লাহোরে ধ’র্ষিতাকে দায়ী করায় ক্ষেপেছেন সেলিব্রেটিরা

0
104

লাহোরে গণধ’র্ষিতাকে পু’লিশ দায়ী করায় ক্ষি’প্ত হয়েছেন সেলিব্রেটিরা। পু’লিশের ত’দন্তকারী কর্মকর্তা ওই ধ’র্ষিতাকে দায়ী করায় বিভিন্ন মহল থেকে নি’ন্দার ঝড় উঠেছে।

তাতে পাকিস্তানে না’রীর নিরাপত্তা নিয়ে ক্ষো’ভ প্রকাশ করা হচ্ছে। স’ঙ্গে স’ঙ্গে অনেক পাবলিক ফিগা’র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষো’ভ প্রকাশ করেছেন। তাতে ধ’র্ষণকারীদের প্রকাশ্যে ফাঁ’সি দেয়ার দাবি তোলা হয়েছে।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এতে বলা হয়েছে, এই ক্ষো’ভ আরো উস্কে দিয়েছে লাহোরে নবনিযুক্ত পু’লিশ প্রধান উমর শেখের বি’তর্কি’ত মন্তব্যে। বৃহস্পতিবার সকালে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি ধ’র্ষিতাকে আরো বিচক্ষণ হওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন।

লেছেন, আমাকে যেটা বেশি বিস্মিত করেছে তাহলো তিন স’ন্তানের মা ওই না’রী একজন প্রা’প্ত ব’য়স্ক গাড়ির চালক ছাড়া রাতের বেলা বের হয়েছেন। তিনি কেন জিটি রোড দিয়ে যাননি, যে রোডে সব সময় মানুষজন থাকে? আর কিছু না হলেও, তার উচিত ছিল গাড়ির জ্বা’লানি পরীক্ষা করে নেয়া।

ধ’র্ষিতাকে এভাবে দায়ী করে মন্তব্যের কারণে পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়ার দাবি উঠেছে নাগরিকদের পক্ষ থেকে। তাদের স’ঙ্গে যোগ দিয়েছেন সেলিব্রেটিরাও। তারাও এর কড়া সমালোচনা করেছেন। পু’লিশের এমন মন্তব্যের নি’ন্দা জানিয়েছেন অভিনেতা ওসমান খালিদ বাট। তিনি বলেছেন,

পু’লিশের এমন মন্তব্য দেশের না’রীদের জন্য আরো ভ’য়াবহতা নিয়ে আসবে। ওসমান বাট বলেন, আমাকে বলুন তো এমন মন্তব্যে কি আপনার শিরদাড়ায় কি কাঁপন লাগেনি! এর মধ্য দিয়ে প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে যে,

না’রীদের জন্য নিরাপদ নয় পাকিস্তান। আর আমাদের স’ঙ্গে এটি হতেই থাকবে। পু’লিশ কর্মকর্তার ওই বি’তর্কি’ত মন্তব্য শেয়ার করে তিনি এসব কথা বলেছেন। এমন ঘ’টনায় ভি’কটিমকে দায়ী না করে অন্য অনেককে দায়ী করা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী মানশা পাশা।

তিনি বলেছেন, প্রথম অ’পরাধটি করেছে ধ’র্ষকরা। দ্বিতীয়ত, তাদেরকে দায়ী করতে হবে, যারা ওই না’রীকে দায়ী করছেন। তৃতীয়ত, দায়ী ওইসব কর্মকর্তারা, যারা কিছুই করছেন না। আর যারা কিছুই বলছেন না, তারা হলেন চতুর্থত দায়ী। শুধু দায়ী নন, ধ’র্ষিতা।

অভিনেত্রী আয়েশা ওমর উল্লেখ করেন, তিনি একজন না’রী হিসেবে বিদেশের দেশগুলোকে কতটা নিরাপদ মনে করেন। একজন না’রী যদি জরুরি প্রয়োজনে রাতে বাইরে যান, তাহলে তাতে স’মস্যাটা কোথায়! যদি তার অথবা তার পরিবারের কারো জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হয় তাহলে তিনি কি করবেন? আমি তো বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে রাত একটার সময় রাস্তায় হাঁটতে পারি এবং পুরো নিরাপদ বোধ করি। কিন্তু এটা আমার নিজের দেশে নেই। এমনকি গাড়িতে থাকলেও না।

অভিনেত্রী মেহয়িশ হায়াতও একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, সামষ্টিক মা’নসিকতার পরিবর্তন না হলে এসব ঘ’টনায় শা’স্তি দিয়ে কিছু হবে না। কিভাবে সিঙ্গাপুরের মতো দেশে ভোর ৪টার সময় কাজ শেষে একজন না’রী নিরাপদে হেঁটে বাসায় পৌঁছেন? আমাদের মধ্যে কেন নিরাপত্তার সেই ধারণার জ’ন্ম হয় না? আমরা কি সভ্য সমাজে বসবাস করছি নাকি জঙ্গলে? আপনারা সবাই যদি ধ’র্ষকদের প্রকাশ্য ফাঁ’সির দাবিতে চিল্লান আর যদি মা’নসিকতার পরিবর্তন না হয় তাতে কোনো কাজ হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here