ভগ্নিপতির নিয়মতি মেলামেশায় অ’ন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শ্যা’লিকা !

0
108

ভগ্নিপতির জো’রপূর্বক ধ’র্ষ’ণে ময়মনসিংহের ভালুকায় পাঁচ মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা হলো ১২ বছর ব’য়সী শ্যালিকা। উপজে’লার ধীতপুর ইউনিয়নের ধলীয়া গ্রামে শ্যালিকা ধ’র্ষ’ণের ওই ঘ’টনাটি ঘটে। নি’র্যাতনের শি’কার ওই শি’শু স্থানীয় একটি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী। ওই ঘ’টনায় ভগ্নিপতি মানিক চন্দ্র দেবনাথকে আ’সামি করে ভালুকা মডেল থানায় মা’মলা দা’য়ের করা হয়েছে।

ওই ছাত্রীর বড় বোন বা’দী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে মা’মলাটি করেন। মানিক চন্দ্র দেবনাথ ইশ্বগঞ্জের রাজিবপুর ইউনিয়নের বিঘাগ্রা গ্রামের মৃ’ত অবনি চন্দ্র দেবনাথের ছেলে। এদিকে, মা’মলার পরপরই পু’লিশ মানিক দেবনাথকে গ্রে’প্তার করে। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) তাকে আ’দালতে পাঠানো হয়েছে এবং জ’বানব’ন্দি প্রদানের জন্য ওই ছাত্রীকেও আজ আ’দালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা ও মা’মলা সূত্রে জানা যায়, মানিক চন্দ্র দেবনাথ ১০-১১ বছর আগে ভালুকা উপজে’লার ধলীয়া গ্রামের ওই ছাত্রীর মেজ বোনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির পাশেই বসতি গড়েন তিনি। এদিকে, কিছুদিন আগে বোনের বাচ্চা হওয়ায় ওই ছাত্রী ভগ্নিপতি মানিক দেবনাথের বাড়ি গিয়ে রান্নাবান্নার কাজ করে দিত। ওই সুযোগে ভগ্নিপতি মাঝে মধ্যেই শ্যালিকার শ’রীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত। তখন ওই শি’শু বি’ষয়টি প্রকাশ করে দেয়ার কথা বললে মানিক তাকে বিভিন্নভাবে তাকে ভ’য় দেখাত।

গত ২৮ মার্চ মে’য়েটি তার ওই বোনের বাড়িতে ঘুমাতে যায়। আর এই সুযোগে মানিক দেবনাথ ওই রাতে ভ’য়ভীতি দেখিয়ে ওই শি’শুকে তার ই’চ্ছার বি’রুদ্ধে ধ’র্ষ’ণ করে। পরবর্তীতে, একই কায়দায় মানিক ওই ছাত্রীর সাথে একাধিকবার শা’রীরিক সম্প’র্ক করেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রী অ’ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বি’ষয়টি জানাজানি হলে পরিবারের লোকজন ময়মনসিংহের একটি ক্লিনিকে নিয়ে পরীক্ষা করিয়ে জানতে পারেন ১২ বছরের ওই শি’শু পাঁচ মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার এসআই রঞ্জন চন্দ্র জানান, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আগামীকাল শনিবার ওই শি’শুকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।ভালুকা মডেল থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) মোহাম্ম’দ মাইন উদ্দিন জানান, ওই ঘ’টনায় মা’মলা হয়েছে। মা’মলার আ’সামি মানিক চন্দ্র দেবনাথকে গ্রে’প্তার করে শুক্রবার আ’দালতে পাঠানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here