Home Blog Page 2

যৌ’বন থাকবে আজীবন যদি মাত্র ১ বার ব্যবহার করেন

0

সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ না’রীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু।দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক।

আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা,যে জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌ’বনের নিশ্চয়তা। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফে’লে দিন। গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শ’ক্ত হয়ে যাবে।

এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দু’ধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।যৌ’বন কি ?অনেকেই ভেবে থাকেন যৌ’বন হচ্ছে মৌবন, কাঁটাবন, সুন্দরবন ইত্যাদির মত একধরণের বন-জঙ্গল । আসলেই কি তাই ?এ বি’ষয়ে আসলে নানা মুনি – ঋষীর নানা মত –* মহামতি মমতাজের অভিমত , ‘যৌ’বন একটি গোল্ডিফ সিগারেট’….

* বিশিষ্ট বলিউড স্পেশালিষ্ট জেমসের মতে , যৌ’বন এমন একটা জিনিস যা নূরজাহানের আঁচলের তলায় থাকে, যেটাকে আবার উঠানে শুকানো যায় … তাই তিনি উদাত্ত গ’লায় গেয়েছিলেন –প্রেমের কাব্য লিখে সূচ সূতায় আচলের যৌ’বন উঠানে শুকায় …হারাগাছের নুর জাহান ,গাঙের জলে করে স্নান “…

হেলাল হাফিজের মতে ,যৌ’বন মানবজীবনের একটা সুনির্দিষ্ট সময় ,যে সময়ে যু’দ্ধে যাইতে হয় …*নচিকেতার মতে, আজ যৌ’বন যার নাম – কাল সে তো বুড়ো ভাম……*কড়া দার্শনিকদের মতে ,যৌ’বন হচ্ছে মানবজীবনের একটা বিশেষ সময়কাল ,যে কালটা স্রেফ সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই না !

দীর্ঘদিন যৌ’বন ধরে রাখা যায় কিভাবে? দীর্ঘদিন চেহারায় তারুন্য থাকবে কি করলে?দীর্ঘ দিন তারন্য দরে রাখা অসম্ভব কিছুই নয়।চেষ্টা করেই দেখু’ন খাবারের তালিকায় টমেটো রাখু’ন। নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস বর্তমান ব’য়স থেকে কম ব’য়সী দেখায় স’ঙ্গীর স’ঙ্গে শা’রীরিক এবং মা’নসিক সুসম্প’র্ক থাকলে ব’য়স অনেক কম দেখায় প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন চকলেট পছন্দ করেন?

প্রতিদিন চকলেট খেলে ব’য়স কম দেখাবে• মন খুলে হাসতে পারলে আয়ু বাড়ে প্রতিদিন ফল খাওয়ার অভ্যাস করু প্রচুর পানি পান করতে হবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন• ভিটামিন জাতীয় খাবার প্রচুর পরিমাণে খেলে ব’য়স কম দেথায় সুন্দর হাসির জন্য প্রয়োজন সুস্থ দাঁত।

দাঁতের সঠিক যত্ন নিলে ব’য়স কম দেখাবে সকালে নিয়মিত সকালের নাস্তা খান রাতে খুব ভালো ঘুম আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে নিয়মিত যে কোনো ধরনের বাদাম আমাদের ত্বক সজীব রাখে• দুশ্চিন্তা এবং হতাশা আমাদের জীবনী শ’ক্তি কমিয়ে দেয়। আর ব’য়সের তুলনায় আমাদের বুড়ো দেখায়।

তরিকুলের স্বপ্ন পূরণ, এবার মাস্ক বিক্রি করবে সাইকেলে চড়ে

0

সাতক্ষীরা শহরের জজকোর্ট চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মাস্ক বিক্রি করে ৯ বছরের শি’শু তরিকুল ইসলাম। বাবার রোজগারের পাশাপাশি মাস্ক বিক্রির লাভের টাকায় চলে তার পরিবার।

বাবার কাছে দীর্ঘদিন একটি বাইসাইকেল দাবিকরলেও পরিবারের আর্থিক অভাব অনটনের কারণে সেটি দিতে পারেননি তরিকুলের বাবা। তার স্বপ্ন এবার পূরণ হয়েছে। হৃদয়বান এক ব্যক্তির (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) টাকায় তরিকুলকে দেয়া হয়েছে একটি বাইসাইকেল।

সম্প্রতি তরিকুল ইসলামের মাস্ক বিক্রি ও পরিবারের কথা তুলে ধরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজে ‘মাস্ক বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে ৯ বছরের তরিকুল’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এছাড়া সংবাদটি প্রকাশ পায় বিভিন্ন গণমাধ্যমেও।

সংবাদটি দেখার পর সাইকেল কিনতে টাকা পাঠান ওই ব্যক্তি। সেই টাকায় সোমবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় তরিকুলের হাতে একটি বাইসাইকেল তুলে দেয়া হয়।

অবশিষ্ট টাকা দেয়া হয়েছে তার পরিবারের কাছে।তরিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা শহরের মধুমল্লার’ডাঙ্গী এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। সাইকেলটি পাওয়ার পর আ’নন্দিত তরিকুল বলে, ‘আমার স্বপ্ন ছিল একটি বাইসাইকেলের।

বাবাকে বলেছি অনেকবার তবে দিতে পারেননি। আমাকে যে ভাইয়া সাইকেলটি দিয়েছেন তাকে ধ’ন্যবাদ জানাই। এবার আমি সাইকেল চা’লিয়ে মাস্ক বিক্রি করতে পারব।’সে আরও বলে, প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকার মাস্ক বিক্রি করি। এখন বিক্রি আরও বেশি হবে।

শি’শু তরিকুলের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অ’সুস্থ মানুষ। এখন ঠিকমতো ভ্যানও চালাতে পারি না। তবে তরিকুল মাস্ক বিক্রি করে লাভের টাকা মায়ের হাতে দেয়।

সংসারের খরচের কাজে লাগে। অভাবী হওয়ায় ছেলেটা একটা সাইকেল আবদার করলেও সেটি পূরণ করতে পারিনি।’প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম বলেন, তরিকুল খুব ভালো ছেলে। কখনো কারও স’ঙ্গে ঝ’গড়া করেনি। বড়দের সম্মান দিয়ে চলাফেরা করে। ছোট হলেও অনেক কিছু বোঝে। সবাই তাকে স্নেহ করে।

সাইকেলটি তরিকুল ইসলামকে তুলে দেয়ার সময় শ্যামনগর খাদ্যগুদামের ভারপ্রা’প্ত কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, সাংবাদিকআকরামুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম শুভ, আবু সাঈদ সরদার, জিয়াউর রহমান, রিয়াজ, আলিফসহ শি’শুটির পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলেন।

হেরে যাওয়ার পর কান ধরে পুকুরে ডুব দিয়ে আর ভোট না করার প্রতিজ্ঞা

0

মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পুকুরে কান ধরে ডুব দিয়ে নির্বাচন না করার প্রতিজ্ঞা করেছেন কাউন্সিলর প্রার্থী মকলেছুর রহমান।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি ওয়ার্ডের লোকজনকে ডেকে পুকুরে নেমে কান ধরে ডুব দিয়ে ভবি’ষ্যতে আর নির্বাচনে না করার প্রতিজ্ঞা করেন।

মকলেছুর রহমান জানান, দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের লোকজন তাকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য বলেন।

যারা নির্বাচনে দাঁড়াতে উৎসাহ দিয়েছিলেন তারাই তাকে ভোট দেননি। এ কারণে তিনি আর কোনদিন নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানান।

উল্লেখ্য, শনিবার (১৬ জানুয়ারি) গাংনী পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মেয়র পদে পাঁচ ও কাউন্সিলর পদে ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্ব’ন্দ্বিতা করেন। তবে নির্বাচনে মোকলেছুর পান মাত্র ১২৫ ভোট।

জমি চাষ করতে গিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা মূ’ল্যের হীরে কুড়িয়ে পেলেন কৃষক!

0

জমি চাষ করতে গিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা মূ’ল্যের হীরে কুড়িয়ে পেলেন এই কৃষক- ৬০ লক্ষ টাকার হিরে এল চাষির ঘরে। জমি চাষ করতে গিয়েই হিরে খুঁজে পান চাষী। ঘ’টনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের কুরনুল জে’লার গো’লা’ভানেপ’ল্লী গ্রামে। প্রত্যেক দিনের মতই জমিতে চাষ করতে

গিয়েছিলেন ওই চাষী। হঠাৎই জমিতে নুড়িপাথর পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। দেখতে পেয়ে চক্ষু চড়কগাছ। স’ন্দে’হ ‘হতেই ওই নুড়ি পাথর সংগ্রহ করে তড়িঘড়ি গয়নার দোকানে ছুটে যান ওই ব্যক্তি। পাথরটি পরীক্ষা করেই অবাক হয়ে যান গহনার দোকানের মালিক। চকচকে নুড়ি

পাথর টি আর কিছুই নয়, একদম ‘খাঁটি হী’রে।হী’রের আনুমা’নিক বাজার দর প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি, এমনটাই জানিয়েছেন গয়নার দোকানের মালিক। আল্লাহ বক্স নামের স্থানীয় এক হিরে ব্যব’সায়ী ও কৃষকের কাছ থেকে হিরে টি কিনে নেন। পরিবর্তে কৃষক থেকে ওই হিরে ব্যবসায়ী ১৩.৫ লক্ষ টাকা ও পাঁচ ‘তোলা সোনা দেন।

অ’ভিজ্ঞ জহুরী দিয়ে পালিশ করে চকচকে করে তুলে হীরেটির বাজারদর আনুমা’নিক প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘হতে পারে বলে জানিয়েছেন আল্লাহ বক্স নামের ওই হিরে ব্যবসা’য়ী।অ’ভিজ্ঞ কারি’গর দিয়ে হিরেতি কে’টে পালিশ করলে তবেই মিলবে হিরের আসল দাম।হিরো টির

আকার রং সম্প’র্কে এখনো পর্যন্ত পরিষ্কা’রভাবে কিছুই জানাননি ওই হিরে ব্যবসায়ী। সমগ্র ঘ’টনাটি সম্প’র্কে কার্যতঃ সকলেই ‘হতবাক। এই বছরেই ১২ জুন ভে’ড়া চড়াতে গিয়ে এক ভেড়া পালক জন্নাগিরি গ্রামে ভেড়া চড়াতে বেরিয়ে হীরে খুঁজে পান ।

ওই ব্যক্তির খুঁজে পা’ওয়া হিরে’টির বর্তমান বাজার দর প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। ওই ভেড়া পালক হীরেটি ২০ লক্ষ টাকায় জনৈক হীরে ব্যবসায়ী কে বিক্রি করে দেন।অন্ধপ্রদেশের কুরনুল জে’লার গো’লাভানেপল্লী অঞ্চলে হীরে পাওয়ার ঘ’টনা নতুন কিছু ঘ’টনা নয়।

আগেও এমনই হবে বেশ কয়েকজন মানুষ হিরে খুঁজে পেয়েছিলেন ওই অঞ্চলে।কুরনুল জে’লা এবং তৎসংল’গ্ন অঞ্চলগু’লিতে ক্ষেত, নদীর পাড় থেকে ইতিপূর্বে হীরে পাওয়া গেছে। তু’ঙ্গভদ্রা ও হুন্ডরী নদীর আশেপাশে তাঁবু খাটিয়ে থাকতে শুরু করেন অনেকেই।মূ’লত বর্ষা কালী তারা এমনটা করেন। আকাঙ্ক্ষা একটাই, ফিরে পাওয়া। বর্ষায় কাদা-জলে বাল এর মাধ্যমে ভেসে আসা হিরে সংগ্রহের জন্য তারা বর্ষায় তাঁবু খাটিয়ে ক’ষ্ট করে হলেও দিনযাপন করেন

‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমি সবসময় কাঁদি’

0

নিজের ব’য়স ঠিকমত বলতে পারেন না বৃ’দ্ধ ছাবের আলী। এক ছেলে ও চার মে’য়ে। অনেক ক’ষ্টে ছেলে মে’য়েদের বড় করে বিয়ে দিয়েছে।

ছেলেকে আলাদা করে দিয়ে স্ত্রী’কে নিয়ে তিনি থাকেন স’রকারি জমিতে তোলা খড়ের ছাউনি দিয়ে ঘেরা কুড়ে ঘরে। ঝড় বৃষ্টি এবং কনকনে শীতও স্বা’মী-স্ত্রী’কে রাত্রীযাপন করতে হয় এই কুড়ে ঘরে।

অনেক সময় প্রবল ঝড়-বাতাসে তাদের ঘরের টিন উড়িয়ে নিয়ে চলে গেছে। ঘরে ভিতরে থাকা বুড়ো-বুড়ির বৃষ্টিতে সমস্ত শ’রীর ভিজে গেছে। তাদের করার কিছুই ছিলো না। যাবার মত কোন স্থান ছিলো না।

তাদের কুড়ে ঘর কখনো বিদ্যুৎতের আলোর মুখ দেখেনি। প্রকৃতির কাজ সারতে যেতে হয় খোলা আকাশের নিচে। অনেক ক’ষ্টে তাদেরকে জীবন যাপন করতে হয়।

বলছিলাম দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজে’লার ৬ নম্বর রনগাঁও ইউনিয়নের কনুয়া গ্রামের আললদিয়া পুকুরপাড়ে স’রকারি জমিতে কুড়ে ঘর তুলে বসবাস করতে থাকা বৃ’দ্ধ ছাবের আলীর কথা। বৃ’দ্ধ ছাবের আলী বলেন,

‘একদিন সকালবেলা হামার এইখানে ইউএনও সাহেবকে দেখে চমকি গেছে বা। হামাক কৈইল দাঁড়াও। বুড়া বুড়ির ফোট তুলে নিল। ফোট তুলার পর কহিনো কি হবে ব্যাপার কি। বলল ঘর হবে। শুনে খুবেই আন্দন লাগিছে বা।

কোনদি ধারণা করিবা পারি নাই। প্রধানমন্ত্রী হামাক বাড়ী দিবে।’ প্রধানমন্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমার মন কি কহেছে। উপরে আল্লাহ জানে আর আমি জানি। ওনার জন্য আমি সবসময় কাঁদি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি। আল্লাহ যেনো ওনাক অনেকদি বাঁচায় রাখক।’

বোচাগঞ্জ উপজে’লা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স’রকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ছয় ইউনিয়নের ৪৩০ টি গৃহ নির্মাণ করা হচ্ছে। ব’য়স্ক ৪৪ জন, দিনমজুর ২৩৫ জন, মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ৩ জন, বিধবা ৩০ জন,

প্রতিব’ন্ধী ১২ জন, ভিক্ষুক ২৭ জন, ক্ষুদ্র – নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী ৭৮ জন এবং তৃতীয়লি*ঙ্গ ১ জন সর্বমোট ৪৩০ জন পরিবার মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়স্থল হিসেবে অ’সহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাই হচ্ছে।

বোচাগঞ্জ উপজে’লা নির্বাহী অফিসার ছন্দা পাল জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়স্থল হিসেবে অ’সহায় ভূমিহীন ও গৃহহীদের গৃহ দিচ্ছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশের ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আমার উপজে’লায় ৪৩০ টি গৃহ নির্মাণ হচ্ছে। প্রকৃত অ’সহায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা করা হয়েছে।

নিজের স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ল স্ত্রী অ’তঃপর

0

দূরে সরে যাওয়ার চে’ষ্টা করছো। তোমার আর ক’ষ্ট করা লাগবেনা। আমি ই তোমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। ভালো থেকো তুমি।

একদিন এক স্ত্রী তার স্বা’মীকে প’রীক্ষা করার জন্য সি’দ্ধান্ত নিলো।স্বা’মীর ঘরে ঢোকার শব্দ পেয়ে স্ত্রী খাটের নিচে লুকিয়ে পরল।

পা শেই একটা টেবিলে একটা চিরকুট দেখতে পেয়ে ভ’দ্রলোকটি পড়তে শুরু করলেন।

স্ত্রী: তুমি এখন আর আমার কেয়ার নাওনা ভালোবাসোনা সময় দাওনা মনে হচ্ছে তোমার জীবনে অন্য কোনো মে’য়ের আগমন ঘটেছে ।

চিড়কুট টি পড়ার পড়ে স্বা’মী পকেট থেকে ফোন বের করে কানে দিয়ে ই বলতে শুরু করল জানু আপদটা বিদায় হয়েছে এখন রিলাক্সে থাকতে পারব।

আমি এখন ই আসছি তোমার সাথে দেখা করতে।এসব বলে ফোনটা কে’টে দিয়ে ড্রেস চে’ইঞ্জ করে রুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল। এসব শু’নতে শু’নতে স্ত্রী মুখ চে’পে কা’ন্না করতে লাগলেন।

স্বা’মী চলে যাওয়ার পরে বিছু’ক্ষণ পরে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে এলেন।খাটের উপর একটি চিড়কুট পেলে লেখাটা পড়ে অবাক হয়ে গেলেন।তাতে লেখা ছিলো পা’গলী বউ একটা।

খাটের নিচে তোমার পা গু’লো দেখা যা’চ্ছিল্লো আমি তো তোমার জন্য ই কা’জকর্মে যাই তোমার সু’খের জন্য ই তো এত ক’ষ্ট করি। তবু তুমি ভু’ল বুঝো।আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।

আমি কাউকে ই ফোন করিনি। বাজার থেকে মাংস আনতে যা’চ্ছি তুমি খাবার রেডি করতে থাকো তারপর একসাথে বসে খাবো কেমন।আমার পা’গলী একটা। উ’ম্মাহ্

বি’বাহিত পু’রুষদের লিখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল..
তাই প’ছন্দের মানুষের মন জয় করতে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।

প্রথমে ভালোবাসার মানুষটির চোখকে আ’কৃষ্ট করুন। তারপর নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে তার মন জয় করুন।

অপর কোনো ব্যক্তিকে আপনি তখনই ভালোবাসতে পারবেন যখন আপনি নিজে স’ম্পূর্ণ ভালোবাসতে পারবেন। তাই আগে নিজেকে ভালোবাসুন।

নিজের মতো করে সময় কা’টান। ব’ন্ধুদের স’ঙ্গে ঘুরতে যান। ভালোবাসার মানুষটিকে গুরুত্ব অ’বশ্যই দিন। কিন্তু তাকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে ফেলবেন না।

তাই এই প্র’তিবেদনে এমনকিছু টিপস রইল যা আপনার স’ঙ্গীর আপনার প্রতি আ’কর্ষণ বাড়াবে এবং আপনি নি’জস্বতাও হারাবেন না। আক’র্ষনীয় হয়ে উঠুন : মন এবং শ’রীর, উভ’য় মিলেই মানুষ।

মনের স’ঙ্গে শ’রীরকেও প্রাধান্য দিন। নিজেকে ফি’ট রাখু’ন। নিজেকে আরো আ’কর্ষণীয় করে তোলার চে’ষ্টা করুন।

নিজের সাজ-পোশাক এবং ব্য’ক্তিত্বের ও’পর নজর রাখু’ন। পু’রুষকে না’রীর সৌ’ন্দর্য প্রাথমিকভাবে ‘আকর্ষণ করে।

মানুষকে নিজের প্রতি আ’কর্ষিত করার তেমন কোনো রু’লবুক নেই। কারণ ভিন্ন মানুষ ভি’ন্ন ভাবনার হন।তাদের পছন্দ অ’পছন্দের তালিকাও হয় ভিন্ন। কিন্তু পু’রুষের কিছু সহজাত ভালোলাগা এরপরেও থেকে যায়।

আর তার ভিত্তিতেই মন জয় করা যায় পু’রুষের কী সেই উপায়? হাজার রকম উপায় বাতলে দেওয়া যায় বটে এসব ক্ষেত্রে।

কি’ন্তু এমন কোনো উপায় অ’বলম্বন করবে না যাতে আপনার স’ঙ্গীকে খুশি করতে গিয়ে নিজেদের সেই প্র’ক্রিয়ায় হারিয়ে ফে’লেন।

অন্য মানুষের স’ঙ্গেও মে’লামেশা করুন। সামাজিকতা বজায় রাখলে আপনার নিজস্বতাও বজায় থাকবে। ৪. স’ম্পর্কের গুরুত্ব বুঝে নিন : এবার ভেবে দেখু’ন যাকে মনে ধরেছে তাকে কেমনভাবে চান নিজের জীবনে?

তার প্রতি যদি আপনার চ’রম দু’র্বলতা থাকে তবুও তাকে নিয়ে অধিক ভাববেন না। নিজের জীবন, কাজ ই’ত্যাদিকেও প্রাধান্য দিন। মনে রাখবেন পুরু’ষরা স্বাধীনচেতা ম’হিলাদের বিশেষ স’ম্মানের চোখে দেখেন।

তাই মনের মানুষটির স’ঙ্গে যদি কথা হয়, তাও বোঝাবেন না যে আপনি তার স’ঙ্গেই নিজের ভবি’ষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। সাধারণ বন্ধুত্ব বজায় রাখু’ন। তাকে নিজের অ’নুভূতি আসতে আসতে বোঝান। কিন্তু নিজের ভালোলাগা তার উপর চা’পিয়ে দেওয়ার চে’ষ্টা করবেন না। ৩. নিজেকে ভালোবাসুন : একটা কথা মনে রাখবেন যদি ভালোবাসা শাশ্বত হয়,

তবে অ’বশ্যই প্রয়োজনে ভালোবাসার মানুষের জন্য সাগর পাড়ি দিন। কি’ন্তু যদি সেই ভালোলাগা কয়েকটি ডেটের জন্য সী’মাবদ্ধ হয়,

তবে ভেবে দেখু’ন অ’কারণ খাটবেন কি না বেশি ভাববেন না : পুরু’ষকে নিয়ে বেশি ভাববেন না। যদি আপনার কাছে আমাদের লিখাটি ভাল লাগে তাহলে প্লিজ শেয়ার করে দিন।

বান্ধবীকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার ফ্ল্যাট ‘উপহার’ দেন পিকে হালদার

0

প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আ;ত্ম;সাতের অভিযো;গ মাথায় নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয়া ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) বান্ধবী অবন্তিকা বড়ালকে ধানমন্ডিতে চার কোটি ৩৫ লাখ টাকার বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছিলেন।

দু’র্নীতি দ’মন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে এ ত’থ্য উঠে এসেছে। গত ১৩ জানুয়ারি পিকে হালদার সংশ্লিষ্টতায় বিভিন্ন অ’বৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ অবন্তিকা বড়ালকে গ্রে’ফতার করে দুদক।জানা গেছে,

২০১৬ সালে চার কোটি ৩৫ লাখ টাকায় ধানমন্ডির ১০নং রোডে প্রায় তিন হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কিনে অবান্তিকাকে উপহান দেন পিকে হালদার। বিল্ডিং টেকনোলজি অ্যান্ড আইডিয়াস লিমিটেড (বিটিআই) থেকে ক্রয়

করা ফ্ল্যাটটির মূ’ল্য পরিশোধ হয় নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে। পুরো অর্থই আসে পিকে হালদারের বিভিন্ন হিসাব থেকে। পিকে হালদারের সু’খাদা লিমিটেড ও হাল ইন্টারন্যাশনাল নামে দুটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সেখানে গ্রে’ফতার অবন্তিকা বড়ালের বিনিয়োগ আছে।এ বি’ষয়ে দুদক স’চিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, পিকে হালদারের ইস্যুটা অনেক বড়। বিভিন্ন জনের মাধ্যমে তার বিভিন্ন দিকে সূত্র আছে। ইতোমধ্যে অনেককে জিজ্ঞা;সাবাদ করা হয়েছে। মো’টামুটি ৬২ জনের স’ঙ্গে পিকে

হালদারের যুক্ততা পাওয়া গেছে। এসব ত’থ্য আমাদের ত’দন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিভিন্ন ব্যাংকে রাখা পিকে হালদারের প্রায় এক হাজার ৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে।কে এই অবান্তিকা বড়াল?

পিকে হালদারের ঘনিষ্ঠজন শংখ বেপারীকে জি’জ্ঞাসাবাদে অবান্তিকা বড়াল বি’ষয়ে ত’থ্য বের হয়ে আসে। এরপরই তার বি’ষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়। অবান্তিকা ও পিকে হালদার উভ’য়ের বাড়ি পিরোজপুর।

পিকে হালদারের বাড়ি জে’লার নাজিরপুরের দিঘিরজান গ্রামে। এলাকার মে’য়ে হিসেবে অবান্তিকার স’ঙ্গে পরিচয় তার। অবন্তিকার বাবা ছিলেন কলেজশিক্ষক। তিনি মা’রা হওয়ার পর অবন্তিকা ও তার পরিবার জে’লা শহর ছেড়ে ঢাকায় চলেআসেন।

এরপরই অবন্তিকার স’ঙ্গে পিকে হালদারের ঘনিষ্টতা হয়। পিকে হালদারের কাছ থেকে অনেক সুবিধা নিয়েছেন তিনি। একইভাবে নিজের অ;বৈ;ধ সম্পদ আড়াল করেছেন এই অবন্তিকার মাধ্যমে।

পিকে হালদারের অ;র্থ;পা;চার ও প্রতা;রণার মা;ম;লা;য় সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রে;ফ;তার অবন্তিকা বড়াল বর্তমানে কারা;গারে আছেন। ইতোমধ্যে তার তিন দিনের রি;মা;ন্ড মঞ্জুর করেছেন আ’দালত।

চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিনতাকে রি’মান্ডে জি’জ্ঞাসাবাদ করবে ত’দন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল।

সবাইকে অবাক করে টেস্ট দলে ডাক পেল আশরাফুল-নাসির

0

বাংলাদেশের ক্রিকে’টের এই অবস্থায় আসতে অনেক কাট খড় পুড়াতে হয়েছে। অবদান রয়েছে বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেটারের যাদের নাম হয় আমরা ভু’লতে বসেছি। কিন্ত ইএসপিএনক্রিকইনফো এখনো ভু’লেনি।

একসময় ছিলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। ফিক্সিং কাণ্ড প্রমাণিত হওয়ায় একবার জায়গা হা’রানোর পর আর প্রত্যাবর্তন হয়নি জাতীয় দলে। তবে এখনো অনেকে মোহাম্ম’দ আশরাফুলকে দেশের অন্যতম বড় ক্রিকেট তারকা ভাবেন। সেই আশরাফুল রয়েছেন ইএসপিএনক্রিকইনফোর বাছাইকৃত বাংলাদেশের ‘ড্রিম ইলেভেন’ বা স্বপ্নের একাদশে।

আশরাফুল ছাড়াও একাদশে বড় চমক নাসির হোসেনের অন্তর্ভুক্তি। জাতীয় দলের হয়ে খেলা এই ক্রিকেটার এখন ঘরোয়া ক্রিকে’টেও ঠিকঠাক সুযোগ পান না। তবে যখন জাতীয় দলে খেলেছে, প্রবল প্রতাপের স’ঙ্গেই নিজের জায়গা আঁকড়ে ছিলেন। তাকে ভাবা হত বাংলাদেশের সেরা ফিনিশার। সেই নাসির জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ইএসক্রিকইনফোর একাদশে রয়েছে তার নাম।

বাছাইকৃত একাদশের অধিনায়ক হিসেবে রাখা হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে, যার হাত ধরে একদিনের ক্রিকে’টে অভাবনীয় উন্নতি করে বাংলাদেশ। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে আছেন মুশফিকুর রহিম। পঞ্চপাণ্ডবের বাকি তিন সদস্য তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও আছেন একাদশে।

বর্তমান জাতীয় দলের তারকা ব্যাটসম্যান লিটন দাস আছেন একাদশে, যিনি ব্যাটিং ওপেনিংয়ে তামিমের স’ঙ্গী। পেসারদের মধ্যে মাশরাফি ছাড়াও আছেন মুস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন। স্পেশালিষ্ট স্পিনার হিসেবে আছেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই স্পিনার মোহাম্ম’দ রফিক ও আব্দুর রাজ্জাক।

একনজরে ইএসপিএনক্রিকইনফোর ড্রিম বাংলাদেশ একাদশ

তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মোহাম্ম’দ আশরাফুল, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), মোহাম্ম’দ রফিক, আব্দুর রাজ্জাক, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।

এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ হবেঃ দেখেনিন যেভাবে জানতে পারবেন আপনার এইচএসসির ফলাফল

0

২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ফল প্রকাশের দিন ঘরে বসেই তা সংগ্রহ করা যাবে। বৃহস্পতিবার টেলিটক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করার আহ্বান জানিয়েছে।

২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলের প্রি-রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ঘরে বসে ফল পেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে। প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডর নাম রোল লিলে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে 16222 নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। [HSCBord NameRollYear]

এর আগে ২৯ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা না নিয়ে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করতে আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই অধ্যাদেশ জারির সম্ভাবনা রয়েছে।

ম’হামা’রির কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এখন পরীক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি এই দুই পরীক্ষার ফলের গড় করে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে।

জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে ফল ঘোষিত হবে। অদ্যাদেশ জারির পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেয়া হবে।

আবারো দুঃসংবাদঃ ফের ছুটি বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

আবারো করো’না পরিস্থিতির কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বেড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ত’থ্য ও জনসংযোগ কর্মক’র্তা এম এ খায়ের এ ত’থ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মা’র্চ প্রথম করো’না রো’গী শনাক্তের পর ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

এর আগে করো’নার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী করো’না মহামা’রির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। আজ সেটি আরও এক দফা বাড়িয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

আবারো দুঃসংবাদঃ ফের ছুটি বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের

0

আবারো করো’না পরিস্থিতির কারণে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বেড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কওমি মাদ্রাসা এই ছুটির আওতায় থাকবে না।

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ত’থ্য ও জনসংযোগ কর্মক’র্তা এম এ খায়ের এ ত’থ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান ছুটি আবার বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদ্রাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।’

বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মা’র্চ প্রথম করো’না রো’গী শনাক্তের পর ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

এর আগে করো’নার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী করো’না মহামা’রির কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়। আজ সেটি আরও এক দফা বাড়িয়ে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ হবেঃ দেখেনিন যেভাবে জানতে পারবেন আপনার এইচএসসির ফলাফল

২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ফল প্রকাশের দিন ঘরে বসেই তা সংগ্রহ করা যাবে। বৃহস্পতিবার টেলিটক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করার আহ্বান জানিয়েছে।

২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলের প্রি-রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ঘরে বসে ফল পেতে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে। প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডর নাম রোল লিলে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে 16222 নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। [HSCBord NameRollYear]

এর আগে ২৯ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা না নিয়ে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করতে আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই অধ্যাদেশ জারির সম্ভাবনা রয়েছে।

ম’হামা’রির কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এখন পরীক্ষার্থীদের জেএসসি ও এসএসসি এই দুই পরীক্ষার ফলের গড় করে এইচএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে।

জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে ফল ঘোষিত হবে। অদ্যাদেশ জারির পর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেয়া হবে।