ফেল করে সবার কটুক্তি শোনা ছাত্রটি অদম্য ই’চ্ছায় আজ IPS অফিসার

0
285

এক সময় ধ’নী ব্যক্তিদের বাড়ির কুকুর দেখাশোনা, আবার কখনো ট্যা’ম্পো চালাতেন, প্রে’মিকার উৎসাহে আজ আ’ইপি’এস অফিসার।প্র’ত্যেক ব্যক্তির জীবনে কিছু না কিছু অনুপ্রে’রণা থেকে থাকে এবং সেই ব্যক্তি এই উৎসাহের ভিত্তিতে এগিয়ে যায়।

এগু’লি ছাড়াও তাদের দ্বারা করে থাকা সং’ঘ’র্ষ একদিন সফ’ল হয়, মধ্য প্রদেশের এক ব্যক্তির এমনই একটি গল্প আছে যেখানে তিনি সমস্ত নি’ন্ম মা’নের কাজ করেছেন যাতে সে তার প’ড়া’শোনায় খরচ বহন করতে পারে।এই ব্যক্তি কখনও কখনও ধ’নী’ব্যক্তিদের বাড়িতে একটি কুকুর কে দেখা’শোনা করতে’ন,আবার কখনও কখনও ট্যাম্পো চালাতেন এবং তারপরে,এক”দিন তার বান্ধ’বীর নির্দেশে, আ’ইপিএস প’রীক্ষা’র প্রস্তু’তি নেন এবং প্রথমবারেই তিনি সফ’লভাবে উত্তীর্ণ হন।

এক সময় ধ’নী ব্যক্তি’দের বাড়ির কুকুর দেখাশোনা করতেন, আবার কখনো ট্যাম্পো চালাতেন:- প্রায়শই লো’কেরা জীবনের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক গল্প চর্চা’র বি’ষয় হয়ে উঠেছে যেখানে একটি দ্বাদশ শ্রে’ণীর ফেল হওয়া ছাত্র আইপিএস অফিসার হয়ে উঠেছে।

পরিস্থিতি এমন হয়ে উঠেছিল যার কারণে তাকে অটো চালিয়ে পড়াশুনা করতে হয়, এমনকি ভিক্ষুকদের সাথে ঘুমাতে ও হয়, কিন্তু গার্লফ্রেন্ডের উৎসাহে জীবন বদলে যায়,এটি দ্বাদশ শ্রেনী ফেল করে থাকা মনোজ শর্মা’র ঘ’টনা যেটিকে তার বন্ধু অনুরাগ পাঠক লেখেন।তিনি ২০০৫ সালের মহারাষ্ট্র ক্যাডারের একজন কর্মক’র্তা এবং মনোজের সংগ্রামের গল্পটি বইটির মাধ্যমে তাঁর বন্ধু অনুরাগ পাঠক জানিয়েছেন।

এর পরে মনোজ শর্মা সাক্ষাত্কারও দিয়েছেন যেখানে তিনি নিজের স’ম্পর্কে অনেক কিছুই বলেছিলেন।এক সাক্ষাত্কারে মনোজ শর্মা বলেছিলেন যে গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার কারণে তার ইংরেজি খুবই দু’র্বল ছিল।

ইউপিএসসির সাক্ষাত্কারের সময় তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে আপনি যদি ইংরেজি না জানেন তবে আপনি কী’ভাবে শাসন করবেন।এরপর সাক্ষাত্কারের সময় মনোজকে একটি অনুবাদকও দেওয়া হয়েছিল। মনোজ সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন, ‘আমি ট্যুরিজমের বানানের জায়গায় টেরিরিজাম বানান লিখে দিয়েছিলাম’।

দ্বাদশ শ্রেণীতে যখন খা’রাপ ফলাফল আসে, লোকেরা প্রায়শই মৃ’ত্যুকে আলি’ঙ্গন করে তবে মনোজ শর্মা’র এই গল্পটি সবাইকে অনুপ্রা’ণিত করতে পারে। মনোজ নবম,দশম ও একাদশ শ্রেণীতে তৃতীয় বিভাগ থেকে পাস করেছিলেন এবং দ্বাদশ শ্রেনীতে ব্যর্থ হন।এর পর মনোজ আর কী’ ঘটবে তা ভাবতে শুরু করেছিলেন কারণ খা’রাপ ফলাফলের কারণে তিনি আর কোথাও চাকরি পাবেন না।

তারপরে তিনি ট্যাম্পো চা’লানো শুরু করলেন এবং তার বাড়ির অবস্থাও ভাল ছিল না যাতে তিনি আর পড়াশোনা করতে পারেন।তিনি তার ভাইয়ের সাথে একটি ট্যাম্পো চালাতেন এবং একদিন তার অটো একটি এসডিএম দ্বারা ধ’রা পড়ে,এবং এটি মনোজকে প্রভাবিত করে।

মধ্যপ্রদেশ থেকে আগত মনোজ শর্মা গোয়ালিয়রে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন এবং এই সময়কালে কোনও অর্থ না থাকার কারণে ভিক্ষুকদের সাথে ঘুমাতেন এবং ধ’নী ব্যক্তিদের কুকুর দেখাশোনা করতেন।এই সময়ে তিনি লাইব্রেরিতে গার্ডের চাকরি পেয়েছিলেন। এখানে তিনি রাতে ডিউটি ​​দেওয়ার সময় বই ও পড়তেন।

মনোজ শর্মা’র প্রে’মিকাও তার স’ঙ্গ দিয়েছিলেন:-দিল্লিতে অবস্থানকালে তাঁর এক প্রে’মিকা হয়েছিল এবং এখানে মনোজ নি’য়মিত ইউপিএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। কিন্তু ইংরাজী দু’র্বল হওয়ার কারণে,তার মানে বার করতে স’ক্ষম হয়ে উঠতে পারছিলেন না।

তিনি তার একটি সাক্ষাত্কারে বলেছিলেন যে তিনি যে মেয়েটিকে ভালোবাসতেন তাকে তিনি বলেছিলেন যে যদি সে তার সাথে থাকে তবে তিনি সারা জগৎ পাল্টে দেবেন।এর পরে,তার গার্লফ্রেন্ড তাকে সম’র্থন করে এবং উত্সাহিত করে।

তারপরে মনোজ চতুর্থ প্রয়াসে আইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। যখন তিনি ফলাফল পান,তখন তিনি অনেক কা’ন্নাকাটি করেছিলেন কারণ দ্বাদশ শ্রেনীতে ব্য’র্থতার কারণে লোকেরা তাকে তিরস্কার করেছিল, কিন্তু আজ তার জীবন বদলে গেছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here