নজরদারির অভাবে ওয়াকিটকির অ’বৈধ ব্যবহার বাড়ছে

0
77

ত’থ্য প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও নজরদারির অভাবে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে রেডিও ওয়েভ ওয়াকিটকির অ’বৈধ ব্যবহার। আইনের তোয়াক্কা না করেই প্র’তারণার ফাঁদ পাতায় ব্যবহৃত হচ্ছে এ যন্ত্রটি।

স’রকারি সংস্থার বাইরে বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে ওয়াকিটকি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয় জানিয়ে বিটিআরসি বলছে, এর অ’বৈধ ব্যবহার ঠেকানোর দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

ওয়াকিটকি হাতে বহনযোগ্য দ্বিমুখী বেতার যন্ত্র। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা স’রকারি সংস্থার হাতে দেখা যায় এ যন্ত্রটি। কিন্তু এখন সাধারণ মানুষের হাতে অহরহই চোখে পড়ছে সংবেদনশীল যন্ত্রটি।

ওয়াকিটকি অ’পব্যবহারেের সর্বশেষ উদাহরণ ইরফান সেলিম। জনপ্রতিনিধি হয়েও আইনের তোয়াক্কা না করেই বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করছিলেন অন্তত ৩৮টি ওয়াকিটকি। এর পরের গল্প অজানা নয় কারোই।

তবে, হাত কিংবা কোম’রে ওয়াকিটকি গুঁজে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত কিংবা প্র’তারণার ঘ’টনা বেশ পুরনো। পণ্যটি ব্যবহারের আইন থাকলেও থামছে না অ’পব্যবহারে।

র‍্যা’বের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, অনেক সময় ভুয়া র‍্যা’ব ও ভুয়া ডি’বি পু’লিশের পরিচয় দিচ্ছেন। তারা ওয়াকিটকি দেখাচ্ছে। পরে দেখা যায় তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর কোনও সদস্য না।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নি’য়ন্ত্রণ আইন, ২০০১-এর ৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া দেশের ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা বা আকাশসীমায় বেতার যন্ত্র স্থাপন, পরিচালনা বা ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে শর্তসাপেক্ষে বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয় ওয়াকিটকি ব্যবহারের লাইসেন্স।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, আমরা বিভিন্ন সময়ে বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানদের এই যন্ত্রটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়। কম ও বেশি দূরত্বে দেয়া হয়। তবে পণ্যটির অ’পব্যবহারে বন্ধের দায়িত্ব পু’লিশের।

অন্যদিকে, এ বি’ষয়ে ক’ঠোর অবস্থান রয়েছে জানিয়েছে পু’লিশ। পু’লিশ টেলিকম অ্যান্ড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টের পু’লিশ সুপার হারুন-উর-রশিদ হাযারী বলেন, যদি ওয়াটকি ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়। তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে এগুলো জ’ব্দ করার এখতিয়ার আমাদের রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here