কে হচ্ছে হেফাজতের পরবর্তী আমিন জানালেন বাবুনগরী

0
82

বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (বেফাক), হেফাজতে ইসলাম ও আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়ার প্রধান ছিলেন আল্লামা শাহ আহম’দ শফী। ১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) তার মৃ’ত্যুর পর গুরুত্বপূর্ণ এই তিন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নেতৃত্বে কে আসবেন- তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

এ পরিস্থিতিতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নাগাদ আহম’দ শফীর দাফন হওয়ার পর বিভিন্ন দোয়া কর্মসূচি পালনের পরই বি’ষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের আলেম’দের স’ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

শুক্রবার এ বি’ষয়ে হেফাজতে ইসলামের মহাস’চিব জুনায়েদ বাবুনগরী একটি বেস’রকারি টিভি চ্যানেলকে বলেন, আহম’দ শফীর মৃ’ত্যুর পর হেফাজতে ইসলামের পরবর্তী আমির কে হবেন তা কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

শফীর মৃ’ত্যুতে কোনো ধরনের প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রভাব তো পড়বেই। হুজুরের মতো তো আর মানুষ পাওয়া যাবে না। আমার দায়িত্ব হলো এখন কাউন্সিল ডাকা। কাউন্সিল যে সি’দ্ধান্ত নেবে ওটাই হবে। আসা করি আমরা আগের মতো সব সামলে নিতে পারবো। কিছুটা সময় লাগবে।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে অনেকটাই অ’সুস্থ অবস্থায় ছিলেন আহম’দ শফী। দফায়-দফায় তাকে চট্টগ্রামে ও ঢাকার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত জুনে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় সহকারি পরিচালকের পদ থেকে হেফাজতের মহাস’চিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে আহম’দ শফীকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্ত’প্ত হতে শুরু করে। এরইমধ্যে জুলাইয়ে আহম’দ শফী ও বাবুনগরী একস’ঙ্গে সংবাদ সম্মেলন করে শান্তিপূর্ণ অবস্থানের কথা জানান।

এরপরও গত একমাসে আবারও পরিস্থিতি অ’বনতির দিকে যেতে থাকে। সর্বশেষ গত বুধবার হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় বি’ক্ষো’ভ করার প্রেক্ষিতে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে অপসারণ ও আহম’দ শফীকে মহাপরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

দেশের অন্যতম খ্যাতনামা আলেম শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব মাওলানা ফরীদউদ্দীন মাসঊদ বলেন, আল্লামা আহম’দ শফী একজন বিদ্বান আলেম ছিলেন। কিন্তু তার শেষ মুহূর্তের জীবন সু’খকর হয়নি।’

ঢাকার একটি ইসলামী দলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, ‘হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্ব হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে নির্ধারণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here