আলোচিত সেই ও’সি প্রদীপ কুমার ছিলেন অপ’রাধীদের সোনার ডিমপাড়া হাঁস !

0
147

সাবেক সে’নাসদস্য মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান খু’নের অন্যতম অ’ভিযুক্ত কক্সবাজারের টেকনাফ থা’নার সাবেক ও’সি প্রদীপ কুমার দাশের ও’পর ছিল প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের আশীর্বাদ। প্র’দীপ ছিলেন কারও কারও জন্য সোনার ডিমপাড়া হাঁস। তাই একের পর এক বি’তর্কিত ঘ’টনার জ’ন্ম দিলেও তিনি ছিলেন ধ’রাছোঁয়ার বাইরে।

অপ’রাধ করে বারবার পার পেয়ে যাওয়ায় টেকনাফে দানবীয় রূপ ধারণ করেন স’মালোচিত সাবেক পু’লিশ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার দাশ। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, ‘টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপের বি’রুদ্ধে আগে কখনো অ’ভিযোগ আসেনি। তাই দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোনো অনিয়ম-দু’র্নীতি করেছেন কি না তা বলতে পারব না।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ বি’ষয়টা এখন অন্য সংস্থা ত’দন্ত করছে। তাই প্রদীপকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আকতার কবির চৌধুরী বলেন, ‘সাবেক পু’লিশ পরিদর্শক প্রদীপের চাকরিজীবনের পুরোটাই ছিল বিতর্কের মধ্যে। অসংখ্যবার তার বি’রুদ্ধে অভি’যোগ প্রমাণিত হলেও কর্তৃপক্ষ শা’স্তিমূ’লক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

বরখাস্ত ও প্রত্যাহার হওয়ার পর দ্রু’তই স্বপদে বহাল হয়েছেন তিনি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া কখনো এ ধরনের কর্মকান্ড নির্বিঘ্নে করা সম্ভব নয়। প্রদীপের ভ’য়ঙ্কর উত্থানে অবশ্যই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহায়তা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রদীপের অন্যায়-দু’র্নীতি শুরু থেকে দমানো গেলে কখনো তিনি দানবীয় রূপ ধারণ করতে পারতেন না। এখানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্য’র্থতা রয়েছে।

তাই প্রদীপের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্য’র্থতার ত’দন্ত করাও উচিত।’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে পু’লিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রদীপ কোনো কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার জন্য ছিল সোনার ডিমপাড়া হাঁস। তারা প্রদীপের কাছ থেকে নানা অ’নৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতেন। ঊর্ধ্বতন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার আশীর্বাদ ছিল প্রদীপের ও’পর।

একই স’ঙ্গে প্রদীপ সুনজরে ছিলেন প্রভাবশালী রাজনীতিকদের। তাই তার অনিয়ম-দু’র্নীতির কথা জেনেও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।’ জানা যায়, মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যা মা’মলায় অ’ভিযুক্ত পু’লিশের সাবেক পরিদর্শক প্রদীপ কুমার দাশের চাকরিজীবনের সিংহভাগ সময় কে’টেছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে। দুই যুগের চাকরিজীবনের প্রায় সব সময় কে’টেছে তার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জে’লায়।

যে থানায় দায়িত্বরত ছিলেন সেখানে বি’তর্কি’ত কর্মকান্ডের কারণে সমালোচনার জ’ন্ম দিয়েছেন। দীর্ঘ এ চাকরিজীবনে দুবার বরখাস্ত এবং কমপক্ষে পাঁচবার বিভিন্ন থানা থেকে প্রত্যাহার হয়েছেন।

প্রতিবারই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে স্বপদে ফিরেছেন দ্রু’ত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পু’লিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কীভাবে ম্যানেজ করতে হয় তা জানতেন প্রদীপ কুমার।

অ’নৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে তার যাবতীয় অনিয়ম-দু’র্নীতিতে সমর্থন করতেন। ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সমর্থন পেয়ে অপ্রতিরোধ্য ছিলেন প্রদীপ কুমার। টেকনাফে থাকাকালীন সময়ে প্রদীপের কন্ট্রাক্ট কিলিং, গ্রে’ফতার বাণিজ্য, অ’ভিযানের নামে লু’টপাট, মানুষ ধরে এনে নি’র্যাতন- কোনো কিছুই অজানা ছিল না কারও। তার অনিয়ম-দু’র্নীতির কথা জেনেও নীরবে সমর্থন দিয়ে গেছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here