ডা. মি’লনের স’ঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্প’র্ক সাবরিনার, চটেছিলেন আরিফ

0
240

দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় হৃদরো’গ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগকে অনিয়মের স্বর্গরাজ্য করে রেখেছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। আর ছায়া হয়ে পাশে থেকেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ ডা. কামরুল হাসান মি’লন। গত এক বছর ধরে কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষ এবং পদবি অ’বৈধভাবে দ’খল করে রেখেছেন মি’লন। তাদের অনিয়মে অ’তিষ্ঠ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

জাতীয় হৃদরো’গ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের একটি ইউনিটের প্রধানের দায়িত্বে আছেন ডা. কামরুল হাসান মি’লন। তার অধীনেই রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে, মি’লনের ছত্রছায়াতেই অনিয়মের চূড়ায় উঠিছিলেন সাবরিনা।

সাবরিনার কর্মকাণ্ডের অনুসন্ধানে হৃদরো’গ ইনস্টিটিউটে টানা তিন দিন সময় সংবাদ। সহকর্মী বা অধীনস্ত কেউই সরাসরি ক্যামেরার সামনে কথা বলতে সাহস করেন না। তবে সবার ভে’তরেই ক্ষো’ভ, রয়েছে অভিযোগের ফিরিস্তিও।

অভিযোগ রয়েছে, সাবরিনা দিনের পর দিন কাজ না করেই নিতেন বেতন। ডা. মি’লনের সুনজরে থাকায় অনুপস্থিত থাকার পরও নাম উঠে যেত হাজিরা খাতায়।

একজন স্টাফ জানান, ওনাকে একদিনও আমি দেখিনি।

সাবরিনা-মি’লনের ঘনিষ্ঠতায় চটে গিয়েছিলেন সাবরিনার স্বা’মী আরিফ চৌধুরীও। এ নিয়ে হাসপাতালের ভে’তরেই মি’লনের স’ঙ্গে বি’বাদেও জড়ায় জেকেজি কর্নধার আরিফ। এ ঘ’টনায় জি’ডিও হয় থানায়।

সাবরিনা বলেন, যদি এরকম কোনো সম্প’র্ক হত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার বি’রুদ্ধে মা’মলাই করত।

কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ, পদে না থেকেও কার্ডিয়াক সার্জারির বিভাগীয় প্রধানের কক্ষটি দীর্ঘদিন ধরে দ’খলে রেখেছেন ‘ইউনিট প্রধান’ কামরুল হাসান মি’লন। নিজের নামের পাশেও লিখে রেখেছেন বিভাগীয় প্রধান। বা’ধ্য হয়ে বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রামাপদ স’রকার ছোট একটি কক্ষে নেমপ্লেট লাগিয়ে কোনোমতে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এ বি’ষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজিন হননি ডা. কামরুল হাসান মি’লন।

মি’লন বলেন, পরিচালক সাহেব বলেছেন, মিডিয়ার স’ঙ্গে কথা বলার আগে তাকে জানাতে।

প্রশ্নের মুখোমুখি হৃদরো’গ ইনস্টিটিউট প্রশাসনও। চোখের সামনে সবকিছু ঘটার পরও লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে, বলছে হাসপাতাল প্রশাসন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here