বিশ্ববাসীকে সতর্ক করলেন ইমরান খান;

0
56

‘পারমাণবিক পরিবেশে নৃ’শং’স ধ্বং’সয’জ্ঞের পরিকল্পনা করছে ভারত। তবে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষায় পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ল’ড়াই চা’লিয়ে যাবে।’ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে এমন হুঁ’শিয়ারি উচ্চারণ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।ভ’য়াবহ’ সং’ঘা’ত প্রতিহত করার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বলেন, না হয় পুরো অঞ্চল ঝুঁ’কিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, দ’খলকৃত কাশ্মীরে ভারতের অ’বৈধ কর্মকাণ্ড এবং নৃ’শং’সতা থেকে আন্তির্জাতিক সম্প্রদা’য়ের চোখ সরাতে নয়াদিল্লি পারমাণবিক পরিবেশে পাকিস্তানের বি’রুদ্ধে সা’মরিক শ’ক্তি লেলিয়ে দেয়ার ভ’য়াব’হ খেলা খেলছে।

ইমরান খান বলেন, ভারতের উ’স্কানি এবং লাইন অব কন্ট্রোলে যু’দ্ধবিরত ল’ঙ্ঘন এবং সী’মান্তে নিরপরাধ মানুষকে হ’ত্যার পরও পাকিস্তান সর্বোচ্চ সং’য’ত আ’চরণ করছে। অব্যা’হতভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অভিহিত করছি, নয়াদিল্লির নৃ’শং’স পরিকল্পনা এবং মিথ্যচার সম্প’র্কে।তিনি বলেন, উপনিবেশিক ভারতে আমার বাবা-মায়েরা জ’ন্ম নিলেও আমাদের প্রথম প্রজ’ন্ম বেড়ে উঠেছে স্বাধীন পাকিস্তানে। আমি পরিষ্কারভাবে বলছি,

ফ্যাসিবা’দী সর্বগ্রাসী আরএসএ নেতৃত্বাধীন ভারতীয় স’রকার যদি পাকিস্তানের বি’রুদ্ধে কোনো আগ্রাসন চা’লায়, তাহলে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষায় পাকিস্তানিরা শেষ পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত রাখবে।‘নিরাপত্তা পরিষদকে অবশ্যই স’র্বনাশা সং’ঘাত প্রতিহত করতে হবে।

পূর্ব তৈমুর সং’ঘা’ত নিরসনে যে ভূমিকা পরিষদ নিয়েছিল, কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও জাতিসংঘকে নিজের প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন করতে হবে।’ বলেন ইমরান খান। গেল বছর বালাকোটে ভারতের বো’মা হা’ম’লা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার পর থেকে দু’পক্ষের মধ্যে নতুন করে উ’ত্তেজনা ছড়ায়। সেই প্রেক্ষিতে সতর্কতা উচ্চারণ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

দেশটির গণমাধ্যম ডন জানায়, ভারতের যু’দ্ধবি’মান ভূ’পাতিত করে তাদের একজন পাইলট আ’টকের পর আগ্রাসন ও বো’মা হা’মলা থামাতে বা’ধ্য হয় নয়াদিল্লি। উইং কমান্ডার অভিনন্দন ভারথামান নামের ওই পাইলটকে ২০১৯ সালের ১ মার্চ শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভারতের কাছে হস্তান্তর করে ইসলামাবাদ। কিন্তু ভারত ওই বছরের ৫ আগস্ট অ’বৈধভাবে কাশ্মীর দ’খল করে। তারপর থেকে লাইন অব কন্ট্রোলে অব্যা’হতভাবে গু’লি ছুঁ’ড়ছে ভারত।

ওই ঘ’টনা উল্লেখ করে জাতিসংঘের ৭৫তম অধিবেশনে ইমরান খান বলেন, যতোক্ষণ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীর সং’ক’টের সমাধান না হবেততোক্ষণ পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।কাশ্মীরকে প’রমাণু সং’ঘা’তের কেন্দ্র বলে মন্তব্য করেন তিনি।বলেন, গেল বছর নিরাপত্তা পরিষদ তিন দফা জম্মু এবং কাশ্মীরকে বিবেচনায় নিয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদকে অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারতের আসন্ন গণহ’ত্যা থেকে কাশ্মীরীদের রক্ষায় জাতিসংঘকে অবশ্যই পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। তিনি বলেন, পাকিস্তান সবসময় শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে।শান্তি প্রতিষ্ঠায়,

ভারতকে অবশ্যই ২০১৯ সালের ৫ আগস্টের পর নেয়া নৃ’শং’স পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে হবে। সা’মরিক দ’খলদারিত্ব এবং মা’নবাধিকার ল’ঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে। কাশ্মীরী জনগণের ই’চ্ছা এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী জম্মু এবং কাশ্মীর সং’কট সমাধানে একমত হতে হবে।

আফগানিস্তানে শান্তি: ইমরান খান বলেন, আফগানিস্তানে রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে পাকিস্তানের অবস্থান সুস্পষ্ট। গেল ২০ বছর ধরে আমি বলে আসছি, আফগান সং’কটের কোনো সা’মরিক সমাধান নেই। সবপক্ষকে স’ঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক উপায়ে সমাধানই আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে পারে।ইমরান খান বলেন, ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যকার শান্তি চুক্তির পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান সহায়তা করেছে।

এ দায়িত্ব পালন করতে পেরে ইসলামাবাদ সন্তুষ্ট। যু’দ্ধবি’ধ্বস্ত আফগানিস্তান পুনর্গঠন এবং শান্তি পুনরুদ্ধারে দেশটির নেতাদের শান্তি চুক্তিকে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।

১২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া আন্তঃআফগান আলোচনাকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগানোর জন্য আফগান নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। শান্তি প্রক্রিয়ায় বাইরের হস্তক্ষেপ বা প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান জানান তিনি। রাজনৈতিক সমাধানে আফগান শ’রণার্থীদের দেশে ফেরানোর সুযোগ উন্মুক্ত করার ও’পরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।ভারতকে ইঙ্গিত করে ইমরান খান সতর্ক করে বলেন,

আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়া ন’ষ্ট করতে পারে এমন কোনো শ’ক্তিকে সেখানে ভিড়তে দেয়া উচিৎ হবে না। ‘আফগানিস্তানের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন আঞ্চলিক যোগাযোগের নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করবে। যার ফলে মধ্য এশিয়া এবং এর বাইরেও সহযোগিতার নতুন নতুন দ্বার খুলতে পারে।’ বলেন ইমরান খান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here