কোচিং সেন্টারে ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করলেন শিক্ষক

0
47

টাইমস টিভি ডেস্কঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি কোচিং সেন্টারে তারেকুর রহমান নামে এক শিক্ষকের বি’রুদ্ধে সপ্তম শ্রেণির ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ উঠেছে। একাধিকবার ধ’র্ষণে ওই ছা’ত্রী অ’ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বি’ষয়টি জানাজানি হয়।রোববার (৪ অক্টোবর) এ ঘ’টনায় ভু’ক্তভোগী ছা’ত্রীর বাবা কুমিল্লা না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনাল-৩নং আ’দালতে অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষকসহ ৫ জনকে আ’সামি করে মা’মলা দা’য়ের করেন।

৩নং না’রী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল ইস’লাম অ’ভিযোগের বিস্তারিত শুনানির পর মা’মলা’টি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থা’নাকে ত’দন্তসহ অ’ভিযু’ক্তদের গ্রে’ফতার করার আদেশ দেন।কোচিং সেন্টারে ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণ করলেন শিক্ষক

এসব ত’থ্য নিশ্চিত করেছেন বা’দী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিশাত সালাউদ্দিন। অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষক তারেকুর রহমান চৌদ্দগ্রাম উপজে’লার আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃ’ত রেজাউর রহমান চৌধুরীর ছে’লে। মা’মলায় অ’ভিযোগ করা হয়,

অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষক তারেক ওই স্কুলছা’ত্রীর খালাতো ভাই। ছুটির পর কোচিং সেন্টারে পড়ার নামে রেখে ওই শিক্ষার্থীকে ধ’র্ষণ করেন অ’ভিযু’ক্ত শিক্ষক তারেকুর। এ সময় ধ’র্ষণের ছবি ধারণ করে রাখেন তিনি। পরে এসব ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভ’য় দেখিয়ে আরও কয়েকবার ওই ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণ করেন তারেকুর।

গত ২৪ এপ্রিল সপ্তম শ্রেণির ওই ছা’ত্রী হঠাৎ অ’সুস্থ হয়ে পড়ে। স্থানীয় চিকিৎসকদের পরাম’র্শে ফেনী জে’লা সদরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাম করালে অ’ন্তঃসত্ত্বা হওয়ার রিপোর্ট আসে। ধ’র্ষণের শি’কার ওই ছা’ত্রী জানায়,

কোচিং সেন্টারে পড়ার সময় তারেকুর রহমান চৌধুরী তাকে ব্ল্যা’কমেইল করে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেন। কিন্তু লোকলজ্জার ভ’য়ে এ ঘ’টনা সে কাউকে বলেনি।

এদিকে ধ’র্ষণের ঘ’টনার বিচার চাইতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান ওই শিক্ষার্থীর বাবা। এই নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল সালিশ বৈঠকে সি’দ্ধান্ত হয় অ’ন্তঃসত্ত্বা ছা’ত্রীকে বিয়ে করতে হবে ধ’র্ষক তারেকুরকে। তারেক তাতে রাজি হয়ে আশ্বা’স দেন বাচ্চা ভূমিষ্ট হওয়ার পর বিয়ে করবেন। কিছুদিন অ’তিক্রম হলে বাচ্চা ন’ষ্ট করার জন্য চা’প দিয়ে ব্যর্থ হন তারেক।

গত ১২ আগস্ট ওই ছা’ত্রী একটি ছে’লে স’ন্তান প্রসব করে। কিন্তু বিয়ের পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত ২৫ সেপ্টেম্বর আবারও সালিশ বৈঠক বসলে ধ’র্ষক ও তার স্বজনরা বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান। পরে রোববার (০৪ অক্টোবর) ভু’ক্তভোগীর বাবা তারেকুরসহ ৫ জনকে আ’সামি করে আ’দালতে ধ’র্ষণের মা’মলা দা’য়ের করেন।

মা’মলার অন্য আ’সামিরা হলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজে’লার আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন, তারেকুর রহমানের ভাই তৌফিকুর রহমান, তৌহিদুর রহমান ও রমজান আলী ভূঁইয়া। বা’দী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিশাত সালাউদ্দিন জানান, অ’ভিযোগের বিস্তারিত শুনানির পর মা’মলা’টি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থা’নাকে ত’দন্তের নির্দেশ দেন আ’দালত। অ’ভিযু’ক্তদের গ্রে’ফতারের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। আশা করি ওই ছা’ত্রী ন্যায়বিচার পাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here