পুরোহিতের স’ঙ্গে যৌ’নতায় ম’ত্ত বউমা, দেখা ফেলায় শাশুড়ি খু’ন

0
17

বউমার পরকীয়ার কথা জেনে গিয়েছিলেন বৃ’দ্ধা। প্রা’ণের বিনিময়ে তার মাসুল দিতে হল তাকে। প্রে’মিকের স’ঙ্গে পরামর্শ করে শাশুড়িকে খু’ন করল বধূ। নৃ’শংস ঘ’টনাটি পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের। পু’লিশের দাবি প্রায় দশ ঘণ্টা জেরার পর ‘গুণধর’ বউমা ও তার প্রে’মিক গোটা ঘ’টনা স্বীকার করে নেয়। এরপরই গ্রে’প্তার করা হয় তাদের।

শনিবার দাসপুরের ওসি সুদীপ ঘোষাল ও ঘাটালের সিআই দেবাশিস ঘোষকে স’ঙ্গে নিয়ে ঘাটালের এসডিপিও অগ্নিশ্বর চৌধুরি সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানেই নৃ’শংস ঘ’টনার বর্ননা দেন তিনি। বলেন, ”শুক্রবার দাসপুরের শ্যামসুন্দরপুরে দুপুর বাড়ি থেকে উ’দ্ধার হয়েছিল মোসুমী গোস্বা’মী নামে এক বৃ’দ্ধার দে’হ। প্রথম থেকেই পু’লিশের স’ন্দে’হের তির ছিল পরিবারের সদস্যদের দিকেই। সেই কারণে মৃ’তার ছেলে ও বউমাকে আ’টক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের কথাবার্তার মধ্যে বেশ কিছু অসংগতি মেলে।

প্রথমটায় সুস্মিতা গোস্বা’মী জানায়, মৌসুমীদেবী অ’সুস্থ ছিলেন। তিনি ও তার শ্বশুর মুখে জল দিয়ে বাড়ির দোতলায় চলে যান। ওই সময় কে বা কারা শাশুড়ির গয়না ও টাকা পয়সা লু’ট করে পালিয়ে যায়। শব্দ শুনতে পেয়ে নীচে নেমে আসেন তিনি। ততক্ষণে এসে পড়েন মৃ’তার স্বা’মী। তিনিই পু’লিশে খবর দেন। কিন্তু বধূর এ বয়ান একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি পু’লিশের। ফলে চে’পে ধরা হয় তাকে। তখনই জেরায় সামনে আসে আসল ত’থ্য।”

জানা গিয়েছে, পুরোহিত গোরাচাঁদের স’ঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্প’র্ক ছিল সুস্মিতার। তারা প্রায়ই দুপুরবেলা গো’পনে দেখা করতেন। কয়েকবারই তাদের অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখে ফে’লেছিলেন মৌসুমীদেবী। যা নিয়ে তীব্র আপত্তি করেন তিনি। যার ফলেই এই ম’র্মান্তিক পরিণতি। নি’হতের একমাত্র ছেলে শুভজিত গোস্বা’মী বলেন, ”মাস ছয়েক আগে এই নিয়ে মায়ের স’ঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল সুস্মিতার। আমিও আপত্তি করেছিলাম। এখন বুঝতে পারছি ওরা পরিকল্পনা করেই মাকে খু’ন করেছে।” স্ত্রী ও তার প্রে’মিকের ফাঁ’সির দাবি জানিয়েছেন ওই যুবক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here