অনলাইনে কেনা থ্রি-পিসের দাম দিতে গিয়ে স্বা’মী-সংসার হারালেন তরুণী

0
11

অনলাইনে কেনা একটি থ্রি-পিসের দাম দিতে গিয়ে সংসার ভে’ঙেছে এই না’রীর, তালাক দিতে হয়েছে স্বা’মীকে। জরিমানা দিতে হয়েছে থ্রি-পিস বিক্রেতা রতনকেও।

রোববার রাতে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজে’লার বাদিয়াজান গ্রামে এ ঘ’টনা ঘটে। সোমবার বিকেলে স্থানীয় মাতব্বররা সালিস ডেকে স্বা’মীর স’ঙ্গে ওই না’রীর বিচ্ছেদ ঘটান। একইস’ঙ্গে ব্যবসায়ী রতনের কাছ থেকে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এ বি’ষয়ে ভু’ক্তভোগী না’রী বলেন, অনলাইনে কাপড় নিছিলাম। কাপড়ের টাকার জন্যই আসছিলো রতন। ঘরের ভে’তরেও আসে নাই, দরজার কাছে ছিল। আমার দেবর তাকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দেয়। এরপর অনেকবার ডাকলেও সে দরজা খোলে নাই। সারারাত আমাকে ও রতনকে এক ঘরে আ’টকে রেখেছে। সকালে বাড়ির সবাইকে ডেকে এনে একটা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার সংসার ভে’ঙেছে।

তিনি বলেন, আমার ভু’ল ছিল- আমি বাড়ির কাউকে না জানিয়ে রতনকে রাতে টাকা দেয়ার জন্য আসতে বলেছি। এ ঘ’টনা না ঘটলে তো আমার সংসার ভাঙতো না। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা চা’প দিয়ে আমাকে তালাক দিতে বা’ধ্য করেছে। আমার বি’রুদ্ধে স্বা’মীর পাঠানো ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।

ওই না’রী আরো বলেন, আমার স’ঙ্গে রতনের কোনো সম্প’র্ক ছিল না। সে আমাকে ধ’র্ষ’ণ করেনি, শ’রীরে স্পর্শ পর্যন্ত করেনি। সারারাত সে নিচে ছিলো, আমি খাটের উপরে ছিলাম।

এ বি’ষয়ে ব্যবসায়ী রতন বলেন, বাদিয়াজান গ্রামে আমার শ্বশুরবাড়ি। সেই সুত্রেই ওই না’রীর স’ঙ্গে পরিচয়। তিনি আমার কাছ থেকে বাকিতে একটা থ্রি-পিস নিয়েছিলেন। রোববার রাতে কাজ শেষে থ্রি-পিসের টাকা আনতে তার বাড়িতে যাই। এরপরই তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা আমাকে আ’টকে সালিস বৈঠক ডাকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here