এভাবেই প্রতিদিন ৯৫ বছর ব’য়সী মা’কে দু’ধ-ভাত খাওয়ান স্বপন

0
390

মায়ের প্রিয় খাবার দু’ধ-ভাত আর কলা। তাই প্রতিদিনই স্কুল থেকে ফিরে এভাবেই পরম যত্নে নিজ হাতে মা’কে একস’ঙ্গে দু’ধ, ভাত আর কলা খাওয়ান ফরিদপুরের চর টেপাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী তৈয়বুর রহমান স্বপন।খাওয়ানো ছাড়াও তিনি তার অশীতিপর মাকে নিয়মিত গোসল করান ও সময়মতো ও’ষুধ সেবন করান। স্বপনের মতো মায়ের প্রতি প্রত্যেক স’ন্তানের ভালোবাসা এরকমই হওয়া উচিৎ।

ছবি-মাহবুব হোসেন পিয়াল সূত্র: রাজবাড়ী জে’লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাতৃকন্ঠ
আমা’রা নিজেদের স’ন্তানের ভালোর জন্য বকা-ঝকা করা করে থাকি; আপনি হয়ত ভাবছেন একটু বকা দিলে ক্ষ’তি নেই। আসলে বি’ষয়াটি তা নয়; বকা-ঝকা করা অাপনার স’ন্তানের মনে ও তার ব্যক্তিত্বে অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

শুধুমাত্র নেতিবাচক প্রভাবই নয়; সর্ম্পকে এতে ফাটল ধরে!আমাকে একা থাকতে দাও: প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু সময় কা’টানোর জন্য একান্ত প্রয়োজন হয়। জীবনে এমন কোনো এক সময় আসে,

যখন সবাই একা একা থাকতে চায় খানিকটা সময়। কিন্তু তাই বলে স’ন্তানকে সরাসরি বলা যাবে, “আমাকে একা থাকতে দাও”। এ কথা তাদের মধ্যে নিরপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। সে ভাবে আপনি হয়তো আর তাকে ভালোবাসেন না।

তোমার ভাই বা দিদির মত হতে পারো না: আপনার স’ন্তানকে তার ভাইবোন বা কাজিনের স’ঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না। প্রতিটি মানুষই স্বতন্ত্র। আপনার এ ধরণের তুলনা তার ব্যক্তিত্বে খুবই খা’রাপ প্রভাব ফে’লে এবং নিজের ভে’তর হীনমন্যতা সৃষ্টি হয়। যা স’ন্তানের জন্য মা’রাত্মক মা’নসিক অশা’স্তি সৃষ্টি করে।কোনো কাজ ঠিকমত করতে পারো না: একটা ছোট বাচ্চার বুঝার ক্ষ’মতা সীমিত থাকে। তবুও সে সব কাজ নিখুঁত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সবসময় তা সঠিক নাও হতে পারে। তার মানে এই নয় যে, তার দ্বারা কোনো কাজ হবে না।

থাম! না হলে তোমাকে মারব: এ কথাটি প্রায় সব বাবা মায়েরা তার স’ন্তানদের শুনিয়ে থাকেন। আপনি স’ন্তানকে মা’রেন বা না মা’রেন এ কথাটি তার মনে বি’দ্রোহী মনোভাব সৃষ্টি করে এবং এটি স’ন্তানকে জেদি ও অবা’ধ্য করে তোলে।তুমি না জ’ন্মালে ভালো হতো: রাগ করে হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক স’ন্তানকে এই ধরণের কথা বলবেন না। এই একটি কথাই আপনার প্রতি স’ন্তানের ঘৃণা তৈরির জন্য যথেষ্ট।

তুমি খুব মো’টা বা শুকনো: কোনো শি’শুকে তার স্বা’স্থ্য নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। কারণ এটি তার মধ্যে নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে। সুতারাং, তার শ’রীরের গঠন নিয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

তাড়াতাড়ি কর: আপনার স’ন্তানটি হয়তো সকালে নাস্তা খেতে খুব দেরি করে বা তার কেডস পরতে দেরি করে, যার ফলে তার স্কুলে যেতে দেরি হয়ে যায়।

এ জন্য আপনি যদি তাকে শা’স্তি দেন বা তাড়াতাড়ি কর কথাটি বারবার বলেন। বেবি মাইন্ডস বইটির সহ লেখিকা (পি.এইচ.ডি) লিন্ডা অ্যাক্রিডোলো বলেন, “এতে সে খুব বাড়তি চা’প অনুভব করবে”।

তাই আপনি তাকে আস্তে করে বলুন, “চলো তাড়াতাড়ি করি।” তখন সে বুঝতে পারবে তার দেরি হয়ে যাচ্ছে।নরম সুরে কথা বলুন: আপনি অভিভাবক হিসেবে তার সাথে নরম সুরে কথা বলুন ধমক দিয়ে নয়।

এতে করে তার কোমল মনে কোন ক্ষ’ত সৃষ্টি হবেনা ।প্রতিটি মা-বাবাই তার বাচ্চাদের ভলোবাসেন এতে কোন স’ন্দে’হ নেই। কিন্তু অনেক সময় আমরা হুটহাট এমন সব কথা বলি যা, তাদের মা’নসিক বৃ’দ্ধি বাঁ’ধাগ্রস্থ হয় ও তার উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফে’লে। তাই কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করে কথা বলুন স’ন্তানের সাথে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here