নামাজরত মাকে কুড়াল দিয়ে কু’পিয়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’টক

0
178

নামাজরত মাকে কুড়াল দিয়ে কু’পিয়ে হ’ত্যা, ছেলে আ’টক
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নামাজ পড়া অবস্থায় কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কু’পিয়ে মাকে হ’ত্যা করেছে আবু বক্কর (৪০) নামের এক যুবক।

এ ঘ’টনায় অ’ভিযুক্তকে আ’টক করেছে পু’লিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজে’লার শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামে এ ঘ’টনা ঘটে। নি’হত খায়েরুন নেছা (৮০) ওই গ্রামের ক্বারী আনোয়ার উল্যার স্ত্রী।

পু’লিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হ’ত্যাকারী আবু বক্কর বিডিআর বি’দ্রোহ মা’মলার আ’সামি হিসেবে দীর্ঘদিন জে’ল খেটে বের হয়ে আসে।

এরপর থেকে সে অনেকটা মা’নসিক ভারসাম্য হা’রিয়ে ফে’লে। রোববার দুপুরে তার মা খায়েরুন নেছা নামাজ পড়াকালীন সময়ে ছেলে আবু বক্কর অতর্কিতভাবে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে।

এ সময় ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মাকে কো’পাতে থাকে সে। এতে ঘ’টনাস্থলেই খায়রুন নেছার মৃ’ত্যু হয়।

এদিকে, ঘরের অন্য সদস্যদের আত্মচি’ৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘা’তক ছেলে আবু বক্করকে আ’টক করে।

পরে স্থানীয়রা গণধো’লাই দিয়ে তাকে পু’লিশের কাছে সোপর্দ করে। চৌদ্দগ্রাম থানার পু’লিশ পরিদর্শক (ত’দন্ত) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, ঘা’তক ছেলেকে আ’টক করা হয়েছে।

ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’র্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘ’টনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরো খবর পড়ুনঃ

নামাজ আদায় করতে গিয়েও আওয়ামী কর্মীদের বা’ধার সম্মুখীন হচ্ছি: সালাহউদ্দিন
ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ অ’ভিযোগ করে বলেছেন, নামাজ আদায় করতে গিয়েও আওয়ামী লীগ কর্মীদের বা’ধার সম্মুখীন হচ্ছি।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী ওয়াসা রোড জামে মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে মসজিদের প্রবেশের সময় তিনি এসব কথা বলেন। সালাউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, একজন ঈমানদার মু’সলমান হিসেবে বৃহস্পতিবার জনতাবাগের একটি মসজিদে নামাজ আদায় করার জন্য আমি গিয়েছিলাম।

কিন্তু সেখানে আওয়ামী স’ন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আগেই সবকিছু ব্লক করে দেয়া হয়েছে। যাতে আমি সেখানে নামাজ পড়তে না পারি। তিনি বলেন, শুক্রবার (গতকাল) আমি এখানে নামাজ পড়তে এসেছি কাউকে না জানিয়ে। এমনকি আমার দলীয় নেতাকর্মীদেরও জানানো হয়নি।

আগাম জানিয়ে আসলে আওয়ামী লীগের লোকেরা আমার নামাজে বা’ধাগ্রস্ত করবে। যে কারণে আমি এখানে না জানিয়ে নামাজ পড়তে এসেছি। তিনি অ’ভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার আমি এখানে নামাজ পড়তে এসেছি কাউকে না জানিয়ে।

এমনকি আমার দলীয় নেতাকর্মীদেরও জানানো হয়নি। আগাম জানিয়ে এলে আওয়ামী লীগের লোকেরা আমার নামাজে বা’ধাগ্রস্ত করবে যে কারণে আমি এখানে না জানিয়ে নামাজ পড়তে এসেছি। নির্বাচনী দায়িত্বপ্রা’প্ত কিছু ম্যা’জিস্ট্রেট তার নির্বাচনী প্রচারণায় বা’ধার সৃষ্টি করছেন এমন অ’ভিযোগ করে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, নির্বাচন বিধিতে যে আইন আছে সে আইনে নির্দিষ্ট সময়ে আমি সবধরনের মিটিং মিছিল ও গণসংযোগ করি।

কিন্তু গতকাল আমি ৬০নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়েছিলাম সেখানে পু’লিশ এসে আমাকে ফোনে একজন ম’হিলা ম্যা’জিস্ট্রেটকে ধরিয়ে দিলেন। সেই ম’হিলা ম্যা’জিস্ট্রেটকে আমি নাম জিজ্ঞেস করলাম, কিন্তু তিনি তার নাম বললেন না।

আমি মিছিল বন্ধ করার কারণ জানতে চাইলেও তিনি আমাকে কোনো কারণ বলেননি।’ বা’ধার মুখে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির প্রার্থী বলেন, ‘আমি ভোটারদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, যত বা’ধা আসুক আমি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো ও নির্বাচনের দিন সকালে ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করবো।

জুমার নামাজের পরে সালাহউদ্দিন আহমেদ তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে স্থানীয় বিএনপি এবং অ’ঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, স’রকার যদি কোনো অন্যায় নির্দেশ দেয় তা উপেক্ষা করতে হবে। কোনো ধরনের ভ’য়ভীতিতে পিছপা হলে চলবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here