আমার স্বা’মীর পে’নিস ৮ ইঞ্চি, আমি নিতে পারতেছি না, আমার কি করা উচিত?

0
296

আমার ৯ দিন আগে বিয়ে হয়েছে। বাট আমার স্বা’মী এর পে’নিস অনেক বড় আকৃতির। আমার মনে হয় ৭-৮ ইঞ্চি হবে। এতো বড় পে’নিস আমি নিতে পারতেছি না। সত্ত্বেও আমার স্বা’মী জোড়াজুড়ি করে কয়েক মি’লন করেছে। মি’লনের সময় আমার কোনো হুঁশ ছিলনা। আর এটা কাউকে বলতেও পারছিনা। এখন আমি কি করতে পারি। একটা উপায় বলে দিলে ধ’ন্য হবো।

উত্তর : প্রথমে মি’লনের ক্ষেত্রে সকল পুরু’ষেরই খেয়াল রাখা উচিৎ যে, রতিক্রিয়া যেন তাঁর স’ঙ্গিনী ক’ষ্ট না পায়। এর জন্য পুরু’ষদের কর্তব্য হচ্ছে খুব সতর্কতার সাথে ইন্দ্রিয় সঞ্চালন করা। পু’রুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার হচ্ছে ৫ বা ৬ ইঞ্চি। এর চেয়ে ছোট পু’রুষাঙ্গ হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই বরং এতে না’রীর কোনো ক’ষ্ট হয় না। কিন্তু পু’রুষাঙ্গ যদি বড় হয় তাহলে এক্ষেত্রে না’রীর ক’ষ্ট হয় রতিক্রিয়া করতে।

স্বাভাবিক পু’রুষাঙ্গ দ্বারাও কিছু দিন ক’ষ্ট হয় পরে না’রীর যো’নিনালী প্রসরতা বৃ’দ্ধি পেলে সেটা আর থাকে। কিন্তু পু’রুষাঙ্গ যদি বড় হয় সেক্ষেত্রে রতিক্রিয়া করার সময় স্বা’মীকে অবশ্যই স্ত্রীর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্বা’মীর করণীয় হচ্ছে তাঁর স্ত্রী’কে ভালোভাবে উ’ত্তেজিত করে নেওয়া। স্ত্রীর যখন যথেষ্ঠ উ’ত্তেজিত হবে তখন তাঁর যো’নি পথে এক ধরণের পিচ্ছিল পানি বের হবে যাকে যৌ’ন রস বলে।

ই যৌ’ন রস বের হয়ে স্ত্রীর যো’নিকে পিচ্ছিল করে দেয়। যার কারণে লি’ঙ্গ অনায়াসে যো’নি পথে আসা যাওয়া করতে পারে। সেক্ষেত্রে না’রীর ক’ষ্ট হয় না। প্রথম মি’লন কালে স্ত্রী’কে ভালো করে উ’ত্তেজিত করে নিলে প্রথম মি’লনে ক’ষ্ট হলে স্ত্রীর কম বোধ পায়। কেননা সে উ’ত্তেজনা বশে থাকে।

যো’নিতে পু’রুষাঙ্গ প্রবেশের পূর্বে লি’ঙ্গের অগ্রভাগে হালকা থু থু লাগালে পিচ্ছিলতা আসবে। আবার জে’লও ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে কসমেটিক্স দোকানে পাওয়া যায়। যাদের পু’রুষাঙ্গ বড় সেসব স্বা’মীদের করণীয় হচ্ছে মি’লনের পূর্বে স্ত্রী’কে তো ভালভাবে উ’ত্তেজিত করবেই, এবং তাঁর সাথে স্ত্রীর যো’নি লি’ঙ্গ আস্তে ধীরে প্রবেশ করাবে যাতে সে কম ব্য’থা অনুভব করে।

এক্ষেত্রে স্বা’মী স্ত্রীর যো’নিতে লি’ঙ্গ ৩ ইঞ্চি অথবা স্ত্রী যতটুকু সায় দেয় ততটুকু পু’রুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে স’ঙ্গ’ম চা’লিয়ে যেতে থাকবে। এক্ষেত্রে কিছু আসন গ্রহণ করা যেতে, যেমন স্ত্রী চিৎ হয়ে শুয়ে থাকবে, আর স্বা’মী হাটু গেড়ে বসে যো’নিতে লি’ঙ্গ প্রবেশ করিয়ে স’ঙ্গ’ম চা’লিয়ে যেতে থাকবে। অথবা স্ত্রী পাছা উপরের দিকে দিয়ে খাটে শুয়ে থাকবে এবং স্বা’মী হাটু গেড়ে বসে যো’নিতে পু’রুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে স’ঙ্গ’ম চা’লিয়ে যেতে থাকবে। এখানে আরেকটি আসন আছে, স্বা’মী নিচে শুয়ে থাকবে এবং স্ত্রী উপরে উঠে বসে নিজের সুবিধা মতো স’ঙ্গ’ম চা’লিয়ে যেতে থাকবে।

স্বা’মীকে অবশ্যই স্ত্রীর যো’নি চা’হিদার উপর গুরুত্ব দিতে হবে, স্ত্রীর যাতে তাঁর দ্বারা কোনো ক’ষ্ট না পায় সেটাও স্বা’মীকে খেয়াল করতে হবে। যে আসনেই স’ঙ্গ’ম করেন না কেনো স্বা’মীকে স’ঙ্গ’ম চলা কালে স্ত্রীর মতামত জানতে হবে, তাঁর কাছে কেমন লাগতেছে, সে ব্য’থা অনুভব করতেছে কিনা । স্বা’মীর বী’র্যপাতের পূর্বে স্ত্রীর কাছে জানতে হবে তাঁর খায়েশ মিটছে কিনা। যদি স্ত্রীর খায়েশ না মেটেই স্বা’মীর বী’র্যপাত হয়ে যায় তাহলে স্ত্রীরদের মনে বি’ষন্নতা তৈরি হয়, তাঁর মেজাজ হয়ে যায় খিটখেটে, মনে একধরণের অশান্তি অনুভব করে। যার কারণে সংসারে অশান্তি নেমে আছে।

আর এটা হয় স্বা’মীদের যৌ’ন মি’লনে স্ত্রীদের প্রতি অসদাচারণ করার ফলে। যেমন, এই আপুর প্রতিও অসদাচারণ হচ্ছে। প্রত্যেক স্বা’মী কে বুঝতে হবে আমি যেরকম মানুষ, আমার স্ত্রীও একজন মানুষ। প্রত্যেক স্বা’মীকে এটা বুঝতে হবে, আমি আমার স্ত্রীর সাথে যা করতেছি, আমি যদি আমার স্ত্রীর জায়গায় হতাম এবং আমার স্ত্রী যদি আমার জায়গায় হতো, তাহলে সে আমার প্রতি এরকম অসদাচারণ করলে আমার কাছে কেমন লাগতো? নিশ্চয় খা’রাপ লাগতো।

স্বা’মী যদি স্ত্রীর প্রতি অসদাচরণ করে তাহলে স্ত্রীর মনে স্বা’মীর প্রতি ভালবাসা মায়া মহব্বত বাড়ে না বরং দিনে দিনে তা কমে যায়। যার কারনে স্ত্রী পরপুরু’ষের প্রতি আকৃ’ষ্ট হতে পারে। আর এজন্যই মহানবী (সা.) বলেছেন, স্বা’মী কেমন ভালো তাঁর স্ত্রীর ভালো বলতে পারবে। স্বা’মী যদি সারা দুনিয়ার মানুষের সাথে ফেরেশতার মত আচরণ করে ঘরে এসে স্ত্রীর প্রতি অসদাচারণ করে তাহলে এ ভালো আচরণের আল্লাহর কাছে দাম নেই।

সারা দুনিয়ার মানুষ যদি স্বা’মীকে খা’রাপ বলে, আর স্ত্রী যদি স্বা’মীকে ভালো বলে, তা হলে আল্লাহ বলবেন আমি তোর স্ত্রীর কথাই গ্রহণ করে নিলাম। স্ত্রী যদি বলে আমার স্বা’মী ভালো ছিল, আল্লাহ বলবেন যা আমি তোকে জান্নাত দান করলাম এবং স্বা’মী যদি বলে আমার স্ত্রী ভালো ছিল তাহলে আল্লাহ বলবেন যা আমি তোকে জান্নাত দান করলাম।

এজন্য মহানবী (সা.) বলেছেন, সে ব্যক্তি সর্বোত্তম যার দ্বারা তাঁর পরিবার ক’ষ্ট পায় না। প্রত্যেক পুরু’ষকেই একজন আদর্শ স্বা’মী হওয়ার প্রয়োজন। এবং প্রত্যেক না’রীকেই একজন আদর্শ রমণী হওয়ার প্রয়োজন। আরো পড়তে পারেন স্বা’মী-স্ত্রীর সুন্দর জীবন। যৌ’ন জ্ঞান অর্জন করতে পড়ুন, না’রী-পুরু’ষের গো’পন কথা বই টি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here