সহ’বাসের সময় মে’য়েরা কোথায় আ’দর বেশী চায়!

0
340

যুগে যুগে দা’ম্পত্য সং’স্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে।আবার দা’ম্পত্যর ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের প্রভাবে দাম্পত্যর বি’ষয়টি একেক সমাজে একেকভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে।

বর্তমান সময়ে এই নতুন যুগে দাম্পত্যর ব্যাপারটি নানা দিক থেকে আধুনিক হয়ে উঠেছে বর্তমান সময়ে দাম্পত্যর পাশাপাশি দাম্পত্যর ক্রীড়াতে নানা পরিবর্তন ছন্দ দেখা যায়।

শা’রীরিক মি’লনের ব্যাপারে বা দা’ম্পত্যর ব্যাপারে সব না’রীরেই ই’চ্ছাএকই রকম হয় না। এটিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কোনো কোনো না’রী অত্যাধিক দা’ম্পত্য কাতর। আবার কোনো কোনো পুরু’ষের শা’রীরিক ই’চ্ছা থাকে বেশি অর্থাত্‍ দাম্পত্যর ব্যাপারে তাদের আ’গ্রহ এবং শা’রীরিক মি’লনের ই’চ্ছা থাকে ব্যাপক

আবার কোনো কোনো না’রী-পুরু’ষ সুস্থ দাম্প’ত্যর এবং তারা প্রয়োজন মাফিক শা’রীরিক মি’লন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু না’রী-পুরু’ষ দা’ম্পত্যকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। দাম্পত্যর ব্যাপার বিশেষ করে না’রী , পুরু’ষের দাম্পত্যর ব্যাপারে উত্‍সাহ এবং আ’গ্রহ যদি না থাকে তবে চ’রম পুলক আসতে পারে না।

না’রীর দাম্পত্যর সংস্কৃতিতে বোধ করে পুরু’ষের চেয়ে আলাদা। না’রীর শা’রীরিক আ’গ্রহ , ই’চ্ছা শা’রীরিক চ’রম আ’নন্দ ইত্যাদি প্রতিটি পর্বে পুরু’ষের চেয়ে স্বত’ন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে।

না’রীর সাথে পুরু’ষের দৈ’হিক মি’লনের সময় না’রী উ’ত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরু’ষের ও শা’রীরিক উ’ত্তেজনা আসে। পুরু’ষের স্প’র্শের প্রথম থেকেই না’রীর ভে’তরে শা’রীরিক উ’ত্তেজনার সৃষ্টি হয়। না’রীর শ’রীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত হয়।

শা’রীরিক মি’লনের সময় না’রীর দে’হ এবং পুরু’ষের দে’হের প্রধান যে পরিবর্তন হয় তাহলো উভ’য়েরই শা’রীরিক চা’প বৃ’দ্ধি পায় , র’ক্তের চা’প বাড়ে , শ্বাস প্রশ্বাস দ্রু’ত হয় এবং উভ’য়েই চূড়ান্ত আ’নন্দের জন্যে অস্থির হয়ে উঠে।

না’রীদের শা’রীরিক ই’চ্ছার সময়সীমা :
মেয়েদের শা’রীরিক চা’হিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কি’শোরী এবং টিনেজার মেয়েদের শা’রীরিক ই’চ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের শা’রীরিক চা’হিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরেভালই কমে যায়। ২৫ এর উ’র্দ্ধে মেয়েরা স্বা’মীর প্রয়োজনে শা’রীরিক কর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস শা’রীরিক ক’র্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম শা’রীরিক কর্মের চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ না’রীরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোড় করে শা’রীরিক কর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়। মেয়েরা অ’র্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে। ভ’গাংকু’রের মাধ্যমে অ’র্গ্যাজমের জন্য শা’রীরিক কর্মের কোন দরকার নেই। শা’রীরিক মি’লনে না’রীরা উত্তে’জিত আর আ’নন্দিত হন ঠিকই কিন্তু অ’র্গ্যাজম হওয়ার স’ম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here