মে’য়ের পায়ের নিচে দাঁড়িয়ে আছে সাক্ষাৎ মৃ’ত্যু, মা জানতেই পারেনি মে’য়ের ছবি তুলতে গিয়ে…

0
306

কিছুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার এক বাসিন্দা রিয়াঙ্কা ডিকিনসন তার দু-বছরের মে’য়ে মলিকে নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলেন উইমেরায়। শুধু তারা নয়, স’ঙ্গে ছিল পরিবারের বাকি সদস্যরাও। তারা নিজেদের গাড়ি করেই বেড়াতে গিয়েছিলেন। নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছানর আগেই রিয়াঙ্কার ই’চ্ছা হয় রাস্তার ধারে নিজের মে’য়ের একটা সুন্দর ছবি তোলার। কারন সেই পরিবেশটা খুব সুন্দর ছিল।

আর তখনই নিজের মনের ই’চ্ছার কথা জানায় তার মে’য়ে মলিকে। আর মলি সেই কথা শোনার স’ঙ্গে স’ঙ্গে পোস দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে সেখানে। ছবিও উঠে যায় ঠিকঠাক। তারপর ছবিটা ভালো করে জুম করে দেখার সময় পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে যায় রিয়াঙ্কার।

সে ছবিতে দেখে সাক্ষাৎ মৃ’ত্যু তার মে’য়ের পায়ের কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। সেখানে মলির পায়ের কাছে ছিল একটি বিশাল খয়েরি রঙের ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক। পৃথিবীতে যার বি’ষ দ্বিতীয় সর্বাধিক বি’ষাক্ত। অস্ট্রেলিয়ায় এর কা’মড়ে প্রতি বছর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের মৃ’ত্যু হয়। সেই সাপ শুয়ে ছিল মলির পায়ের সামনে।

রিয়াঙ্কা প্রথমে সেটা দেখে বুঝতে পারেনি। সাপটা একদম শান্ত ভাবেই ছিল সেখানে। কারোর কোনভাবে বোঝার উপায় ছিলোনা যে সেটা সাপ। মলি বেশ সুন্দর ভাবে পোস দিয়ে সেখানে দাঁড়িয়েছিল। ছবি তোলা হয়ে যাওয়ার পর রিয়াঙ্কার নজর পড়ে যে তার পায়ের কাছে কিছু একটা নড়ে উঠল।

আর তখনই রিয়াঙ্কার একটুও বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে তার মে’য়ে মৃ’ত্যুর মুখে রয়েছে। সেই মুহুর্তের জন্য রিয়াঙ্কা একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিলো। তারপরেই তার মনে হয়েছিল একেবারে নিশ্চল নিস্পন্দ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাই সেই মুহুর্তে বুদ্ধিমানের মত কাজ হবে।

সাপ মাটির স্পন্দন অনুভব করতে পারে, কিন্তু তারা শুনতে পায়না। তখনই সে মলিকে চি’ৎকার করে বলে চুপ করে এক জায়গায় স্থির থাকতে। মলিও সেই কথা মত দাঁড়িয়ে রইল সেখানে। তারপর সাপটা আসতে আসতে ঝোপের মধ্যে চলে যায়।

সেই ঘ’টনার পর রিয়াঙ্কা বেশ কিছুদিন আ’তঙ্কিত হয়েছিলো। বাড়ি ফিরে সে পুরো ঘ’টনা ছবি সহ ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে। এই ঘ’টনার কিছুদিন পর সে আবার পোস্ট করে যে সে সেই ঘ’টনার পর দুদিন ঠিক করে খায়নি, ঘুমায়নি। আর বার বার তার মনে হচ্ছিল আর একটু অসাবধান হলেই তার মে’য়েকে হারাতে হত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here