থানায় যেভাবে রাত কা’টালেন ডা. সাবরিনা

0
243

ক’রোনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগে অবশেষে গ্রে’ফতার হয়েছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী, তাকে নেয় হয়েছে হাজতখানায়। তিনি সারারাত জেগে ছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি ভে’তরে পায়চারি করেছেন সারাটি রাত। প্রথমে কিছুক্ষণ এক পু’লিশ কর্মকর্তার রুমে নেওয়ার পরে তাকে নেওয়া হয় হাজতে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ‘থানা হাজতেই তাকে রাখা হয়েছে। আমাদের দু’জন না’রী প্রহরী সেখানে ডিউটিতে ছিলেন। তাদের স’ঙ্গে মাঝে মাঝে কথা বলেছেন।’

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টার দিকে তাকে পু’লিশ পাহারায় আ’দালতে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার এসআই নিজাম।

জানা গেছে, রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে ডা. সাবরিনাকে গ্রে’ফতারের পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে তেজগাঁও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে প্রথমে একজন পু’লিশ কর্মকর্তার কক্ষে বসানো হয়। এরপর হাজতে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার এক পু’লিশের কর্মকর্তা।

থানায় সাবরিনার স্বজনরা ও একজন গৃহকর্মী ছিলেন। থানা থেকে সরবরাহ খাবারই রাতে খেয়েছেন তিনি। হাজতখানায় তাকে পায়চারি করতে দেখেছেন ওই পু’লিশ কর্মকর্তা।

এর আগে, রোববার ম’ন্ত্রণালয়ের স’চিব মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অফিস জাতীয় হৃদরো’গ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে সাবরিনাকে ব’হিষ্কার করা হয়।

ওই আদেশে বলা হয়, ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরো’গ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় বেস’রকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ক’রোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট ও অর্থ আত্মসাতের স’ঙ্গে জ’ড়িত ছিলেন বলে পু’লিশ তাকে গ্রে’ফতার করেছে। স’রকারি কর্মকর্তা হয়ে স’রকারের অনুমতি ব্যতীত বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থাকা এবং অর্থ আত্মসা’ৎ স’রকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল), বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী শা’স্তিযোগ্য অ’পরাধ। সে জন্য ডা. সাবরিনাকে স’রকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ১২ (১) বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন বিধি মোতাবেক খোরপোশ ভাতা প্রা’প্ত হবেন। গতকাল দুপুরে তাকে (সাবরিনা) তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পু’লিশ কামশনার (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে জি’জ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রে’ফতার দেখানো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here