সিলেটে নে’শাগ্রস্ত হয়ে স্কু’লছা’ত্রীকে ধ”র্ষ’ণের চে’ষ্টা, যুবলীগ নেতা আ’টক

0
82

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজে’লার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লংলাখাল (ইসলামাবাদ) গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের চেষ্টার অ’ভিযোগে ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা কবির আহম’দ (৩৮)-কে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। আ’টক ধ’র্ষক পাৰ্শ্বৱৰ্তী মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের পুত্র।

ধ’র্ষ’ণের ঘ’টনায় ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মা’মলা দা’য়েরে করেন। মা’মলায় আ’সামিরা হলেন- উপজে’লার মনাইকান্দি গ্রামের আলা উদ্দিনের পুত্র ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা কবির আহম’দ ও সুলতানপুর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে যুবলীগ নেতা দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া। কবিরকে আ’টকের পর আ’দালতের মাধ্যমে তাকে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে এবং সহযোগী যুবলীগ নেতা দেলওয়ার প’লাতক রয়েছেন।

জানা যায়, (৭ অক্টোবর) বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দুই ঘঠিকার সময় স্কুলছাত্রী পেস্ৰাব করতে ঘরের বাহিরে বের হন। পাৰ্শ্ববর্তী একটি ঘরে ম’দের আসরে থাকা কতিপয় ওই দুই যুবলীগ নেতা নে’শাগ্রস্ত হয়ে তরুণীকে আ’টকে ধরেন। তরুণী চি’ৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে আত্মীয় স্বজনরা একজনকে আ’টক করে। এ সময় তার সাথে থাকা অপর যুবলীগ নেতা দেলওয়ার পালিয়ে যান।

পরে উপস্থিত জনসাধারণ আ’টক যুবলীগ নেতা কবিরকে গণধুলাই দিয়ে পু’লিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সাথে সাথে গোয়াইনঘাট থানা পু’লিশের এস আই মহসীন এর নেতৃত্বে সংঙ্গীয় ফোর্স তাকে গ্রে’ফতার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য কবির আহম’দ ও দেলওয়ার হোসেন কিবরিয়া তারা দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে এলাকায় নে’শাগ্রস্ত হয়ে মাতলামী করতেন। তাদের যন্ত্ৰণায় অ’তিষ্ঠ এলাকাবাসী। এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।

স্থানীয়রা কেউ ভ’য়ে এদের বি’রুদ্ধে প্র’তিবাদ করার সাহস পায়নি। যার ফলে এলাকার অনেক অ’সহায় এই স্কুলছাত্রীর মতো অনেক তরুণীদের সাথে এমন কান্ড করে আসছেন। ভ’য়ে কেউ তাদের বি’রুদ্ধে প্র’তিবাদ করার সাহস পায়নি। নিরবে এই দুই নেতা য’ন্ত্রণা সহ্য করে আসছেন এলাকার অনেক ভু’ক্তভোগী পরিবার।

এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট অফিসার ই’নচার্জ আব্দুল আহাদ কবিরকে আ’টকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মেয়েটি রাতে বাতরুমের জন্য বাহিরে হলে কবির ও তার সহযোগি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন কিবরিয়া মেয়েটি জো’র পূর্বক পাশ্ববর্তী একটি বাগানে নিয়ে ধ’র্ষ’ণের চেষ্ট করেন।

মেয়েটির চি’ৎকারে আশপাশের লোকজন এসে কবিরকে আ’টক করলেও যুবলীগ নেতা দেলোয়ার পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কবিরকে কোর্টে আ’দালতে প্রেরন করা হয়েছে এবং অপর আসামী দেলোয়ারকে গ্রে’ফতারের জন্য অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মুন্সী আব্দুল মুমিন জানান আমি ঘ’টনাটি শুনেছি তবে আমি বর্তমানে এলাকার বাহিরে আছি।

গোয়াইনঘাট উপজে’লা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদ মুস্তাকিন জানান, আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন কমিটির এই দুই সদস্যকে বহিস্কার করেছি এবং তাদের উপযুক্ত শা’স্তি দাবি করছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here