প্রেমে পড়লেই মি’লনে লি’প্ত হন? সাবধান-বিশেষ করে না’রীরা বি’ষয়টি অবশ্যই পড়ুন

0
224

একথা অবিশ্বাসের কিছু নেই। বর্তমানে যেখানে দুদিনের প্রেমেই প্রে’মিক-প্রে’মিকারা যৌ’ন স’ঙ্গমে লি’প্ত হয়ে পড়েন, সেখানে গভীরতা যুক্ত প্রেমে যৌ’নতা আসতে বা’ধ্য। এতে অস্বাভাবিকও কিছু নেই।

কিন্তু সেই স’ম্পর্কে ছেলে-মে’য়ে অভ’য় পক্ষেরই সম্মতি থাকে। সুতরাং স’ম্পর্ক শেষ হলে ঘ’টনাকে ভু’লভাবে সাজিয়ে শুধুমাত্র প্রে’মিককে ধ’র্ষণের দায়ে দায়ী করা যাবে না। সোমবার এরকমই নির্দেশ দিলো বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধ’র্ষণের অভিযোগ নিয়ে আ’দালতে এসেছিলেন এক ম’হিলা। নিম্ন আ’দালত সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রে’মিককে ৭ বছরের জে’ল এবং ১০০০০ হাজার টাকা জরিমানা নিৰ্দেশ করে।

তারপরই নিজের জন্য বিচার চাইতে হাইকোর্টে আসে সেই প্রে’মিক। সেই মা’মলাতেই নিম্ন আ’দালতের নির্দেশ খারিজ করে বম্বে হাইকোর্ট।

গোয়ার এক ক্যা’সিনোর রাঁধুনি ছিলেন যোগেশ নামের প্রে’মিক। তার সাথেই প্রেম হয় তার সহকর্মীর। একদিন তারা ঠিক করেন যোগেশের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন।

কিন্তু দেখা করতে গিয়ে দেখেন তার মা-বাবা সেখানে উপস্থিত নেই। সুতরাং সেই রাতটি যোগাচের বাড়িতেই কা’টান অভিযোগকারিণী। যৌ’ন মি’লনে লি’প্ত হন তারা, পরদিন তাকে বাড়ীতে পৌঁছেও দেন যোগেশ. এরপরেও অনেকবার তারা যোগেশের বাড়িতেই শা’রীরিক স’ম্পর্কে লি’প্ত হন।

কিন্তু কিছুদিন পর নিম্ন বর্ণ থেকে উঠে এসেছে বলে প্রে’মিকার সাথে স’ম্পর্ক ত্যাগ করেন যোগেশ/। তারপরই আ’দালতের দ্বারস্থ হন সেই ম’হিলা।

কিন্তু হাইকোর্ট জানায়, শা’রীরিক স’ম্পর্কে জড়ানোর সময় প্রে’মিকার নিজেরও সম্মতি ছিল। জোগেশকে মাঝেসাঝে আর্থিক সাহায্যও করেন তিনি.

যোগেশ হঠাৎ অ’সুস্থ হয়ে পড়লে তার অভিযোগ প্রত্যাহারও করেছিলেন ওই ম’হিলা। এর থেকেই স্পষ্ট যে তাদের মধ্যে গভীর স’ম্পর্ক ছিল। যোগেশ তাকে শোষণ করেননি। তাই বিয়ে করবেন না বলে ধ’র্ষণের অভিযোগ আনা যুক্তিযুক্ত নয় বলে জানায় হাইকোর্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here