হঠাৎ আ’তং’কে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতারা

0
118

যে কোনো সময় মন্ত্রীসভায় র’দব’দল হতে পারে, এমন আলোচনা এখন স’চিবালয়ে প্রকাশ্য হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অধিকাংশ মন্ত্রী তৎপর ছিলেন এবং মন্ত্রিসভার র’দবদ’ল নিয়ে একে অন্যের স’ঙ্গে কথা বলেছেন।

স’রকারের মন্ত্রীদের কাছে এই রকম খবর আছে যে, যে কোনো সময় ম’ন্ত্রিস’ভায় র’দব’দল হতে পারে। কোন কোন মন্ত্রী বলছেন, আগামী সপ্তাহে ম’ন্ত্রিস’ভায় র’দব’দ’লের জন্য প্র”স্তু’তি রয়েছে বলে,

তাদের কাছে খবর রয়েছে। মন্ত্রী বিভাগ অবশ্য বলছেন যে, মন্ত্রিসভায় রদবদলের জন্য সব সময় তারা প্রস্তুত থাকে। এটাই তাদের রুটিন কাজ। তবে কখন মন্ত্রীসভায় র’দ বদল হবে, এ ব্যাপারে এখনও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কাছে কোন ত’থ্য নেই। উল্লেখ্য যে, মন্ত্রিপরিষদের রদবদলের কাজটি সম্পন্ন করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় রদ বদল এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সেভাবেই নতুন মন্ত্রীদের শপথের আয়োজন করেন বা দপ্তর পরিবর্তন করেন।

আসলে মন্ত্রিসভার র’দ বদ’লের আকার-প্রকরণ কিভাবে হবে এবং এই মন্ত্রীসভার র’দ বদ’লে কারা থাকবেন বা বা’দ পড়বেন- সে বি’ষয় নিয়েই আলোচনা চলছে। এতো দিন ধরে মন্ত্রিসভার প্রধান আলোচনার বি’ষয় ছিল দুটি। প্রথমত, ধর্ম ম’ন্ত্রণালয়ে নতুন একজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেয়া। দ্বিতীয়ত, স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী গতকাল কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যে ইঙ্গিত করেছেন তাতে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন নিয়ে আবার অ’স্প’ষ্ট’তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় ক’রো’না মো’কা’বেলায় দক্ষ’তার স’ঙ্গে কাজ করেছে

এবং তাদের স’মা’লো’চনা হবেই। স’মা’লো’চ’নায় কান না দিয়ে কাজ করে যাবার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে, প্রশ্ন উঠেছে যে, স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ে কি পরিবর্তন হচ্ছে? নাকি স্বা’স্থ্যমন্ত্রী থেকে যাচ্ছেন। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে স্বা’স্থ্যমন্ত্রীর টিকে থাকার প্রত্যয়ন পত্র বলে মনে করছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় ভালো কাজ করছেন। কাজেই এই অবস্থায় স্বা’স্থ্যমন্ত্রীর পরিবর্তন নিয়ে যতোই আলোচনা হোক, তা কাজে আসবে না।

কারণ প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব চিন্তা, কৌ’শল অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ সাজাবেন। কারণ এই মুহূর্তে যদি স্বা’স্থ্যমন্ত্রীকে পরিবর্তন করা হয়, তাহলে মনে করা হবে যে স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় আসলে ব্য’র্থ। এজন্য মন্ত্রীকে স’রি’য়ে দেয়া হয়েছে। ক’রো’না ‘সং”ক’ট নিয়ে স’রকারের স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় সফল না ব্য’র্থ- এই নিয়ে জনগণের মধ্যে মি’শ্র প্র’তিক্রি’য়া আছে। অধিকাংশ জনগণই মনে করে যে, স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয় ক’রো’না মো’কাবে’লা’য় যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি। বিশেষ করে, স্বা’স্থ্যমন্ত্রীর একের পর এক বি’তর্কি’ত বক্তব্য এবং

তার ভূমিকা নিয়ে সর্বস্তরে স’মা’লোচ’না হয়েছে। আর এই স’মা’লো’চনার প্রেক্ষিতে যদি স্বা’স্থ্যমন্ত্রীর পরিবর্তন করা হয়, তাহলে সেটি স’রকারের ঘা’ড়ে আসতে পারে বলে, অনেকে মনে করেন। কারণ এতোদিন তাহলে পরিবর্তন করা হয়নি কেন বা স্বা’স্থ্যমন্ত্রী হিসেবে তাকে এতদিন রাখা হল কেন ইত্যাদি প্রশ্ন আসতে পারে। এটিকে স’রকারের ব্য’র্থ’তা হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। এ রকম বা’স্ত’বতায় স’রকার স্বা’স্থ্যম’ন্ত্রী পরিবর্তন নাও করতে পারেন, বলে ধারণ করা হচ্ছে।

অবশ্যই আবার বিপরীত মতামতও পাওয়া গেছে। অনেকে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য ইং’গি’ত’বাহী। তিনি স্বা’স্থ্যমন্ত্রীকে ব্য’র্থ’তার জন্য পরিবর্তন করছেন না। বরং স্বা’স্থ্যমন্ত্রী ভালো করেছেন, তাকে অন্য একটি ম’ন্ত্রণালয়ে দেয়া হচ্ছে। ব্য’র্থ’তার জন্য তাকে প’দত্যা’গ করানো হচ্ছে না। এটি বোঝানোর জন্যই হয়ত প্রধানমন্ত্রী স্বা’স্থ্যমন্ত্রীর সফলতার কথা বলছেন। তবে এর আশ্বাস পর্যন্ত স্বা’স্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন হবে- কিনা সেটি দেখার বি’ষয়। আর একটি ম’ন্ত্রণালয় নিয়ে গুঞ্জন আছে। বাণিজ্য ম’ন্ত্রণালয় একের পর এক পেয়াজ সং’কট, জিনিসপত্রের লা’গা’মহীন ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি নিয়েও কথাবার্তা হচ্ছে।

কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি স’রকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এই মুহূর্তে তাকে পরিবর্ত করা হবে কিনা- তা নিয়ে অনেকেই সং’শ’য় প্রকাশ করেছেন। কথা হচ্ছে অর্থমন্ত্রীকে নিয়েও। এই ক’রো’না সং’ক’টের সময় অর্থমন্ত্রীর ভূমিকা তেমন ই’তিবাচক ছিলো না, বলে অনেকে মনে করছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অর্থ ম’ন্ত্রণালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ম’ন্ত্রণালয়ে র’দব’দল হবে, এটি অনেকের কাছেই একটি অ’বা’স্তব চিন্তা । সাম্প্রতিক সময়ে বি’দ্যু’ৎ জ্বা’লানি’ খাত নিয়েও কথা’বার্তা হচ্ছে। বিদ্যুৎ জ্বা’লানি ম’ন্ত্রণালয়ের পরিবর্তনের বি’ষয়টি নিয়েও ভাবা হচ্ছে। এছাড়াও কাজের সমন্বয় করার জন্য নতুন প্রতিমন্ত্রী, নতুন মন্ত্রী নিয়োগের বি’ষয়টি নিয়েও গু’ঞ্জন রয়েছে।

দলের গুরুত্বপূর্ণ হেভিওয়েট নেতাদের কেও এখন মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে, এমন কথা আওয়ামী লীগের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে হচ্ছে। তবে মন্ত্রিসভায় আকার-প্রকরণ কি হবে এবং মন্ত্রিসভায় রদ বদল ছোটো হবে নাকি বড় হবে- সে বি’ষয় নিয়ে নানা রকম আলাপ-আলোচনা ও গু’ঞ্জন থাকলে, সঠিক এবং নিশ্চিত ত’থ্য কারো কাছে নেই। তবে সবাই একটি কথা বলছেন যে, আগামীকাল থেকে যে সপ্তাহটি শুরু হচ্ছে, এই সপ্তাহ থেকে মন্ত্রিসভায় বড় ধরণের র’দবদ’ল হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here