| news | Page 2
Home Blog Page 2

মুরগির খাঁচায় বাড়ি ফিরছে মানুষ

0

কোভিড-১৯ ম’হামা’রি বিধ্বং’সী রূপ নিয়েছে গোটাবিশ্বে। তালিকায় বাদ নেই বাংলাদেশও। চলছে ক’রোনার দ্বিতীয় ঢেউ। রোজ অসংখ্য মানুষ আ’ক্রান্ত হচ্ছেন,

মা’রা যাচ্ছেন। আজ থেকে আগামী ২১শে এপ্রিল পর্যন্ত চলাচলে বিধিনি’ষেধ অর্থাৎ ক’ঠোর লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স’রকার।

এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া স’রকারি-বেস’রকারি সব অফিস এবং গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তাই মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে নিজ নিজ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।

এ সুযোগে পরিবহন শ্র’মিকরাও তিন গুণ ভাড়া বেশি নিচ্ছেন। ভাঁড়া বাঁচাতে এবং বাড়ি ফেরার তাগিদে কেউ কেউ বা’ধ্য হয়ে ট্রাকে,

ছোট পিকআপভ্যানে আবার অনেকে জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে মুরগি বহন করা খাঁচায় যার যার গন্তব্যে ছুটছেন। গত সোমবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সরজমিন এমন চিত্রই দেখা গেছে।

এ সময় আফজাল হোসেন নামক এক ব্যক্তি জানান, তিনিসহ ৮-৯ জন ঢাকার একটি বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ক’রোনার কারণে সাতদিনের ক’ঠোর লকডাউন ঘোষণা দেয়ায় তারা নিজ বাড়ি বগুড়ায় যাবেন।

তাই তারা গাড়ির জন্য মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন বাসে অর্ধেক যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আবার ভাড়াও তিন থেকে চার গুণ বেশি।

তাই তারা একপর্যায় অনেকটা বা’ধ্য হয়ে সিরাজগঞ্জের একটি মুরগির বাচ্চা বহনকারী পিকআপভ্যানে জনপ্রতি ১২০ টাকা করে ঠিক করে গন্তব্যে রওনা হয়েছেন।

উল্লেখ্য, “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বং’স করা যায়, কিন্তু হা’রানো বা থামানো যায় না।” এত চলাচলে বিধিনি’ষেধ থাকা সত্যেও বাড়ি ফেরার তাগিদে কেউ কেউ বা’ধ্য হয়ে ট্রাকে, ছোট পিকআপভ্যানে আবার অনেকে জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে মুরগি বহন করা খাঁচায় যার যার গন্তব্যে ছুটছেন একটু শান্তিতে বাঁচার জন্য।

বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়া সেই মে’য়েটি আজ মেডিকেল শিক্ষার্থী

0

সবে মাত্র অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতী। তার নানা অ’সুস্থ। তাই নাতনীকে বিয়ে দিয়ে নাতনী জামাইয়ের মুখ দেখে ম’রা ই’চ্ছা তার। প্রাথমিকে মেধাবৃত্তি পাওয়া জান্নাতী অষ্টম শ্রেণিতে থাকা অবস্থাতেই তার নানা-নানি প্রবাসী এক পাত্রের স’ঙ্গে বাল্যবিয়ে ঠিক করেন জান্নাতীর।

এ বিয়েতে জান্নাতীর মায়েরও মত ছিল। কিন্তু বিয়েতে অমত জানালেন জান্নাতী নিজেই। ঘ’টনার কয়েক মাস পরই শুরু হয় জেএসসি পরীক্ষা। এবারও তার মেধাবৃত্তি অর্জন সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়। তবে তার জেএসসির এই সফলতার পর অন্য কোনো আত্মীয়-স্বজন আর বিয়ের প্রস্তাব দেয়নি।

জান্নাতী আলমডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং আলমডাঙ্গা স’রকারি কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করেন। উভ’য় পরীক্ষাতেই জিপিএ-৫ অর্জন করেন জান্নাতী।

আশ্চর্যের বি’ষয় হলো দরিদ্র পরিবারের এই অদম্য মে’য়ে জান্নাতী মেডিকেলে উত্তীর্ণ হয়েছে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস-এ ভর্তির যোগ্যতা লাভ করেছেন তিনি।

মার্কেট থেকে প্যান্ট চু’রি করে বিপাকে ছাত্রলীগ নেতা (ভিডিও)

0

মার্কে’টের শো-রুম থেকে প্যান্ট চু’রি করে ভেগে গিয়ে ভেবেছিলেন কেউ দেখেনি। কিন্তু, মানুষ না দেখলেও দেখে ফে’লেছিল সিসিটিভি ক্যামেরা। আর তাতেই ধরা খেলেন রাজশাহীর তানোরের এক ছাত্রলীগ নেতা।

তবে শা’স্তি বেশি হয়নি, দোষ স্বীকার করায় ৩২০ টাকা জরিমানা গুণে রক্ষা পেয়েছেন। শনিবার (১০ এপ্রিল) তানোরের গোল্লাপাড়া বাজারের প্রদিপ সুপার মার্কে’টে এ চু’রির ঘ’টনা ঘটে।

অ’ভিযুক্ত ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মিজানুর রহমান ওরফে জুয়েল রানা। তিনি রাজশাহী জে’লা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। আর ঘ’টনাটি ঘটেছে রাজশাহীর তানোর উপজে’লার গোল্লাপাড়া বাজারের প্রদ্বীপ সুপার মার্কে’টে।

অভিযোগ উঠেছে, জুয়েল রানা ওই মার্কে’টের গার্মেন্ট ব্যবসায়ী প্রসেনজিৎ এর দোকান থেকে প্যান্ট চু’রি করেন। চু’রির একদিন পরে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরে বি’ষয়টি। ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল রানা বলেন,

আমি প্যান্টটা চু’রি করিনি। মজা করেছি। সন্ধ্যায় মজা করে-সকালে ওই প্যান্ট পরে এসে টাকা দিয়ে দিয়েছি। একজন অপরিচত মানুষ আমাকে মার্কে’টের পেছনে পানের সাথে ঘুমের ও’ষুধ খাওয়ায়। এরপর থেকে আমি আর কথা বলতে পারিনি। নে’শা নে’শা লাগছিল। বি’ষয়টি অনেকেই জেনে যাবে তাই, কোনো কথা না বলে প্যান্টটা নিয়ে যাই।

আর গার্মেন্ট ব্যবসায়ী প্রসেনজিৎ জানান, শনিবার বিকেলের পর প্যান্টটা চু’রি হয়। তিনি দোকানে ছিলেন না। তার ছোট ভাই দ্বীপ ছিল। তিনি প্যান্টটা দেখতে না পেয়ে দ্বীপকে জিজ্ঞেস করে।

সেও বলতে পারে না। এরপর পাশের দোকানের সিটিটিভির ফুটেজ দেখে রানাকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে ফোন দিলে জুয়েল রানা তাকে জানায়,

ভাই আমি বি’ষয়টি আপনাকে বলবো বলবো মনে করছিলাম। কিন্তু আপনিই ফোন দিলেন। এরপরে জুয়েল রানা মার্কে’টে আসে। পরে গোল্লাপাড়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি সারওয়ার ও সম্পাদক পাপুল স’রকারের উপস্থিতিতে ৩২০ টাকা জরিমানা দেয় এবং ঘ’টনার জন্য ক্ষমা চান।

রাজশাহী জে’লা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেরাজুল ইসলাম মেরাজ জানান, ঘ’টনাটি তিনি শুনেছি। তবে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। এখনও সত্যতা জানেন না। তবে কেউ অভিযোগ করলে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোজা নিয়ে জয়া আহসানের যে স্ট্যাটাস ফেসবুকে ভাইরাল

0

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। শুরু হয়েছে মাসব্যাপী সিয়াম সাধ’না। মঙ্গলবার দেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা পর থেকেই ঘরে ঘরে রোজার প্রস্তুতি শুরু হয়।

প্রথম রোজার দিন রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

বুধবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড পেজে জয়া লেখেন, রমজানের পবিত্রতা নতুন বছরকে স্নিগ্ধ করে তুলুক, প্রশান্তিময় হোক জীবন..।

প্রথম রোজার দিন বাংলা সনের নতুন বছর হওয়ায় সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান অভিনেত্রী।

পোস্টের স’ঙ্গে নীল শাড়ি পরা কয়েটি ছবিও জুড়ে দিয়েছেন জয়া। সকাল আটটার পর অভিনেত্রীর রমজান নিয়ে পোস্টটি দেওয়ার স’ঙ্গে স’ঙ্গে তা নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে যায়। ভক্তরা একের পর এক শেয়ার করতে থাকেন তার স্ট্যাটাসটি। স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে অনেকেই রমজানের ফজিলত নিয়ে কথা বলেন।

জয়াকে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে সানারুল ইসলাম শুভ নামের একজন লেখেন, হে আল্লাহ, আমাদেরকে ৩০টি রোজা রাখার তৌফিক দান করুন এবং সকল অশুভ শ’ক্তি থেকে দূরে রাখু’ন।

স্ট্যাটাসের স’ঙ্গে জয়া যে ছবি আপলোড করেছেন তারও প্রশংসা করেছেন অনেকেই। অভিনেত্রীর শাড়ি পরা ছবিগুলোকে শালীন ও মার্জিত পোশাক বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

যে কারণে হেফাজতের দুই কেন্দ্রীয় নেতা গ্রে’ফতার

0

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরীফ উল্লাহকে গ্রে’ফতার করেছে ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশ-ডি’বি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। পৃথক অ’ভিযানে গ্রে’ফতার করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-অর্থ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি ইলিয়াস হামিদীকে।

গো’য়েন্দা পু’লিশের অতিরিক্ত উপ-পু’লিশ কমিশনার (ওয়ারী) আজাহারুল ইসলাম মুকুল বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শরীফউল্লাহকে ২০১৩ সালের ৬ মে যাত্রাবাড়ী থানায় দা’য়ের হওয়া বিশেষ ক্ষ’মতা আইনের একটি মা’মলায় গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে। ওই মা’মলায় তিনি ২০ নম্বর এজাহারনামীয় আ’সামি।

পু’লিশের গো’য়েন্দা বিভাগ জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মের তা’ণ্ডব ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে হেফাজতের সহিং’সতার স’ঙ্গে তার যোগসূত্র রয়েছে।

স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশে আসা নিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বি’ক্ষো’ভ করে হেফাজতে ইসলাম। এ সময় পু’লিশের স’ঙ্গে সং’ঘর্ষে বেশ কয়েকজন নি’হত হন।

এরপর থেকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের গ্রে’ফতারে অ’ভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে রোববার চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবা’দীকে গ্রে’ফতার করা হয়। ওই নেতাও ২০১৩ সালের না’শকতার চারটি মা’মলার এজাহারভুক্ত আ’সামি।

গ্রে’ফতার করা হয়েছেন হেফাজতের সহ অর্থ সম্পাদক মুফতি ইলিয়াসকেও।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাস’চিব মাওলানা মামুনুল হকের সহযোগী মুফতি ইলিয়াসকে তার (মামুনুল) পরিচালিত মাদ্রাসা থেকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। তাকে ৭ দিনের রি’মান্ডেও নেওয়া হয়েছে।

তিনি সহ ৯ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা দা’য়ের হয়েছে। র‌্যা’ব- ২ ওয়ারেন্ট অফিসার জামাল উদ্দিন বাদি হয়ে মুফতি ইলিয়াসসহ মোট ৯ জনের বি’রুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মা’মলা করেছেন।

মা’মলার বরাত দিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) কাজী রমজানুল হক জানান, হেফাজত নেতা মামুনুল হক পরিচালিত ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ মাদ্রসা’য় কয়েকজন বসে রাষ্ট্রের বি’রুদ্ধে ষ’ড়যন্ত্র চলছে এমন খবর পেয়ে র‌্যা’বের একটি দল সেখানে অ’ভিযান চা’লায়।

অ’ভিযানের খবর পেয়ে অন্যরা পা’লিয়ে গেলেও মুফতি ইলিয়াস হামিদীকে গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়। তার স’ঙ্গে প’লাতক ৮ জন ছাড়াও জামাত শিবিরসহ সমমনা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেকে উপস্থি ছিল বলে গ্রে’প্তারের পর মুফতি ইলিয়াস জানায়।

মা’মলার বাকি আ’সামিরা হলেন- শরীফ হোসাইন (৩৫), জাকির হোসেন (২৯), শফিকুল ইসলাম (২৮), ইউসুফ (৫২), ফজলুর রহমান (৪০), হেলেন (৫২), মামুন (৪০) ও ইউনুস (৫৫)।

ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্নস্থানে যে না’শকতা করা হয়েছ তার প্রত্যেকটিতে মুফতি ইলিয়াস ম’দদ দিয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে একযোগে তাদের আরো না’শকতার পরিকল্পনা ছিল বলে গ্রে’প্তারের পর মুফতি ইলিয়াস র‌্যা’বকে জানিয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-অর্থ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি ইলিয়াস হামিদীকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য এরই মধ্যে সাত দিনের হেফাজত পেয়েছে পু’লিশ।

সৌদিসহ ৫ দেশে গমনেচ্ছুদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট

0

ম’হামা’রি পরিস্থিতিতে ৫ দেশে গমনেচ্ছু যাত্রীদের জন্য শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালূ করতে যাচ্ছে স’রকার। বেসা’মরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ বি’ষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা আগামীকাল বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করবে।

ওই ৫ দেশ হচ্ছে- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।

ক’রোনা পরিস্থিতির কারণে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। ফলে আ’টকা পড়েছেন অনেক বিদেশগামী। বিশেষ করে শ্র’মিকেরা পড়েছেন বি’পদে। এ অবস্থার মধ্যে স’রকারের এক সভায় এসব দেশের যাত্রীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট চালুর সি’দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্রস’চিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসা’মরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের স’চিব; সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পদস্থ কর্মকর্তারা।

সভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সি’দ্ধান্ত গৃহীত হয় সেগুলো হচ্ছে-

১। সৌদি আরব, ইউএই, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য শিগগিরই স্পেশাল ফ্লাইট চালু করা হবে। বেসা’মরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ বি’ষয়ে বিস্তারিত ওয়ার্ক প্ল্যান কাল নিশ্চিত করবে।

২। বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এয়ারপোর্টে আনার দায়িত্ব রিক্রুটিং এজেন্সির।

৩। প্রবাসী কর্মীরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের ছাড়পত্র গ্রহণ করে এবং দেশে প্রযোজ্য কোয়ারেন্টিন শর্ত মেনে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন।

শাহরুখকে কেন মুম্বাই ছেড়ে যেতে বলা হয়েছিল

0

বলিউড ‘বাদশাহ’ বলা হয় তাঁকে। কিং খান শাহরুখ খানকেই নাকি মুম্বাই থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। এত বড় তারকা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনতে হয়েছে তির্যক মন্তব্য, তীক্ষ্ণ শ্লেষ।

মুম্বাইয়ে কাটিয়েছেন তিন দশক। এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ খান জানিয়েছেন, লেখক অশো’ক বাংকার লিখেছিলেন এই অভিনেতাকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।

ওই সাক্ষাৎকারে জনপ্রিয় এই বলিউড অভিনেতাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এযাবৎ নিজের সম্প’র্কে সবচেয়ে খা’রাপ মন্তব্য কী ছিল? এর উত্তরে শাহরুখ খান বলেছিলেন, ‘

অশো’ক বাংকার একবার লিখেছিলেন শাহরুখকে দ্রু’ত মুম্বাই থেকে বের করে দেওয়া হোক, কারণ বলিউডের তারকারা নাকি একেকজন মূর্তিমান হু’মকি মুম্বাইয়ে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের জীবনে!’

বিজ্ঞাপন

শাহরুখ খান ও গৌরী দম্পতি ।
শাহরুখ খান ও গৌরী দম্পতি । ফেসবুক থেকে

শাহরুখ খান আরও বলেন, ‘নিজের এই বক্তব্যের পেছনে অশো’কের দাবি ছিল, বলিউডের বিভিন্ন তারকার স’ঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সম্প’র্ক আছে। ফলে আমাদের, মানে তারকাদের প্রা’ণনা’শের হু’মকি আসে।

অনেক সময় প্রা’ণনা’শের চেষ্টাও করা হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু না হলেও পথচলতি সাধারণ মানুষের গু’লি খেয়ে মৃ’ত্যু হয়। ভোগান্তি হয় বাকিদেরও।’

তবে কখনো কখনো এর থেকেও খা’রাপ মন্তব্য শুনতে হয়েছে শাহরুখ খানকে। সেই মন্তব্য শুনে বেশ খা’রাপ লাগে বলিউড বাদশাহর। তিনি এ ধরনের বক্তব্য নিয়ে আরও বলেন, ‘

অশো’ক বাংকারের ওই বক্তব্য নিটোল নির্বুদ্ধিতার পরিচয় ছাড়া আর কিছুই নয়! কেউ কাউকে আদেশ দিতে পারে না, কে কোথায় থাকবে কিংবা না থাকবে। আর আমাকে কেউ হুকুম করতেই পারে না মুম্বাই ছেড়ে চলে যেতে। বিশেষ করে “মান্নাত” যখন এত টাকা খরচ করে কিনেছি।’

শাহরুখ খান।
শাহরুখ খান। ফেসবুক থেকে
দীর্ঘ একটা সময় সিনেমা থেকে দূরে কিং খান। পরপর ছবি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়া একটু সময় নেন তিনি। ফের সিনেমার ঘোষণা আসে ‘পাঠান’ নামে। এই ছবিতে তাঁর স’ঙ্গে দেখা যাবে জন আব্রাহাম ও দীপিকা পাড়ুকোনকে।

বর্তোনে তিনি ‘পাঠান’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত। এ ছাড়া রণবীর কাপুর অভিনীত ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবিতেও অতিথি শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন তিনি।

মাত্র ৮ মাসে কোরআনের হাফেজ হলো ৯ বছরের আশিকুর রহমান

0

ব’য়স ৯ বছর। উত্তরা বাইতুল মুমিন মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। কোনো ধরনের চা’প কিংবা ভীতি থেকে নয়,

মনের আ’নন্দে মাত্র আট মাস সময়ে পুরো কোরআন শরিফ মুখস্থ করে সে বিস্ময় জাগিয়েছে।ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ থানার ইশ্বরপুর গ্রামে হাফেজ আশিকুর রহমানের বাড়ি। বাবার নাম মোহাম্ম’দ বাবুল মিয়া।

তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।রোববার (৭ মার্চ) বিএম মি’লনায়তন দক্ষিণ আজমপুর মুন্সি মার্কেট দক্ষিণ খান ঢাকায় হাফেজ আশিকুর রহমানকে সংবর্ধ’না দেয়া হয়।

এসময় বাইতুল মুমিন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আমীন বলেন, আশিকুর রহমান কোরআন মুখস্থ করার আগে এ মাদরাসা থেকেই মাত্র এক বছর সময় নিয়ে পবিত্র কোরআন দেখে দেখে,

সহিহ-শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা শেখে। এরপর হিফজ (মুখস্থ) করা শুরু করলে মাত্র আট মাস সময়ে পূর্ণ কোরআন মুখস্ত করে ফে’লে।

যা পুরোপুরি বিস্ম মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আমীন আরো বলেন, স্বাভাবিকভাবে একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণ কোরআন হিফজ সমাপ্ত করতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময়ের প্রয়োজন হয়।

সেখানে মহান আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহে হাফেজ আশিকুর রহমান মাত্র আট মাসেই সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ করে শেষ করেছে।তিনি বলেন, এটি মহান আল্লাহ তায়ালার বিশেষ রহমত ও মহানগ্রন্থ আল কোরআনের বিশেষ মুজিজা (অলৌকিকত্ব)।

নয় বছর ব’য়সী এই হাফেজে কোরআনের শিক্ষক হাফেজ মাঈনুল ইসলাম বলেন, আশিকুর রহমান নাজেরা (দেখে দেখে) পড়া শেষ করে শুরুর দিকে দুই পৃষ্ঠা করে কোরআন মুখস্থ করতে থাকে।

এরপরে প্রতিদিন ৭-৮ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ শোনাত। এভাবে মাত্র আট মাস সময়ে পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করে ফে’লে।এখন সকালে আধা পারা (১০ পৃষ্ঠা), বিকালে আধা পারা মোট এক পারা (২০ পৃষ্ঠা) করে পবিত্র কোরআন শুনাচ্ছে হাফেজ আশিকুর রহমান।

ওই সংবর্ধ’না অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাইতুল মুমিন মাদরাসার শিক্ষা স’চিব হাবিবুল্লাহ সিরাজ,মুফতি এম’দাদুল্লাহ আশরাফ, মাওলানা ফয়সাল মাহমুদ, মুফতি জহিরুল ইসলাম,

মাওলানা ফজলুল হক,হাফেজ মাওলানা মাইনুল ইসলাম, হাফেজ মামুনুর রশীদ, হাফেজ মাওলানা হুজাইফা, মুফতি আল আমিন সিরাজ, মাওলানা মাহদী হাসান,

ক্বারী মাহদী হাসান, মাওলানা আবুল বাশার প্রমুখ।মেধাবী এই হাফেজের বাবা মোহাম্ম’দ বাবুল মিয়া তার ছেলের উজ্জ্বল ভবি’ষ্যৎ কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

আমি বিশ্বাস করি পুরু’ষরা যে কাজই করতে পারে, ম’হিলারাও করতে পারে’

0

পুরো নাম সায়নাব আবদিকারিন। যিনি সোমালিয়ার রক্ষণশীল রজধানীতে প্রথম ম’হিলা অটোচালক। সায়নাবের বর্তমান ব’য়স ২৮ বছর। সাধারণত এখানে ‘বাজাজা’ নামে পরিচালিত অটোগুলো পুরু’ষেরাই বেশি চা’লায়।

সায়নাব বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি পুরু’ষরা যে কাজই করতে পারে, ম’হিলারাও করতে পারে’। মা হবার পাঁচ মাসের মাথায় এবং ১০ মাস আগে তার স্বা’মী তাকে ও স’ন্তানকে রেখে চলে গিয়েছিল।

এর পর সায়নাব অন্যত্র চাকুরি নিয়েছিল।তিনি বলেন, ‘আমাকে সাহায্য করার মত কেউ নাই। আমি যদি আমার স’ন্তানের জন্য কাজ না করি তাহলে আমাদের দেখার কেউ নেই।’

তবে সায়নাব স্বীকার করেছেন যে, মোগাদিশুতে অটো চা’লানোর মধ্যে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাঝে মধ্যে সামাজিক অস্বীকৃতি ছাড়া কিছু পুরু’ষ তাকে সমর্থন দেয় আবার কেউ কেউ বলেন, ম’হিলাদের বাড়িতে থাকা উচিত।

অন্যান্য ড্রাইভারেরা স্বাগত জানিয়েছে সায়নাবকে: পুরু’ষ ড্রাইভাররাও তাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং বলেছে যে তারা খুশি যে কোনও ম’হিলা অবশেষে তাদের শিল্পে যোগ দিয়েছেন।

সায়নাবের সহকর্মী নূর আদেন ইসি বলেছেন, “রিকশাচালক হিসাবে কোনও ম’হিলা দেখলে সত্যিই খুব ভাল লাগছে,” আরও না’রীদের তার উদাহরণ অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।

তিনি আল জাজিরাকে বলেছেন, “আমি সমস্ত মেয়েদের কাজ করতে এবং কারও উপর নির্ভর না করার জন্য বলতে চাই।” “আমি সমস্ত যুবককেও বলতে চাই যে কাজ আছে, তারা সায়নাবের মতো কাজ খুঁজে পাবে।” সুত্র: আলজাজিরা

নৌবাহিনী সৈনিকের স্ত্রীর ‘সু’ই’সা’ই’ড নোট’ পড়ে কাঁদছে হাজারো মানুষ!

0

মোছা. রেজওয়ানা আক্তার সাথী (১৮)। নীলফামারী সদর উপজে’লার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের শিঙ্গিমারি মাজাডাঙ্গা গ্রামের মো. চান্দুর কন্যা।

মাছ চাষী বাবার মে’য়ে সাথী বাড়ির পাশেরই মাজাডাঙ্গা তৈমুন্নেছা দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারীতে মে’য়েটি দাখিল পরীক্ষা দিতো।

কিন্তু এসব এখন শুধুই অতীত। সংসার জীবনে প্রবেশ করে আশে-পাশে থাকা মানুষগুলোকে আপন করার শত চেষ্টা করেও ব্য’র্থতার দায়ভার নিয়ে য’ন্ত্রণাসিক্ত হৃদয়ে মে’য়েটি পৃথিবী ছেড়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর ) দুপুর ১২টায় নিজের বাসায় গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে সাথী আ’ত্ম’হ’ত্যা করে।

গ্যাস ট্যাবলেট খেতে খেতেই সাথী লিখে গেছে ‘সু’ই’সা’ই’ড নোট’। তিন পৃষ্ঠার সেই চিরকুটে সে লিখে গেছে তার মনের সকল জমানো ক’ষ্টের কথা, জানিয়ে গেছে স্বা’মীর ভালবাসা না পাবার বেদনা,

বলে গেছে স্বা’মীর হাতে নিজের বাবা-মার অ’পমান-অ’পদস্থের কথা, প্রশ্ন করে গেছে, তাকে ক’ষ্ট দিয়ে তার স্বা’মী কি পেল! অথচ, এত য’ন্ত্রণা নিয়েও চিরকুটে তার আকুতি ছিল, তার স্বা’মী যেন ভাল থাকে। সে চিরকুট পড়ে কেঁদেছে নীলফামারীর হাজারো মানুষ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সবেমাত্র কৈশোর পেরোনো মে’য়েটির সাথে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী টেপুর’ডাঙ্গা গ্রামের সোনামুদ্দিনের ছেলে জসিম উদ্দিনের সাথে। জসিম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একজন সৈনিক এবং বাহিনীটির সদর দপ্তর ঢাকায় কর্মরত।

বিয়ের পর বেশ ভালোই চলছিল তাদের সংসার। চাকরীর জন্য জসিম কর্মক্ষেত্রে অবস্থান করায় শ্বশুড়বাড়িতে স্থায়ীভাবে থাকা হয়নি সাথীর।

যখন স্বা’মী আসতো তখন তাকে তার শ্বশুড়বাড়ির লোকজন গিয়ে নিয়ে আসতো। আবার যখন স্বা’মী কর্মক্ষেত্রে যেতো তখন সে বাবার বাড়িতে থাকতো। এভাবেই চলছিল তাদের মাত্র ১০ মাসের সংসার।

সাথীর মা জয়নব বেগম জানায়, আমার মে’য়েকে আমার জামাই (জসিম) পছন্দ করে বিয়ে করে। জামাই নৌবাহিনীর সৈনিক হওয়াতে মে’য়ের সু’খের কথা চিন্তা করে তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা যৌ’তুক দেই।

প্রথম প্রথম ভালোই চলছিল মে’য়ের সংসার। কিন্তু বিয়ের ছয়মাস যেতে না যেতেই আমার মে’য়ের উপর চলতে থাকে অমানবিক মা’নসিক নি’র্যাতন। নি’র্যাতনের প্রস’ঙ্গ আসতেই কা’ন্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

এরপর চোখ মুছতে মুছতে তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১৪ দিনের ছুটিতে বাড়িতে আসে আমার জামাই। এরপর আমার মে’য়েকে বাসায় নিয়ে যায়।

কিন্তু সেই ১৪ দিনের মধ্যে ২দিন আমার মে’য়েকে তার ঘরে নেয়নি এবং বাকি ১২দিন আমার মে’য়েকে মেঝেতে শুইয়ে সে (জামাই) বিছানায় ঘুমিয়েছে।

জয়নব বলেন, আমার মে’য়ের সাথে মোবাইল ফোনে বেশীরভাগ সময় কথা বলতো আমার জামাই। কিন্তু আমি এমন কোন দিন দেখিনি যেদিন আমার মে’য়ে মোবাইলে কথা বলা শেষে হাউমাউ করে কা’ন্না করেনি। আমি আমার মে’য়েকে জিজ্ঞেস করলে আমার মে’য়ে আমাকে বলতো, তোমাদের জামাই আমাকে পেয়ে সু’খী নয়।

তার চেহারা অনেক সুন্দর, আমার রুপ নেই। তার পাশে স্ত্রী হিসেবে দাঁড়াবার কোন যোগ্যতা নেই আমার। তোমার জামাই আমাকে বারবার বলে, সে যেন আমাকে আর না দেখে।

তিনি বলেন, বুধবার (৭ নভেম্বর) রাতে ঢাকা থেকে নীলফামারী আসার কথা ছিল সাথীর স্বা’মী জসিমের। এ নিয়ে রাত দুইটা-আড়াইটা পর্যন্ত সাথীর সাথে মোবাইলে ঝ’গড়া হয় জসিমের।

সাথী রাগ করে তার মোবাইল ফোন ভেঙ্গে ফে’লে। তখন সাথীকে জিজ্ঞেস করলে সাথী আমাকে জানায়, আমার জামাই নাকি বলেছে, আমি ঢাকায় আরেকটা বিয়ে করবো। এবার বাড়িতে গিয়ে যেন তোমাকে না দেখি। তুমি এখনও মরো নাই?

একথা বলার পরপরই তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, রাতে কথা বলার পরই সকালে (বৃহস্পতিবার ৮ নভেম্বর) মনের ক’ষ্ট সইতে না পেরে আমার মে’য়ে গ্যাস ট্যাবলেট খেল।

দুপুর ১২টায় নীলফামারী আধুনিক সদর হাসাপাতালে নেয়া হলো। সেখান থেকে পাঠানো হলো রংপুর মেডিক্যালে। কিন্তু! আমার মে’য়ে কই? আমার মে’য়ে তো সত্যিই সত্যিই স্বা’মীর কথায় ম’রে গেল! বলেই ডুকরে কেঁদে ওঠেন তিনি।

এদিকে এ ব্যাপারে কথা বলতে জসিম উদ্দিনের বাড়িতে গেলে সেখানে জসিম উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তার বাড়িতে কথা হয় তার মামা পরিচয়দানকারী মোহাম্ম’দ আলীর সাথে।তিনি বলেন, আমার ভাগ্নের (জসিম) সাথে সাথীর কোন খা’রাপ সম্প’র্ক ছিল না।

তারা দাম্পত্য জীবনে সু’খী ছিল। যখন জসিম ছুটিতে আসতো তখন সাথীও শ্বশুড়বাড়িতে আসতো। তার সাথে আমার ভাগ্নে কোন ধরনের মা’নসিক অ’ত্যাচার করতে পারে না বলে দাবী করেন তিনি।যৌ’তুকের প্রশ্নের উত্তরে বি’ষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। এবং মে’য়ে পক্ষের অভিযোগকে অহেতুক বলে দাবী করেন তিনি।

বি’ষয়টি সম্প’র্কে জসিম উদ্দিনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়। তার মামা মোহাম্ম’দ আলী প্রদত্ত জসিমের ০১৭৪৭৫*৩*৪৬ নাম্বারে একাধিকবার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে নীলফামারী সদর থানার ওসি মোমিনুল ইসলাম জানান, থানায় মে’য়ের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমরা বি’ষয়টি ত’দন্ত করছি। ত’দন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাথীর সেই সু’ই’সা’ই’ড নোটের কথাগুলো হুবুহু তুলে দেয়া হলো‘আমি কিছুতেই আমার জীবনটা সু’খে রাখতে পারবো না যতদিন বেঁচে থাকবো না হতে পারব সু’খী নিজেকে- অনেক কিছু দিয়ে বুঝাতে চেয়েছি যে আমার ভাগ্য দোষের কারণে আজ হয়তো আমার কপালে এমন শা’স্তি যা কখনও ভাবিনি তাই আমি তোমাকে কিছুই বোঝাতে পারি নাই। শুধু অশান্তি বাড়ছে কমছে না। আমি আমার জীবন নিয়ে সু’খী নয়।

তাই আমার মুখ তোমাকে বেঁচে থেকে দেখানোর কোন ই’চ্ছা নাই। আমি ভেবেছিলাম হয়ত তুমি আমাকে আবার নিজের মতো করে সাজিয়ে নিবে হয়ত আবার আমাকে ভালবাসবে।

যদি তুমি আমাকে একটু শান্তনা দিতে একটু আশা দিতে তবে আমি এইটা কখন ভাবতাম না কিংবা করতাম না। তুমি চেয়েছিলে আমি ম’রে যাই কিংবা আমার মৃ’ত্যু হয়। আমাকে নিয়ে থাকা তোমার সম্ভব নয় তুমি সবসময় এটাই ভেবেছ এটাই চেয়েছো।

তাই হক আমিও চাইনা এত দুঃখ ক’ষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকতে। তুমি চাও আমি মরি। সত্যই যখন একজন মানুষ সব সম্বল হারায় তবু যদি আশা থাকে তাহলে সে বেঁচে থাকার আশা করে।

কিন্তু আমাদের মধ্যে তাই নাই। তাহলে কি করে আমি বেঁচে থাকবো। তাই ভাবছি। তোমার আশ পূরণ হোক আমার মৃ’ত্যু’তে’ই আমাকে কেউ ক্ষমা করবে না আমি জানি ম’রা পর আল্লাহ না আমি জাহান্নামে যেতে চাইছিলাম না কিন্তু আমার জান্নাতে যাওয়ার উপায় নাই।তবে একটা কথা না বলে পারছি না তবু তুমি সু’খে থাকতে পারবা তবে তাই হোক।

আমার মৃ’ত্যুর পর তুমি তোমার স্বপ্ন পূরণ করে সু’খী হও। তবে একটা কথা সত্যি আমি তোমাকে মনে প্রা’ণে ভালবাসতাম এবং তোমাকে নিয়ে সারাজীবন বেঁচে থাকার আশা করেছিলাম।

তাই যখন আমাদের দুজনের মধ্যে নাই বেচে থাকার কোন মানে নাই। তুমি সত্যই মুক্ত। আমি আমার বাবা-মাকে কখনও অশান্তিতে থাকতে দিতে পারি না তাই সবাইকে শান্তি দিয়ে আমি অশান্তি নিয়ে চলে যাচ্ছি।

আমার মা-বাবারে কখনও ছোট হতে দিতে পারি না। আমাকে তুমি অনেক ক’ষ্ট দিছ আমাকে তুমি আমি ছোট বলে কিছু করতে বা বুঝতে পারি নাই বলে তুমি আমাকে অনেক শাসিয়েছো তা আর বেশিদিনের জন্য বা বেশিক্ষণের জন্য থাকবে না। আমি নিজে থেকে তোমার জীবন থেকে চলে যাচ্ছি।

আমার মা-বাবাকে আমাকে এত ক’ষ্ট দিয়ে তোমার লাভ হল কি একটু বলবা আমি আর বেঁচে থাকব না। তোমার রাস্তা সম্পূর্ণ ফাঁকা যা ই’চ্ছা তাই করতে পারবা। যান আমার প্রচুর ক’ষ্ট হচ্ছে মরণ য’ন্ত্রণা উঠে যাচ্ছে আমার হাত পা কাঁপছে।আমার মা-বাবা আমাকে বৃথা জ’ন্ম দিয়েছিল না পেল আমার কাছে কিছু না পেল শান্তি।

আমার সু’খের জন্য কত কিছু করেছিল তা করে তাদের কি লাভ হলো আমার কাছে শুধু অশান্তি ছাড়া আর কিছু পেল না। তাই আমি মে’য়ে হিসেবে তাদের কাছে অকর্মার হয়ে পৃথিবী ছাড়..’ (‘ছাড়লাম’ এই শব্দটি আর শেষ করতে পারেনি সাথী, তখনই ঢলে পড়ে তার নিথর দে’হ)।