ভু’লেও এই দুটি ফল একসাথে খাবেন না, হতে পারে হিজড়া স’ন্তান…

0
182

সমাজে ওরা ব্রাত্য। পুং ও স্ত্রী এই দুই লি’ঙ্গের ভিড়ে অন্য কোনো লি’ঙ্গের যে জায়গা নেই এখানে। ব্রিহন্নলা ওরা। সমাজ যাদের অপাংতেয় করে নাম দিয়েছে হিজড়া। ট্রেনে বাসে ওদের দেখে এত যে অভক্তি, কখনও কি ভেবে দেখেছি আমরা ওদের অন্যায় টা কোথায় ? সমাজের থেকে যুগ যুগ ধরে ঘৃণা ও অ’পমান পেয়ে ওরাও কিন্তু সহজ ভাবে সমাজে মিশতে পারে না।

জীবন তো ওদের ক’ষ্টের বটেই। মৃ’ত্যুর পর ওদের কি অবস্থা হয় তা কি কোনোদিনও কেউ খোঁজ নিয়েছে। মানুষের মতো অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া কিন্তু ওদের কপালে জোটে না। টেনে হিজরে নিয়ে যাওয়া হয় সমাজের থেকে কোনো এক দূর স্থানে। কাক পক্ষীতেও যাতে টের না পায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এরকম কঠিন জীবন কি কোনো মা তার স’ন্তানের জন্য চায়? কখনই না। তাই কোনো মা চান না তার স’ন্তান জ’ন্মের পর সমাজ বহির্ভূত হয়ে যাক। চাইলেও মা সেই স’ন্তানকে নিজের কাছে রাখতে পারেন না।

ব্রাত্য ঐ সমাজ এসে নিয়ে যায় তাদের একজন কে। যদি মা রাখতেও চান নিজের কাছে, সে স’ন্তান কি জীবন পাবে সেই নিয়ে তো বিশাল প্রশ্নচিহ্ন। সম্প্রতি মুক্তিপ্রা’প্ত ছবি ‘সমান্তরাল’ এ এমনই এক মর্মস্পর্শী কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।

হিজড়া স’ন্তান কেন হয় তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক মহলে বহু মতামত প্রচলিত আছে। না’রী পুরু’ষ অ’ঙ্গের সাথে বা পুরু’ষ না’রী অ’ঙ্গ নিয়ে জ’ন্মায় যা খুব কম ঘটে থাকে। কুসংস্কার বলে উড়িয়ে দিলেও বেশ কিছু নিয়ম আছে যা সমাজে মানুষ মেনে চলে যাতে স’ন্তান তৃতীয় লি’ঙ্গের না হয়। তবে সেসব সবাই জানেন না।

শোনা যায়, একবার কিনসু নামের একটি মে’য়ে ভগবান গির্বাকে একসাথে আমলকি আর লিচু নিবেদন করেছিলেন। গির্বা বাবা আমলকী আর লিচু একসাথে খান না। সে কারনে প্রসাদের থালা দেখে গির্বা বাবা ভ’য়ানক ক্ষি’প্ত হন ও রেগে গিয়ে অভিশাপ দেন যে এই প্রসাদ খাবে তার হিজড়া সত্নান হবে।

তারপর থেকে এই মত চারিদিকে প্রচলিত যে এই দুটি ফল একসাথে খেলেই হিজড়া স’ন্তান হবে। সত্য বা মিথ্যা পরখ করতে যাবার দুঃসাহস না দেখানোই ভালো। তার থেকে কিছু নিয়ম মেনে চলায় জীবনে ক্ষ’তি কিছু নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here