অ’সুস্থ ছেলেকে ও’ষুধ খাওয়াতে আসার আগেই জুয়েলকে মে’রে পু’ড়ি’য়ে ফেলল জনতা

0
98

রংপুর মহানগরীর পূর্ব শালবন এলাকার নবী ভিলা। মৃ’ত আব্দুল ওযাজেদের এই বাড়িটি এক নামেই পরিচিত এলাকায়। তারই ছেলে শহিদুন্নবী জুয়েল একবছর ধরে মান’সি’ক ভার’স’ম্য’হীন।

তাকেই লালমনিরহাটের বুড়িমারিতে পি’টি’য়ে হ’ত্যা’র পর আ’গু’ন দিয়ে লা’শ পু’ড়ি’য়ে দেয় দু’র্বৃ’ত্ত’রা।জুয়েলের বোন শিল্পী ও লিপিসহ এ ঘ’টনায় হত’বা’ক স্বজন ও এলাকাবাসী।

কেউ মানতে পারছেন না জুয়েলের বি’রু’দ্ধে যে অভি’যো’গ দিয়ে মা’রা হয়েছে সেটা সঠিক। তারা বলছেন কিছুটা মান’সিক ভারস’ম্য’হীন হলেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, কোরআন তেলাওয়াতসহ ধর্মীয় বিধিবিধান পালনে সক্রিয় ছিলেন জুয়েল। ঘ’টনার সঠিক ত’দন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেন তারা।

বৃহস্পতিবার সকালে সুমন নামের এক বন্ধুর সাথে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন জুয়েল। বড় বোন লিপি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার দিকে জুয়েলের বউ আমাকে ফোন দিয়ে জানায় তোমার ভাই আবারো সারারাত ঘুমাচ্ছে না। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বাইরে গেছে। তখন আমি জুয়েলকে ফোন দেই। তিনবার ফোন দেয়ার পর অন্য একজন ফোন ধরে বলে আমার নাম সুমন, ওর বন্ধু, জুয়েল বা’থরুমে গেছে।

পরে জুয়েল আমাকে ফোন করে বলে, আপা তুই চিন্তা করিস না। আমি একটা দু’র্নী’তি ধরেছি। ডিসির মোড়ে আছি। ডিসিকে বি’ষয়টি জানাবো। আমার সাথে র‌্যা’বের ম্যাজিষ্ট্রেট আছে। তুই চিন্তা করিস না।

তারা আমাকে প্রোটেকশন দেবে। আমাদের পরিবারকে প্রোটেকশন দিবে। তখন আমি ওকে বলি, তোর ছেলেটা অ’সুস্থ্য। তুই তাড়াতাড়ি বাড়ি আয়। ওকে ও’ষুধ খাওয়াবি। তখন সে বলে আমার জন্য চিন্তা করিস না, আমি আসতেছি। এই বলে ফোন কে’টে দেয়। পরে বহুবার ফোন দিয়েছি কিন্তু ধরে নি। কিন্তু আমার ভাইকে যারা এভাবে মা’রল আমি তাদের ফাঁ’সি চাই।

১৯৮৬ সালে রংপুর জে’লা স্কুল থেকে মেট্রিক পাশের পার কারমাইকেল কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স থেকে স্নাতক ও মাস্টার্স পাশের পর ১৯৯৬ সালে রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে সহকারি লাইব্রেরীয়ান পদে যোগ দেন। ষ’ড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০১৯ সালে তাকে সেখান থেকে বরখাস্ত করা হলে তিনি মান’সিক ভারস’ম্য হা’রিয়ে ফে’লেন।

দুইদিন আগেও ফজরের নামাজের পর হাটতে বেরিয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি মিলাতে সুরা বাকারার তরজমা শুদ্ধভাবে শুনিয়ে ছিলেন। তার এমন মৃ’ত্যর জন্য দো’ষিদের দৃষ্টা’ন্তমূ’লক শা’স্তি চান তিনি।

৫ ভাই ৩ বোনের মধ্যে জুয়েল ছিলেন তৃতীয়। নৃ’শং’স এই ঘ’টনার স্মৃ’তি কিভাবে মুছবেন জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আখতার, এসএএস পরীক্ষার্থী কন্যা জেবা তাসনিয়া অনন্যা এবং সপ্তম শ্রেনি পড়ুয়া পুত্র আশিকুন্নবী অরন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here