বাসর রাতে যখন অন্য কেউ স’হবাস করেছিল, বুঝেছিলাম ক’ষ্ট কাকে বলে

0
100

বাসর রাতে নিজের স্বা’মীর জায়গায় যখন অন্য কেউ করেছিল তখন বুঝেছিলাম ক’ষ্ট কাকে বলে। আমার কথাটা শোনে হয়ত খুব অবাক লাগছে? কিন্তু এটাই হয়েছে আমার সাথে।সেদিন বুঝেছি য’ন্ত্রণা কাকে বলে। অ’সহায়ত্ত্বের মাত্রা কতটা গু’রুতর হলে মানুষ এমন পরিস্থিতিতে পড়ে ।

বাবা, মায়ের খুব আদরের স’ন্তান ছিলাম।বলতে গেলে সোনার চামচ নিয়ে জ’ন্মেছি।কত ভালোবাসত আমার মা।সারাদিন আমাকে নিয়েই পড়ে থাকত।

কিন্তু সে সু’খ বেশিদিন জুটে নি আমার কপালে। ৮ বছর ব’য়সে ক্যা’ন্সারে আমার মা মা’রা যায়।সেদিন মাকে হা’রিয়ে আমি খুব কেঁদেছিলাম। প্রতিটা মূহুর্তে শুধু মাকে মিস করতাম।বাবাও মায়ের জন্য অনেক ক’ষ্ট পেত।

কিন্তু আমাকে বুঝতে দিত না।কিন্তু বাবা প্রায়সময় ব্যাবস্যার কাজে ব্যাস্ত থাকত।আমাকে তেমন দেখাশোনা করতে পারত না।তাই আত্নীয়স্বজন সবাই বলতে লাগল আরেকটা বিয়ে করার জন্য।

কিন্তু বাবা, মাকে অনেক ভালোবাসত আর নতুন বউ যদি আমাকে মানতে না পেরে আমাকে ক’ষ্ট দেয় এজন্য সহজে বিয়ে করতে রাজি হয় নি।কিন্তু সবার জো’রাজো’রি আর আমার কথায় বাবা ২য় বিয়ে করে।

আরো পড়ুন : আমাদের অতি পরিচিত একটি গাছ লজ্জাবতী আবার কেউ কেউ এক বলেন লাজুক লতা। এটি একটি বর্ষজীবি গুল্ম আগাছা বা ও’ষুধী গাছ। অনেকটা তেতুল পাতার মত।

হাত ও পায়ের স্পর্শে লজ্জ্বাবতীর পাতা বুঁজে এসে বন্ধ হয়ে যায়। পাতা সরু ও লম্বাটে, সংখ্যায় ২ থেকে ২০ জোড়া। এর ফুলগু-লি বেগুনী ও গোলাপী রঙের। এর পাতায় এ্যাকোলয়ড়ে ও এড্রেনালিন এর সব উপকরণ থাকে।

এছাড়াও টিউগুরিনস এবং মুলে ট্যানিন থাকে। যা পুরু’ষা-ঙ্গের শিথীলতা দূর করা সহ আরো নানাবিধ রো’গ সারাতে ব্যবহার হয়। লজ্জাবতী লতার সমগ্র উদ্ভিদ ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

এর ঔষধি গুণগু’লি ধারাবাহিক ভাবে তা আলোচনা করা হলো। দাঁতের মাড়ির ক্ষ’তঃ দাঁতের মাড়ির ক্ষ’ত সারাতে গাছ সহ ১৫ থেকে ২০ সে.মি. লম্বা মূ’ল পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে ৭ দিন দিনে ৩ বার কুলকুচা করলে ভালো হয়।

পুরু-ষা-ঙ্গের শৈথিল্যঃ লজ্জাবতীর বী’জ দিয়ে তৈরি তেল লাগিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করলে তা পু-রু-ষাঙ্গ দৃঢ় হয়। স্বাভাবিক উ-ত্তে-জনা ফিরে আসে। স্ত্রী যৌ-না-ঙ্গের ক্ষ’ত সারাতে যে কোন কারনে য-নিপথে ক্ষ’ত হলে,

প্রথমিক স্ত-রে মাঝে মাঝে অথবা প্রায় রোজই অল্প স্রাব চলতে থাকে, একটা আশটে গন্ধ, কখনো বা একটু লালচে স্রাব হয়, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসক সাবধান করে থাকেন, এটি পরিণামে ক্যা-ন্সার হয়ে যেতে পারে।

এক্ষেত্রে দু’ধ জলে সিদ্ধ করা লজ্জাবতীর নির্জাস দিনে ২ বার খেলে এ রো’গ উপশম হয়। একই সাথে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ দিলে বা যো’নিপথ ধুলে তাড়াতাড়ি ক্ষ’ত সেরে যায়। আঁধার যো-নি ক্ষ’তেঃ এ বিচিত্র রো’গটি কৃষ্ণপক্ষে বেড়ে যায় আর শুক্লপক্ষে শুকাতে থাকে।

এ ক্ষ’তটি হয় সাধারণত হাটুর নিচে আর না হয় কুঁচকির দু’ধারে। এক্ষেত্রে গাছও পাতা ( মূ’ল বাদে ) ১০ গ্রাম শুধু জল দিয়ে নির্জাস করে খেতে হয় এবং ঐ নির্জাস দিয়ে মুছতে হয়।

রমনে অ-তৃ’প্তিঃ কয়েকটি স’ন্তান হওয়ার পর যো-নিদ্বার অনেকটা শিথিল হয়ে যায়, এক্ষেত্রে লজ্জাবতীর নির্জাস দিয়ে ডুশ নেওয়ায়, আর গাছের পাতা সিদ্ধ নির্জাস দিয়ে তৈরি তেলে ন্যাকড়া ভিজিয়ে যো-নিদ্বারে দিয়ে রাখলেভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়া অ-ন্ডকোষের পানি জমা সারাতে পাতার পেস্ট ব্যবহার করা হয়।

আমাশয়ঃ অনেকের আছে পুরানো আমাশয়। মল ত্যাগের বেগ হলে আর অপেক্ষা করতে পারে না। আবার অনেকের শ’ক্ত মলের গায়ে সাদা সাদা আম জড়ানো থাকে। এক্ষেত্রে ১০ গ্রাম লজ্জাবতীর ডাঁটা ও পাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এ নির্জাস খেলে তারা অবশ্যই উপকার পাবেন।

ঘামের দুর্গন্ধ দুর করতেঃ অনের ঘামে দুর্গন্ধ হয় এবং জামায় বা গেঞ্জিতে হলদে দাগ লাগে, এক্ষেত্রে লজ্জাবতী গাছের ডাঁটা ও পাতার নির্জাস তৈরি করে বগল ও শ’রীর মুছতে হবে বা লাগাতে হবে।

তাহলে এ দুর্গন্ধ দুর হবে কোষ্ঠকাঠিন্যঃ এক্ষেত্রে মূ’ল ৭/৮ গ্রাম থেঁতো করে সিদ্ধ করতে হবে এবং ছেঁকে ঐ পানিটা খেতে হবে। তাহলে উপকার হবে। সাদা ফুলের লজ্জ্বাবতীর পাতা ও মুল পিষে রস বের করে নি’য়মিত খেলে পাইলস্ ও ফিস্টুলায় আরাম পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here