বাইকার প্রেমিদের জন্য দারুণ সু’খবর

0
72

এবার মোটরযানের বীমা করা না থাকলেও ওই মোটরযান বা তার মালিকের বি’রুদ্ধে মা’মলা না করতে পু’লিশকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ। গতকাল শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিআরটিএ সূত্রে এ ত’থ্য জানা গেছে।গত ৩০ সেপ্টেম্বর কোনো মোটরযানের বীমা করা না থাকলেও ওই মোটরযান বা তার মালিকের বি’রুদ্ধে মা’মলা না করে এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে পু’লিশকে চিঠি দিয়েছে বিআরটিএ।

চিঠিতে বলা হয়, ১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশের ১০৯ ধারা অনুযায়ী যানবাহনের জন্য তৃতীয় পক্ষের ঝুঁ’কি বীমা বা’ধ্যতামূ’লক ছিল। ওই আইনের ১৫৫ ধারায় এ জন্য দ’ণ্ডেরও বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ধারা ৬০ এর ১, ২ ও ৩ উপধারা অনুযায়ী মোটরযানের জন্য বীমা বা’ধ্যতামূ’লক নয়।উপধারা ১ এ বলা হয়েছে,

কোনো মোটরযান মালিক বা প্রতিষ্ঠান ই’চ্ছা করলে তার মালিকানায় থাকা যে কোনো মোটরযানের জন্য যে সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট করা তাদের জীবন ও সম্পদের বীমা করতে পারবেন।পধারা ২ অনুযায়ী, মোটরযানের মালিক বা প্রতিষ্ঠান তাদের অধীনে পরিচালিত মোটরযানের জন্য নিয়ম অনুযায়ী বীমা করবেন এবং মোটরযানের ক্ষ’তি বা ন’ষ্ট হওয়ার বি’ষয়টি বীমার আওতাভুক্ত থাকবে। বীমাকারী উপযুক্ত ক্ষ’তিপূরণ পাবেন।

উপধারা ৩ এ বলা হয়েছে, মোটরযান দু’র্ঘ’টনায় পড়লে বা ক্ষ’তিগ্রস্ত হলে বা ন’ষ্ট হলে ওই মোটরযানের জন্য ধারা ৫৩ অনুযায়ী গঠিত তহবিলের অধীনে গঠিত আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে কোনো ক্ষ’তিপূরণ দাবি করতে পারবেন না।আইনের বি’ষয়টি উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ

ধারা অনুযায়ী তৃতীয় পক্ষের ঝুঁ’কি বীমা বা’ধ্যতামূ’লক নয় এবং এই আইনের অধীনে তা ল’ঙ্ঘন হলেও কোনো দ’ণ্ডের বিধান নেই। তৃতীয় পক্ষের ঝুঁ’কি বীমা না থাকলে মোটরযান বা মোটরযানের মালিকের বি’রুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী কোনো মা’মলা দেওয়ার সুযোগ নেই।বি’ষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here