মায়ের বিয়ের আগেই মে’য়ের জ’ন্ম!

0
158

বাংলাদেশের একসময়ের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী শমী কায়সারের জ’ন্ম ১৯৬৯ সালের ১৫ জানুয়ারি। সে হিসেবে তার ব’য়স এখন ৪৯ বছর। শমী কায়সার শহীদ বুদ্ধিজীবী শহিদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সারের মে’য়ে।

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দুজা চৌধুরীর স্ত্রী মায়া পান্না কায়সারের বোন। ফলে, শমী এবং রাজনীতিবিদ মাহি বি. চৌধুরী খালাতো ভাই-বোন। শমীর একজন ছোট ভাই আছেন, অমিতাভ কায়সার।

এবি’ষয়গুলো হয়তো অনেকেই জানেন। তবে আর একটি বি’ষয় আছে যেটি হয়তো দেশের অনেক সাধারণ মানুষ জানেন না।Wikipedia তে শমী কায়সার লিখে সার্চ দিয়ে দেখা যায় তার জ’ন্ম ১৯৬৯ সালের ১৫ জানুয়ারি। অন্যদিকে তার মা পান্না কায়সার লিখে সার্চ দিলে দেখা ১৯৬৯ সালে শহীদুল্লা কায়সারকে বিয়ে করেন তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে নতুন করে যা বললেন গণশিক্ষা স’চিব

ক’রোনার বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফায় ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সব স্তরের বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আসন্ন শীতে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ (দ্বিতীয় ঢেউ) শুরুর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বা’স্থ্য সংশ্লিষ্টরা। ফলে সহসাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না বলেই অভিমত সংশ্লিষ্টদের।

এ প্রস’ঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স’চিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন, ‘শীতে ক’রোনার প্র’কোপ বাড়বে। ক’রোনার প্র’কোপ বাড়লে তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ থাকবে না। ক’রোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার পর্যালোচনা করে আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যেও যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তবে তো অটো প্রমোশন ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।’

ক’রোনা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নভেম্বরে ক’রোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হবে, তখন সংক্রমন আরও বাড়তে পারে।

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন দ্বিতীয় ঢেউ এলে, সং’ক্র’মণ বাড়লে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সে হিসেবে এ বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা অনিশ্চিত। তাছাড়া শীতকালে ক’রোনার প্র’কোপ থাকলে সে হিসেবে নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

প্রস’ঙ্গত, ক’রোনা ভাই’রাসের সং’ক্র’মণ না কমায় ইতোমধ্যেই জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। ফলে সং’ক্র’মণ পুরোপুরি নি’য়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার পক্ষেই মত দিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here