স্নাতকের শিক্ষার্থীরা পাবে ৫০ হাজার, এইচএসসিতে ২০ হাজার টাকা!

0
172

২০২০-২০২১ অর্থবছরে এই স্কলারশিপ স্কিমের আওতায় মুক্তিযো’দ্ধা স’ন্তান/নাতি-নাতনিদের বৃত্তি দিতে দরখাস্ত আহ্বান করেছে মুক্তিযু’দ্ধ বি’ষয়ক মন্ত্রণালয়। ‘নতুন ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী মুক্তিযোদ্ধা স’ন্তান স্কলারশিপ স্কিম’ এর আওতায় মুক্তিযোদ্ধাদের দুই হাজার স’ন্তান/নাতি-নাতনিদের বৃত্তি দেয়া হবে।এ স্কলারশিপ স্কিমের আওতায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এক হাজার জন এবং

স্নাতক পর্যায়ে এক হাজার জন করে মোট দুই হাজার ছাত্রছাত্রীকে (মুক্তিযো’দ্ধা স’ন্তান/নাতি-নাতনি) বৃত্তি দেয়া হবে। স্নাতক পর্যায়ে এককালীন পঞ্চাশ হাজার এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এককালীন বিশ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার ম’ন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ত’থ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ভারত ও স’রকারের আর্থিক সহায়তায় ঢাকার ভারতীয়

হাইকমিশন এবং মুক্তিযু’দ্ধ বি’ষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন নেয়া হবে। বিস্তারিত ত’থ্য মুক্তিযু’দ্ধ বি’ষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চলতি মাসেই ১০ হাজার করে টাকা পাবেন শিক্ষার্থীরা!

ম’হামা’রী ক’রোনা পরিস্থিতিতে অসচ্ছল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল ক্লাসে যুক্ত হওয়ার জন্য স্মার্টফোন ক্রয় বাবদ ১০ হাজার টাকা শিক্ষাঋ’ণ দেয়ার নীতিগত সি’দ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। চলতি মাসেই এ ঋ’ণ দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র মতে, স’রকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য নেই তাদের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠিয়েছে ইউজিসি। তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কিনে দিতে প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা লাগবে। যা নিয়ে ইউজিসি ও শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কিনে দিতে ১০ হাজার টাকা করে শিক্ষাঋ’ণ দেয়া হতে পারে। শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাবর্ষ সমাপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত লোন পরিশোধের সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে মাসিক ৫০০ টাকা করে পরিশোধ করার সুযোগ দেয়া হবে।

এ বি’ষয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে সম্পৃক্ত করতে এই উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সম্মতি পেলে আশা করছি, সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে শিক্ষাঋ’ণের ব্যবস্থা করতে পারব। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের সি’দ্ধান্তের ও’পর।’

কাজী শহীদুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকা দিতে বলেছিলাম। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা পাঠিয়েছে। তবে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় অস’ঙ্গতি রয়েছে। সেগুলো সংশোধ’ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা নিয়ে স’মস্যা নেই আমরা সেগুলোর বি’ষয়ে শিক্ষা ম’ন্ত্রণালয়ের স’ঙ্গে আলোচনা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে শিক্ষাঋ’ণের ব্যবস্থা করে দেব, তা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষাবর্ষের মেয়াদ থাকাকালীন লোন পরিশোধের সুযোগ পাবেন। শিক্ষার্থীরা লোন পরিশোধ না করলে সার্টিফিকেট পাবেন না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here