দেশে তৈরি ক’রোনা ভ্যাকসিনের মূ’ল্য কত হবে জানালো গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড

0
232

ক’রোনা ভাই’রাস রো’গের টিকা আবি’ষ্কার করার দাবি করেছে ও’ষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। গত বুধবার (১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের আবি’ষ্কার করা টিকা দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষেরও নেওয়ার সক্ষ’মতা থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন্স ম্যানেজার ও ই’নচার্জ এবং গবেষক দলের সদস্য মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন। টিকা আবি’ষ্কারের বিস্তারিত বি’ষয় নিয়ে দেশের প্রথম সারির একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সাক্ষাৎকার দেন তিনি।

মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাক্সিনেশনে পুরস্কার পেয়েছেন। কারণ, আমাদের দেশে বেশিরভাগ টিকাই বিনামূ’ল্যে দেয়া হয়। টিকাটি যখন আমরা বাণিজ্যিকীকরণ করব, তখন এমনও হতে পারে স’রকার জনগণকে ফ্রি করে দিয়েছে কিংবা স্বল্প দামে দিচ্ছে।

মহিউদ্দিন বলেন, আমরা যেহেতু উৎপাদক প্রতিষ্ঠান, আমাদের তো খরচ আছে, আমরা তো আর ফ্রি দিতে পারব না। এখন স’রকার যদি সি’দ্ধান্ত নেয়, আমরা এই টিকা জনগণকে ফ্রি দেব, সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো লাভ না করলাম। আমাদের যে উৎপাদন খরচ, সেটা হয়তো আমরা স’রকারের কাছ থেকে নিলাম।

গ্লোবের আবি’ষ্কার করা টিকা গরিব মানুষও কিনতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে আমাদের চেয়ারম্যান তো বলেছেন, সব জায়গায় আমরা প্রোফি’ট (লাভ) করব না। এটা উৎপাদনে আমাদের যে খরচ, সেটা দিয়েই আমরা দিয়ে দিলাম। সবার নাগালের মধ্যে আমরা দাম নির্ধারণ করব। এতে অতিদরিদ্র মানুষও এই টিকা কিনতে পারবে।

এ টিকা সফল হলে ব্যবহার পদ্ধতি সম্প’র্কে তিনি জানান, এই টিকা সুস্থ মানুষের শ’রীরে দেয়া হবে। ই’নজেকশনের মাধ্যমে মানুষ টিকাটি গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, আমরা ১০-১২ জন কাজ করেছি। গবেষক দলের প্রধান ড. কাকন নাগ (গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিইও) ও ড. নাজনীন সুলতানা (গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিওও)। তারা দুজন আমাদের এক্সপার্ট (বিশেষজ্ঞ)। তাদের সুপারভিশনে (তত্ত্বাবধানে) আমরা বাকিরা কাজ করেছি। তারা দুজনই কানাডায় আ’টকা পড়েছেন।

কানাডা থেকে তারা কীভাবে নেতৃত্ব দিলেন সে প্রস’ঙ্গে মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন বলেন, এখন তো গ্লোবালাইজেশনের (বিশ্বায়নের) যুগ। আজকের সংবাদ সম্মেলনেও তাদের যুক্ত রেখেছিলাম। এখন তো আর ফিজিক্যালি (শা’রীরিক) যাওয়া লাগে না।

টিকা বাজারে আসতে কতদিন লাগতে পারে- এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্ম’দ মহিউদ্দিন বলেন, আমরা যদি কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার শি’কার না হই, তাহলে ডিসেম্বরের মধ্যে বাজারে আনতে পারব। মানে ছয় মাস লাগতে পারে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনানুষ্ঠানিক পর্যায়ে থাকা তাদের আবি’ষ্কারের টিকা এরই মধ্যে তিনটি খরগোশের দে’হে প্রয়োগ করে ইতিবাচক অগ্রগতি পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ বলেন, ক’রোনার টিকা তৈরি হয়েছে বলেই তা প্রা’ণীর দে’হে প্রয়োগ করা গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির গবে’ষণা দলের প্রধান আসিফ মাহমুদ বলেন, টিকাটি খরগোশের ও’পর প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূ’লক প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে। এখন পরবর্তী প্রটোকল তৈরির কাজ চলছে। এ কাজ শেষ করেই আনুষ্ঠানিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য আমরা স’রকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দেব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here