প্রদীপ-লিয়াকতের ডিভিশন পেতে প্রত্যয়নপত্র দেন এসপি মাসুদ!

0
1082

আ’দালতে আ-ত্মসম-র্পণের পর সে’নাবা’হিনীর অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা রাশেদ হ-ত্যা মা’মলার আ’সামি ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং প্রধান আ’সামি এসআই লিয়াকত আলীকে জে’লহাজতে ডিভিশন দেয়ার প্রত্যয়নপত্র দিয়েছিলেন কক্সবাজারের এসপি এ.বি.এম মাসুদ হোসেন। সেখানে তিনি ওসি ও এসআইকে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা উল্লেখ করে ডিভিশন দিতে অনুরোধ জানান। তবে কক্সবাজার জে’লা কা’রাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন আবেদন দুটি বাতিল করে দেন।

৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রা-ইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় এপিবিএনের চেকপোস্টে পু’লিশের গু-লিতে নি-হত হন মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খান। এরপর দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে ঘ-টনাটি। নি’হতের বড় বোন বা’দী হয়ে কক্সবাজার আ’দালতে একটি মা’মলা করেন। সেই মা’মলা টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার , বাহারছড়া ফাঁড়ির ই’নচার্জ লিয়াকত আলীসহ নয়জনকে আ’সামি করা হয়। এরপর সাত অ’ভিযুক্ত পু’লিশ সদস্য আ’দালতে আত্মসমর্পণ করে।

পরে তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়। মা’মলাটিতে মোট আ’সামির সংখ্যা ১৩ জন।সিনহা হ’ত্যার পর পু’লিশের করা মা’মলার তিন সাক্ষীকে গ্রে-প্তার করে মা’মলার ত’দন্ত সংস্থা র‌্যা’ব। এছাড়া হ-ত্যায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে আরও তিন এপিবিএন সদস্যকে গ্রে-প্তার করে এলিট ফোর্সটি। বর্তমানে ওসি প্রদীপসহ সবাইকে র‌্যা’ব জি-জ্ঞাসাবাদ করছে।

এদিকে জে’লকোডের ৬১৭ বিধিতে বলা আছে, যারা ভালো চরিত্রের অধিকারী ও অনভ্যাসগত অ’পরাধী; সামাজিক মর্যাদা, শিক্ষা এবং অভ্যাসের কারণে যাদের জীবনযাপনের ধরন উচ্চমানের এবং যারা নৃ’শংসতা, নৈতিক স্খলন এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসামূ’লক অ’পরাধ বা বি-স্ফোরক আগ্নেয়া-স্ত্র স’ঙ্গে রাখা, সম্পত্তিসংক্রান্ত মা’রা-ত্মক অ’পরাধে সাজাপ্রা’প্ত নন বা অন্য কাউকে এসব অ’পরাধ করতে প্ররোচিত বা উ’ত্তেজিত করেনি তারা ডিভিশন-১ প্রা’প্তির যোগ্য হবেন।কক্সবাজারের পু’লিশ সুপার গত ৮ আগস্ট স্বাক্ষরিত তার প্রত্যয়নপত্রে ওসি প্রদীপকে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে ডিভিশন দেয়ার আবেদন দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই মর্মে প্রত্যায়ন করা যাচ্ছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স’রকারের স্ব’রা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়ের পু’লিশ শাখা-২ এর স্মারক নং-স্ব: ম:/পু-২/উন্নীতিকরণ-১/২০০৮/৬২৫, তাং ৩০/০৭/২০১২ খ্রি. মূ’লে জারিকৃত প্রজ্ঞাপণ অনুযায়ী পু’লিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) জনাব প্রদীপ কুমার দাশ একজন ১ম শ্রেণির স্থায়ী (নন-ক্যাডার) কর্মকর্তা। একইভাবে তিনি ওসি লিয়াকত হোসেনকে প্রত্যায়নপত্র দেন।

জে’লকোডের বিধি ৬১৭ (২)-এ বলা হয়েছে, ‘নাগরিকত্ব নির্বিশেষে সামাজিক মর্যাদা, শিক্ষা এবং অভ্যাসের কারণে জীবনযাপনের ধরন উচ্চমানের ব’ন্দিরা ডিভিশন-২ প্রা’প্তির যোগ্য হবেন। অভ্যাসগত ব’ন্দিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই শ্রেণির বহির্ভূত হবে না, স’রকারের অনুমোদন বা পুনর্বিবেচনার শর্তে শ্রেণি বিভাজনকারী কর্তৃপক্ষকে ব’ন্দির চরিত্র এবং প্রাক পরিচিতির ভিত্তিতে এ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য ক্ষ’মতা দেওয়া হবে। যেসব ব’ন্দি ডিভিশন ১ ও ২-এর অন্তর্ভুক্ত নয় তারা তৃতীয়টির অন্তর্ভুক্ত হবেন,

যেখানে বলা হচ্ছে, আ’দালত কোনো ব’ন্দিকে ডিভিশন ১ ও ডিভিশন ২ প্রদানের জন্য প্রাথমিক সুপারিশটি স’রকারের অনুমোদন কিংবা পুনর্বিবেচনার জন্য স্ব’রা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন এবং ম’ন্ত্রণালয় সেটি অনুমোদন বা পুনর্বিবেচনা করবেন।জে’ল সূত্রে জানা গেছে, সিনহা হ’ত্যার

ঘ-টনায় ওসি প্রদীপসহ প্রধান তিন আ’সামিকে আলাদা সেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে অন্য কাউকে রাখা হয়নি। বিশেষ আ’সামি হওয়ায় তাদেরকে আলাদা রাখা হয়। ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের জন্য পু’লিশ সুপার ডিভিশনের আবেদন করলেও কক্সবাজার জে’লা কা’রাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন আবেদনটি বাতিল করে দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here