লক’ডাউনে ক’ন্ডো’ম কিনতে বেরিয়ে বা’ধার মুখে, যুবকের যু’ক্তিতে তা’জ্জব পু’লিশ

0
414

লক’ডাউনে বেশিরভাগ মানুষকে যেতে হচ্ছে না অফিস। বাইরের কাজও পুরোপুরি বন্ধ। তাই এই পরিস্থিতিতে ঘরেই রয়েছেন সকলে।

অফিস, ফাইল সামলানো কেরিয়ারের ইঁদুর দৌড়ে অনেক দম্পতিরই খাবার টেবিল কিংবা এক বিছানায় ঘুমনো ছাড়া সুখ-দুঃখের গল্প বিশেষ ভাগ করা হত না। সেই দম্পতিই এখন দু’জনে মিলে ভাসছেন প্রেমের জো’য়ারে।

বন্ধ ঘর, অবসর আর যৌ’নতা হবে না তা কি হয়? সুর’ক্ষিত যৌ’নজীবনের জন্য প্রয়োজন ক’ন্ডো’ম।

এদিকে, লক’ডাউনের কথা মাথায় রেখে বেশি করে চাল, ডাল কিনেছেন অনেকেই। কিন্তু ক’ন্ডোম কি আর বেশি করে কেনা

আছে? তার উপর আবার ক’ন্ডোম ছাড়া যৌ’নতায় একেবারে নারাজ স’ঙ্গিনী। তাই বা’ধ্য হয়ে রা’স্তায় বেরিয়ে পড়লেন। পু’লিশের সঙ্গে দেখা হওয়া মাত্রই কী কাণ্ডই না ঘটালেন তিনি!

প্রায় মাসখানেকের লক’ডাউন শেষে একাধিক ক্ষেত্রেই ছাড় দিয়েছে স’রকার। তাই হাতে থলি, ব্যাংকে’র পাশবুক, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখলে বা’ধা দেওয়া তো দূর। মুখে রা পর্যন্ত কাড়ছে না পু’লিশ।

এমনকি দোকানে যাতে ভিড় না হয় তাই পু’লিশ নিজেই সেই প্রে’সক্রিপশন নিয়ে ও’ষুধ কিনে আমজনতার হাতে তুলে দিচ্ছে।

কিন্তু ও’ষুধের দোকানে ক’ন্ডোম কিনতে গেলে তো আর হাতে প্রেসক্রি’পশন থাকে না! এদিকে স’ঙ্গীনিও জানিয়ে দিয়েছে, প্রো’টেকশন জরুরি।

তাই যুবক ভ’রদুপুরে মোটরবাইক নিয়ে ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ বিধি মেনে হ’ন্ত’দন্ত হয়ে ও’ষুধের দোকানে ছুটেছিলেন। কিন্তু থমকে যেতে হয় পু’লিশি বা’ধায়। স্বা’ভাবিকভাবেই টহল দেওয়া পু’লিশকর্মীরা জিঞ্জাসা করেন, রাস্তায় বেরনোর কারণ কী?

যুবকের উত্তর, “ও’ষুধের দোকানে যাচ্ছি।” ফলে দেখতে চাওয়া হয় প্রেসক্রিপশন। তা না থাকায় বলেন, সেলফ প্রে’সক্রিপশন।

জরুরি পরিষেবা! কিন্তু কিছুতেই আর ভে’ঙে বলছিলেন না জরুরি পরিষেবাটা কি? তখন খানিকটা মেজাজ হা’রানো পু’লিশ কর্মীরা লা’ঠি উঁচিয়ে জরিমানা করতে যাচ্ছিলেন।

ক্ষু’ব্ধ যুবক পালটা পু’লিশকেই প্রশ্ন করে বসেন, “আপনি কন্ডোম কিনতে গেলে কি প্রেসক্রিপশন নিয়ে ও’ষুধের দোকনে যান?

সেলফ প্রেসক্রি’পশনে ক’ন্ডো’ম জরুরি পরিষেবা।” বা’ইক আরোহী যুবকের এমন কথা শুনে ভ্যাবাচাকা খেয়ে যায় পু’লিশ। হেলমেট বিধি, বাইকের কাগ’জপত্র সব ঠিক থাকায় যুবক’কে ছেড়েই দিতে বা’ধ্য হয় পু’লিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here