পু’রুষাঙ্গের সাইজ ঠিক কতটা হলে তা মে’য়েদের জন্য আদর্শ ! পড়লে চমকে যাবেন !

0
698

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, যৌ*aনতার ক্ষেত্রে না’রীর কাছে পু’রুষাঙ্গের আকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বি’ষয়। কিন্তু গবে’ষণার পর এ ধারণার স’ঙ্গে একমত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তারা জানাচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে না’রী কি চায় পুরু’ষের কাছে।

সুইজারল্যান্ডের এক দল গবেষকের গবে’ষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘জার্নাল অব সে*ক্সুয়াল মেডিসিন’-এ। তারা ১০৫ জন না’রীর ও’পর জরিপ চালান। দেখা গেছে, যৌ*aনতায় তাদের কাছে পু’রুষাঙ্গের আকার সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ বি’ষয় বলে বিবেচিত হয়েছে।

গবেষকরা জানান, জ’ন্মের সময় ছেলেদের ০.৩-০.৫ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ পু’রুষাঙ্গ নিয়ে জ’ন্মগ্রহণ করে। জ’ন্মের প্রথম বছরের মধ্যে সার্জারির মাধ্যমে তা ভালোও করা যায়।

৪ থেকে ৬ ইঞ্চি হচ্ছে বেশিরভাগ পুরু’ষের উ’ত্তেজিত লি*ঙ্গের দৈর্ঘ্য। এর চেয়ে ছোট হলে যৌ*aনমি’লনের কোন কোন আসনে যো’নিতে লি*ঙ্গ চালনা কঠিন হতে পারে। বেশি বড় হলেও আবার স’ঙ্গিনী ব্যাথা পেতে পারে।

পুরু’ষের লিবিডো বা কামচেতনা এবং যৌ*aনক্ষ’মতা আনুপাতিক—এ এক বহুপ্রচলিত বিশ্বাস। এই বিশ্বাসকে যারা ব্যাখ্যা করে তারা বলে বেড়ায় যে পু’রুষাঙ্গের আকার যত বড় হবে যৌ*aন প্রেরণাও ততই বাড়বে। একইভাবে লি*ঙ্গোত্থান ঘটানো ও তা বজায় রাখাও পু’রুষাঙ্গের বর্ধিত আকারের ও’পর নির্ভরশীল।

কোন ব্যক্তি কি পরিমাণ যৌ*aন প্রেরণায় অধিকারী মনস্তাত্ত্বিক পরিভাষায় তা বর্ণনা করতে লিবিডো শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যৌ*aন প্রেরপণা হল বংশপ’রস্পরায় প্রা’প্ত যাবতীয় সহজাত অনুভূতি, হরমোন বা গ্রন্থি নিঃসরণ সংস্ক্রান্ত যাবতীয় তাগিদ এবং চেতন ও অ’চেতন নির্বিশেষে সবরকম মা’নসিক অনভূতির এক জটিল সংমিশ্রণ।

এই পোস্ট টি করা হয়েছেঃ হেল্‌থ বাংলা ওয়েবসাইট এ, আপনি যদি এটি অন্য কোন ওয়েবসাইট এ পেয়ে থাকেন, তাহলে গুগল এ সার্চ করে হেল্‌থ বাংলা সার্চ করে আসল ওয়েবসাইট খুজে নিন। এইসব উপাদানের প্রত্যেকটিই লিবিডোর ও’পর পু’রুষাঙ্গের আকারের কোনও প্রত্যক্ষ ভূমিকা নেই।

জরিপে অংশ নেওয়া ১৬-৪৫ বছর ব’য়সী না’রীদের কাছে পু’রুষাঙ্গের স্বাভাবিক চেহারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্বাভাবিক আকৃতি, স্বাভাবিক অণ্ডকোষই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।

ফ্যাশন ম্যাগাজিন কসমোপলিটানের এক জরিপে অংশ নিয়েছেন ১১ শ পাঠক যার অধিকাংশই না’রী। এ জরিপে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যে না’রীর ব’য়স এবং যৌ*aন আকাঙ্ক্ষা যত বেশি, তার কাছে স’ঙ্গীর পু’রুষাঙ্গের আকার তত কম গুরুত্বপূর্ণ। মূ’লত অ’ভিজ্ঞতাই তাদের এ সত্য উপলব্ধিতে সাহায্য করেছে।

সবচেয়ে বড় লি*ঙ্গ

পু’রুষাঙ্গের আকার সম্প’র্কে যেসব ভ্রান্ত ধারণা দেখা যায় তাদের অধিকাংশেরই মুলে রয়েছে পু’রুষাঙ্গের দুটি স্বাভাবিক অবস্থা। প্রথমটি হল শিথিল অনুত্থিত লি*ঙ্গ, এবং দ্বিতীয়টি হল উত্থিত লি*ঙ্গ।

যৌ*aন বাসনা চালিত হলে লি*ঙ্গের উপরিভাগ বরাবর দুটি ‘কর্পাস ক্যানভারনোসার’ মৌচাক সদৃশ্য ফাঁপা টিস্যু বা কলা এবং লি*ঙ্গের নিম্ম ভাগে অবস্থিত কর্পাস স্পঞ্জিয়োসাম—এর থলথলে টিস্যু যখন র’ক্তে ভরে ওঠে তখনই পুংলি*ঙ্গ বা পু’রুষাঙ্গের ইরেকশান অর্থাত্‍ উত্থান হয়।

শিথিল অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য তিন থেকে সাড়ে তিন ইঞ্চি হয়ে থাকে। উত্থিত অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য আরও দুই থেকে চার ইঞ্চি বেড়ে যায়। কিন্তু যেসব পু’রুষাঙ্গ আকারে ক্ষুদ্র সেগুলো শিথিল অবস্থায় স্বাভাবিক পু’রুষাঙ্গের তুলনায় অনেক বেড়ে যায় এবং তা দৈর্ঘ্য দ্বিগুণও হয়ে থাকে।

শিথিল অবস্থায় যেসব পু’রুষাঙ্গের আকার উত্থিত অবস্থায় চাইতে বড় হয় (তিন থেকে চার ইঞ্চি দৈর্ঘ্য), উত্থান হলে আনুপাতিকভাবে তাদের বৃ’দ্ধি হয় অনেক কম ( উত্থিত অবস্থায় দুই বা আড়াই ইঞ্চি বৃ’দ্ধি পায়) এইভাবে ছোট ছোট পু’রুষাঙ্গের মধ্যে যে পার্থক্য তা যৌ*aন ক্ষ’মতা চালনার স’ঙ্গে হ্রাস পায়। উত্থিত অবস্থায় পু’রুষাঙ্গের গড় মাপ হল সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে ছয় ইঞ্চি (মূ’ল থেকে অগ্রভাগ পর্যন্ত)।

এমনকি ৩৩ জন পুরু’ষ সার্জারির মাধ্যমে পু’রুষাঙ্গে আকার ছোট করে নিয়েছেন বলেই এ গবে’ষণায় উঠে এসেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here