চীনের গো’পন ত’থ্য ফাঁ’স করলেন পালানো বিজ্ঞানী

0
127

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ম’হামা’রি ক’রোনাভা’ইরাসে (কো’ভিড-১৯) সম্প’র্কে চীন আগেই জানত বলে দাবি করেছেন হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পা’লিয়ে আসা স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান।

১০ জুলাই, শুক্রবার ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে লি মেং এই ত’থ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ক’রোনা নিয়ে বিশ্ববাসীকে আগেই সতর্ক করার দরকার ছিল চীনের। চীন স’রকার হংকংয়ের লোকজনসহ বিদেশি বিশেষজ্ঞকে চীনে এ নিয়ে গবে’ষণা করতেও দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, গত ডিসেম্বরের আগেই চীনে সার্স-১ এর মতো ভাই’রাস ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এই ভাই’রাসের চরিত্র ছিল সার্সের থেকে আলাদা এবং আরও সংক্রামক।

উহান থেকে ভাই’রাস সং’ক্র’মণের খবর ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই ক’রোনা নিয়ে গবে’ষণা শুরু করেছিলেন লি। হংকংয়ের বিশেষ বায়োসেফটি ল্যাবে এই নতুন ভাই’রাস নিয়ে তিনি পরীক্ষা করতে শুরু করে বুঝতে পেরেছিলেন এই ভাইরাল স্ট্রেন অনেক বেশি প্রা’ণঘা’তী বলে জানান তিনি।

চীনের স’রকারি কর্মকর্তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানিয়েছিল; ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ভাই’রাসের সং’ক্র’মণ ছড়িয়েছে। ক’রোনাভা’ইরাসেের সংক্রামক ভাইরাল স্ট্রেন সার্স-কভ-২ এর কথা চে’পে গিয়েছিল তারা।

তার বক্তব্য, চীন জানত নতুন এক ধরনের সংক্রামক ভাই’রাস ম’হামা’রী হতে শুরু করেছে।কিন্তু এই ত’থ্যই তারা গো’পন করেছিল। বিজ্ঞানীদের এই ভাই’রাস নিয়ে গবে’ষণা করতেও দেয়া হয়নি।

লি আরও জানান, গবে’ষণা বন্ধ করার জন্য লাগাতার হু’মকি আসছিল। এই ভাই’রাস যে ম’হামা’রীর পর্যায়ে যেতে পারে সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। আমি জানতাম চীনে দাঁড়িয়ে এ কথা বললে আমাকেও বাকিদের মতো খু’ন করে ফেলা হতো।

তাই ২৮ এপ্রিল হংকং থেকে ফ্লাইট ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র পা’লিয়ে যেতে বা’ধ্য হন। স’ঙ্গে করে নিজের গবে’ষণার রিপোর্ট, ল্যাবের গো’পন ক্যামেরা ও সেন্সরও নিয়ে যান। বিশ্ববাসীকে ক’রোনার সঠিক ত’থ্য দিতেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র পা’লিয়ে এসেছেন বলে জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here