অল্পতেই চোখে জল আসে আপনার? তাহলে আপনার মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ!

0
99

মানুষ মাত্রই তাঁর অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কারওর বেশি থাকে, কারও বা কম। কেউ আবার আবেগপ্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন না কখনো। আপনার কি কথায় কথায় চোখে জল চলে আসে? তাহলে আপনার মধ্যেই কিন্তু রয়েছে বিশেষ গুণ ।

অনেকেই আছেন, যাঁদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে জল আসে। এক কথায় এরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগ প্রবণ হয়। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই এঁদের মনে করে দু’র্বল ।মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন।

এক সর্ব ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি গবে’ষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যাঁরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদেন তাঁদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যও থাকে। মনের মধ্যে কোনও ক’ষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষ’তিকারক। উল্টোদিকে যাঁরা কেঁদে নিজের ক’ষ্ট বের করে ফেলতে পারেন, তাঁদের পক্ষে সেই ক’ষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূ’লক ভাবে একটু সহজ।

জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরে মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এঁরা সেই ক’ষ্ট থেকে বেরিয়ে আসেত পারেন ওনেক সহজে। অনেকের ধারণা যাঁরা কাঁদেন তারা কখনো ভীতু হন। কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাঁদের মতে, যাঁরা কাঁদেন, তাঁরা সাহসী হন। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তাঁরা ভ’য় পান না।

অনেকে কা’ন্না চে’পে রাখেন নিজেকে দু’র্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চান না তাই। কিন্তু যাঁরা সমস্ত দুঃখ-ক’ষ্টকে মেনে নিয়ি কাঁদতে ভ’য় বা লজ্জ্বা পান না তাঁরাই হলো আসল সাহসী। যাঁরা বেশি কাঁদেন তাঁরা জীবনে সমতা বজায় রাখতে স’ক্ষম হন। এঁরা জানেন কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাঁদের বরং সুবিধাই হবে।

উল্টোদিকে যাঁরা না কেঁদে, ক’ষ্ট ভিতরে আ’টকে রাখেন তাঁদের মাথায় ও জীবনে সেই ক’ষ্ট প্রভাব ফে’লে সবথেকে বেশি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here