছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে চলচ্চিত্রের ফাইটিং গ্রুপ পরিচালনাকারী ইলিয়াস কোবরার আমন্ত্রণ পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারেননি মেজর সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান। কিন্তু এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন খল অভিনেতা কোবরা।

মেজর সিনহা সম্প’র্কে ইলিয়াস কোবরা বরেন, ‘আমি জানতামই না যে মেজর সিনহা নামে কেউ আছে। গণমাধ্যমে যখন খবর আসে তখন আমি মেজর সিনহা সম্প’র্কে জানতে পারি।’

অন্যদিকে, ইলিয়াস কোবরা এসআই লিয়াকতের স’ঙ্গে মা’দক ব্যবসায় জ’ড়িত বলেও অভিযোগ উঠেছে।

তবে বি’ষয়টি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে কোবরা বলেন, ‘আমি নিজেই মা’দকের বি’রুদ্ধে কাজ করি। মা’দকের বি’রুদ্ধে কাজ করার জন্য আমার সংগঠন আছে। মা’দক নিয়ে আমি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিল্পী হিসেবে এর ভ’য়াবহতা তুলে ধরি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ত’থ্য প্রমাণ ছাড়া তার বি’রুদ্ধে গুজব ছড়ানোর জন্য তিনি আইনি ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে সোহেল রানা পরিচালিত মারুক শাহ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে ইলিয়াস কোবরার অভিষেক ঘটে। চলচ্চিত্রে আসার আগে তিনি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালাতেন। তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি ২০০০ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নড়াইলে সেই ধ’র্ষক চাচা গ্রে’ফতার

0

নড়াইলে এক স’ন্তানের জননী ধ’র্ষণ মা’মলার প্রধান অ’ভিযুক্ত ধ’র্ষক রিপন মোল্যাকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে অ’ভিযান চা’লিয়ে কুমড়ি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা-ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, রিপনের অবস্থানের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে লোহাগড়া থানা পু’লিশের একটি দল সকালে তার বাড়িতে অ’ভিযান চা’লিয়ে আ’টক করে। পরে রিপনকে মা’মলার ত’দন্তকারী সংস্থা গো’য়েন্দা পু’লিশ-ডি’বি নড়াইল ইউনিটের হাতে হস্তান্তর করা হয়।

মা’মলা সূত্রে জানা গেছে, কুমড়ি গ্রামের এক স’ন্তানের জননীকে তার সম্প’র্কের দুই চাচা এলাকার কু’খ্যাত রিপন ও ওহিদুল মোল্যা গত বুধবার মুখ বেঁ’ধে তুলে নিয়ে গিয়ে ধ’র্ষণ করে।

পরে মে’য়েটি যাতে আইনের আশ্রয় না নিতে পরে দু’র্বৃত্তরা তাকে পরিবার পরিজনসহ দুই দিন গৃহব’ন্দী করে রাখে। সেখান থেকে পা’লিয়ে শুক্রবার স্বজনরা তাকে নড়াইল সদর হাসপালে ভর্তি করেন।

পরে শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে লোহাগড়া থানায় রিপন, ওহিদুলসহ মোট তিন জনের বি’রুদ্ধে মে’য়েটির বাবার দা’য়ের করা মা’মলায় রিপনকে গ্রে’ফতার করা হয়।

ঈশ্বর আমাকে সব দিয়েছে, শুধু পয়সা দেয়নি : এটিএম শামসুজ্জামান

0

আমি এমন একজন মানুষ যাকে ঈশ্বর সব দিয়েছে, শুধু পয়সা দেয়নি। আমি এমন সিনেমা বানাতে চেয়েছিলাম যা দর্শককে উদ্দীপ্ত করবে। শেখ মুজিবকে চিত্রনাট্যে তুলে ধ’রার পরিকল্পনাও ছিল। আমা’র এই স্বপ্নটা এখনও আছে। কিন্তু প্রধান সং’কট টাকা।

সম্প্রতি একটি গনমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কথাগুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ এটিএম শামসুজ্জামান।

আক্ষেপ করে এই অ’ভিনেতা বলেন, জীবনের এই শেষ মুহূর্তে একটাই চাওয়া- শেখ মুজিবকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই। যে সিনেমায় মুক্তিযু’দ্ধের ইতিহাস, বাংলার সংস্কৃতি সমানভাবে উঠে আসবে। যদি সুযোগটা পাই সেটা হবে অনেক আ’নন্দের। না পেলেও দুঃখ নাই। কারণ গরিব মানুষের অনেক শখ পূরণ হয় না।

এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, আমা’র তো মনে হয়, এক সময় ভাষা আ’ন্দোলনের ইতিহাস মানুষ ভু’লে যাবে। এতে কোনো স’ন্দে’হ নেই।

কারণ আমি যদি কোনো জিনিস লালন না করি, চর্চা না করি তাহলে সেটি কারো মনে থাকবে না। এগুলো প্রজ’ন্ম থেকে প্রজ’ন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হয়। চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও কাজটি করা যায়।

অনেক নায়কের স’ঙ্গে আপনি কাজ করেছেন? কার স’ঙ্গে কাজ করতে ভালো লেগেছে?

এটিএম শামসুজ্জামান : নিঃস’ন্দে’হে রাজ্জাক সাহেব। তার সংলাপ ডেলিভা’রি খুব ভালো ছিল। পরিষ্কার-পরিছন্ন।

আমা’র ভালো লাগতো। সহশিল্পী যদি ভালো খেলোয়াড় না হয় তার স’ঙ্গে খেলা জমে না। রাজ্জাক সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ বাংলা খুব সুন্দর করে বলতেন। শুনতে ইচ্ছে করতো। ফেরদৌসকেও আমা’র মো’টামুটি ভালো লেগেছে। তার ডেলিভা’রি খুব স্বাভাবিক।

এটিএম শামসুজ্জামান : ফরীদির মতো শিল্পী বাংলার মাটিতে আর আসবে না। আমাকে এতো শ্রদ্ধা করতো যে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। অথচ আমা’র মতো একশ এটিএম সমান একটা ফরীদি। আমাকে দেখলে চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে থাকতো। অথচ আমি খুব বুঝতাম, এর স’ঙ্গে অ’ভিনয় করে পারা যাবে না। বাংলার মাটিতে অনেক শিল্পী আসবে ফরীদি আর আসবে না।

শুটিং করতে গিয়ে মজার কোনো ঘ’টনা কী’ মনে পড়ে?

এটিএম শামসুজ্জামান: অসংখ্য ঘ’টনা আছে। আমি গারো পাহারে শুটিং করতে গিয়েছিলাম। পরিচালক ছিলেন এহতেশাম। আমি জুম্মা’র দিনে গোসল করে পাজামা পাঞ্জাবি পরে যখন ম’সজিদে যাচ্ছি তখন একজন লোক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- কোথায় যাচ্ছেন? আমি বললাম, ম’সজিদে যাচ্ছি। লোকটি বললো, জুম্মা’র নামাজ পরে আপনার লাভ কী’? আমি বললাম, কেন ভাই? তিনি বললেন, জীবনে এতো আকাম করেছেন বুঝতে পারছেন না? আপনি একটা বাজে লোক!

পুর’নো প্রে’মি’কের কাছে ফিরতে চান সারিকা

0

এক সময় চু’টিয়ে প্রে’ম ক’রতেন সারি’কা। তার প্রে’মি’কের স’ঙ্গে স’ম্পর্ক এতই গভী’র ছিল, সবা’ই ধ’রেই নি’য়েছিল সারিকা তার পছ’ন্দের মানুষ’কেই বিয়ে করবে; কিন্তু ঘ’টনা উল্টে যায় অ’ল্প সম’য়ের মধ্যেই। প্রে’মিক তাকে ছে’ড়ে চলে যায়।

এক সময় সা’রিকা’র বিয়ে হয়ে যায় অন্য’ত্র। তার প্রে’মি’কেরও সংসার হয়। সা’রিকা তার স্বা’মীর স’ঙ্গে হা’নি’মুনে যায়। সেই জা’য়’গায় গিয়ে দেখে, তার পুর’নো প্রে’মি’ক স’স্ত্রী’ক সে’খানটায়। স্বা’মী’র অ’জান্তে কৌশলে প্রে’মি’কের কাছে যায় সে। এমন গল্প নি’য়ে তৈরি হয়েছে ঈ’দের নাট’ক ‘প্রা’ক্তন’।

সুমন আ’নো’য়ারের রচনা ও রু’মান রুনির পরিচালনায় নাট’কের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অ’ভিনয় করে’ছেন সারি’কা। এ প্রস’ঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই ঈদে খুব বেশি কা’জ করতে পা’রিনি। তবে যে কয়টি নাট’কে অ’ভিন’য়ের সুযো’গ পেয়ে’ছি, তার মধ্যে এটি অন্য’তম একটি।

রো’মান্টিক গ’ল্পের নাট’ক হলেও এর মধ্যে শিক্ষ’ণীয় অনেক কিছুই আছে। আশা ক’রছি, নাট’কটি দর্শকে’র ভালো লাগবে।’ নাট’কটি আ’জ রাত ৯টায় মাছরা’ঙা টি’ভিতে প্রচার হবে।

প্রত্যেক না’রী-পুরু’ষকে একবার হলেও জানা দরকার, এই ফলটি চিনেন? কি রয়েছে এই ফলের মধ্যে!

0

ফলের নামটা জানা, তবে খুব একটা পরিচিত না। বর্ষার এই ফল তেমন জনপ্রিয় না হলেও অসাধারণ ভেষজ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। ভাবছেন কোন ফল? ডেউয়া বা ডেউফল। টক মিষ্টি স্বাদের ডেউয়া ফল কাঁঠালের মতো ছোট ছোট কোষে বিভক্ত। বৃষ্টির মৌসুমে ভর্তা করে খেতে খুবই সুস্বাদু এই ফল।

বিশাল আকৃতির ডেউয়া গাছ চিরসবুজ বৃক্ষ। পাতাগুলো বড় এবং খসখসে, অনেকটা ডুমুরের পাতার মতো। এক একটি গাছ ২০-২৫ ফুট উঁচু হয়। এর কাঠ বেশ উন্নত মানের, বড় বড় জিনিসের কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গাছে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ফুল আসে এবং জুন মাসের দিকে ফল পাকতে শুরু করে।

ডেউয়া ফলটি গোলাকৃতির, ২-৫ ইঞ্চি চওড়া হয়, পাকলে হলুদ রং ধারণ করে। প্রতিটি ফলের মধ্যে ২০-৩০টি বী’জ থাকে। বী’জের গায়ের মাংসল অংশটাই খাওয়া হয়। প্রতিটি ফল ২০০-৩৫০ গ্রাম হতে পারে।

ডেউয়া গাছ ১০-১৫ মিটার লম্বা হয়। ফল সুস্বাদু এবং উপকারী। ফল কাঁঠালের ন্যায় যৌগিক বা গুচ্ছফল। বহিরাবরণ অসমান। কাঁচা ফল সবুজ, পাকলে বহিরাবরণ হলুদ। ভে’তরের শাঁস লালচে হলুদ। ফলের ভে’তরে থাকে কাঁঠালের ছোট কোয়ার (কোষের) মতো কোয়া এবং তার প্রতিটির মধ্যে একটি করে বী’জ থাকে।

গ্রামাঞ্চলে অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল। তবে শহরে তেমন চা’হিদা না থাকায় বর্তমানে এর চাষ অনেকটা কমে এসেছে। ফলে না জেনেই আমরা মিস করে যাচ্ছি পুষ্টির এক বড় উৎস।

ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়ামের আধার বলা হয় ডেউয়া ফলকে।

এগুলো ছাড়াও ডেউয়া ফলে রয়েছে অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। ডেউয়া ফলের খাদ্যযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম অংশে রয়েছে –

খনিজ- ০.৮ গ্রাম, খাদ্যশ’ক্তি- ৬৬ কিলোক্যালরি, আমিষ- ০.৭ গ্রাম, শর্করা- ১৩.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ- ০.৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১- ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২- ০.১৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি- ১৩৫ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম- ৩৪৮.৩৩ মিলিগ্রাম।

তাই আজ জানবো ডেউয়া ফলের অজানা কিছু উপকারিতা নিয়ে।

১. অনিয়ন্ত্রিত ওজন এ সময়ের একটা বড় সমস্যা। অথচ ঠাণ্ডা পানিতে ডেউয়া ফলের রস মিশিয়ে নিয়মিত পান করলেই আমরা আমাদের ওজন নি’য়ন্ত্রণে রাখতে পারি। এমনকি ডেউয়া ফল রোদে শুকিয়ে নিয়ে অফ সিজনেও খেতে পারি।

২. মুখের রুচি ফিরে পেতে খেতে পারেন এই ফল। ডেউয়া ফলের রসের স’ঙ্গে সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে হবে। দেখবেন সপ্তাহ না পেরুতেই রুচি ফিরে এসেছে।

৩. পেট পরিষ্কার না থাকলে সারাদিন কাটে অস্বস্তিতে। তাই বলা যেতেই পারে ‘পেট শান্তি তো সব শান্তি’। পেটের গণ্ডগোল থেকে রেহাই পেতে সকালে খালি পেটে খান কাঁচা ডেউয়া। এজন্য গরম পানির স’ঙ্গে কাঁচা ডেউয়া বাটা মিশিয়ে নিবেন।

৪. এই বিদ্যমান ভিটামিন সি ত্বক, চুল ও দাঁতের নানা রো’গ প্রতিরোধ করবে। আর ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। আর পটাশিয়াম র’ক্তচা’প নিয়ন্ত্রণ করে হৃদরো’গ ও স্ট্রোকের ঝুঁ’কি কমায়।

আরও

যকৃতের নানা অসু’খ নিরাময়ে সাহায্য করে ডেউয়া। কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের কারণে পেটব্য’থা কমাতে সহায়তা করে ফলটি। পেট পরিষ্কার করতে কাঁচা ডেউয়া ৮-১০ গ্রাম বেটে নিয়ে গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। গাছের ছালের গুঁড়ো ত্বকের রুক্ষ’তা দূর করে এবং ব্রণের দুষিত পুঁজ বের করে দেয়। ডেউয়ার ভিটামিন সি ত্বক, চুল, নখ, দাঁত ও মাঢ়ির নানা রো’গ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

এমন আরো অপরিচিত ও অচেনা ভেষজ ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ফল গুলো হা’রিয়ে যাচ্ছে আমাদের মাঝ থেকে। যার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা খুব প্রয়োজন।

নিজের স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ল স্ত্রী অ’তঃপর

0

দূরে সরে যাওয়ার চে’ষ্টা করছো। তোমার আর ক’ষ্ট করা লাগবেনা। আমি ই তোমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ভালো থেকো তুমি। একদিন এক স্ত্রী তার স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য সি’দ্ধান্ত নিলো।

স্বা’মীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী খাটের নিচে লুকিয়ে পরল।পা শেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভ’দ্রলোকটি পড়তে শুরু করলেন।

স্ত্রী: তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা ভালোবাসোনা সময় দাওনা মনে হচ্ছে তোমার জীবনে অন্য কোনো মে’য়ের আগমন ঘটেছে । চিড়কুট টি পড়ার পড়ে স্বা’মী পকেট থেকে ফোন বের করে কানে দিয়ে ই বলতে শুরু করল জানু আপদটা বিদায় হয়েছে এখন রিলাক্সে থাকতে পারব।

আমি এখন ই আসছি তোমার সাথে দেখা করতে।এসব বলে ফোনটা কে’টে দিয়ে ড্রেস চে’ইঞ্জ করে রুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল। এসব শু’নতে শু’নতে স্ত্রী মুখ চে’পে কা’ন্না করতে লাগলেন।

স্বা’মী চলে যাওয়ার পরে বিছু’ক্ষণ পরে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এলেন।খাটের উপর একটি চিড়কুট পেলে লেখাটা পড়ে অবাক হয়ে গেলেন।তাতে লেখা ছিলো পা’গলী বউ একটা।

খাটের নিচে তোমার পা গু’লো দেখা যা’চ্ছিল্লো আমি তো তোমার জন্য ই কা’জকর্মে যাই তোমার সু’খের জন্য ই তো এত ক’ষ্ট করি। তবু তুমি ভু’ল বুঝো।

আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।আমি কাউকে ই ফোন করিনি। বাজার থেকে মাংস আনতে যা’চ্ছি তুমি খাবার রেডি করতে থাকো তারপর একসাথে বসে খাবো কেমন।আমার পা’গলী একটা। উ’ম্মাহ্

বি’বাহিত পু’রুষদের লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল..

তাই প’ছন্দের মানুষের মন জয় করতে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন। প্রথমে ভালোবাসার মানুষটির চোখকে আ’কৃষ্ট করুন। তারপর নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে তার মন জয় করুন। অপর কোনো ব্যক্তিকে আপনি তখনই ভালোবাসতে পারবেন যখন আপনি নিজে স’ম্পূর্ণ ভালোবাসতে পারবেন। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের মতো করে সময় কা’টান। ব’ন্ধুদের স’ঙ্গে ঘুরতে যান। ভালোবাসার মানুষটিকে গুরুত্ব অ’বশ্যই দিন। কিন্তু তাকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলবেন না।

তাই এই প্র’তিবেদনে এমনকিছু টিপস রইল যা আপনার স’ঙ্গীর আপনার প্রতি আ’কর্ষণ বাড়াবে এবং আপনি নি’জস্বতাও হারাবেন না। আক’র্ষনীয় হয়ে উঠুন : মন এবং শ’রীর, উভ’য় মিলেই মানুষ। মনের স’ঙ্গে শ’রীরকেও প্রাধান্য দিন। নিজেকে ফি’ট রাখু’ন। নিজেকে আরো আ’কর্ষণীয় করে তোলার চে’ষ্টা করুন। নিজের সাজ-পোশাক এবং ব্য’ক্তিত্বের ও’পর নজর রাখু’ন। পু’রুষকে না’রীর সৌ’ন্দর্য প্রাথমিকভাবে ‘আকর্ষণ করে।

মানুষকে নিজের প্রতি আ’কর্ষিত করার তেমন কোনো রু’লবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভি’ন্ন ভাবনার হন।তাদের পছন্দ অ’পছন্দের তালিকাও হয় ভিন্ন। কিন্তু পু’রুষের কিছু সহজাত ভালোলাগা এরপরেও থেকে যায়।

আর তার ভিত্তিতেই মন জয় করা যায় পু’রুষের কী সেই উপায়? হাজার রকম উপায় বাতলে দেওয়া যায় বটে এসব ক্ষেত্রে। কি’ন্তু এমন কোনো উপায় অ’বলম্বন করবে না যাতে আপনার স’ঙ্গীকে খুশি করতে গিয়ে নিজেদের সেই প্র’ক্রিয়ায় হারিয়ে ফে’লেন।

অন্য মানুষের স’ঙ্গেও মে’লামেশা করুন। সামাজিকতা বজায় রাখলে আপনার নিজস্বতাও বজায় থাকবে। ৪. স’ম্পর্কের গুরুত্ব বুঝে নিন : এবার ভেবে দেখু’ন যাকে মনে ধরেছে তাকে কেমনভাবে চান নিজের জীবনে? তার প্রতি যদি আপনার চ’রম দু’র্বলতা থাকে তবুও তাকে নিয়ে অধিক ভাববেন না। নিজের জীবন, কাজ ই’ত্যাদিকেও প্রাধান্য দিন। মনে রাখবেন পুরু’ষরা স্বাধীনচেতা ম’হিলাদের বিশেষ স’ম্মানের চোখে দেখেন।

তাই মনের মানুষটির স’ঙ্গে যদি কথা হয়, তাও বোঝাবেন না যে আপনি তার স’ঙ্গেই নিজের ভবি’ষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। সাধারণ বন্ধুত্ব বজায় রাখু’ন। তাকে নিজের অ’নুভূতি আসতে আসতে বোঝান। কিন্তু নিজের ভালোলাগা তার উপর চা’পিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা করবেন না।

৩. নিজেকে ভালোবাসুন : একটা কথা মনে রাখবেন যদি ভালোবাসা শাশ্বত হয়, তবে অ’বশ্যই প্রয়োজনে ভালোবাসার মানুষের জন্য সাগর পাড়ি দিন। কি’ন্তু যদি সেই ভালোলাগা কয়েকটি ডেটের জন্য সী’মাবদ্ধ হয়, তবে ভেবে দেখু’ন অ’কারণ খাটবেন কি না বেশি ভাববেন না : পুরু’ষকে নিয়ে বেশি ভাববেন না।

সু’খবর! মাত্র ২৫৪টাকাতে বাংলাদেশে পাওয়া যাবে ক’রোনা ভ্যাকসিন

0

ম’হামা’রী ক’রোনাভা’ইরাসেের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স—এ দু’টির কোনো একটি সফল হলেই টিকার ডোজ পাবে বাংলাদেশও। বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে টিকার ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সু’খবর দিয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে গ্যাভি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর টিকার ১০ কোটি ডোজ উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।

চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের ক’রোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ‘কোভ্যাক্স অ্যাডভান্স মার্কেট কমিটমেন্ট (এএমসি)’ কাঠামোর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার (প্রায় ২৫৪ টাকা)।

উল্লেখ্য, ক’রোনার টিকা উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের স’ঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হলে ওই দেশ দুটির শুরুতেই টিকা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের স’ঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য ন্যায্যভাবে টিকা পাওয়ার কথা বললেও তা কার্যকরে এত দিন দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা ছিল না। গত শুক্রবার টিকাবি’ষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও টিকা পৌঁছার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁ’কিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রো’গ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। ক’রোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’

তিনি বলেন, ‘যদি ধ’নী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ ম’হামা’রিতে বি’পর্যস্ত হতে থাকবে। এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধ’নী দেশ নয়, সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’

গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে। আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে এএমসির আওতায় থাকা ৯২টি (গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭ দেশসহ) দেশই তা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।