মোবাইলে বিয়ে করে সাড়ে ৮ লাখ টাকা হা’রিয়েছে কাতার প্রবাসী

0
228

মোবাইল ফোনে প্রেম ও বিয়ে করে প্রবাসী লতিফ ফকিরের প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে নাজির মোল্লা ও তার মে’য়ে সীমার বি’রুদ্ধে। টাকা হা’রিয়ে পা’গলপ্রায় প্রবাসী লতিফ ফকির ও তার বিধবা মা হালিমা বেগম। হয়ত টাকা ফেরত, নয়ত সীমাকে ছেলের বউ হিসেবে তার ঘরে আসার দাবি জানিয়েছেন লতিফের বৃ’দ্ধ মা হালিমা বেগম।

প্র’তারণার শি’কার কাতার প্রবাসী লতিফ ফকির বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজে’লার মৃ’ত মো. জামিরের ছেলে। কাতার প্রবাসী লতিফ ফকির বলেন, ২০১৭ সালের শেষের দিকে আমার খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী আসমা বেগমের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ উপজে’লার কাশিয়ানী উপজে’লার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের খাগড়াবাড়ি গ্রামের নাজির মোল্লার মে’য়ে সীমার স’ঙ্গে আমার প্রেমের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে।

“এরপর থেকে আমি নিয়মিত সীমার স’ঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলি। এর মাঝে বিভিন্ন কারণ-অকারণে সীমা ও তার পরিবারকে আমি কয়েক লাখ টাকা দেই। তিনি বলেন, এক পর্যায়ে সীমার স’ঙ্গে আমার বিয়ের কথা হয়। সেই অনুযায়ী সীমার বাড়িতে আমার মাসহ স্থানীয় কয়েকজন আত্মীয় ও মধ্যস্থতাকারী আসমা বেগমের উপস্থিতিতে মোবাইল ফোনে আমাদের বিয়ে হয়। ওই এলাকার কাজী হেদায়েত হোসেন আমাদের বিয়ে পড়ান।

লতিফ ফকির বলেন, বিয়ের আগে ও বিয়ের পরে সব মিলিয়ে আমি আমার স্ত্রী ও শ্বশুরকে আট লাখ ৪৩ হাজার টাকা দিয়েছি। এর মধ্যে ব্যাংকের মাধ্যমে আমার শ্বশুর নাজির মোল্লার কাছে সাড়ে চার লাখ টাকা পাঠিয়েছি। বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি। আমার স্ত্রী’কে মোবাইল ফোন ও আংটি বানানোর জন্য এক লাখ ৪৩ হাজার টাকা দিয়েছি।

তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে বিয়ে হওয়ার কয়েক দিন পরই আমার স্ত্রী সীমা আমার স’ঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এখন সে আর আমার স’ঙ্গে যোগাযোগ করে না। আমি ফোন দিলে আমাকে গা’লিগা’লাজ করে। প্রবাসে গায়ের র’ক্ত পানি করা টাকা আমার শ্বশুর ও স্ত্রী’কে দিয়েছি। এখন সে আমার স’ঙ্গে প্র’তারণা করছে। আমি টাকা ফেরত চাই, নয়ত সীমাকে চাই।

লতিফ ফকিরের বৃ’দ্ধ মা হালিমা বেগম বলেন, আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে সীমার স’ঙ্গে আমার ছেলে কাতার প্রবাসী লতিফ ফকিরের বিয়ে দিয়েছি। সীমা ও সীমার বাবা নাজির মোল্লাকে আমার স’ন্তান প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা দিয়েছে। এখন তারা আমাদের স’ঙ্গে খা’রাপ ব্যবহার করছে। আমি আমার ছেলের টাকা ও ছেলের বউকে ফেরত চাই।

প্র’তারণার বি’ষয়টি অস্বীকার করে সীমার বাবা নাজির মোল্লা বলেন, আমার মে’য়ের স’ঙ্গে লতিফ ফকিরের বিয়ের কথা চলছিল। এই কথা চালাচালির সময় লতিফ আমার মে’য়ের জন্য প্রায় চার ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার পাঠায়। পরবর্তীতে বিয়ে না হওয়ায় আমরা সেই স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে দিয়েছি।

মোল্লারহাট থানার ওসি কাজী গোলাম কবির বলেন, প্রবাসী লতিফ ফকিরের মা হালিমা বেগম একটি লিখিত অ’ভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। ঘ’টনাটি অন্য এলাকার। তারপরও বি’ষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here