অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় জীবিত ছিলেন সুশান্ত! যা বললেন সেই ড্রাইভার

0
130

বলিউডের জনপ্রিয় নায়ক সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত্যুর ইস্যু নিয়ে বলিউড ইন্ডাস্ট্রি সরব। পু’লিশ এই মৃ’ত্যুর র’হস্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। মাত্র ৩৪ বছর ব’য়সে এই অভনেতার মৃ’ত্যুর শো’ক প্রতিটি সিনেমাপ্রেমী মানুষের হৃদয় ভে’ঙে দিয়েছে। অনেকেই দাবি করছেন- আত্মহ’ত্যা করলেও মূ’লত সুশান্তকে মৃ’ত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যা এক প্রকার খু’ন। আর এই খু’নের দায় স্বজনপ্রীতিতে আ’ক্রান্ত বলিউডের।

এদিকে সুশান্তের ম’রদে’হ তার বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে এই অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। ভারতের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যাম্বুলেন্স চালকের দাবি, অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় সুশান্ত জীবিত ছিলেন। তিনি নাকি দেখেছেন, অভিনেতার দে’হ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। ওই চালকের দাবি, সাধারণত আত্মহ’ত্যা করলে মৃ’তের শ’রীর পুরো হলুদ হয়ে যায় না। যারা সুশান্তের ম’রদে’হ নেওয়ার জন্য তাকে ফোন করেছিলেন তারা ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছিলেন।

অ্যাম্বুলেন্স চালক অক্ষয় ভান্ডগরের প্রশ্ন, যে মানুষ আত্মহ’ত্যা করেছেন তার পা মোড়া থাকবে কেন? তিনি জানান সুশান্তের পায়ের নানা জায়গায় থেঁ’তলে যাওয়ার মতো আ’ঘাত দেখেছেন। আত্মহ’ত্যা করলে এই দাগ কেন থাকবে?

অ্যাম্বুলেন্সের চালক অক্ষয়ের এই বক্তব্য সুশান্তের মৃ’ত্যু ত’দন্তে নিঃস’ন্দে’হে উত্তাপ বাড়াল। ভান্ডগর জানান, অ্যাম্বুল্যান্সে আত্মহ’ত্যা করা বহু মানুষের মৃ’তদে’হ তিনি দেখেছেন। সেই অ’ভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করেই তার মনে হয়েছে এই মৃ’ত্যু আত্মহ’ত্যা নয়।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’তদে’হ নামিয়ে দিয়ে আসার পর থেকেই তিনি হু’মকি ফোন পাচ্ছেন বলে আগে মুম্বাইয়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে কে বা কারা তাকে হু’মকি দিচ্ছেন, তা জানা না থাকলেও একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ক্রমাগত ফোন করা হচ্ছিল তাকে।

কয়েক দিন আগে সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অক্ষয় ভান্ডগর। যেখানে তিনি দাবি করেন, সুশান্তের মৃ’তদে’হ বহনের জন্য তাকে ফোন করে মুম্বাই পু’লিশ। তবে নেটাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, সুশান্ত জীবিত জেনেও তিনি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না কেন? পু’লিশও দেখেছিল, অভিনেতার আঙুল নড়ছে। তা সত্ত্বেও কেন তার মুখে চাদর চা’পা দিয়ে দেয়া হল? শ্বাস নিতে যাতে আরো ক’ষ্ট হয়?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here