প্রবাসী স্বা’মীর ১৫ লাখ টাকা নিয়ে ভাগিনাকে বিয়ে করল স্ত্রী

0
145

লক্ষ্মীপুরে গৃ’হবধূ বিউটি আক্তার তার প্রবাসী স্বা’মী নজির আহমেদকে আ’দালতের মাধ্যমে তালাক দিয়েছেন। তবে তালাকের ব্যাপারটি জানতেন না স্বা’মী নজির আহমেদ ও তাঁর পরিবার। তালাক দেওয়ার পর বি’উটি চার মাস নজিরের স’ঙ্গেই ছিলেন। এরপর নজির বিদেশ পাড়ি দিলেই বিউটি প্রতিবেশী ভাগিনা ফরিদ হোসেনকে বি’য়ে করেন।

কিন্তু প্রবাসীর ঘরে থেকেই ফরিদের স’ঙ্গে বিউটি সম্প’র্ক রাখে।একই স’ঙ্গে গত দুই বছরে প্র’তারণা করে নজিরের অন্তত ১৫ লাখ টাকা বিউটি তার বর্তমান স্বা’মী ফরিদকে দিয়েছেন। নজির লক্ষ্মীপুর পৌরসভার করইতলা এলাকার মৃ’ত নুরুল হকের ছেলে এবং সৌদিপ্রবাসী। অ’ভিযুক্ত বিউটি সদর উপজে’লার চররুহিতা ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ গ্রামের ইব্রাহিমের মে’য়ে এবং ফরিদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার করইতলা এলাকার মৃ’ত মমিন উল্যাহর ছেলে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই লক্ষ্মীপুর আ’দালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিউটি তার প্রবাসী স্বা’মী নজিরকে তালাক দেন। ওই সময় নজির বাড়িতেই ছিলেন; কিন্তু তাঁর কাছ থেকে তালাকের বি’ষয়টি গো’পন রাখা হয়। একই বছর নভেম্বরের শুরুতে নজির কাজের সন্ধানে সৌদি আরব যান। এরপর ২০ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর আ’দালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিউটি ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে ফরিদকে বিয়ে করেন।বিয়ের ঘ’টনাটিও বিউটি প্রবাসী নজিরের কাছ থেকে গো’পন রাখেন।

নজিরের বাবা-মা দুজনই মৃ’ত। এই সুযোগে নজিরের দেওয়া স্বর্ণালঙ্কারসহ অন্তত ১৫ লাখ টাকা স্বা’মী ফরিদসহ বিউটি হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।এ ব্যাপারে বিউটি আক্তার বলেন, ফরিদ ও তার বোন রোকেয়া আমার স’ঙ্গে প্র’তারণা করেছে। আমাকে অন্য কথা বলে তালাক ও কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়েছে। আমি তাকে স্ব-ই’চ্ছায় বিয়ে করিনি।বিভিন্ন সময় আমাকে ফাঁ’দে পেলে নজিরের দেওয়া টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ফরিদ হাতিয়ে নিয়েছে। প্রবাসী নজিরের ভাতিজা জাবেদ হোসেন বলেন,

‘তালাক ও বিয়ের বি’ষয়টি গো’পন রেখে আমার চাচা নজিরের স’ঙ্গে বিউটি প্র’তারণা করেছে। এ ঘ’টনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ফরিদের মা নুরজাহান বেগম জানান, তার ছেলে বিউটিকে বিয়ে করেছে, তা তিনি আগে জানতেন না। ছেলের বিয়ের জন্য মে’য়ে দেখতে গেলে বিউটি তাদেরকে ঘ’টনাটি জানায়। তবে তার ছেলে বিউটির কাছ থেকে কোনো টাকা নেয়নি।সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাউসার হাসান বলেন, ‘তালাক দেওয়ার পরেও বিউটি চার মাস নজিরের স’ঙ্গে বসবাস করেছেন।

ফরিদকে বিয়ের ঘ’টনা না জানিয়ে নজিরের স’ঙ্গে বিউটি প্র’তারণা করেছে। এটি আইনত দ’ণ্ডনীয় অ’পরাধ।’ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন শাহী বলেন, ফরিদের স’ঙ্গে বিউটির বিয়ের ঘ’টনাটি আগে জানতাম না। এক না’রী অ’বৈধভাবে দুই স্বা’মীর সংসার করছে, এটি ন্যক্কারজনক। ব্যক্তিগতভাবে ফরিদও খা’রাপ ছেলে। ফরিদ সম্প্রতি আমাদের এক ম’হিলা কাউন্সিলরকে মা’রধর করেছে। তার শা’স্তি হওয়া প্রয়োজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here