যে কারণে মে’য়েকে নিয়ে ক’বরে ঘুমান বাবা!

0
66

স’ন্তান প্রতিটি বাবা-মায়ের জন্যই সৃষ্টিকর্তার শ্রেষ্ঠ দান। স’ন্তানের মুখে বাবা ডাক শোনা প্রত্যেক পিতার জন্যই স’বচেয়ে সু’খের এবং আ’নন্দের মু’হূর্ত। স’ন্তান পৃথিবীতে আসা মানেই বাবার জীবন স’ম্পূর্ণ বদলে যাওয়া।

একজন বাবা ও মে’য়ের মধ্যে স’স্পর্কটা হয় একদম আ’লাদা। তাদের মধ্যে অটুট ভালোবাসা থাকে। গড়ে ওঠে বিশ্বা’সের স’স্পর্ক। মে’য়ের যত বায়না বা আবদার সব বাবার কাছেই থাকে। আর বাবা থাকে মে’য়ের ই’চ্ছা পূরণের দৈত্য। কারণ একজন বাবাই তার মেয়েকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।

মৃ’ত্যু প্রত্যেকের জন্যই ক’ষ্টের। আপনজনকে হা’রানোর বে’দনাও অধিক। আর যদি আগে থেকেই জা’না যায়, তার সব থেকে প্রিয় মানুষটি তাকে ছে’ড়ে চিরদিনের জন্য চলে যাবে। তবে তা মেনে নেয়া ভীষণ ক’ষ্টের। ভেবে দেখু’ন, যদি একজন বাবা তার মেয়ের মৃ’ত্যুর সময় আগে থেকেই জানে তাহলে তার মনের কি অবস্থা হবে?

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের ঝাঙ্গ ঝিনলেই গ্রামের কৃষক লিয়াং। তার একটি দুই বছরের ছোট মে’য়ে আছে। যাকে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। মে’য়েটি থ্যালাসেমিয়ায় আক্রা’ন্ত। ডাক্তার বলেছেন, মে’য়েটি বেশিদিন বাঁচবে না। সেই থেকে লিয়াং মে’য়েকে নিয়ে প্রতিদিন ক’বরে ঘুমান এবং তার স’ঙ্গে সেখানেই খেলাধুলা করেন।

এমন না যে লিয়াং-এর থাকার কোনো ঘর নেই। তবুও সে মে’য়েকে নিয়ে ক’বরেই ঘুমায়। এভাবে প্রতিদিন বাবা তার মে’য়েকে ক’বরস্থানে বেঁ’চে থাকা শেখায়। বাবা হিসেবে এই কাজটি করা তার জন্যে অনেক ক’ষ্টের। তারপরও সে এই কাজটি করে। যাতে নিজেও মে’য়ের ক’ষ্টের ভাগীদার হতে পারেন।

মে’য়েটি গত এক বছর ধ’রে লিয়াং-এর স’ঙ্গে ক’বরে বাস করা শিখছে। এটি একজন বাবার জন্য খুব য’ন্ত্রণাদায়ক মু’হূর্ত। শি’শুটির চিকিৎ’সাকরা বলেছেন, মে’য়েটির র’ক্তের কোষ সঠিকভাবে কাজ করছে না। আরও জা’নান, এই ধ’রনের অবস্থায় মে’য়েটি সর্বো’চ্চ এক বছর বেঁ’চে থাকবে।

এমন অনেক রো’গ আছে যার কোনো চিকিৎ’সা হয় না। যতই টাকা-পয়সা থাক না কেন সেইসব রো’গগ্রস্ত রো’গীকে বাঁ’চানো মুশকিল হয়। আমাদের দেশেও প্রতিদিন অনেক মানুষ মা’রা যান দুরারো’গ্য ব্যাধিতে আক্রা’ন্ত হয়ে। চীনেও এর ব্য’তিক্রম নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here