রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশেরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে মিয়ানমারের সাথে হাত মেলালো ভারত !

0
69

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব খর্ব করতে মিয়ানমা’রকে কাছে টানছে ভা’রত। দেশটিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করবে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন। রাখাইনে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর করছে বেইজিং। যাকে টে’ক্কা দিতে, আগামী বছরই ভা’রতীয় অর্থায়নে শুরু হচ্ছে, কৌ’শলগতভাবে গু’রুত্বপূর্ণ রাখাইনের সিত্তি বন্দর প্রকল্পের কাজ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন-ভা’রত দ্ব’ন্দ্বে মাঝখান থেকে মিয়ানমা’র তার অবস্থান আরও পো’ক্ত করে নিচ্ছে।

রোহিঙ্গা গ’ণহ”ত্যার দায়ে অ’ভি’যু’ক্ত মিয়ানমা’র নানাভাবে টা’লবা’হানা করে আ’ট’কে রে’খেছে প্রত্যাবাসন। এমনকি নভেম্বরের নির্বাচনেও ভোট দেয়ার সুযোগ নেই রাখাইনে থাকা অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই মিয়ানমা’র সফর করেছে ভা’রতীয় প্রতিনিধিদল। সফরে চূড়ান্ত হয়েছে, নেইপিদোতে নয়াদিল্লির আরও বড় ধরনের বিনিয়োগের বিষয়টি।

রাখাইনে কৌ’শলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিত্তি বন্দর প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমা’র ও ভা’রত। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৪৮ কোটি মা’র্কিন ডলার। দিল্লির কৌ’শলগত লক্ষ্য সিত্তি বন্দর ঘিরে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা নির্মাণ। ই’রাবতীর প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরের শুরুতেই যৌথ বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এর মাধ্যমে ভা’রত বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমা’রের অভ্যন্তরে চীনা প্রভাব মোকাবিলার চে’ষ্টা চালাবে বলে প্রতিবেদনটিতে উঠে এসেছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিত্তির ভ্রমণ দূরত্ব কমে যাবে প্রায় এক হাজার ৩২৮ কিলোমিটার। কলকাতার সঙ্গে ভা’রতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ সহ’জ হবে। এ ছাড়া মিয়ানমা’রের সঙ্গে ভা’রতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর যোগাযোগ আরও বাড়াতে চায় মোদি প্র’শাসন।

দিল্লির সহায়তায় মহাসড়কসহ বেশ কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও দুদেশের আলোচনা হয়েছে। ছয় বিলিয়ন ডলার খরচ করে মিয়ানমা’রে তেল শো’ধনা’গার তৈরি করে দিচ্ছে ভা’রত।

ভা’রতের সে’নাপ্রধান এমএম নারাভানে ও পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রোববার ও সোমবার মিয়ানমা’র সফর করে। সফরে ভা’রতীয় কর্মক’র্তারা স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি, সে’নাপ্রধানসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here