চীনের আরও ৪৭ অ্যাপ নি’ষিদ্ধ করল ভারত

0
145

সী’মান্তে চীনের সামনে টিকতে না পেরে চীনা অ্যাপের উপরে ক্ষো’ভ ঝাড়ছে মোদি স’রকার। যার জেরে এবার আরও ৪৭টি চীনা অ্যাপ নি’ষিদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। গত মাসের শেষে প্রথম ডিজিটাল স্ট্রাইকে ভারতে নি’ষিদ্ধ করা হয়েছিল টিকটক-সহ চীনের ৫৯টি অ্যাপ।

ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও ইনফরমেশন টেকনোলজি ম’ন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, যারা ব্যান হওয়া অ্যাপ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে চালাবে বা সক্রিয় রাখবে, তাদের বি’রুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ৫৯টি চীনা অ্যাপ প্রস্তুতকারকদের ব্যান অর্ডার ক’ঠোরভাবে মেনে চলতে আগেই সতর্ক করেছিল ভারত স’রকার। যারা নির্দেশ মানবে না, তাদের বি’রুদ্ধে ক’ঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে কেন্দ্রের তরফে হুঁ’শিয়ারি দেয়া হয়েছিল। এর দিনকয়েকের মধ্যেই এবার আরও ৪৭টি চীনা অ্যাপ নি’ষিদ্ধের সি’দ্ধান্ত নেয়া হলো।

এর আগে, লাদাখে দু দেশের মধ্যে উ’ত্তেজনা যখন চ’রমে ওঠে, তখন টিকটকসহ চীনের ৫৯টি অ্যাপ ভারতে নি’ষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে কেন্দ্র। পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার ভারতীয় সংবাদপত্র ও ওয়েবসাইটগু’লির অ্যাক্সেস বন্ধ করে বেইজিং। ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) সার্ভার ছাড়া ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কোনও ওয়েবসাইট চীনে বসে দেখা যাবে না। কারণ ভারতীয় ওয়েবসাইটগু’লির অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে, চীনা অ্যাপ বন্ধ করলেও চীনা সাইটগু’লির ক্ষেত্রে কোনওরকম বিধিনি’ষেধ এখনও আরোপ করা হয়নি ভারতে। চীনে ওয়েবসাইটগু’লি বন্ধ করা হলেও ভারতীয় টিভি চ্যানেলগু’লি এখনও পর্যন্ত আইপি টিভির মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে।

প্রস’ঙ্গত, গত ২৯ জুন টিকটক, ইউসি ব্রাউজার, শেয়ার-ইট, উই-চ্যাট, ক্যামস্ক্যানার-সহ মোট ৫৯টি মোবাইল অ্যাপ নি’ষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র। যা চীনের বি’রুদ্ধে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ বলে উল্লেখ করা হয়। কেন্দ্রীয় ত’থ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের দাবি ছিল, ভারতের সুরক্ষা, সংহতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং এ দেশের সাধারণ মানুষের ত’থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আইনের ৬৯ক ধারায় এই সি’দ্ধান্ত।

তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্ব লাদাখ সী’মান্তে সং’ঘর্ষের পরে চীন বি’তর্কি’ত এলাকার বেশিরভাগ অংশই দ’খলে নিয়ে নেয়ায় এবং তাদের কাছে সেই জমি উ’দ্ধারে মোদি স’রকারের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার কারণে, মুখ রক্ষার খাতিরে এমন সি’দ্ধান্ত নিচ্ছে ভারত। চীনের ওই অ্যাপগুলো বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ফলে, সেগুলো ব্যবহার করতে না পারলে ভারতের তরুণ প্রজ’ন্মই হতাশ হবে ও পিছিয়ে পড়বে। এতে, ওই অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফা কিছু কমে গেলেও সামগ্রিকভাবে চীনের শ’ক্তিশালী অর্থনীতিতে তা কোন প্রভাবই ফেলবে না। কিন্তু, লোক দেখানোর জন্য হলেও চীনের বি’রুদ্ধে এর বেশি আর কিই বা করতে পারেন মোদি। সূত্র: টিওআই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here