গর্ভা’বস্থা’য় কত মাস পর্যন্ত স’হবা’স করা উচিত? ত’থ্য’টি জে’নে রাখু’ন অ’বশ্যই…

0
207

বেশিরভাগ গর্ভবতী না’রীর মনে প্রশ্ন থাকে “অন্তঃসত্বা অব’স্থায় কি সে’ক্স করা যায়?” । যদি আপনার গর্ভকালীন সময় স্বা’ভাবিক ভাবে চলমান থাকে তাহলে আপনি স’ন্তান গর্ভে থাকা অব’স্থায়ও স’হবাস ক’রতে পারেন এবং আপনার স্বামী যতদিন পর্যন্ত মা’নসিক বাঁ’ধায় না থাকেন ততদিন বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে শাররীক মি’লন ক’রতে পারেন।

যাই হোক, অনেকগুলো কারণ আছে যার ফলে আপনি গর্ভকালীন সময়ের নির্দিষ্ট কিছু সময়ব্যপ্তিতে শা’রীরিক মি’লন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

গর্ভাবস্থায় যৌ’ন মি’লন নি’রাপদ ?

অন্তঃসত্বা স্ত্রীর সাথে স’হবাস বা যৌ’ন মি’লন করলে অনাগত স’ন্তানের কোনো ক্ষ’তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা । বিশেষ করে না’রীদের মনেই বেশি সন্দে’হ জাগে যে গর্ভবতী অব’স্থায় মি’লন করা যায় কিনা। উত্তর প্রায় সবসময়/বেশিরভাগ না’রীর জন্য ‘হ্যাঁ’। গর্ভবতী হবার প্রথম ৩ মাস ও শেষ ৩ মাস অবশ্যই সে’ক্স করা থেকে স’ম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।

শুধু ৪র্থ, ৫ম, ও ৬ষ্ঠ মাস যৌ’নমি’লন করা যবে, তবে অবশ্যই নিন্মু’ক্ত নিয়ম মেনে। গর্ভাবস্থায় ছয় থেকে সাতমাসে না’রীর যৌ’ন আকাঙ্খা বেড়ে যায়। তখন যৌ’ন মি’লন না হলে না’রীর মা’নসিক ক্ষ’তি হতে পারে। তাই, সে’ক্স ছাড়া এই সময় “রোমাঞ্চের” মাধ্যমে স্ত্রীকে তৃ’প্ত রাখতে হবে। সাধারণত যে কারণে গর্ভবস্থায় সে’ক্স করা উচিত নয়:

(১) গর্ভাবস্থায় সে’ক্সের সময় সঠিক পদ্ধতি জা’না না থাকলে বা ধা’ক্কা লাগলে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
(২) গর্ভাবস্থায় স’হবাসের ফলে পে’টে ব্য’থা ও মৃদু র’ক্তপাত হতেই থাকে।
(৩) অনেক সময় অসুরক্ষিত স’হবাসের ফলে গর্ভপাত না হলেও শি’শু বিকলাঙ্গ জ’ন্মাতে পারে।

কি কি কারনে গর্ভকালীন সময় সে’ক্স করা থেকে বিরত থাকতে হবে?

(১) কোন কারনে যৌ’নাঙ্গ থেকে র’ক্তক্ষরন হলে
(২) গর্ভকালীন সময়ে অল্প কিংবা বেশি র’ক্তক্ষরন পরিলক্ষিত হলে শাররীক মি’লন থেকে বিরত থাকতে হবে।

প্রাক প্র’সব বে’দনাঃ বীর্যের সংস্প’র্শে প্রোস্টাগ্লেনডিনস্ সংকুচিত হবার সম্ভাবনা থাকে যা প্রাক-প্র’সব-বে’দনাকে ঝামেলাপূর্ণ করে তুলতে পারে। আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌ’ন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মি’লন থেকে বিরত থাকতে হবে।

জরায়ুর গলদেশে স’মস্যা থাকলেঃ যদি আপনার জরায়ুর মুখ অকালে খুলতে শুরু করে তাহলে শা’রীরিক মি’লন করলে রো’গ সংক্রমনের সমুহ সম্ভাবনা থাকে।

গর্ভের ফুল/অম’রা স’মস্যায় থাকলেঃ যদি গর্ভের ফুল/অম’রা জরায়ুমুখ আংশিক কিংবা সম্পুর্নরূপে ঢেকে ফে’লে তাহলে শাররীক মি’লনের ফলে র’ক্তপাত এবং প্রাক প্র’সব বে’দনা শুরু হয়ে যেতে পারে। যদি আপনার ডাক্তার আপানাকে গর্ভকালীন স’হবাস থেকে বিরত থাকতে বলে তাহলে খুঁজে বের করুন ডাক্তার কি বলতে চেয়েছে? ডাক্তার কি সে’ক্স করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে নাকি যৌ’ন উ’ত্তেজনা/তৃ’প্তি থেকে বিরত থাকতে বলেছে? আর যদি ডাক্তার বারণ করে তাহলে অবশ্যই জে’নে নিবেন – কত সময়ের জন্য বারণ ক’রেছেন? উদাহরন স্বরূপঃ অনেক না’রীর গর্ভধারনের প্রাথমিক ধাপে (প্রথম তিনমাস সময়ে) যদি অল্প পরিমান র’ক্তক্ষরণ হয় তাহলে ডাক্তার বলেন শেষ বার র’ক্তক্ষরণের পর কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময়কাল মি’লন/অন্যকোন ভাবে যৌ’ন তৃ’প্তি থেকে বিরত থাকেন।

গর্ভাবস্থায় স’হবাস কিভাবে নি’রাপদ করা যায়?

অনেক দম্পতির জন্য গর্ভাবস্থায় মি’লন নি’রাপদ হলেও এটা সহজ মনে হয় না। যৌ’ন মি’লনের জন্য আপনাকে অন্য ধ’রণের অব’স্থান চেষ্টা করে দেখা লাগতে পারে। গর্ভাবস্থায় আপনার স’ঙ্গী আপনার উপরে স্থান নিয়ে মি’লন ক’রতে গেলে আপনি স’মস্যা অ’নুভব ক’রতে পারেন। এটা কেবল আপনার পে’ট এর আ’কারের জন্য নয় বরং আপনার স্ত’ন সেই সময় অনেক নাজুক থাকে। আপনার স’ঙ্গী অতিরি’ক্ত প্রবেশ করালেও আপনি স’মস্যা অ’নুভব ক’রতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনি কাত হয়ে শুতে পারেন অথবা আপনার স’ঙ্গী আপনার সামনে অথবা পিছনে থেকে স’ঙ্গমে লি’প্ত হতে পারেন।

তাছাড়া ‘ওরাল সে’ক্স’ গর্ভাবস্থায় নি’রাপদ। কিন্তু এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার স’ঙ্গী যো’নিপথে কোন ফুঁ না দেয়। এর ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে র’ক্ত নালী ব’ন্ধ হয়ে যেতে পারে যা আপনার এবং আপনার স’ন্তান এর জন্য হু’মকি সরূপ। পায়ু পথে মি’লন করা থেকে বিরত থাকা ভাল। কারন এর ফলে ব্যাকটেরিয়া আপনার পায়ু হতে জরায়ু পর্যন্ত ছ’ড়িয়ে যেতে পারে। এ সময় যৌ’নাঙ্গে কোন লুব্রিকেটিং তেল বা জে’ল লা’গানো উচিত নয়। কারন এর ফলে চুলকানি বা অ্যালার্জি হতে পারে। মি’লনের পর যৌ’নাঙ্গ ভালোভাবে পরিস্কার করে নেয়া উচিত। আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার যৌ’ন-সংক্রামন ব্যাধি থাকলে গর্ভকালীন শাররীক মি’লন থেকে বিরত থাকতে হবে।

গর্ভবতী অব’স্থায় না’রীর জন্য আরামদায়ক যৌ’ন আসন ভঙ্গি সমুহঃ

গর্ভকালীন সময় অন্য সময়কালের মত আসনভঙ্গিতে সে’ক্স করা যায়না। এটি মা এবং স’ন্তান উভ’য়ের জন্য ক্ষ’তির কারন হতে পারে। তাই এই সময়কালে সে’ক্স আসন স’স্পর্কে সা’বধানতা অবলম্বন করা জরুরী।

না’রী উপরেঃ এ আসনে না’রীর নিয়ন্ত্রন থাকে কত গ’ভীরতায় লি’ঙ্গ প্রতিস্থাপন করা হবে। এ পদ্ধতিতে বেশিরভাগ কার্যক্রম না’রী নিজে’র ইচ্ছে/সুবিধা মত ক’রতে পারেন। এই ভঙ্গিতে গর্ভের পুরো সময়কাল এমনকি শেষ সময়েও না’রী অনেক কম ঝুকিতে থাকেন।

স্পুনিং/একপাশে কাত হয়ে শুয়ে মি’লনঃ এ আসনে না’রী হাটেু ভেঙ্গে পাশে কাত হয়ে শুবেন এবং স্বামী স্ত্রীর পিছেনে থেকে সে’ক্স করবেন। স্পুনিং ভাল ভাবে কাজ করে যদি পু’রুষ না’রীর ঊরূর মাঝে দিয়ে লি’ঙ্গ সঞ্চালন করেন। এ পদ্ধতিতে তলপে’টে কোন চা’প প’ড়ে না এবং আস্তে আস্তে মি’লন করার সুবিধা থাকে যা গর্ভবতীর জন্য জরুরী।

হাঁটু এবং হাতে ভরঃ এই ভঙ্গিটি দে’খতে হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটার সময় শ’রীরের যে রকম আ’কার হয় সেরকম। এই ভঙ্গিটিও গর্ভবতী না’রীর জন্য ভাল – এতে পে’টে কোন প্রকার চা’প প’ড়েনা। আমাদের দেশে শুধুমাত্র বিভিন বি’ষয় এ জ্ঞান না থাকার ফলে হবু মায়ের বাচ্চা ন’ষ্ট হয়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন রকম বি’পদে প’ড়ে । স্বামী এবং স্ত্রী উভ’য়ের এ সময়ে ধৈ’র্য্য ধ’রা উচিৎ। আগত বাচ্চা ও মাদের জন্য শুভকামনা ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here