অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রের ধ’র্ষণে স’ন্তান জ’ন্ম দিল কি’শোরী

0
56

অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া দুই বন্ধু মিলে পালাক্রমে ধ’র্ষণ করে নিজেদের বাড়ির পাশের দিনমজুরের কি’শোরী কন্যাকে (১৪)। ঘ’টনাটি নিয়ে সালিস-দরবার, দফায় দফায় মীমাংসার চেষ্টা হলেও কি’শোরী স’ন্তান সম্ভাবা হয়ে ওঠে।

এ অবস্থায় সর্বশেষ সালিসে স’ন্তান ন’ষ্ট করে কি’শোরীকে বাড়ি ছাড়ার সি’দ্ধান্তে ঘ’টনাটি জানাজানির পর পু’লিশ কি’শোরিকে উ’দ্ধার করে মা’মলা নেয়। এর মধ্যে ধ’র্ষিতা কি’শোরী স’ন্তান জ’ন্ম দিলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে অ’ভিযুক্তরা।

দীর্ঘদিন ত’দন্ত শেষে মা’মলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) আ’দালতে দাখিলের পর অ’ভিযুক্ত দুই তরুণ জা’মিনে আসলে মা’মলা তুলে নেওয়ার হু’মকি দেয় ধ’র্ষিতার পরিবারকে। এ দিকে ধ’র্ষিতার ঘরে জ’ন্ম নেওয়া ছেলে স’ন্তান ধ’র্ষকদের সামনেই বড় হচ্ছে নানা অ’পবাদে।

প্রতিনিয়তই ‘ন’ষ্টা মে’য়ে’ ডাক শুনতে হচ্ছে ধ’র্ষিতাকে। ঘ’টনাটি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজে’লার সিংরইল ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া গ্রামের।

স্থানীয় সূত্র ও মা’মলার এজাহার থেকে জানা যায়, ওই গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে মোবারক হোসেন (১৬) ও মো. আকরাম হোসেনের ছেলে রাকিব মিয়া (১৬) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেলিতে পড়ে।

২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে দুজনে মিলে নিজেদের বাড়ির পাশের এক দিনমজুরের মে’য়েকে জঙ্গলে নিয়ে পালাক্রমে ধ’র্ষণ করে। পরে এ ঘ’টনা কাউকে না বলার জন্য মে’রে ফেলার হু’মকি দেয় ধ’র্ষকরা। এর মধ্যে বেশ কয়েক দিন দুজনে মিলে ধ’র্ষণ করে মে’য়েটিকে।

একপর্যায়ে মে’য়েটির শ’রীর খা’রাপের দিকে যেতে থাকলে পরিবারের লোকজন ঘ’টনাটি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে বিচার দাবি করে। মাতব্বরা ঘ’টনাটি নিয়ে সালিসে বসলেও চা’হিদামতো অর্থ না দেওয়ায় সি’দ্ধান্তে কালক্ষেপণ হয়। আর এর মধ্যেই মে’য়েটি শ’রীরে পরিবর্তন আসতে থাকে। মে’য়েটির অ’ন্তঃসত্ত্বার ব’য়স আট মাস হলে তার শা’রীরিক অবস্থা খা’রাপের দিকে চলে যায়।

কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদের জেরে পু’লিশ মে’য়েটিকে উ’দ্ধার করে। ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল দুই ধ’র্ষক ছাড়াও আট মাতব্বরকে অ’ভিযুক্ত করে মা’মলা নেয় পু’লিশ। এর মধ্যে আটজন কা’রাগারে গিয়ে জা’মিনে মুক্ত হয়। অন্যদিকে দুই ধ’র্ষক থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। এদিকে ধ’র্ষিতা জ’ন্ম দেয় এক ছেলে স’ন্তানের। নাম রাখা হয় জোহান মিয়া। বর্তমান ব’য়স প্রায় ১৫ মাস।

মঙ্গলবার সকালে খোঁজ নিতে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, জ’ন্ম নেওয়া শি’শুটি বাড়ির উঠানে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। কাছে ডাকলে শি’শুটি আগলে ধরে মাকে। শি’শুটির মা জানান, বাবা দিনমজুর। মা পরের বাড়িতে কাজ করে। নিজের স’ন্তান নিয়ে কোনোমতে বেচে আছি। ভবি’ষ্যতে কি হবে তা তিনি বলতে পারছেন না। নিজের স’ন্তানের পিতৃপরিচয়ের স্বীকৃতি না পেলেও তাঁকে প্রতিনিয়তই শুনতে হচ্ছে বিভিন্ন অ’পবাদ। তাকে যারা ধ’র্ষণ করেছে তারা জা’মিনে এসে বাড়িতেই থাকছে। অবাধে চলাফেরা করছে চোখের সামনে দিয়ে।

এর মধ্যে ধ’র্ষণে অ’ভিযুক্ত মোবারক হু’মকি দিয়ে বলে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই মা’মলা ফিনিস হবে। এরপর মি’থ্যা অ’পবাদের জন্য বাড়ি ছাড়া করা হবে। এ অবস্থায় একধরনের ভ’য়ে দিন পার করতে হচ্ছে।

মা’মলাটি চতুর্থ ত’দন্ত কর্মকর্তা হয়ে ত’দন্ত করে চার্জশিট দিয়েছেন নান্দাইল থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) আবুল হাসেম। তিনি বলেন, গত ১৮ আক্টাবর ২০১৯ সালে তিনি আ’দালতে ১০ আ’সামির বি’রুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছেন। এর মধ্যে জ’ন্ম নেওয়া স’ন্তানের ডিএনএ টেস্ট করানো হয়েছে। কিন্তু অ’ভিযুক্তদের ডিএনও টেস্ট হয়নি। এখন এটা আ’দালতের বি’ষয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here