ক’রোনা চিকিৎসায় কালোজিরা ব্যবহারে অবিশ্বাস্য সাফল্য

0
152

ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন সারাবিশ্বের গবেষকরা। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কালোজিরা ব্যবহার করে ক’রোনাভা’ইরাসে আ’ক্রান্তদের সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলার দাবি করেছেন ম’দিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।

মু’সলিম ইঙ্ক নামের একটি সাময়িকীর এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সৌদি আরবের ম’দিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির মেডিসিন অনুষদের ক্লিনিক্যাল বায়োক্যামিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার মেডিসন বিভাগের গবেষকরা এ নিয়ে গ’বেষ’ণা করেছেন। তারা দাবি করেছেন, ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্ত রো’গীর সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তারা। এজন্য কালোজিরা ব্যবহার করা হয়েছে; যা হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি। সম্প্রতি তাদের এই গ’বেষ’ণাপত্রটি মা’র্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ’-এ প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে মু’সলিম ইঙ্ক নামের এই সাময়িকী।

গ’বেষ’ণাপত্রে উল্লেখ আছে, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রো’গ প্রতিরোধ ক্ষ’মতা বেড়ে যায়। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষ’তিগ্রস্থ হয় না এবং ভাই’রাস সং’ক্র’মণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কালোজিরা হলো রাসূল (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। এটা বীজ আকারে খাওয়া যায়, চাইলে গুঁড়া করেও খাওয়া যায়। এছাড়া খাবারের সঙ্গে কিংবা জুস আকারেও খাওয়া যায়। অনেকেই এর তেল খান।

কালোজিরার নানা রকম গুণ রয়েছে। কারণ, এতে রয়েছে- নাইজে’লোন, থাইমোকিনোন, লিনোলিক অ্যাসিড, ওলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফেট, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি ২, নায়াসিন, ভিটামিন-সি, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট।

ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্ত রো’গীর চিকিৎসায় কালোজিরা ব্যবহারে গবেষকরা যে পরামর্শ দিয়েছেন-

ক’রোনা আ’ক্রান্ত রো’গীকে দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল, এক চামচ মধু একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এটি খাওয়ার পর জুস কিংবা একটি কমলা খেতে দেয়া যেতে পারে। তবে লেবু খেলে বেশি ভালো। ক’রোনামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে খেতে হবে।

সৌদির গবেষক দলটি বলছে, রো’গীর ক’রোনা শনাক্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে দিনে পাঁচবার উপরোক্ত নিয়ম অনুসারে কালোজিরা খাওয়াতে হবে। আর সুস্থ হয়ে ওঠার পর ম’হামা’রি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে একবার করে খেতে হবে সেগুলো।

রো’গীর কাশি বেশি এবং শ্বাসক’ষ্ট হলে কালোজিরা ও লবঙ্গ মেশানো পানি গরম করে নাক দিয়ে বাষ্প টেনে নেয়া যেতে পারে। কালোজিরা-চামেলিও পানিতে গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টানতে পারেন।

গবেষকরা বলছেন, অক্সিজেনের অভাব হলে এক চামচ কালোজিরা, এক চামচ চামেলি এবং এক কাপ পানি একটি পাত্রে নিয়ে হালকা গরম করতে হবে। এভাবে দিনে পাঁচ থেকে ছয়বার পানি গরম করে বাষ্প নাক দিয়ে টেনে নিতে হবে।

গবেষকদের দাবি, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মা’রাত্মক সং’ক্র’মণ প্রতিরোধ করা যায়, ফুসফুসের সমস্যা ধীরে ধীরে সেরে যায়। বিভিন্ন গ’বেষ’ণায় দেখা গেছে, ফুসফুস এবং শ্বাসনালি ভালো রাখতে কালোজিরা দারুণ কাজের। যাদের শ্বাসক’ষ্ট রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারে তারাও আরো’গ্য লাভ করেন। শ্বাসযন্ত্রে যে কোনো ধরনের সং’ক্র’মণ ঠে’কাতে কালোজিরা অব্যর্থ ও’ষুধ। অ্যালার্জি থেকে মুক্তি দিতেও কালোজিরা কার্যকর।

গবেষক দলটির সদস্য ডা. সালেহ মুহাম্ম’দ বলেন, আল্লাহর রহমতে যেসব ক’রোনা রো’গীদের এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, তাদের সবাই সেরে উঠছেন। এই পদ্ধতিতে রো’গীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগছে না।

এছাড়াও গবেষকরা দাবি করেছেন, ভাইরাল হেপাটাইটিস সি-তে আ’ক্রান্ত রো’গীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পায়। এইচআইভি এইডস-এ আ’ক্রান্ত রো’গীও কালোজিরা ব্যবহারে উপকার পান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here