মীর ব’য়স ৪০ পার হলে আপনাকে যে ছয়টি বি’ষয়ে খেয়াল রাখতে হবে

0
119

আপানার স্বা’মীর ব’য়স যখন ৪০ পার; তখন আ’পনাকে জানতে হবে কিছু বিশেষ ত’থ্য – ‘সকাল সকাল তুমুল অ’শান্তি। ভালো বাংলায় বলতে গেলে দাম্পত্যক’লহ। শুধু দাম্পত্য সমস্যাই নয়, চল্লিশ পেরনো পু’রুষের জীবন আরো নানা জটি’লতায় পূর্ণ।এই ব’য়সে শু’রু হ’য় নানাবি’ধ শারী’রিক সমস্যা।হা’র্টের অসু’খ, ডায়াবেটিস, হঠাৎ মো’টা হয়ে যাওয়া, কোলেস্টেরল বেড়ে ‘যাওয়া, ফ্যাটি লিভার ‘সব’ এই ‘ব’য়সেই’ দেখা দেয়। চিন্তা’য় পড়ে গেলেন?

স্বা’মী যখন চল্লিশের ক্রাইসিস সময় পার করছেন, তার এই সময়টাতে আপনিই দাঁড়াতে পারেন তার হাত ধরে। কীভা’বে’?চলুন দেখে নে’ওয়া যাক-১. খাওয়া-দাওয়া – সকালের নাস্তা কখনো মিস করতে দেবেন না। সকাল নয়’টার’ মধ্যে না’স্তার অ”ভ্যাস গড়ে তুলুন। বেশি রাত’ করে রাতের খাবার দেবেন না। এক-দুই দিন রাত হয়ে যেতেই পারে, কিন্তু প্রতিদিন যেন খাবারে দেরি না হয় তা খেয়াল রাখু’ন।২. ব্যায়াম – চল্লিশ পেরিয়ে গেলে ব্যায়াম অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়। সকালেই যে ব্যায়াম করতে হবে তার কোনো মানে নেই।

অফিস থেকে ফিরেও করা যায়। দৌড়ানো, সাঁতার কা’টা, জো’রে হাঁটা, সাইকেল চা’লানো খুব ভালো ব্যায়াম। ছুটির দিনে স্বা’মীকে উৎসাহ দিতে আপনিও তার স’ঙ্গী হয়ে হাঁটতে বের হয়ে যান।৩. অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস – কোলেস্টেরল, উচ্চ র’ক্তচা’প, ডায়েবেটিসের স’ঙ্গে স’ঙ্গে কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসও চল্লিশের পর পুরু’ষদের বি’পদ ডেকেআনে। সিগারেট বা ম’দ্যপানের নে’শা শ’রীরে প্রভাব ফে’লে মা’রাত্মকভাবে। ফ্যাটি লিভার এই ব’য়সের পুরু’ষদের একটা সাধারণ সমস্যা। ফ্যাটি লিভার থেকে হয়ে যেতে পারে লিভার সিরোসিস। এছাড়া এই ব’য়সে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা আরো বেড়ে যায়। আপনি হয়তো হুট করেই স্বা’মীর অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস দূর করে ফেলতে পারবেন না। তবে এ সম্প’র্কে তাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন। বিভিন্ন

আর্টিকেল তাকে পড়তে দিয়ে এ বি’ষয়ে ওয়াকিবহাল করতে পারেন।৪. জীবনধারায় পরিবর্তন – স্বা’মীর জীবনধারার পরিবর্তনে আপনিই নিতে পারেন মুখ্য ভূমিকা। পরিবার বা কাজের জায়গাকে দায়িত্ব হিসেবে না দেখে সেটাকে ভালোবাসার জায়গা ভাবতে হবে। স্বা’মীকে বোঝান অফিস বা পরিবারে যেমন দায়িত্ব রয়েছে, ঠিক তেমনভাবে প্রা’প্তিও আছে। কাছের মানুষদের স’ঙ্গে পারস্পারিক আদানপ্রদানের মধ্যে যে অনেক ভালোলাগা জড়িয়ে আছে তা বুঝতে তাকে সাহায্য করুন।৫. নিজেদের নতুন করে খুঁজুন – বিয়ের কয়েক বছর পরেই সম্প’র্কতে একঘেয়েমি চলে আসে। দুজন মিলে সেই একঘেয়েমি থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে নিন। হঠাৎ করে একস’ঙ্গে বাইরে বের হওয়া, রেস্তোরাঁতে রাতের খাবার খেতে যাওয়া, একস’ঙ্গে সিনেমা

দেখা আপনাদের সম্প’র্কের একঘেয়েমি কা’টাতে সাহায্য করবে।৬. অভিযোগ নয় – সময় দিচ্ছেন না বলে স্বা’মীর কাছে অভিযোগ করেন স্ত্রীরা। অভিযোগের আঙুল উঠলে স্বা’মীরা হয়ে যান ডিফেন্সিভ। ফলে লেগে যায় ঝ’গড়া। আসলে স্বা’মীকে আপনি অভিযোগ করতে কথাগুলো বলেন না, চান তার ব্যবহারের পরিবর্তন। তাহলে অভিযোগের সুরে নয়, আন্তরিকভাবে ব্যাপারটা জানান। স্বা’মীর অপারগতা বুঝতে পারলেই এবং সে ব্যাপারে সহানুভূতিশীল ‘হতে পারলে দেখবেন আপনাদের বোঝাপড়াটাও হবে মজবুত। চল্লিশ পেরিয়ে গেলেও আপনার স্বা’মীর মন থাকবে সবসময় ফুরফুরে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here